সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আগাম ঘোষণা দিয়ে কক্সবাজারের রামু উপজেলায় মোটরসাইকেল শোডাউন ও মিছিল করেছে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এর আগের দিন উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নে সংগঠনটির কর্মী সমাবেশও অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুই ঘটনাকে কেন্দ্র করে জেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে দুটি ঘটনার পরপরই উখিয়া ও রামুতে এর প্রতিবাদে মিছিল করেছে বিএনপি,যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
জানা গেছে, রবিবার সকাল ৭টার কিছু পর কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের রামু উপজেলার রশিদনগর ইউনিয়নের স্বপ্নতরী পার্কসংলগ্ন এলাকা থেকে মোটরসাইকেল শোডাউন শুরু হয়। পরে বহরটি মহাসড়ক হয়ে জোয়ারিয়ানালার দিকে যায়। এ সময় অংশগ্রহণকারীদের বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়।
শোডাউনের আগের দিন শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মোটর বাইক নিয়ে কর্মসূচির পালনের জন্যে রামুর নেতাকর্মীদের আহবান জানান নিষিদ্ধ ঘোষিত জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এস এম সাদ্দাম হোসাইন। সেই ঘোষণা অনুযায়ী রবিবার সকালে এই মিছিল ও বাইক শো ডাউন অনুষ্ঠিত হয় বলে জানান রামুর কর্মীরা।
নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনঠির রামু উপজেলা শাখার যুগ্ম আহবায়ক তারেক উদ্দিন মিশুক গণমাধ্যমকে জানান,রবিবার সকাল সাড়ে ৭ টার দিকে মিছিল হয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা মিছিলে অংশ নেন। এতে বিভিন্ন পর্যায়ের অন্তত শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। তার দাবি, কর্মসূচিটি শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এর আগে শনিবার দুপুরে উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের উদ্যোগে একটি কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয়রা জানান, এতে শতাধিক নেতাকর্মী অংশ নেন।
একইদিন বিকেলে সমাবেশের প্রতিবাদে পালংখালী স্টেশন এলাকায় বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল করেন। মিছিলে তারা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন। একই সঙ্গে সমাবেশে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
অন্যদিকে রামুতেও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বাইক শো ডাউনের প্রতিবাদে মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার বিকেলে জোয়ারিয়ানালায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এবং রামু চৌমুহনীতে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা প্রতিবাদ মিছিল করেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক: 






















