ঢাকা ০৮:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চৌফলদন্ডি ইউপি নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থী ফোরকান মাহমুদ উখিয়ায় পাহাড়ের পাদদেশ থেকে বু/লে/টপ্রুফ ভেস্ট ও অ/স্ত্র তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার সেনা সদস্য তিতাস শেখ হ/ত্যার বিচারের দাবিতে টেকনাফে বিএনপির মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ ‘অভিযানে যাব, দোয়া কইরো’— মায়ের সঙ্গে সেনা সদস্যের শেষ কথা টানা তিন দফা বৃদ্ধির পর কমল স্বর্ণের দাম, ভরিতে ২৭৪১ টাকা লোহাগাড়ায় সার ডিলার নিয়োগে অভিযোগ, জেলা প্রশাসকের তদন্তের নির্দেশ পেকুয়ায় অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেল বৃদ্ধের লোহাগাড়ায় ইয়াবা সেবন করে মাকে মারধর, ছেলের এক মাসের কারাদণ্ড প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের পর আজিজনগরে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের বাছাই হাসিনার সম্পত্তি বিক্রির অর্ধেক অর্থ পাবেন অভ্যুত্থানে নিহতদের স্বজনেরা, মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাহাড়সম অদক্ষতা চাপা দেওয়ার জন্য বিরোধীদলের ওপর দায় চাপাচ্ছে সরকার: জামায়াত আমির রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে পোশাকশিল্পে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টেকনাফে মাছ ধরার নৌকায় বজ্রপাত, জেলের মৃত্যু রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে কমনওয়েলথের সমর্থন চায় বাংলাদেশ আজ জেলহত্যা দিবস

প্রকাশিত সংবাদের ব্যাপারে রামু সরকারি কলেজের সহকারি অধ্যাপক শহীদুল হক কাজলের বক্তব্য

“জাল সার্টিফিকেটে ২৬ বছর চাকরী’ শিরোনামে কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত একটি সংবাদ বিলম্বে আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদের দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। রামুর শান্তিপূর্ণ শিক্ষার পরিবেশকে বিনষ্ট করে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির জন্য একটি অসাধু চক্র পরিকল্পিতভাবে এই ধরনের ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত অপপ্রচার চালাচ্ছে।

২০০০ সালের ১লা নভেম্বর যথাযথভাবে নিয়োগবিধি অনুসরণ করে ও সকল সনদ যাচাই বাচাই করে আমাকে প্রভাষক (কম্পিউটার অপারেশন) বিষয়ে নিয়োগ প্রদান করা হয়। এরপর ২০১৬ সালের ১লা মার্চ থেকে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর কারিগরি জনবল কাঠামো ও বিধি মোতাবেক আমাকে সহকারি অধ্যাপক (৬নং গ্রেড) পদে পদোন্নতি দেন (স্মারক নং- কাশিঅ/এমপিও/সভা/২০১৩/১৩২, তারিখ-২৯/০২/২০১৬)। এরআগে ৩১/৮/২০১৫ সালে অনুষ্ঠিত কলেজ গভর্নিং বডির ৮৪ তম সভার ৮ নং সিদ্ধান্ত মোতাবেক আমাকে সহকারি অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়।

এরপর ২০১৮ সালে শিক্ষা মন্ত্রনালয় কর্তৃক পুলিশ ভেরিফিকশন সহ সকল সনদ ও পদোন্নতির বিষয় পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করে আমাকে সহকারী অধ্যাপক (নন-ক্যাডার) পদে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ে আত্মীকরণ করা হয় করা হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে একই বিভাগের একজন প্রভাষক স্থানীয় ও রাজনৈতিক প্রভাব দেখিয়ে এতদিন আমাকে আইটি বিষয়ের ক্লাশ নিতে দেননি এবং বিভাগের সিনিয়র শিক্ষক বা সহকারি অধ্যাপক হিসাবে বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্ব নিতেও দেননি। পরে বর্তমান অধ্যক্ষ মহোদয় নিয়োগপ্রাপ্ত হলে আগের বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রভাষককে সরিয়ে দিয়ে আমাকে বিধি মোতাবেক বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্বসহ আইটি বিভাগের ক্লাশ দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওই প্রভাষক বিভিন্ন গণমাধ্যমে মিথ্যা তথ্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার মাধ্যমে রামু সরকারি কলেজের শিক্ষার পরিবেশকে ফের অশান্ত করার পাঁয়তারা করছেন।

আমি সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও গোয়েন্দা সংস্থার কাছে এসব অশুভ চক্রান্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাই।

শহীদুল হক কাজল,
সহকারি অধ্যাপক, রামু সরকারি কলেজ, কক্সবাজার।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

চৌফলদন্ডি ইউপি নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থী ফোরকান মাহমুদ

প্রকাশিত সংবাদের ব্যাপারে রামু সরকারি কলেজের সহকারি অধ্যাপক শহীদুল হক কাজলের বক্তব্য

আপডেট সময় : ১১:০৯:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

“জাল সার্টিফিকেটে ২৬ বছর চাকরী’ শিরোনামে কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত একটি সংবাদ বিলম্বে আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদের দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। রামুর শান্তিপূর্ণ শিক্ষার পরিবেশকে বিনষ্ট করে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির জন্য একটি অসাধু চক্র পরিকল্পিতভাবে এই ধরনের ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত অপপ্রচার চালাচ্ছে।

২০০০ সালের ১লা নভেম্বর যথাযথভাবে নিয়োগবিধি অনুসরণ করে ও সকল সনদ যাচাই বাচাই করে আমাকে প্রভাষক (কম্পিউটার অপারেশন) বিষয়ে নিয়োগ প্রদান করা হয়। এরপর ২০১৬ সালের ১লা মার্চ থেকে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর কারিগরি জনবল কাঠামো ও বিধি মোতাবেক আমাকে সহকারি অধ্যাপক (৬নং গ্রেড) পদে পদোন্নতি দেন (স্মারক নং- কাশিঅ/এমপিও/সভা/২০১৩/১৩২, তারিখ-২৯/০২/২০১৬)। এরআগে ৩১/৮/২০১৫ সালে অনুষ্ঠিত কলেজ গভর্নিং বডির ৮৪ তম সভার ৮ নং সিদ্ধান্ত মোতাবেক আমাকে সহকারি অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়।

এরপর ২০১৮ সালে শিক্ষা মন্ত্রনালয় কর্তৃক পুলিশ ভেরিফিকশন সহ সকল সনদ ও পদোন্নতির বিষয় পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করে আমাকে সহকারী অধ্যাপক (নন-ক্যাডার) পদে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ে আত্মীকরণ করা হয় করা হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে একই বিভাগের একজন প্রভাষক স্থানীয় ও রাজনৈতিক প্রভাব দেখিয়ে এতদিন আমাকে আইটি বিষয়ের ক্লাশ নিতে দেননি এবং বিভাগের সিনিয়র শিক্ষক বা সহকারি অধ্যাপক হিসাবে বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্ব নিতেও দেননি। পরে বর্তমান অধ্যক্ষ মহোদয় নিয়োগপ্রাপ্ত হলে আগের বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রভাষককে সরিয়ে দিয়ে আমাকে বিধি মোতাবেক বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্বসহ আইটি বিভাগের ক্লাশ দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওই প্রভাষক বিভিন্ন গণমাধ্যমে মিথ্যা তথ্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার মাধ্যমে রামু সরকারি কলেজের শিক্ষার পরিবেশকে ফের অশান্ত করার পাঁয়তারা করছেন।

আমি সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও গোয়েন্দা সংস্থার কাছে এসব অশুভ চক্রান্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাই।

শহীদুল হক কাজল,
সহকারি অধ্যাপক, রামু সরকারি কলেজ, কক্সবাজার।