ঢাকা ১১:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চকরিয়ায় ২ ভূয়া ডাক্তার : ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা জরিমানা উখিয়ায় শ্মশানের দেয়াল ভাঙচুর : পুন:নির্মাণ ও জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে দূর্গাপুজা বন্ধের ঘোষণা কক্সবাজার সরকারি কলেজে মাস্টার্সে যুক্ত হচ্ছে নতুন ৫ বিষয় : ইংরেজি, ইতিহাস, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন ও প্রাণিবিদ্যা লিবিয়াকেন্দ্রিক মানবপাচার চক্রের মুলহোতা মহিউদ্দিন আটক, তার ভাই মুজিব অধরা ইউনুছখালীতে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা: সংঘর্ষের আশংকা কলাতলীর সুগন্ধা পয়েন্টে শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ লামায় বন্যহাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত ৬৬ জন পেলেন ২১ লাখ ৫৯ হাজার টাকার ক্ষতিপূরণ জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড, কল্যান এবং মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা : শৃংখলা বজায় রাখার নির্দেশ এসপির বিশেষ অভিযান : সদর থানা পুলিশের জালে ৪০ দেড় লাখ ইয়াবাসহ টেকনাফে ৩ রোহিঙ্গা মাদক কারবারি গ্রেফতার ২৫২ টাকা বাড়ল এলপিজির দাম টেকনাফে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের গোলাগুলি, আহত ২ ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমে প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ শুরু যানজট নিরসনে বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণকাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থাসহ সব প্রতিষ্ঠানই বিধ্বস্ত অবস্থায় : জামায়াত আমির

বাজার সমিতির অফিসে চাচা-ভাতিজার ৩০ লাখ টাকার ইয়াবাকান্ড! কুতুপালংয়ে চাঞ্চল্য, চুপ প্রশাসন

বিশ্বের সর্ববৃহৎ শরণার্থী শিবির রোহিঙ্গা ক্যাম্প লাগোয়া উখিয়ার কুতুপালং বাজার। যেখানকার বাজার ব্যবসায়ী সমিতির অফিস ব্যবহার করে খোদ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ রুবেল ও তার আপন চাচা যুবদল নেতা মোহাম্মদ কামালের বিরুদ্ধে ৩০ লাখ টাকার ইয়াবা ভাগ-বাঁটোয়ারার অভিযোগ উঠেছে।

এঘটনায় এলাকা জুড়ে চাঞ্চল্য বিরাজ করলেও এখনো প্রশাসন কিংবা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে দেখা মিলেনি দৃশ্যমান পদক্ষেপ।

জানা গেছে, গত ৬ জুলাই ভোর ৫টা ৪০ মিনিটের দিকে রহিম ও বশর নামে দুই রোহিঙ্গাকে ১৪ হাজার পিস ইয়াবাসহ আটক করে বাজার সমিতির রাত্রিকালীন প্রহরীরা।

সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, বাজার সমিতির অফিসে নিয়ে আটক ব্যক্তিকে হাত-পা বেঁধে নির্যাতন করা হয়।

অভিযোগ উঠেছে প্রায় ১৪ লাখ টাকা মূল্যের ১৪ হাজার ইয়াবা ভাগ-বাঁটোয়ারা ও আটক ব্যক্তির কাছ থেকে ১৬ লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায়ে দফারফা করা হয় সমিতির অফিসে, যেখানে নেতৃত্ব দেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক রুবেল ও তার চাচা কামাল।

ঘটনাকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে বেশ কয়েকটি প্রশ্ন উঠেছে।

যদি ইয়াবা উদ্ধার করা হয়ে থাকে, তাহলে তা কেন সরাসরি পুলিশ বা অন্য কোনো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়নি? ভোর সাড়ে পাঁচটার সময় সমিতির কার্যালয়ে দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তিরা কীভাবে উপস্থিত ছিলেন? কথিত জব্দ করা ইয়াবার পরবর্তী হেফাজত কার কাছে ছিল এবং সেগুলোর কী হয়েছে? মুক্তিপণ দাবির অভিযোগের সত্যতা কতটুকু? এবং ঘটনার সময় সিসিটিভি ক্যামেরা কেন বন্ধ ছিল?

স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকায় মাদককে কেন্দ্র করে ছিনতাই, অপহরণ, গুম ও হত্যার মতো অপরাধ বেড়ে যাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে মাদকের টাকা উদ্ধারের জন্য শিশুদেরও অপহরণের ঘটনা ঘটছে বলে তারা দাবি করেন।

এসব ঘটনায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে কুতুপালং বাজার দোকান মালিক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

চকরিয়ায় ২ ভূয়া ডাক্তার : ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা জরিমানা

বাজার সমিতির অফিসে চাচা-ভাতিজার ৩০ লাখ টাকার ইয়াবাকান্ড! কুতুপালংয়ে চাঞ্চল্য, চুপ প্রশাসন

আপডেট সময় : ০২:৩২:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

বিশ্বের সর্ববৃহৎ শরণার্থী শিবির রোহিঙ্গা ক্যাম্প লাগোয়া উখিয়ার কুতুপালং বাজার। যেখানকার বাজার ব্যবসায়ী সমিতির অফিস ব্যবহার করে খোদ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ রুবেল ও তার আপন চাচা যুবদল নেতা মোহাম্মদ কামালের বিরুদ্ধে ৩০ লাখ টাকার ইয়াবা ভাগ-বাঁটোয়ারার অভিযোগ উঠেছে।

এঘটনায় এলাকা জুড়ে চাঞ্চল্য বিরাজ করলেও এখনো প্রশাসন কিংবা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে দেখা মিলেনি দৃশ্যমান পদক্ষেপ।

জানা গেছে, গত ৬ জুলাই ভোর ৫টা ৪০ মিনিটের দিকে রহিম ও বশর নামে দুই রোহিঙ্গাকে ১৪ হাজার পিস ইয়াবাসহ আটক করে বাজার সমিতির রাত্রিকালীন প্রহরীরা।

সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, বাজার সমিতির অফিসে নিয়ে আটক ব্যক্তিকে হাত-পা বেঁধে নির্যাতন করা হয়।

অভিযোগ উঠেছে প্রায় ১৪ লাখ টাকা মূল্যের ১৪ হাজার ইয়াবা ভাগ-বাঁটোয়ারা ও আটক ব্যক্তির কাছ থেকে ১৬ লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায়ে দফারফা করা হয় সমিতির অফিসে, যেখানে নেতৃত্ব দেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক রুবেল ও তার চাচা কামাল।

ঘটনাকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে বেশ কয়েকটি প্রশ্ন উঠেছে।

যদি ইয়াবা উদ্ধার করা হয়ে থাকে, তাহলে তা কেন সরাসরি পুলিশ বা অন্য কোনো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়নি? ভোর সাড়ে পাঁচটার সময় সমিতির কার্যালয়ে দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তিরা কীভাবে উপস্থিত ছিলেন? কথিত জব্দ করা ইয়াবার পরবর্তী হেফাজত কার কাছে ছিল এবং সেগুলোর কী হয়েছে? মুক্তিপণ দাবির অভিযোগের সত্যতা কতটুকু? এবং ঘটনার সময় সিসিটিভি ক্যামেরা কেন বন্ধ ছিল?

স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকায় মাদককে কেন্দ্র করে ছিনতাই, অপহরণ, গুম ও হত্যার মতো অপরাধ বেড়ে যাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে মাদকের টাকা উদ্ধারের জন্য শিশুদেরও অপহরণের ঘটনা ঘটছে বলে তারা দাবি করেন।

এসব ঘটনায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে কুতুপালং বাজার দোকান মালিক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।