ঢাকা ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাজার সমিতির অফিসে চাচা-ভাতিজার ৩০ লাখ টাকার ইয়াবাকান্ড! কুতুপালংয়ে চাঞ্চল্য, চুপ প্রশাসন সুগন্ধা সৈকতে মাথা ও পা-বিহীন অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার বিশেষ ব্যবস্থায় সেন্টমার্টিনে নিত্যপণ্য সরবরাহ; বৈরী আবহাওয়ায় টেকনাফে আটকে পড়েছে দ্বীপের বাসিন্দারা কর অঞ্চল কক্সবাজারে ৯৬ নবনিযুক্ত কর্মীর বরণ অনুষ্ঠান ​টেকনাফে যুব প্রতিনিধিত্ব ও অন্তর্ভুক্তিমূলক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা সভা রামুর চাঞ্চল্যকর সৈয়দ হোসেন হত্যা মামলার প্রধান আসামি আক্তার কামাল সিলেট থেকে গ্রেফতার পাহাড়তলীর মৌলভী পাড়ার মোহাম্মদ আলী হত্যা মামলার প্রধান আসামি রবিউল ফেনীতে গ্রেফতার : দায় স্বীকার ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় প্রস্তুতি মহড়া কক্সবাজারে লাগানো হবে ২৮ লক্ষ গাছ পেকুয়ায় বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি, আতঙ্কে উপকূলবাসী জেলায় পাহাড় ধসে ১৯, পাহাড়ী ঢলে ভেসে গিয়ে ৩ জনসহ মোট ২২ জনের মৃত্যু : প্লাবিত নিম্নাঞ্চল পারিবারিক বিরোধে ভাতিজার ছুরিকাঘাতে আহত চাচার মৃত্যু রোহিঙ্গা কার্যক্রমে স্থানীয়দের ৬০ শতাংশ নিয়োগের দাবি এমপি কাজলের উখিয়ায় পাহাড়ধসের ঘটনাস্থল পরিদর্শনে পুলিশ সুপার সেন্ট মার্টিন ও শাহপরীর দ্বীপে ভেসে এল ৩ মরদেহ

বাজার সমিতির অফিসে চাচা-ভাতিজার ৩০ লাখ টাকার ইয়াবাকান্ড! কুতুপালংয়ে চাঞ্চল্য, চুপ প্রশাসন

বিশ্বের সর্ববৃহৎ শরণার্থী শিবির রোহিঙ্গা ক্যাম্প লাগোয়া উখিয়ার কুতুপালং বাজার। যেখানকার বাজার ব্যবসায়ী সমিতির অফিস ব্যবহার করে খোদ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ রুবেল ও তার আপন চাচা যুবদল নেতা মোহাম্মদ কামালের বিরুদ্ধে ৩০ লাখ টাকার ইয়াবা ভাগ-বাঁটোয়ারার অভিযোগ উঠেছে।

এঘটনায় এলাকা জুড়ে চাঞ্চল্য বিরাজ করলেও এখনো প্রশাসন কিংবা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে দেখা মিলেনি দৃশ্যমান পদক্ষেপ।

জানা গেছে, গত ৬ জুলাই ভোর ৫টা ৪০ মিনিটের দিকে রহিম ও বশর নামে দুই রোহিঙ্গাকে ১৪ হাজার পিস ইয়াবাসহ আটক করে বাজার সমিতির রাত্রিকালীন প্রহরীরা।

সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, বাজার সমিতির অফিসে নিয়ে আটক ব্যক্তিকে হাত-পা বেঁধে নির্যাতন করা হয়।

অভিযোগ উঠেছে প্রায় ১৪ লাখ টাকা মূল্যের ১৪ হাজার ইয়াবা ভাগ-বাঁটোয়ারা ও আটক ব্যক্তির কাছ থেকে ১৬ লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায়ে দফারফা করা হয় সমিতির অফিসে, যেখানে নেতৃত্ব দেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক রুবেল ও তার চাচা কামাল।

ঘটনাকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে বেশ কয়েকটি প্রশ্ন উঠেছে।

যদি ইয়াবা উদ্ধার করা হয়ে থাকে, তাহলে তা কেন সরাসরি পুলিশ বা অন্য কোনো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়নি? ভোর সাড়ে পাঁচটার সময় সমিতির কার্যালয়ে দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তিরা কীভাবে উপস্থিত ছিলেন? কথিত জব্দ করা ইয়াবার পরবর্তী হেফাজত কার কাছে ছিল এবং সেগুলোর কী হয়েছে? মুক্তিপণ দাবির অভিযোগের সত্যতা কতটুকু? এবং ঘটনার সময় সিসিটিভি ক্যামেরা কেন বন্ধ ছিল?

স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকায় মাদককে কেন্দ্র করে ছিনতাই, অপহরণ, গুম ও হত্যার মতো অপরাধ বেড়ে যাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে মাদকের টাকা উদ্ধারের জন্য শিশুদেরও অপহরণের ঘটনা ঘটছে বলে তারা দাবি করেন।

এসব ঘটনায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে কুতুপালং বাজার দোকান মালিক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাজার সমিতির অফিসে চাচা-ভাতিজার ৩০ লাখ টাকার ইয়াবাকান্ড! কুতুপালংয়ে চাঞ্চল্য, চুপ প্রশাসন

বাজার সমিতির অফিসে চাচা-ভাতিজার ৩০ লাখ টাকার ইয়াবাকান্ড! কুতুপালংয়ে চাঞ্চল্য, চুপ প্রশাসন

আপডেট সময় : ০২:৩২:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

বিশ্বের সর্ববৃহৎ শরণার্থী শিবির রোহিঙ্গা ক্যাম্প লাগোয়া উখিয়ার কুতুপালং বাজার। যেখানকার বাজার ব্যবসায়ী সমিতির অফিস ব্যবহার করে খোদ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ রুবেল ও তার আপন চাচা যুবদল নেতা মোহাম্মদ কামালের বিরুদ্ধে ৩০ লাখ টাকার ইয়াবা ভাগ-বাঁটোয়ারার অভিযোগ উঠেছে।

এঘটনায় এলাকা জুড়ে চাঞ্চল্য বিরাজ করলেও এখনো প্রশাসন কিংবা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে দেখা মিলেনি দৃশ্যমান পদক্ষেপ।

জানা গেছে, গত ৬ জুলাই ভোর ৫টা ৪০ মিনিটের দিকে রহিম ও বশর নামে দুই রোহিঙ্গাকে ১৪ হাজার পিস ইয়াবাসহ আটক করে বাজার সমিতির রাত্রিকালীন প্রহরীরা।

সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, বাজার সমিতির অফিসে নিয়ে আটক ব্যক্তিকে হাত-পা বেঁধে নির্যাতন করা হয়।

অভিযোগ উঠেছে প্রায় ১৪ লাখ টাকা মূল্যের ১৪ হাজার ইয়াবা ভাগ-বাঁটোয়ারা ও আটক ব্যক্তির কাছ থেকে ১৬ লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায়ে দফারফা করা হয় সমিতির অফিসে, যেখানে নেতৃত্ব দেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক রুবেল ও তার চাচা কামাল।

ঘটনাকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে বেশ কয়েকটি প্রশ্ন উঠেছে।

যদি ইয়াবা উদ্ধার করা হয়ে থাকে, তাহলে তা কেন সরাসরি পুলিশ বা অন্য কোনো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়নি? ভোর সাড়ে পাঁচটার সময় সমিতির কার্যালয়ে দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তিরা কীভাবে উপস্থিত ছিলেন? কথিত জব্দ করা ইয়াবার পরবর্তী হেফাজত কার কাছে ছিল এবং সেগুলোর কী হয়েছে? মুক্তিপণ দাবির অভিযোগের সত্যতা কতটুকু? এবং ঘটনার সময় সিসিটিভি ক্যামেরা কেন বন্ধ ছিল?

স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকায় মাদককে কেন্দ্র করে ছিনতাই, অপহরণ, গুম ও হত্যার মতো অপরাধ বেড়ে যাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে মাদকের টাকা উদ্ধারের জন্য শিশুদেরও অপহরণের ঘটনা ঘটছে বলে তারা দাবি করেন।

এসব ঘটনায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে কুতুপালং বাজার দোকান মালিক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।