ঢাকা ০৮:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শারদীয় দূর্গোৎসব সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উদযাপনে সর্বদলীয় মতবিনিময় সভা প্রকাশিত সংবাদের ব্যাপারে রামু সরকারি কলেজের সহকারি অধ্যাপক শহীদুল হক কাজলের বক্তব্য কুতুবদিয়ায় বিসিবির বয়সভিত্তিক ক্রিকেটার বাছাই, দুই শতাধিক খেলোয়াড়ের অংশগ্রহণ মানবসেবার তিন দশক: কক্সবাজার সদরের শ্রেষ্ঠ সিপিপি স্বেচ্ছাসেবক চৌফলদন্ডির হালিমা বেগম লবণসহিষ্ণু জাতে সাফল্য, কক্সবাজারের লবণ মাঠে হচ্ছে ধান চাষ বারবাকিয়ায় ১১ কিলোমিটার গ্রামীণ সড়ক উন্নয়নে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ডিও, এলাকাজুড়ে স্বস্তি পুণরায় ফুটপাত দখল করলে আইনের আওতায় আনা হবে:ইউএনও চকরিয়া লোহাগাড়ায় নারী শিক্ষার্থীর সঙ্গে অশোভন আচরণ, যুবক আটক বিশ্ব মান দিবসের আলোচনা সভা, অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার আহবান উখিয়ায় খালে ড্রেজার মেশিন দিয়ে কোটি টাকার বালু উত্তোলন, ধ্বংস হচ্ছে পরিবেশ, নিরব ভূমিকায় প্রশাসন খুনিয়াপালংয়ে বালু উত্তোলন : ড্রেজার ও পাইপ জব্দ কক্সবাজার–মহেশখালী নৌপথে সি-ট্রাকের ভাড়া পুনর্নির্ধারণ, সর্বনিম্ন ৩৫ টাকা মাতারবাড়ী বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও সমুদ্রবন্দর পরিদর্শন করলেন প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ সাকি ২৬ অক্টোবর থেকে কক্সবাজার যাবে মহানগর এক্সপ্রেস, থামবে যেসব স্টেশনে লামায় স্কুলে যাওয়ার পথে নিখোঁজ ৩ কিশোরী, তিন দিনেও মেলেনি সন্ধান

ডাকাত দলের অভয়ারণ্য ঈদগাঁও-ঈদগড় পাহাড়ে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান

কক্সবাজারের ঈদগাঁও ও রামু উপজেলার মাঝামাঝি দুর্গম পাহাড়ি এলাকা ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়ক সংলগ্ন এলাকা ক্রমেই ডাকাতদের নিরাপদ আশ্রয়স্থলে পরিণত হচ্ছে—এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে সেখানে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়েছে ঈদগাঁও থানা পুলিশ।

রোববার ২৯ মার্চ সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ঈদগাঁও উপজেলার কালিছড়া এলাকা থেকে অভিযান শুরু হয়।

কক্সবাজার সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহমুদুল হাসানের নেতৃত্বে এবং ঈদগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিফাতুল মাজহারসহ পুলিশের একটি দল ও বন বিভাগের সদস্যরা যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করেন।
প্রায় ৩০-৩৫ সদস্যের এই টিম পাহাড়ের পাদদেশ ও অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টে তল্লাশি চালায়।

অভিযানটি চলে দুপুর ১২টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত । পরে ভাদিতলা এলাকা দিয়ে টিমটি বের হয়ে আসে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি এই পাহাড়ি এলাকায় ডাকাত ও অপহরণকারীদের তৎপরতা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। কয়েকদিন আগে রাবার বাগানে কর্মরত দুই শ্রমিককে অপহরণ করে একটি চক্র।
পরে মুক্তিপণ আদায়ের মাধ্যমে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়, যা স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক তৈরী করেছে নতুনভাবে।

অভিযান শেষে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল মাহমুদুল হাসান জানান , আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় অপরাধীদের শনাক্ত ও দমন করতে কাজ চলছে। ডাকাতি ও অপহরণ ঠেকাতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত চালানো হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এমন তৎপরতায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তবে তারা দ্রুত স্থায়ী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

শারদীয় দূর্গোৎসব সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উদযাপনে সর্বদলীয় মতবিনিময় সভা

ডাকাত দলের অভয়ারণ্য ঈদগাঁও-ঈদগড় পাহাড়ে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান

আপডেট সময় : ০৫:৩২:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

কক্সবাজারের ঈদগাঁও ও রামু উপজেলার মাঝামাঝি দুর্গম পাহাড়ি এলাকা ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়ক সংলগ্ন এলাকা ক্রমেই ডাকাতদের নিরাপদ আশ্রয়স্থলে পরিণত হচ্ছে—এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে সেখানে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়েছে ঈদগাঁও থানা পুলিশ।

রোববার ২৯ মার্চ সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ঈদগাঁও উপজেলার কালিছড়া এলাকা থেকে অভিযান শুরু হয়।

কক্সবাজার সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহমুদুল হাসানের নেতৃত্বে এবং ঈদগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিফাতুল মাজহারসহ পুলিশের একটি দল ও বন বিভাগের সদস্যরা যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করেন।
প্রায় ৩০-৩৫ সদস্যের এই টিম পাহাড়ের পাদদেশ ও অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টে তল্লাশি চালায়।

অভিযানটি চলে দুপুর ১২টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত । পরে ভাদিতলা এলাকা দিয়ে টিমটি বের হয়ে আসে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি এই পাহাড়ি এলাকায় ডাকাত ও অপহরণকারীদের তৎপরতা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। কয়েকদিন আগে রাবার বাগানে কর্মরত দুই শ্রমিককে অপহরণ করে একটি চক্র।
পরে মুক্তিপণ আদায়ের মাধ্যমে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়, যা স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক তৈরী করেছে নতুনভাবে।

অভিযান শেষে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল মাহমুদুল হাসান জানান , আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় অপরাধীদের শনাক্ত ও দমন করতে কাজ চলছে। ডাকাতি ও অপহরণ ঠেকাতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত চালানো হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এমন তৎপরতায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তবে তারা দ্রুত স্থায়ী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।