ঢাকা ০৮:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কেরানীগঞ্জে ইয়াবা তৈরির ‘কারখানা’, ঢাকাসহ আশপাশে চলত সরবরাহ লোহাগাড়ায় মন্দির সংলগ্ন পুকুর থেকে তবলা বাদক অরুণ জলদাশের মরদেহ উদ্ধার টেকনাফে রাখাইন থেকে আসা রোহিঙ্গাবাহী নৌকাডুবি, উদ্ধার ১৮ নতুন দায়িত্বে ৩ মন্ত্রী ‘You have your home! We miss our home!’: মার্কিন বিশেষ দূতের সামনে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের আকুতি নতুন বাহারছড়ার মোস্তাক আহম্মদ আর নেই : জানাজা বাদ আছর ৩ লাখ রোহিঙ্গা ফেরত নেওয়ার বিষয়ে মিয়ানমারের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ৫ আগস্ট রাজধানীতে মহাসমাবেশ করবে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের নতুন মহাপরিচালক ড. কামরুজ্জামান সিনহা হত্যা মামলা: ছয় বছর পরও আপিল বিভাগে চূড়ান্ত রায়ের অপেক্ষা বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ আটক যুবক কচ্ছপিয়া ইউপি চেয়ারম্যান নোমানের গাড়িচালক দাবি স্থানীয়দের হলদিয়াপালং যুবদলের কমিটি বিতর্ক: সাত সদস্যের কমিটিতে মাদক মামলার আসামি! সড়ক নয়, যেন গর্তের সারি— লোহাগাড়ার দরবেশহাট ডিসি সড়কে সীমাহীন ভোগান্তি জানাজায় কান্নার কলরবে ইয়াসেরের বিদায় লতিফ সিদ্দিকী বললেন, ‘আমাকে ফাঁসি দিয়ে দেন’

নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে প্রস্তুত বাংলাদেশ নৌবাহিনী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু এবং উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করতে পুরোপুরি প্রস্তুত বাংলাদেশ নৌবাহিনী।

রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) নৌবাহিনীর দায়িত্বপূর্ণ এলাকার নিরাপত্তা পরিস্থিতি পরিদর্শন শেষে এই দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন সহকারী নৌবাহিনী প্রধান রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ মুসা।

​পরিদর্শনকালে তিনি টেকনাফ, সেন্টমার্টিন ও মহেশখালীর বিভিন্ন কন্টিনজেন্ট এবং ভোটকেন্দ্রের সার্বিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন। রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ মুসা জানান, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী ২০২৪ সালের ২০ জুলাই থেকেই নৌবাহিনী উপকূলীয় এলাকাগুলোতে স্থানীয় প্রশাসনকে সহায়তায় নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।

নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গৃহীত পদক্ষেপসমূহ:

​নির্বাচনী পরিবেশ স্থিতিশীল রাখতে নৌবাহিনী বেশ কিছু কঠোর ও আধুনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।​

টহল ও নজরদারি: অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, মাদক নিয়ন্ত্রণ, চোরাচালান এবং মানব পাচার রোধে নৌবাহিনীর নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

​প্রযুক্তির ব্যবহার: নিরাপত্তা তদারকিতে প্রথমবারের মতো ড্রোন এবং বডি-ওর্ন (Body-worn) ক্যামেরা ব্যবহারের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

​জরুরি সাড়াদান: যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে নৌবাহিনীর জাহাজ, হেলিকপ্টার, কুইক রেসপন্স ফোর্স (QRF) এবং র‍্যাপিড অ্যাকশন টিম।

​গোয়েন্দা তৎপরতা: পুরো নির্বাচনী এলাকায় বিশেষ গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

ভোটারদের নিরাপত্তা ও প্রশিক্ষণ:

​নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভোটাররা যাতে কোনো ভয়ভীতি ছাড়াই ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেজন্য অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সার্বক্ষণিক সমন্বয় বজায় রাখা হচ্ছে। দায়িত্ব পালনের সুবিধার্থে নৌ সদস্যদের বিশেষ প্রশিক্ষণ এবং আচরণবিধি সম্পর্কে দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে ভোটকেন্দ্র, ব্যালট পেপার এবং নির্বাচনী কর্মকর্তাদের নিরাপত্তার ওপর।

​রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ মুসা দেশবাসীকে পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রেখে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানান। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই নির্বাচন একটি গ্রহণযোগ্য ও শান্তিপূর্ণ মডেলে পরিণত হবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কেরানীগঞ্জে ইয়াবা তৈরির ‘কারখানা’, ঢাকাসহ আশপাশে চলত সরবরাহ

নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে প্রস্তুত বাংলাদেশ নৌবাহিনী

আপডেট সময় : ০৫:৪৯:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু এবং উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করতে পুরোপুরি প্রস্তুত বাংলাদেশ নৌবাহিনী।

রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) নৌবাহিনীর দায়িত্বপূর্ণ এলাকার নিরাপত্তা পরিস্থিতি পরিদর্শন শেষে এই দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন সহকারী নৌবাহিনী প্রধান রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ মুসা।

​পরিদর্শনকালে তিনি টেকনাফ, সেন্টমার্টিন ও মহেশখালীর বিভিন্ন কন্টিনজেন্ট এবং ভোটকেন্দ্রের সার্বিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন। রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ মুসা জানান, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী ২০২৪ সালের ২০ জুলাই থেকেই নৌবাহিনী উপকূলীয় এলাকাগুলোতে স্থানীয় প্রশাসনকে সহায়তায় নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।

নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গৃহীত পদক্ষেপসমূহ:

​নির্বাচনী পরিবেশ স্থিতিশীল রাখতে নৌবাহিনী বেশ কিছু কঠোর ও আধুনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।​

টহল ও নজরদারি: অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, মাদক নিয়ন্ত্রণ, চোরাচালান এবং মানব পাচার রোধে নৌবাহিনীর নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

​প্রযুক্তির ব্যবহার: নিরাপত্তা তদারকিতে প্রথমবারের মতো ড্রোন এবং বডি-ওর্ন (Body-worn) ক্যামেরা ব্যবহারের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

​জরুরি সাড়াদান: যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে নৌবাহিনীর জাহাজ, হেলিকপ্টার, কুইক রেসপন্স ফোর্স (QRF) এবং র‍্যাপিড অ্যাকশন টিম।

​গোয়েন্দা তৎপরতা: পুরো নির্বাচনী এলাকায় বিশেষ গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

ভোটারদের নিরাপত্তা ও প্রশিক্ষণ:

​নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভোটাররা যাতে কোনো ভয়ভীতি ছাড়াই ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেজন্য অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সার্বক্ষণিক সমন্বয় বজায় রাখা হচ্ছে। দায়িত্ব পালনের সুবিধার্থে নৌ সদস্যদের বিশেষ প্রশিক্ষণ এবং আচরণবিধি সম্পর্কে দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে ভোটকেন্দ্র, ব্যালট পেপার এবং নির্বাচনী কর্মকর্তাদের নিরাপত্তার ওপর।

​রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ মুসা দেশবাসীকে পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রেখে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানান। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই নির্বাচন একটি গ্রহণযোগ্য ও শান্তিপূর্ণ মডেলে পরিণত হবে।