এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা-২০২৬-এর ফলাফলে মহেশখালী উপজেলায় মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে পাসের হারে শীর্ষে রয়েছে মহেশখালী আইল্যান্ড হাই স্কুল। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ৮৭ দশমিক ০১ শতাংশ। অন্যদিকে সর্বোচ্চ সংখ্যক জিপিএ-৫ অর্জনের দিক থেকে উপজেলার শীর্ষে রয়েছে মহেশখালী মডেল হাই স্কুল।
সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন দেশের সমমান ও এসএসসি পরীক্ষার ফল ঘোষণা করেন।
প্রকাশিত এ ফলাফলে দ্বীপ উপজেলা মহেশখালী উপজেলার ১৯টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ফলাফল বিশ্লেষণে উপজেলায় পাশের হার ৫৪.৭৭%।
•উপজেলায় পাসের হারে শীর্ষ তিন
মহেশখালী আইল্যান্ড হাই স্কুল থেকে এ বছর ৭৭ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ৬৭ জন পাস করেছে। ফেল করেছে ১০ জন। পাসের হার ৮৭ দশমিক ০১ শতাংশ। প্রতিষ্ঠানটি থেকে ৬ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।
দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে মহেশখালী মডেল হাই স্কুল। প্রতিষ্ঠানটি থেকে ১৮২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ১৪০ জন পাস করেছে। ফেল করেছে ৪২ জন। পাসের হার ৭৬ দশমিক ৯২ শতাংশ। এ প্রতিষ্ঠান থেকে সর্বোচ্চ ১১ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে।
তৃতীয় অবস্থানে থাকা বড় মহেশখালী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১২৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৯৫ জন পাস করেছে। ফেল করেছে ৩০ জন। পাসের হার ৭৬ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ জন।
•উপজেলার অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের ফলাফল
পানিরছড়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৭৭ জনের মধ্যে ৫৩ জন পাস করেছে। পাসের হার ৬৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ; জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ জন।
কালারমারছড়া উত্তর নলবিলা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৯৪ জনের মধ্যে ৬০ জন পাস করেছে। পাসের হার ৬৩ দশমিক ৮৩ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন।
কুতুবজোম আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১০০ জনের মধ্যে ৬১ জন পাস করেছে। পাসের হার ৬১ শতাংশ; জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন।
হোয়ানক বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৪১ জনের মধ্যে ৮১ জন পাস করেছে। পাসের হার ৫৭ দশমিক ৪৫ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন।
মহেশখালী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৭০ জনের মধ্যে ৪০ জন পাস করেছে। পাসের হার ৫৭ দশমিক ১৪ শতাংশ। প্রতিষ্ঠানটি থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭ জন।
কুতুবজোম অফ-শোর হাই স্কুল থেকে ৪০ জনের মধ্যে ২২ জন পাস করেছে; পাসের হার ৫৫ শতাংশ। কোনো শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পায়নি।
হোয়ানক আবদুল মাবুদ চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৪১ জনের মধ্যে ২১ জন পাস করেছে; পাসের হার ৫১ দশমিক ২২ শতাংশ। কোনো শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পায়নি।
শাপলাপুর জালেয়ারমার ঘাট আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৫৫ জনের মধ্যে ২৬ জন পাস করেছে; পাসের হার ৪৭ দশমিক ২৭ শতাংশ। কোনো শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পায়নি।
হোয়ানক বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২৬ জনের মধ্যে ১২ জন পাস করেছে; পাসের হার ৪৬ দশমিক ১৫ শতাংশ। এ প্রতিষ্ঠান থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন।
কালারমারছড়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৮৭ জনের মধ্যে ৮১ জন পাস করেছে; পাসের হার ৪৩ দশমিক ৩২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ জন।
মাতারবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২১৬ জনের মধ্যে ৯০ জন পাস করেছে; পাসের হার ৪১ দশমিক ৬৭ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ জন।
ধলঘাটা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৪৩ জনের মধ্যে ১৬ জন পাস করেছে; পাসের হার ৩৭ দশমিক ২১ শতাংশ। কোনো শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পায়নি।
ইউনুছখালী নাছির উদ্দিন হাই স্কুল এন্ড কলেজ থেকে ১০০ জনের মধ্যে ৩৬ জন পাস করেছে; পাসের হার ৩৬ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ জন।
শাপলাপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১২৬ জনের মধ্যে ৪৪ জন পাস করেছে; পাসের হার ৩৪ দশমিক ৯২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন।
মাতারবাড়ি আদর্শ পাবলিক হাই স্কুল থেকে ২৪ জনের মধ্যে ৭ জন পাস করেছে; পাসের হার ২৯ দশমিক ১৭ শতাংশ। কোনো শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পায়নি।
পাশের হারে উপজেলায় সর্বশেষ অবস্থানে থাকা ছোট মহেশখালী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২৭ জনের মধ্যে ৭ জন পাস করেছে; পাসের হার ২৫ দশমিক ৯৩ শতাংশ।
এবারের এসএসসি পরীক্ষায় মহেশখালী উপজেলার ১৯টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ হাজার ৭৫১ জন পরীক্ষার্থী। এর মধ্যে ৯৫৯ জন পরীক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে এবং অকৃতকার্য হয়েছে ৭৯২ জন পরীক্ষার্থী। উপজেলার ১৯ টি প্রতিষ্ঠান থেকে মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫০ জন।
কাব্য সৌরভ 























