ঢাকা ১২:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রতিবাদের পর বিদ্যুৎ পাচ্ছে কুতুপালংয়ের ৩ শ পরিবার, সিআইসির প্রত্যাহার দাবী বিনানোটিশে স্থানীয়দের ৩শ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করলেন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সিআইসি! নয়াবাজারে জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, অপহরণ চেষ্টার অভিযোগকে ‘মিথ্যা’ দাবি প্রতিপক্ষের কুতুবদিয়ায় দুর্নীতি প্রতিরোধ ও দমন বিষয়ক বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত ‘মেসি এবার বিশ্বকাপ জিততে পারবে না’ পেকুয়ায় পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু টেকনাফে দুই বোটসহ ৭ জেলে ধরে নিয়ে গেল আরাকান আর্মি পেকুয়ায় বাস-সিএনজি সংঘর্ষ: দুই যাত্রীর মৃত্যু কুতুবদিয়া উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার এ্যাডহক কমিটির সদস্য সচিব মনোনীত হলেন সাংবাদিক আবুল কাশেম রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবর্তনে ইইউর সহযোগিতা চাইলেন মন্ত্রী টেকনাফে বিদেশি পিস্তলসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী মনছুর আটক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় এমপি কাজল -রোহিঙ্গা ক্যাম্প মাদক ও আইনশৃঙ্খলা অবনতির হেড কোয়ার্টার শিক্ষার্থীরা জিপিএ-৫’র পেছনে না ছুটে, সৃজনশীল হোক: শিক্ষামন্ত্রী গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক, কার্যকর হবে ১ আগস্ট থেকে যুক্তরাষ্ট্রে বিমান বিধ্বস্তে ১১ স্কাইডাইভার ও পাইলট নিহত

নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে প্রস্তুত বাংলাদেশ নৌবাহিনী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু এবং উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করতে পুরোপুরি প্রস্তুত বাংলাদেশ নৌবাহিনী।

রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) নৌবাহিনীর দায়িত্বপূর্ণ এলাকার নিরাপত্তা পরিস্থিতি পরিদর্শন শেষে এই দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন সহকারী নৌবাহিনী প্রধান রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ মুসা।

​পরিদর্শনকালে তিনি টেকনাফ, সেন্টমার্টিন ও মহেশখালীর বিভিন্ন কন্টিনজেন্ট এবং ভোটকেন্দ্রের সার্বিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন। রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ মুসা জানান, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী ২০২৪ সালের ২০ জুলাই থেকেই নৌবাহিনী উপকূলীয় এলাকাগুলোতে স্থানীয় প্রশাসনকে সহায়তায় নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।

নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গৃহীত পদক্ষেপসমূহ:

​নির্বাচনী পরিবেশ স্থিতিশীল রাখতে নৌবাহিনী বেশ কিছু কঠোর ও আধুনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।​

টহল ও নজরদারি: অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, মাদক নিয়ন্ত্রণ, চোরাচালান এবং মানব পাচার রোধে নৌবাহিনীর নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

​প্রযুক্তির ব্যবহার: নিরাপত্তা তদারকিতে প্রথমবারের মতো ড্রোন এবং বডি-ওর্ন (Body-worn) ক্যামেরা ব্যবহারের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

​জরুরি সাড়াদান: যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে নৌবাহিনীর জাহাজ, হেলিকপ্টার, কুইক রেসপন্স ফোর্স (QRF) এবং র‍্যাপিড অ্যাকশন টিম।

​গোয়েন্দা তৎপরতা: পুরো নির্বাচনী এলাকায় বিশেষ গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

ভোটারদের নিরাপত্তা ও প্রশিক্ষণ:

​নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভোটাররা যাতে কোনো ভয়ভীতি ছাড়াই ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেজন্য অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সার্বক্ষণিক সমন্বয় বজায় রাখা হচ্ছে। দায়িত্ব পালনের সুবিধার্থে নৌ সদস্যদের বিশেষ প্রশিক্ষণ এবং আচরণবিধি সম্পর্কে দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে ভোটকেন্দ্র, ব্যালট পেপার এবং নির্বাচনী কর্মকর্তাদের নিরাপত্তার ওপর।

​রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ মুসা দেশবাসীকে পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রেখে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানান। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই নির্বাচন একটি গ্রহণযোগ্য ও শান্তিপূর্ণ মডেলে পরিণত হবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতিবাদের পর বিদ্যুৎ পাচ্ছে কুতুপালংয়ের ৩ শ পরিবার, সিআইসির প্রত্যাহার দাবী

নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে প্রস্তুত বাংলাদেশ নৌবাহিনী

আপডেট সময় : ০৫:৪৯:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু এবং উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করতে পুরোপুরি প্রস্তুত বাংলাদেশ নৌবাহিনী।

রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) নৌবাহিনীর দায়িত্বপূর্ণ এলাকার নিরাপত্তা পরিস্থিতি পরিদর্শন শেষে এই দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন সহকারী নৌবাহিনী প্রধান রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ মুসা।

​পরিদর্শনকালে তিনি টেকনাফ, সেন্টমার্টিন ও মহেশখালীর বিভিন্ন কন্টিনজেন্ট এবং ভোটকেন্দ্রের সার্বিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন। রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ মুসা জানান, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী ২০২৪ সালের ২০ জুলাই থেকেই নৌবাহিনী উপকূলীয় এলাকাগুলোতে স্থানীয় প্রশাসনকে সহায়তায় নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।

নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গৃহীত পদক্ষেপসমূহ:

​নির্বাচনী পরিবেশ স্থিতিশীল রাখতে নৌবাহিনী বেশ কিছু কঠোর ও আধুনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।​

টহল ও নজরদারি: অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, মাদক নিয়ন্ত্রণ, চোরাচালান এবং মানব পাচার রোধে নৌবাহিনীর নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

​প্রযুক্তির ব্যবহার: নিরাপত্তা তদারকিতে প্রথমবারের মতো ড্রোন এবং বডি-ওর্ন (Body-worn) ক্যামেরা ব্যবহারের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

​জরুরি সাড়াদান: যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে নৌবাহিনীর জাহাজ, হেলিকপ্টার, কুইক রেসপন্স ফোর্স (QRF) এবং র‍্যাপিড অ্যাকশন টিম।

​গোয়েন্দা তৎপরতা: পুরো নির্বাচনী এলাকায় বিশেষ গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

ভোটারদের নিরাপত্তা ও প্রশিক্ষণ:

​নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভোটাররা যাতে কোনো ভয়ভীতি ছাড়াই ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেজন্য অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সার্বক্ষণিক সমন্বয় বজায় রাখা হচ্ছে। দায়িত্ব পালনের সুবিধার্থে নৌ সদস্যদের বিশেষ প্রশিক্ষণ এবং আচরণবিধি সম্পর্কে দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে ভোটকেন্দ্র, ব্যালট পেপার এবং নির্বাচনী কর্মকর্তাদের নিরাপত্তার ওপর।

​রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ মুসা দেশবাসীকে পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রেখে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানান। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই নির্বাচন একটি গ্রহণযোগ্য ও শান্তিপূর্ণ মডেলে পরিণত হবে।