ঢাকা ০৮:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গভীর রাতে বাড়িতে ঢুকে রোহিঙ্গা নারীকে ছুরিকাঘাত করলো আরসা সদস্যরা, নিয়ে গেছে টাকা ও স্বর্ণ চৌফলদন্ডী ইউনিয়নকে সিটি কর্পোরেশনে অন্তর্ভুক্তির দাবিতে জেলা প্রশাসককে স্মারকলিপি ২০২৭ সালেও দুই পর্বে বিশ্ব ইজতেমা, তারিখ ঘোষণা করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রথমবারের মতো মির্জা আব্বাস ২০২৫ সালের তুলনায় দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এনআইডিসহ সকল পরিচয়পত্রের পরিবর্তে আসছে ‘এক-আইডি’ বন্ধুর সাথে ঘুরতে বেরিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল তরুণী সানুচিং তঞ্চঙ্গ্যার ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি আসেনি এক ঘন্টায়ও! মারাত্মক এক অগ্নিকাণ্ড থেকে রক্ষা পেল বার্মিজ মার্কেট! দেশকে অস্থিতিশীল করতে গুজব ছড়ানো হচ্ছে, সতর্ক থাকুন: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ পলাতক ৩০ আসামিকে আত্মসমর্পণে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরু নয়, সবাইকে বাংলাদেশি ভাবার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ১৯তম কারামুক্তি দিবস আজ মাছ ধরার ট্রলারডুবি: ২ জেলের মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ ২ কক্সবাজার সরকারি কলেজ অ্যাকাউন্টিং ক্লাবের কমিটি : সভাপতি মুন্না, সম্পাদক রেজাউল সুমাইয়ার মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেফতার আরিফ-সোহেল কে কারাগারে প্রেরণ

অগ্নিঝরা মার্চ: এ মাসেই জেগে উঠেছিল বাঙালি

অগ্নিঝরা মার্চ শুরু হয়েছে আজ (রোববার, ১ মার্চ)। ১৯৭১ সালের এ মাসেই শুরু হয় মহান মুক্তিযুদ্ধ। ক্ষমতা হস্তান্তর নিয়ে পাকিস্তানি শাসকদের টালবাহানা যখন চূড়ান্ত রূপ নেয়, বিস্ফোরিত হয় বাঙালির জমে থাকা ক্ষোভ। সেদিন গুলি আর দমন-পীড়নে স্তব্ধ করা যায়নি মানুষের কণ্ঠ। রাজপথজুড়ে শুরু হয় প্রতিরোধ, আন্দোলন রূপ নেয় বাঙালির মুক্তির সংগ্রামে। মার্চের এই উত্তাল সাহসী সময় গোটা জাতিকে উদ্বুদ্ধ করে সশস্ত্র সংগ্রামে। আর চূড়ান্ত লড়াইয়ে জন্ম নেয় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ।

এ মাটির বুকেই জ্বলে উঠেছিল মার্চের আগুন। চূড়ান্ত বিজয়ের স্বপ্নে বিভোর বাঙালি জাতি।

সত্তরের নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পরও তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকদল ক্ষমতা হস্তান্তরে শুরু করে টালবাহানা। ক্ষোভ জমতে থাকে বাঙালির মনে।

একাত্তরের পহেলা মার্চ জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিতের ঘোষণায় ফেটে পড়ে বাংলাদেশ। শুরু হয় অসহযোগ আন্দোলন।

২ ও ৩ মার্চ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে উত্তোলিত হয় স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা। উচ্চারিত হয় স্বাধীনতার ইশতেহার। রাজনৈতিক দাবি রূপ নেয় মুক্তির আন্দোলনে।

মুক্তিযুদ্ধ সংগঠক ডা. মাখদুমা নার্গিস রত্না বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে অত্যন্ত একটা গুরুত্বপূর্ণ, মূল্যবান, শেখার মতো অনেককিছু আছে এ মার্চের আন্দোলনে সংগ্রামে। আবার সে সঙ্গে এই আন্দোলনে আমাদের যে ক্ষয়ক্ষতি, আমাদের যে বেদনার ইতিহাস, আমাদের যে যুদ্ধ করতে গিয়ে লাখ লাখ মানুষের আত্মদান; এই বেদনার ইতিহাসও কিন্তু এই মার্চের সঙ্গে জড়িয়ে আছে।’

৮ থেকে ২৪ মার্চ; অসহযোগ আন্দোলনে অচল হয়ে পড়ে পাকিস্তানি শাসনব্যবস্থা। জনগণের আহ্বানেই চলতে থাকে স্বাধীনতার প্রস্তুতি।

২৫ মার্চ কালরাত, অপারেশন সার্চলাইট নামে নির্মম অভিযানে নিরস্ত্র মানুষের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে পাকিস্তানি বাহিনী। ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে চালানো হয় গণহত্যা। রক্তে রঞ্জিত হয় বাংলার মাটি।

২৬ মার্চ, স্বাধীনতার ঘোষণা, শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ। রক্ত, সাহস আর আত্মত্যাগের পথ ধরে জন্ম নেয় একটি নতুন রাষ্ট্র, বাংলাদেশ।

সূত্র: এখন টিভি

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

গভীর রাতে বাড়িতে ঢুকে রোহিঙ্গা নারীকে ছুরিকাঘাত করলো আরসা সদস্যরা, নিয়ে গেছে টাকা ও স্বর্ণ

অগ্নিঝরা মার্চ: এ মাসেই জেগে উঠেছিল বাঙালি

আপডেট সময় : ০১:২৮:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

অগ্নিঝরা মার্চ শুরু হয়েছে আজ (রোববার, ১ মার্চ)। ১৯৭১ সালের এ মাসেই শুরু হয় মহান মুক্তিযুদ্ধ। ক্ষমতা হস্তান্তর নিয়ে পাকিস্তানি শাসকদের টালবাহানা যখন চূড়ান্ত রূপ নেয়, বিস্ফোরিত হয় বাঙালির জমে থাকা ক্ষোভ। সেদিন গুলি আর দমন-পীড়নে স্তব্ধ করা যায়নি মানুষের কণ্ঠ। রাজপথজুড়ে শুরু হয় প্রতিরোধ, আন্দোলন রূপ নেয় বাঙালির মুক্তির সংগ্রামে। মার্চের এই উত্তাল সাহসী সময় গোটা জাতিকে উদ্বুদ্ধ করে সশস্ত্র সংগ্রামে। আর চূড়ান্ত লড়াইয়ে জন্ম নেয় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ।

এ মাটির বুকেই জ্বলে উঠেছিল মার্চের আগুন। চূড়ান্ত বিজয়ের স্বপ্নে বিভোর বাঙালি জাতি।

সত্তরের নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পরও তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকদল ক্ষমতা হস্তান্তরে শুরু করে টালবাহানা। ক্ষোভ জমতে থাকে বাঙালির মনে।

একাত্তরের পহেলা মার্চ জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিতের ঘোষণায় ফেটে পড়ে বাংলাদেশ। শুরু হয় অসহযোগ আন্দোলন।

২ ও ৩ মার্চ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে উত্তোলিত হয় স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা। উচ্চারিত হয় স্বাধীনতার ইশতেহার। রাজনৈতিক দাবি রূপ নেয় মুক্তির আন্দোলনে।

মুক্তিযুদ্ধ সংগঠক ডা. মাখদুমা নার্গিস রত্না বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে অত্যন্ত একটা গুরুত্বপূর্ণ, মূল্যবান, শেখার মতো অনেককিছু আছে এ মার্চের আন্দোলনে সংগ্রামে। আবার সে সঙ্গে এই আন্দোলনে আমাদের যে ক্ষয়ক্ষতি, আমাদের যে বেদনার ইতিহাস, আমাদের যে যুদ্ধ করতে গিয়ে লাখ লাখ মানুষের আত্মদান; এই বেদনার ইতিহাসও কিন্তু এই মার্চের সঙ্গে জড়িয়ে আছে।’

৮ থেকে ২৪ মার্চ; অসহযোগ আন্দোলনে অচল হয়ে পড়ে পাকিস্তানি শাসনব্যবস্থা। জনগণের আহ্বানেই চলতে থাকে স্বাধীনতার প্রস্তুতি।

২৫ মার্চ কালরাত, অপারেশন সার্চলাইট নামে নির্মম অভিযানে নিরস্ত্র মানুষের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে পাকিস্তানি বাহিনী। ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে চালানো হয় গণহত্যা। রক্তে রঞ্জিত হয় বাংলার মাটি।

২৬ মার্চ, স্বাধীনতার ঘোষণা, শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ। রক্ত, সাহস আর আত্মত্যাগের পথ ধরে জন্ম নেয় একটি নতুন রাষ্ট্র, বাংলাদেশ।

সূত্র: এখন টিভি