কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার ছোট মহেশখালী ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা ফরিদের বিরুদ্ধে দোকানের তালা ভেঙ্গে ১৪ লাখ টাকার মালামাল লুটের অভিযোগ উঠেছে।
গেলো শনিবার (৮ নভেম্বর) ভোরে দোকানের ভাড়াটিয়া মালিকের অনুপস্থিতির সুযোগ কাজে লাগিয়ে যুবলীগ নেতা ফরিদ এই লুটপাট করেন বলে অভিযোগ ভুক্তভোগী পরিবারের।
এই বিষয়ে ছোট মহেশখালীর দক্ষিণ নলবিলার ভুক্তভোগী সরওয়ারের পরিবার,ঠাকুরতলা বাজার কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা এক সংবাদ সম্মেলন করে।
সংবাদ সম্মেলনে তারা জানান, দোকানের ভাড়াটিয়া মালিক সরওয়ার বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন। এই সুযোগে দোকানের জমিদার ও স্থানীয় যুবলীগ নেতা ফরিদ দোকানের তালা ভেঙ্গে জেনারেটর, মোটর, গাড়ি, লোহার সিট, পিলারসহ আনুষঙ্গিক পণ্য লুট করেন। এসব মালামালের আনুমানিক মূল্য প্রায় ১৪ লাখ টাকা বলে দাবি তাদের।
বাজার কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ খোকন, সাবেক সভাপতি ইকবাল ফারুক সহ স্থানীয়রা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ফরিদ অতীতেও একাধিক দোকান থেকে সালামি নিয়েছিলেন। তবে চুক্তি অনুযায়ী দোকান ফেরত দেওয়ার পরও অর্থ ফেরত দেননি। এমনই এক দোকানদার হলো আবুল কালাম। মৃত্যুর পরও তার পরিবার সেই টাকা ফেরত পায়নি বলে জানান তারা।
স্থানীয় বাসিন্দা আবু মুসা বলেন, “যুবলীগ নেতা ফরিদের অপকর্ম নিয়ে কেউ মুখ খুললে তিনি ভয়-ভীতি দেখান এবং মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দেন।”
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীর পরিবার এ বিষয়ে মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জসহ প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিদের সহযোগীতা চেয়েছেন।
এদিকে বিষয়টি নিয়ে ফরিদের বক্তব্যের জন্য ফোন দিলে তিনি রূঢ় আচরণ করেন এবং কথা বলার সময় নেই বলে ফোন কেটে দেন।
বার্তা পরিবেশক: 

























