ঢাকা ১০:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
​হারানো সরকারি অস্ত্রের তথ্য দিলে মিলবে নগদ অর্থ পুরস্কার কক্সবাজারে ১৪ কেজি চোরাই মালামালসহ ভাঙ্গারী দোকানদার গ্রেপ্তার টেকনাফে দুই বিদ্যালয়ের ৮ শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা চাষ করেছেন ৭ কানি, দিনভর লাইনে দাঁড়িয়ে সার পেলেন ৫ কেজি মাঝ আকাশে ইসরায়েলগামী বিমানের পাইলটকে ছুরিকাঘাত, তবুও যেভাবে বেঁচে ফিরল ১৮০ যাত্রী মরিয়মের পরিবারের সঙ্গে আপস: জামিন পেলেন গাজী নজরুলের প্রথম স্ত্রী ঘুষ হিসেবে জমি নিয়ে ফাঁসলেন উপ-সচিবসহ ৫ জন সালমান মুক্তাদিরের ব্যাংক হিসাব তলব করল বিএফআইইউ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সরকারের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিশ্ববাজারে ব্যারেল প্রতি তেলের দাম ছাড়াল ১০৩ ডলার আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে যেকোন অভিযানের জন্য প্রস্তুত পুলিশ উপকূলীয় এলাকায় ঝোড়ো হাওয়ার আশঙ্কা, দুই সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত উখিয়ার পালংখালী থেকে ১ লাখ ইয়াবা উদ্ধার উখিয়ায় নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের অভিযান: ৫ প্রতিষ্ঠানকে আড়াই লাখ টাকা জরিমানা সেন্টমার্টিনে পর্যটক ভ্রমনে বিধিনিষেধ শিথিল হচ্ছে!

অগ্নিঝরা মার্চ: এ মাসেই জেগে উঠেছিল বাঙালি

অগ্নিঝরা মার্চ শুরু হয়েছে আজ (রোববার, ১ মার্চ)। ১৯৭১ সালের এ মাসেই শুরু হয় মহান মুক্তিযুদ্ধ। ক্ষমতা হস্তান্তর নিয়ে পাকিস্তানি শাসকদের টালবাহানা যখন চূড়ান্ত রূপ নেয়, বিস্ফোরিত হয় বাঙালির জমে থাকা ক্ষোভ। সেদিন গুলি আর দমন-পীড়নে স্তব্ধ করা যায়নি মানুষের কণ্ঠ। রাজপথজুড়ে শুরু হয় প্রতিরোধ, আন্দোলন রূপ নেয় বাঙালির মুক্তির সংগ্রামে। মার্চের এই উত্তাল সাহসী সময় গোটা জাতিকে উদ্বুদ্ধ করে সশস্ত্র সংগ্রামে। আর চূড়ান্ত লড়াইয়ে জন্ম নেয় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ।

এ মাটির বুকেই জ্বলে উঠেছিল মার্চের আগুন। চূড়ান্ত বিজয়ের স্বপ্নে বিভোর বাঙালি জাতি।

সত্তরের নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পরও তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকদল ক্ষমতা হস্তান্তরে শুরু করে টালবাহানা। ক্ষোভ জমতে থাকে বাঙালির মনে।

একাত্তরের পহেলা মার্চ জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিতের ঘোষণায় ফেটে পড়ে বাংলাদেশ। শুরু হয় অসহযোগ আন্দোলন।

২ ও ৩ মার্চ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে উত্তোলিত হয় স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা। উচ্চারিত হয় স্বাধীনতার ইশতেহার। রাজনৈতিক দাবি রূপ নেয় মুক্তির আন্দোলনে।

মুক্তিযুদ্ধ সংগঠক ডা. মাখদুমা নার্গিস রত্না বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে অত্যন্ত একটা গুরুত্বপূর্ণ, মূল্যবান, শেখার মতো অনেককিছু আছে এ মার্চের আন্দোলনে সংগ্রামে। আবার সে সঙ্গে এই আন্দোলনে আমাদের যে ক্ষয়ক্ষতি, আমাদের যে বেদনার ইতিহাস, আমাদের যে যুদ্ধ করতে গিয়ে লাখ লাখ মানুষের আত্মদান; এই বেদনার ইতিহাসও কিন্তু এই মার্চের সঙ্গে জড়িয়ে আছে।’

৮ থেকে ২৪ মার্চ; অসহযোগ আন্দোলনে অচল হয়ে পড়ে পাকিস্তানি শাসনব্যবস্থা। জনগণের আহ্বানেই চলতে থাকে স্বাধীনতার প্রস্তুতি।

২৫ মার্চ কালরাত, অপারেশন সার্চলাইট নামে নির্মম অভিযানে নিরস্ত্র মানুষের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে পাকিস্তানি বাহিনী। ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে চালানো হয় গণহত্যা। রক্তে রঞ্জিত হয় বাংলার মাটি।

২৬ মার্চ, স্বাধীনতার ঘোষণা, শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ। রক্ত, সাহস আর আত্মত্যাগের পথ ধরে জন্ম নেয় একটি নতুন রাষ্ট্র, বাংলাদেশ।

সূত্র: এখন টিভি

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

​হারানো সরকারি অস্ত্রের তথ্য দিলে মিলবে নগদ অর্থ পুরস্কার

অগ্নিঝরা মার্চ: এ মাসেই জেগে উঠেছিল বাঙালি

আপডেট সময় : ০১:২৮:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

অগ্নিঝরা মার্চ শুরু হয়েছে আজ (রোববার, ১ মার্চ)। ১৯৭১ সালের এ মাসেই শুরু হয় মহান মুক্তিযুদ্ধ। ক্ষমতা হস্তান্তর নিয়ে পাকিস্তানি শাসকদের টালবাহানা যখন চূড়ান্ত রূপ নেয়, বিস্ফোরিত হয় বাঙালির জমে থাকা ক্ষোভ। সেদিন গুলি আর দমন-পীড়নে স্তব্ধ করা যায়নি মানুষের কণ্ঠ। রাজপথজুড়ে শুরু হয় প্রতিরোধ, আন্দোলন রূপ নেয় বাঙালির মুক্তির সংগ্রামে। মার্চের এই উত্তাল সাহসী সময় গোটা জাতিকে উদ্বুদ্ধ করে সশস্ত্র সংগ্রামে। আর চূড়ান্ত লড়াইয়ে জন্ম নেয় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ।

এ মাটির বুকেই জ্বলে উঠেছিল মার্চের আগুন। চূড়ান্ত বিজয়ের স্বপ্নে বিভোর বাঙালি জাতি।

সত্তরের নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পরও তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকদল ক্ষমতা হস্তান্তরে শুরু করে টালবাহানা। ক্ষোভ জমতে থাকে বাঙালির মনে।

একাত্তরের পহেলা মার্চ জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিতের ঘোষণায় ফেটে পড়ে বাংলাদেশ। শুরু হয় অসহযোগ আন্দোলন।

২ ও ৩ মার্চ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে উত্তোলিত হয় স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা। উচ্চারিত হয় স্বাধীনতার ইশতেহার। রাজনৈতিক দাবি রূপ নেয় মুক্তির আন্দোলনে।

মুক্তিযুদ্ধ সংগঠক ডা. মাখদুমা নার্গিস রত্না বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে অত্যন্ত একটা গুরুত্বপূর্ণ, মূল্যবান, শেখার মতো অনেককিছু আছে এ মার্চের আন্দোলনে সংগ্রামে। আবার সে সঙ্গে এই আন্দোলনে আমাদের যে ক্ষয়ক্ষতি, আমাদের যে বেদনার ইতিহাস, আমাদের যে যুদ্ধ করতে গিয়ে লাখ লাখ মানুষের আত্মদান; এই বেদনার ইতিহাসও কিন্তু এই মার্চের সঙ্গে জড়িয়ে আছে।’

৮ থেকে ২৪ মার্চ; অসহযোগ আন্দোলনে অচল হয়ে পড়ে পাকিস্তানি শাসনব্যবস্থা। জনগণের আহ্বানেই চলতে থাকে স্বাধীনতার প্রস্তুতি।

২৫ মার্চ কালরাত, অপারেশন সার্চলাইট নামে নির্মম অভিযানে নিরস্ত্র মানুষের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে পাকিস্তানি বাহিনী। ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে চালানো হয় গণহত্যা। রক্তে রঞ্জিত হয় বাংলার মাটি।

২৬ মার্চ, স্বাধীনতার ঘোষণা, শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ। রক্ত, সাহস আর আত্মত্যাগের পথ ধরে জন্ম নেয় একটি নতুন রাষ্ট্র, বাংলাদেশ।

সূত্র: এখন টিভি