“জাল সার্টিফিকেটে ২৬ বছর চাকরী’ শিরোনামে কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত একটি সংবাদ বিলম্বে আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদের দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। রামুর শান্তিপূর্ণ শিক্ষার পরিবেশকে বিনষ্ট করে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির জন্য একটি অসাধু চক্র পরিকল্পিতভাবে এই ধরনের ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত অপপ্রচার চালাচ্ছে।
২০০০ সালের ১লা নভেম্বর যথাযথভাবে নিয়োগবিধি অনুসরণ করে ও সকল সনদ যাচাই বাচাই করে আমাকে প্রভাষক (কম্পিউটার অপারেশন) বিষয়ে নিয়োগ প্রদান করা হয়। এরপর ২০১৬ সালের ১লা মার্চ থেকে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর কারিগরি জনবল কাঠামো ও বিধি মোতাবেক আমাকে সহকারি অধ্যাপক (৬নং গ্রেড) পদে পদোন্নতি দেন (স্মারক নং- কাশিঅ/এমপিও/সভা/২০১৩/১৩২, তারিখ-২৯/০২/২০১৬)। এরআগে ৩১/৮/২০১৫ সালে অনুষ্ঠিত কলেজ গভর্নিং বডির ৮৪ তম সভার ৮ নং সিদ্ধান্ত মোতাবেক আমাকে সহকারি অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়।
এরপর ২০১৮ সালে শিক্ষা মন্ত্রনালয় কর্তৃক পুলিশ ভেরিফিকশন সহ সকল সনদ ও পদোন্নতির বিষয় পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করে আমাকে সহকারী অধ্যাপক (নন-ক্যাডার) পদে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ে আত্মীকরণ করা হয় করা হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে একই বিভাগের একজন প্রভাষক স্থানীয় ও রাজনৈতিক প্রভাব দেখিয়ে এতদিন আমাকে আইটি বিষয়ের ক্লাশ নিতে দেননি এবং বিভাগের সিনিয়র শিক্ষক বা সহকারি অধ্যাপক হিসাবে বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্ব নিতেও দেননি। পরে বর্তমান অধ্যক্ষ মহোদয় নিয়োগপ্রাপ্ত হলে আগের বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রভাষককে সরিয়ে দিয়ে আমাকে বিধি মোতাবেক বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্বসহ আইটি বিভাগের ক্লাশ দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওই প্রভাষক বিভিন্ন গণমাধ্যমে মিথ্যা তথ্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার মাধ্যমে রামু সরকারি কলেজের শিক্ষার পরিবেশকে ফের অশান্ত করার পাঁয়তারা করছেন।
আমি সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও গোয়েন্দা সংস্থার কাছে এসব অশুভ চক্রান্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাই।
শহীদুল হক কাজল,
সহকারি অধ্যাপক, রামু সরকারি কলেজ, কক্সবাজার।
নিজস্ব প্রতিবেদক: 
























