ঢাকা ১০:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অসম্ভবকে সম্ভব করার গল্প: অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টাইগারদের সমীহ জাগানিয়া অর্জন.. জামিনে মুক্তি পেলেন টেকনাফের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জাফর আহমদ টোল ইজারার কাগজে টেম্পারিংয়ের অভিযোগ, অতিরিক্ত টোল আদায়ে বিপাকে তিন ইউনিয়নের ব্যবসায়ীরা সমিতিপাড়ার সুকান্ত হত্যা মামলার পলাতক আসামি আরাফাত গ্রেফতার কক্সবাজার থেকে ঢাকাগামী ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ : যাত্রী আহত বালিয়াড়ীতে সড়ক নির্মান বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে বাপার স্মারকলিপি চকরিয়ায় মিষ্টিতে “তেলাপোকা”, নানা অসংগতি : ৫ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা অক্টোবরের মধ্যে চালু হবে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর: বিমানমন্ত্রী মিয়ানমারে বৌদ্ধ বিহারে বিমান হামলায় নিহত ১৪ রাজনৈতিক মতাদর্শ নয়, পেশাগত যোগ্যতা হবে পদোন্নতির মানদণ্ড: প্রধানমন্ত্রী বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত গত ১৭ বছর ধরে সংবাদমাধ্যমের হাত বাঁধা ছিল: তথ্যমন্ত্রী বঙ্গভবনে উঠলেন রাষ্ট্রপতি, দেওয়া হলো গার্ড অব অনার টেকনাফে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ : কখন চালু হবে? সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের দ্রুত গ্রেফতারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর, ব্যর্থতায় কঠোর ব্যবস্থার হুশিয়ারি

বিশেষ ব্যবস্থায় সেন্টমার্টিনে নিত্যপণ্য সরবরাহ; বৈরী আবহাওয়ায় টেকনাফে আটকে পড়েছে দ্বীপের বাসিন্দারা

টানা বৈরী আবহাওয়া ও বঙ্গোপসাগর উত্তাল থাকায় টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌরুটে সাধারণ ট্রলার ও নৌযান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনের বাসিন্দাদের খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সংকট দূর করতে বিশেষ উদ্যোগে পণ্য পাঠানো হয়েছে।

কাজের সুবাদে টেকনাফে এসে বৈরী আবহাওয়ার কারণে আটকা পড়েছেন দ্বীপের বহু স্থানীয় বাসিন্দা। এর পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে তীব্র বিদ্যুৎ সংকটে ভুগছেন দ্বীপবাসী।

​বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাতে সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

​ইউপি চেয়ারম্যান জানান, দ্বীপের মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গত ২৪ জুন সরকারি ভিজিএফের ৭৭২ বস্তা চাল সেন্টমার্টিনে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া সর্বশেষ বুধবার উপজেলা প্রশাসন, কোস্টগার্ড ও বিজিবির বিশেষ অনুমোদন নিয়ে দুটি ট্রলারে করে ডিম, পানসহ বিভিন্ন ধরনের নিত্যপ্রয়োজনীয় কাঁচাবাজার ও পণ্য দ্বীপে পাঠানো হয়।

​স্থানীয় ছাত্র প্রতিনিধি জামিল উদ্দিন বলেন, নিত্যদিনের জরুরি ও প্রাতিষ্ঠানিক কাজের সুবাদে সেন্টমার্টিন থেকে টেকনাফে আসা বেশ কিছু স্থানীয় বাসিন্দা গত কয়েকদিন ধরে সেখানে আটকা পড়ে আছেন। সাগরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত ও বৈরী আবহাওয়া বিরাজ করায় প্রশাসন নিরাপত্তার স্বার্থে ট্রলার চলাচল সীমিত রেখেছে। ফলে আবহাওয়া স্বাভাবিক না হওয়ায় তারা বাড়ি ফিরতে পারছেন না।

ব্যবসায়ী জুবাইর বলেন, ​খাদ্য ও যাতায়াত সংকটের পাশাপাশি সেন্টমার্টিনের বাসিন্দাদের বর্তমান বড় ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বিদ্যুৎ। দীর্ঘদিন ধরে দ্বীপটিতে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক না থাকায় স্থানীয়দের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা ও ব্যবসাবাণিজ্য মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

​উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, দ্বীপের সার্বিক পরিস্থিতির ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখা হচ্ছে। আবহাওয়া পরিস্থিতি উন্নত হলেই আটকে পড়া বাসিন্দাদের নিরাপদে দ্বীপে ফিরিয়ে দেয়া হবে এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করা হবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

অসম্ভবকে সম্ভব করার গল্প: অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টাইগারদের সমীহ জাগানিয়া অর্জন..

বিশেষ ব্যবস্থায় সেন্টমার্টিনে নিত্যপণ্য সরবরাহ; বৈরী আবহাওয়ায় টেকনাফে আটকে পড়েছে দ্বীপের বাসিন্দারা

আপডেট সময় : ১১:৫২:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

টানা বৈরী আবহাওয়া ও বঙ্গোপসাগর উত্তাল থাকায় টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌরুটে সাধারণ ট্রলার ও নৌযান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনের বাসিন্দাদের খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সংকট দূর করতে বিশেষ উদ্যোগে পণ্য পাঠানো হয়েছে।

কাজের সুবাদে টেকনাফে এসে বৈরী আবহাওয়ার কারণে আটকা পড়েছেন দ্বীপের বহু স্থানীয় বাসিন্দা। এর পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে তীব্র বিদ্যুৎ সংকটে ভুগছেন দ্বীপবাসী।

​বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাতে সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

​ইউপি চেয়ারম্যান জানান, দ্বীপের মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গত ২৪ জুন সরকারি ভিজিএফের ৭৭২ বস্তা চাল সেন্টমার্টিনে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া সর্বশেষ বুধবার উপজেলা প্রশাসন, কোস্টগার্ড ও বিজিবির বিশেষ অনুমোদন নিয়ে দুটি ট্রলারে করে ডিম, পানসহ বিভিন্ন ধরনের নিত্যপ্রয়োজনীয় কাঁচাবাজার ও পণ্য দ্বীপে পাঠানো হয়।

​স্থানীয় ছাত্র প্রতিনিধি জামিল উদ্দিন বলেন, নিত্যদিনের জরুরি ও প্রাতিষ্ঠানিক কাজের সুবাদে সেন্টমার্টিন থেকে টেকনাফে আসা বেশ কিছু স্থানীয় বাসিন্দা গত কয়েকদিন ধরে সেখানে আটকা পড়ে আছেন। সাগরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত ও বৈরী আবহাওয়া বিরাজ করায় প্রশাসন নিরাপত্তার স্বার্থে ট্রলার চলাচল সীমিত রেখেছে। ফলে আবহাওয়া স্বাভাবিক না হওয়ায় তারা বাড়ি ফিরতে পারছেন না।

ব্যবসায়ী জুবাইর বলেন, ​খাদ্য ও যাতায়াত সংকটের পাশাপাশি সেন্টমার্টিনের বাসিন্দাদের বর্তমান বড় ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বিদ্যুৎ। দীর্ঘদিন ধরে দ্বীপটিতে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক না থাকায় স্থানীয়দের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা ও ব্যবসাবাণিজ্য মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

​উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, দ্বীপের সার্বিক পরিস্থিতির ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখা হচ্ছে। আবহাওয়া পরিস্থিতি উন্নত হলেই আটকে পড়া বাসিন্দাদের নিরাপদে দ্বীপে ফিরিয়ে দেয়া হবে এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করা হবে।