ঢাকা ০৫:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টেকনাফে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশ্যে জড়ো করা ১০ ভিকটিম উদ্ধার, গ্রেফতার ১ লোহাগাড়ায় মাদক সেবন করতে গিয়ে ধরা, সাবেক পুলিশ কনস্টেবলসহ দুজনের কারাদণ্ড দুদকের মামলায় টেকনাফ ইউপির সাবেক মেম্বার আব্দুল্লাহ ও তার বাবা আবুল বশরের কারাদন্ড সুখী-সমৃদ্ধ কল্যাণমুখী নতুন বাংলাদেশ গড়ে উঠবে: মির্জা ফখরুল সংস্কার প্রস্তাব অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হচ্ছে না: নাহিদ ইসলাম নতুন রাষ্ট্রপতিকে কে শপথ পড়াবেন, মতামত দিল আইন মন্ত্রণালয় রোহিঙ্গা সংকট দেশের পরিবেশ ও অর্থনীতির ওপর চাপ তৈরি করছে : সেনাপ্রধান  বিশ্ব মশা দিবস আজ ৩৫ বছর পর আজ বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কক্সবাজারে ৭ বছরের শিশু ধর্ষণ মামলায় আবুল কালামের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সরকারি নীতিমালা বাস্তবায়নে কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের অভিযান সাড়ে ৮ ঘণ্টা পর সচল মাতারবাড়ী তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট, উৎপাদন শুরু আলোচিত হালিম হত্যা মামলার আসামী আরসার কমান্ডার মুসা গ্রেপ্তার এক্সিলারেটের টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ, আরও বাড়ছে সংকট বিদায়বেলায় কাঁদলেন, কাঁদালেন মির্জা ফখরুল

বাজার সমিতির অফিসে চাচা-ভাতিজার ৩০ লাখ টাকার ইয়াবাকান্ড! কুতুপালংয়ে চাঞ্চল্য, চুপ প্রশাসন

বিশ্বের সর্ববৃহৎ শরণার্থী শিবির রোহিঙ্গা ক্যাম্প লাগোয়া উখিয়ার কুতুপালং বাজার। যেখানকার বাজার ব্যবসায়ী সমিতির অফিস ব্যবহার করে খোদ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ রুবেল ও তার আপন চাচা যুবদল নেতা মোহাম্মদ কামালের বিরুদ্ধে ৩০ লাখ টাকার ইয়াবা ভাগ-বাঁটোয়ারার অভিযোগ উঠেছে।

এঘটনায় এলাকা জুড়ে চাঞ্চল্য বিরাজ করলেও এখনো প্রশাসন কিংবা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে দেখা মিলেনি দৃশ্যমান পদক্ষেপ।

জানা গেছে, গত ৬ জুলাই ভোর ৫টা ৪০ মিনিটের দিকে রহিম ও বশর নামে দুই রোহিঙ্গাকে ১৪ হাজার পিস ইয়াবাসহ আটক করে বাজার সমিতির রাত্রিকালীন প্রহরীরা।

সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, বাজার সমিতির অফিসে নিয়ে আটক ব্যক্তিকে হাত-পা বেঁধে নির্যাতন করা হয়।

অভিযোগ উঠেছে প্রায় ১৪ লাখ টাকা মূল্যের ১৪ হাজার ইয়াবা ভাগ-বাঁটোয়ারা ও আটক ব্যক্তির কাছ থেকে ১৬ লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায়ে দফারফা করা হয় সমিতির অফিসে, যেখানে নেতৃত্ব দেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক রুবেল ও তার চাচা কামাল।

ঘটনাকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে বেশ কয়েকটি প্রশ্ন উঠেছে।

যদি ইয়াবা উদ্ধার করা হয়ে থাকে, তাহলে তা কেন সরাসরি পুলিশ বা অন্য কোনো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়নি? ভোর সাড়ে পাঁচটার সময় সমিতির কার্যালয়ে দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তিরা কীভাবে উপস্থিত ছিলেন? কথিত জব্দ করা ইয়াবার পরবর্তী হেফাজত কার কাছে ছিল এবং সেগুলোর কী হয়েছে? মুক্তিপণ দাবির অভিযোগের সত্যতা কতটুকু? এবং ঘটনার সময় সিসিটিভি ক্যামেরা কেন বন্ধ ছিল?

স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকায় মাদককে কেন্দ্র করে ছিনতাই, অপহরণ, গুম ও হত্যার মতো অপরাধ বেড়ে যাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে মাদকের টাকা উদ্ধারের জন্য শিশুদেরও অপহরণের ঘটনা ঘটছে বলে তারা দাবি করেন।

এসব ঘটনায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে কুতুপালং বাজার দোকান মালিক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

টেকনাফে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশ্যে জড়ো করা ১০ ভিকটিম উদ্ধার, গ্রেফতার ১

বাজার সমিতির অফিসে চাচা-ভাতিজার ৩০ লাখ টাকার ইয়াবাকান্ড! কুতুপালংয়ে চাঞ্চল্য, চুপ প্রশাসন

আপডেট সময় : ০২:৩২:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

বিশ্বের সর্ববৃহৎ শরণার্থী শিবির রোহিঙ্গা ক্যাম্প লাগোয়া উখিয়ার কুতুপালং বাজার। যেখানকার বাজার ব্যবসায়ী সমিতির অফিস ব্যবহার করে খোদ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ রুবেল ও তার আপন চাচা যুবদল নেতা মোহাম্মদ কামালের বিরুদ্ধে ৩০ লাখ টাকার ইয়াবা ভাগ-বাঁটোয়ারার অভিযোগ উঠেছে।

এঘটনায় এলাকা জুড়ে চাঞ্চল্য বিরাজ করলেও এখনো প্রশাসন কিংবা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে দেখা মিলেনি দৃশ্যমান পদক্ষেপ।

জানা গেছে, গত ৬ জুলাই ভোর ৫টা ৪০ মিনিটের দিকে রহিম ও বশর নামে দুই রোহিঙ্গাকে ১৪ হাজার পিস ইয়াবাসহ আটক করে বাজার সমিতির রাত্রিকালীন প্রহরীরা।

সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, বাজার সমিতির অফিসে নিয়ে আটক ব্যক্তিকে হাত-পা বেঁধে নির্যাতন করা হয়।

অভিযোগ উঠেছে প্রায় ১৪ লাখ টাকা মূল্যের ১৪ হাজার ইয়াবা ভাগ-বাঁটোয়ারা ও আটক ব্যক্তির কাছ থেকে ১৬ লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায়ে দফারফা করা হয় সমিতির অফিসে, যেখানে নেতৃত্ব দেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক রুবেল ও তার চাচা কামাল।

ঘটনাকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে বেশ কয়েকটি প্রশ্ন উঠেছে।

যদি ইয়াবা উদ্ধার করা হয়ে থাকে, তাহলে তা কেন সরাসরি পুলিশ বা অন্য কোনো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়নি? ভোর সাড়ে পাঁচটার সময় সমিতির কার্যালয়ে দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তিরা কীভাবে উপস্থিত ছিলেন? কথিত জব্দ করা ইয়াবার পরবর্তী হেফাজত কার কাছে ছিল এবং সেগুলোর কী হয়েছে? মুক্তিপণ দাবির অভিযোগের সত্যতা কতটুকু? এবং ঘটনার সময় সিসিটিভি ক্যামেরা কেন বন্ধ ছিল?

স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকায় মাদককে কেন্দ্র করে ছিনতাই, অপহরণ, গুম ও হত্যার মতো অপরাধ বেড়ে যাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে মাদকের টাকা উদ্ধারের জন্য শিশুদেরও অপহরণের ঘটনা ঘটছে বলে তারা দাবি করেন।

এসব ঘটনায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে কুতুপালং বাজার দোকান মালিক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।