ঢাকা ০৭:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নাইক্ষ্যংছড়িতে সম্প্রীতি বজায় রাখার আহবান মন্ত্রী সাচিং প্রুর ভদ্রপল্লিতে আর ভদ্রতা নেই কক্সবাজারে ৩ দিনের পর্যটন মেলা শুরু হচ্ছে শুক্রবার : যা যা থাকছে টেকনাফে নারীকে বিবস্ত্র করে মারধর ও চুল কেটে দেয়ার অভিযোগ, আটক ২ কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ২৭ নিখোঁজের ১৫ ঘন্টা পর উদ্ধার হওয়া রামুর স্কুল ছাত্র শাহীনের জানাজা সম্পন্ন জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর পাঁচ প্রস্তাবকে স্বাগত জানালো আশ্রিত রোহিঙ্গারা পেকুয়ায় মাছ ব্যবসায়ী- আড়ৎদার দ্বন্দ্ব, মাছ বিক্রি বন্ধ কাউন্সিলর একরাম হত্যা: শেখ হাসিনাসহ ১১ জনের অভিযোগ গঠনের শুনানি ২৭ সেপ্টেম্বর বিজিবির সঙ্গে চোরাকারবারিদের গোলাগুলি : টেকনাফ সীমান্তে ১ লাখ ৪৯ হাজার ইয়াবা উদ্ধার বিমান বাহিনীর ১৩২ তম জুনিয়র কমান্ড ও স্টাফ কোর্সের সনদপত্র বিতরণ মাদকই অপরাধের বড় কারণ, নির্মূলে কাজ করছে সরকার: পার্বত্যমন্ত্রী সাচিং প্রু শহিদ লেফটেন্যান্ট তানজিম ছারোয়ার নির্জনের ২য় শাহাদাত বার্ষিকীতে সেনাবাহিনীর শ্রদ্ধাঞ্জলি হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে শপথ নিলেন দেবাশীষ রায় চৌধুরী দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাদক-জুয়া প্রতিরোধে কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত

নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে প্রস্তুত বাংলাদেশ নৌবাহিনী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু এবং উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করতে পুরোপুরি প্রস্তুত বাংলাদেশ নৌবাহিনী।

রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) নৌবাহিনীর দায়িত্বপূর্ণ এলাকার নিরাপত্তা পরিস্থিতি পরিদর্শন শেষে এই দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন সহকারী নৌবাহিনী প্রধান রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ মুসা।

​পরিদর্শনকালে তিনি টেকনাফ, সেন্টমার্টিন ও মহেশখালীর বিভিন্ন কন্টিনজেন্ট এবং ভোটকেন্দ্রের সার্বিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন। রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ মুসা জানান, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী ২০২৪ সালের ২০ জুলাই থেকেই নৌবাহিনী উপকূলীয় এলাকাগুলোতে স্থানীয় প্রশাসনকে সহায়তায় নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।

​নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গৃহীত পদক্ষেপসমূহ:

​নির্বাচনী পরিবেশ স্থিতিশীল রাখতে নৌবাহিনী বেশ কিছু কঠোর ও আধুনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।​

টহল ও নজরদারি: অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, মাদক নিয়ন্ত্রণ, চোরাচালান এবং মানব পাচার রোধে নৌবাহিনীর নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

​প্রযুক্তির ব্যবহার: নিরাপত্তা তদারকিতে প্রথমবারের মতো ড্রোন এবং বডি-ওর্ন (Body-worn) ক্যামেরা ব্যবহারের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

​জরুরি সাড়াদান: যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে নৌবাহিনীর জাহাজ, হেলিকপ্টার, কুইক রেসপন্স ফোর্স (QRF) এবং র‍্যাপিড অ্যাকশন টিম।

​গোয়েন্দা তৎপরতা: পুরো নির্বাচনী এলাকায় বিশেষ গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

​ভোটারদের নিরাপত্তা ও প্রশিক্ষণ:

​নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভোটাররা যাতে কোনো ভয়ভীতি ছাড়াই ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেজন্য অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সার্বক্ষণিক সমন্বয় বজায় রাখা হচ্ছে। দায়িত্ব পালনের সুবিধার্থে নৌ সদস্যদের বিশেষ প্রশিক্ষণ এবং আচরণবিধি সম্পর্কে দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে ভোটকেন্দ্র, ব্যালট পেপার এবং নির্বাচনী কর্মকর্তাদের নিরাপত্তার ওপর।

​রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ মুসা দেশবাসীকে পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রেখে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানান। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই নির্বাচন একটি গ্রহণযোগ্য ও শান্তিপূর্ণ মডেলে পরিণত হবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

নাইক্ষ্যংছড়িতে সম্প্রীতি বজায় রাখার আহবান মন্ত্রী সাচিং প্রুর

নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে প্রস্তুত বাংলাদেশ নৌবাহিনী

আপডেট সময় : ০৫:৪৯:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু এবং উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করতে পুরোপুরি প্রস্তুত বাংলাদেশ নৌবাহিনী।

রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) নৌবাহিনীর দায়িত্বপূর্ণ এলাকার নিরাপত্তা পরিস্থিতি পরিদর্শন শেষে এই দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন সহকারী নৌবাহিনী প্রধান রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ মুসা।

​পরিদর্শনকালে তিনি টেকনাফ, সেন্টমার্টিন ও মহেশখালীর বিভিন্ন কন্টিনজেন্ট এবং ভোটকেন্দ্রের সার্বিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন। রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ মুসা জানান, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী ২০২৪ সালের ২০ জুলাই থেকেই নৌবাহিনী উপকূলীয় এলাকাগুলোতে স্থানীয় প্রশাসনকে সহায়তায় নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।

​নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গৃহীত পদক্ষেপসমূহ:

​নির্বাচনী পরিবেশ স্থিতিশীল রাখতে নৌবাহিনী বেশ কিছু কঠোর ও আধুনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।​

টহল ও নজরদারি: অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, মাদক নিয়ন্ত্রণ, চোরাচালান এবং মানব পাচার রোধে নৌবাহিনীর নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

​প্রযুক্তির ব্যবহার: নিরাপত্তা তদারকিতে প্রথমবারের মতো ড্রোন এবং বডি-ওর্ন (Body-worn) ক্যামেরা ব্যবহারের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

​জরুরি সাড়াদান: যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে নৌবাহিনীর জাহাজ, হেলিকপ্টার, কুইক রেসপন্স ফোর্স (QRF) এবং র‍্যাপিড অ্যাকশন টিম।

​গোয়েন্দা তৎপরতা: পুরো নির্বাচনী এলাকায় বিশেষ গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

​ভোটারদের নিরাপত্তা ও প্রশিক্ষণ:

​নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভোটাররা যাতে কোনো ভয়ভীতি ছাড়াই ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেজন্য অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সার্বক্ষণিক সমন্বয় বজায় রাখা হচ্ছে। দায়িত্ব পালনের সুবিধার্থে নৌ সদস্যদের বিশেষ প্রশিক্ষণ এবং আচরণবিধি সম্পর্কে দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে ভোটকেন্দ্র, ব্যালট পেপার এবং নির্বাচনী কর্মকর্তাদের নিরাপত্তার ওপর।

​রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ মুসা দেশবাসীকে পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রেখে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানান। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই নির্বাচন একটি গ্রহণযোগ্য ও শান্তিপূর্ণ মডেলে পরিণত হবে।