কক্সবাজারের রামুতে বিশেষ অভিযানে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন ও তিন রাউন্ড তাজা গুলিসহ সোহেল (২৭) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
এ সময় অস্ত্র বহনে ব্যবহৃত একটি মিনি পিকআপ ও একটি বাটন মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
আটক যুবক কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের মৌলভীকাটা এলাকার বদুপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
আটকের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে তাকে কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু মোহাম্মদ ইসমাইল নোমানের গাড়িচালক বলে দাবি করছেন।
স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে চেয়ারম্যান নোমানের ব্যবহৃত অকশনের ল্যান্ড ক্রুজার গাড়ি চালাতেন সোহেল।
পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকালে কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের নাইক্ষ্যংছড়ি-রামু সড়কে একটি অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়।
এ সময় একটি মিনি পিকআপকে থামার সংকেত দিলে চালক তা অমান্য করে দ্রুত পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পরে পুলিশ ধাওয়া করে রামু থানার সামনে মরিচ্যাগামী সড়কের হাজারীকুল এলাকায় গাড়িটি আটক করতে সক্ষম হয়।
গাড়িটি তল্লাশি করে চালকের আসনের স্টিয়ারিংয়ের নিচে, ব্রেকের পাশের পাদানির নিচ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন এবং তিন রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ আরও জানায়, উদ্ধারকৃত অস্ত্র, গুলি, মিনি পিকআপ ও মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে এবং পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এদিকে, সোহেল কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু মোহাম্মদ ইসমাইল নোমানের গাড়িচালক কি না, সে বিষয়ে জানতে তাঁর মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করে কেটে দেন। পরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি আর ফোন ধরেননি। ফলে এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বার্তা পরিবেশক 





















