ঢাকা ০৪:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সিনহা হত্যা মামলা: ছয় বছর পরও আপিল বিভাগে চূড়ান্ত রায়ের অপেক্ষা বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ আটক যুবক কচ্ছপিয়া ইউপি চেয়ারম্যান নোমানের গাড়িচালক দাবি স্থানীয়দের হলদিয়াপালং যুবদলের কমিটি বিতর্ক: সাত সদস্যের কমিটিতে মাদক মামলার আসামি! সড়ক নয়, যেন গর্তের সারি— লোহাগাড়ার দরবেশহাট ডিসি সড়কে সীমাহীন ভোগান্তি জানাজায় কান্নার কলরবে ইয়াসেরের বিদায় লতিফ সিদ্দিকী বললেন, ‘আমাকে ফাঁসি দিয়ে দেন’ চার-পাঁচ মাসের ম‌ন্ত্রিত্বের অ‌ভিজ্ঞতায় দে‌খে‌ছি, কিছুই বদলায়নি: মির্জা ফখরুল। রামুতে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ যুবক আটক ঈদগাঁওয়ে মা-মেয়ে হত্যা মামলায় আবুল কালামের মৃত্যুদণ্ড পেকুয়ায় আগুনে পুড়লো পাঁচ ভাইয়ের বসতঘর বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত চকরিয়া ও মাতামুহুরির ২০০ পরিবারের পাশে উইটনেস ফাউন্ডেশন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কক্সবাজার ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে কলিম-নয়ন ইনানীর বে-ওয়াচ রিসোর্টের কর্মচারী আব্দুল আজিজের মৃত্যু নিয়ে চাঞ্চল্য: কি বলছে পুলিশ? অপহরণ-মানবপাচার বন্ধে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে টেকনাফ-উখিয়া প্রতিনিধিদলের মতবিনিময় হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার

বাজার সমিতির অফিসে চাচা-ভাতিজার ৩০ লাখ টাকার ইয়াবাকান্ড! কুতুপালংয়ে চাঞ্চল্য, চুপ প্রশাসন

বিশ্বের সর্ববৃহৎ শরণার্থী শিবির রোহিঙ্গা ক্যাম্প লাগোয়া উখিয়ার কুতুপালং বাজার। যেখানকার বাজার ব্যবসায়ী সমিতির অফিস ব্যবহার করে খোদ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ রুবেল ও তার আপন চাচা যুবদল নেতা মোহাম্মদ কামালের বিরুদ্ধে ৩০ লাখ টাকার ইয়াবা ভাগ-বাঁটোয়ারার অভিযোগ উঠেছে।

এঘটনায় এলাকা জুড়ে চাঞ্চল্য বিরাজ করলেও এখনো প্রশাসন কিংবা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে দেখা মিলেনি দৃশ্যমান পদক্ষেপ।

জানা গেছে, গত ৬ জুলাই ভোর ৫টা ৪০ মিনিটের দিকে রহিম ও বশর নামে দুই রোহিঙ্গাকে ১৪ হাজার পিস ইয়াবাসহ আটক করে বাজার সমিতির রাত্রিকালীন প্রহরীরা।

সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, বাজার সমিতির অফিসে নিয়ে আটক ব্যক্তিকে হাত-পা বেঁধে নির্যাতন করা হয়।

অভিযোগ উঠেছে প্রায় ১৪ লাখ টাকা মূল্যের ১৪ হাজার ইয়াবা ভাগ-বাঁটোয়ারা ও আটক ব্যক্তির কাছ থেকে ১৬ লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায়ে দফারফা করা হয় সমিতির অফিসে, যেখানে নেতৃত্ব দেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক রুবেল ও তার চাচা কামাল।

ঘটনাকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে বেশ কয়েকটি প্রশ্ন উঠেছে।

যদি ইয়াবা উদ্ধার করা হয়ে থাকে, তাহলে তা কেন সরাসরি পুলিশ বা অন্য কোনো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়নি? ভোর সাড়ে পাঁচটার সময় সমিতির কার্যালয়ে দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তিরা কীভাবে উপস্থিত ছিলেন? কথিত জব্দ করা ইয়াবার পরবর্তী হেফাজত কার কাছে ছিল এবং সেগুলোর কী হয়েছে? মুক্তিপণ দাবির অভিযোগের সত্যতা কতটুকু? এবং ঘটনার সময় সিসিটিভি ক্যামেরা কেন বন্ধ ছিল?

স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকায় মাদককে কেন্দ্র করে ছিনতাই, অপহরণ, গুম ও হত্যার মতো অপরাধ বেড়ে যাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে মাদকের টাকা উদ্ধারের জন্য শিশুদেরও অপহরণের ঘটনা ঘটছে বলে তারা দাবি করেন।

এসব ঘটনায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে কুতুপালং বাজার দোকান মালিক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সিনহা হত্যা মামলা: ছয় বছর পরও আপিল বিভাগে চূড়ান্ত রায়ের অপেক্ষা

বাজার সমিতির অফিসে চাচা-ভাতিজার ৩০ লাখ টাকার ইয়াবাকান্ড! কুতুপালংয়ে চাঞ্চল্য, চুপ প্রশাসন

আপডেট সময় : ০২:৩২:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

বিশ্বের সর্ববৃহৎ শরণার্থী শিবির রোহিঙ্গা ক্যাম্প লাগোয়া উখিয়ার কুতুপালং বাজার। যেখানকার বাজার ব্যবসায়ী সমিতির অফিস ব্যবহার করে খোদ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ রুবেল ও তার আপন চাচা যুবদল নেতা মোহাম্মদ কামালের বিরুদ্ধে ৩০ লাখ টাকার ইয়াবা ভাগ-বাঁটোয়ারার অভিযোগ উঠেছে।

এঘটনায় এলাকা জুড়ে চাঞ্চল্য বিরাজ করলেও এখনো প্রশাসন কিংবা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে দেখা মিলেনি দৃশ্যমান পদক্ষেপ।

জানা গেছে, গত ৬ জুলাই ভোর ৫টা ৪০ মিনিটের দিকে রহিম ও বশর নামে দুই রোহিঙ্গাকে ১৪ হাজার পিস ইয়াবাসহ আটক করে বাজার সমিতির রাত্রিকালীন প্রহরীরা।

সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, বাজার সমিতির অফিসে নিয়ে আটক ব্যক্তিকে হাত-পা বেঁধে নির্যাতন করা হয়।

অভিযোগ উঠেছে প্রায় ১৪ লাখ টাকা মূল্যের ১৪ হাজার ইয়াবা ভাগ-বাঁটোয়ারা ও আটক ব্যক্তির কাছ থেকে ১৬ লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায়ে দফারফা করা হয় সমিতির অফিসে, যেখানে নেতৃত্ব দেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক রুবেল ও তার চাচা কামাল।

ঘটনাকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে বেশ কয়েকটি প্রশ্ন উঠেছে।

যদি ইয়াবা উদ্ধার করা হয়ে থাকে, তাহলে তা কেন সরাসরি পুলিশ বা অন্য কোনো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়নি? ভোর সাড়ে পাঁচটার সময় সমিতির কার্যালয়ে দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তিরা কীভাবে উপস্থিত ছিলেন? কথিত জব্দ করা ইয়াবার পরবর্তী হেফাজত কার কাছে ছিল এবং সেগুলোর কী হয়েছে? মুক্তিপণ দাবির অভিযোগের সত্যতা কতটুকু? এবং ঘটনার সময় সিসিটিভি ক্যামেরা কেন বন্ধ ছিল?

স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকায় মাদককে কেন্দ্র করে ছিনতাই, অপহরণ, গুম ও হত্যার মতো অপরাধ বেড়ে যাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে মাদকের টাকা উদ্ধারের জন্য শিশুদেরও অপহরণের ঘটনা ঘটছে বলে তারা দাবি করেন।

এসব ঘটনায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে কুতুপালং বাজার দোকান মালিক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।