টানা বৈরী আবহাওয়া ও বঙ্গোপসাগর উত্তাল থাকায় টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌরুটে সাধারণ ট্রলার ও নৌযান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনের বাসিন্দাদের খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সংকট দূর করতে বিশেষ উদ্যোগে পণ্য পাঠানো হয়েছে।
কাজের সুবাদে টেকনাফে এসে বৈরী আবহাওয়ার কারণে আটকা পড়েছেন দ্বীপের বহু স্থানীয় বাসিন্দা। এর পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে তীব্র বিদ্যুৎ সংকটে ভুগছেন দ্বীপবাসী।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাতে সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ইউপি চেয়ারম্যান জানান, দ্বীপের মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গত ২৪ জুন সরকারি ভিজিএফের ৭৭২ বস্তা চাল সেন্টমার্টিনে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া সর্বশেষ বুধবার উপজেলা প্রশাসন, কোস্টগার্ড ও বিজিবির বিশেষ অনুমোদন নিয়ে দুটি ট্রলারে করে ডিম, পানসহ বিভিন্ন ধরনের নিত্যপ্রয়োজনীয় কাঁচাবাজার ও পণ্য দ্বীপে পাঠানো হয়।
স্থানীয় ছাত্র প্রতিনিধি জামিল উদ্দিন বলেন, নিত্যদিনের জরুরি ও প্রাতিষ্ঠানিক কাজের সুবাদে সেন্টমার্টিন থেকে টেকনাফে আসা বেশ কিছু স্থানীয় বাসিন্দা গত কয়েকদিন ধরে সেখানে আটকা পড়ে আছেন। সাগরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত ও বৈরী আবহাওয়া বিরাজ করায় প্রশাসন নিরাপত্তার স্বার্থে ট্রলার চলাচল সীমিত রেখেছে। ফলে আবহাওয়া স্বাভাবিক না হওয়ায় তারা বাড়ি ফিরতে পারছেন না।
ব্যবসায়ী জুবাইর বলেন, খাদ্য ও যাতায়াত সংকটের পাশাপাশি সেন্টমার্টিনের বাসিন্দাদের বর্তমান বড় ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বিদ্যুৎ। দীর্ঘদিন ধরে দ্বীপটিতে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক না থাকায় স্থানীয়দের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা ও ব্যবসাবাণিজ্য মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, দ্বীপের সার্বিক পরিস্থিতির ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখা হচ্ছে। আবহাওয়া পরিস্থিতি উন্নত হলেই আটকে পড়া বাসিন্দাদের নিরাপদে দ্বীপে ফিরিয়ে দেয়া হবে এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করা হবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক 




















