ঢাকা ০২:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দীর্ঘ সংগ্রাম শেষে দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে পেরেছি: প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক অতীতে আটকে থাকার সুযোগ নেই: দীনেশ ত্রিবেদী বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের নাগরিকদের জন্য খুলল যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসী ভিসার পথ বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জিয়া উদ্যানের জলাশয়ে মৎস্য পোনা অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণই বিএনপির সব রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস : প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজার থেকে ফেরা হলো না, লোহাগাড়ায় মিনিট্রাকের ধাক্কায় দুই যুবক নিহত শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালে দু’র্ঘ’ট’না, বিমানবাহিনীর ৩ সদস্য নি’হ’ত শক্তিশালী টেকনাফকে হারিয়ে ফাইনালে রামু : ম্যান অব দ্যা ম্যাচ কৌশিক বড়ুয়া প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনে কক্সবাজার জেলা বিএনপির সভা: দিনব্যাপী কর্মসূচি পালনের প্রস্তুতি চকরিয়ায় বাসে তল্লাশি : ইয়াবাসহ ২ রোহিঙ্গা যুবক আটক আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিলেন মেসি উজানটিয়া বেড়িবাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ অংশে বসানো হচ্ছে জিও ব্যাগ, এলাকাজুড়ে স্বস্তি সভাপতির ‘না’,সেক্রেটারির ‘হ্যাঁ’ : মিলনায়তনে সীরাতুন্নবী (সা:) মাহফিল আয়োজন নিয়ে আইনজীবী সমিতির বিতর্ক কক্সবাজার সৈকতে স্থাপনা নির্মাণ: ডিসিসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা কক্সবাজারে জমি রেজিস্ট্রেশনে ডিসির অনুমতি বাতিলে প্রধানমন্ত্রীর কাছে এমপি শাহজাহান চৌধুরীর চিঠি

ফালংজিতে শুরু হলো “থানগ্রেং”

তপ্ত রোদের দুপুর। একদল তরুন নাচতে নাচতে এলো মন্ডপে। মন্ডপ প্রধান দিলো অনুমতি তারপর ছুড়া হলো জল জবাবে অপরপ্রান্ত থেকে জলজ জবাব দিলো তরুনী। এভাবেই শুরু হলো জল উৎসব।

কক্সবাজারকে রাখাইন ভাষায় বলা হয় ফালংজি ( সাহেবের বাজার) আর জল উৎসবের প্রকৃত উচ্চারণ হলো থানগ্রেং,যাকে সকলেই সাংগ্রেং বলে সমধিক ব্যবহার বা উচ্চারন করে থাকি।

সাগরের নীল জলরাশির জনপদ কক্সবাজারে ৩ দিনের জল উৎসবের শুরু হলো শুক্রবার থেকে।

রাখাইন নববর্ষকে বরণে বৈচিত্রপূর্ণ এ উৎসবের আয়োজন করা হয়।

পুরোনো বছরের সব গ্লানি, জরাকে ধুয়ে মুছে নতুন বছরকে স্বাগত জানাতেই এই জল উৎসব।

এর আগে রাখাইন পল্লীগুলোতে মঙ্গল শোভাযাত্রা, বুদ্ধস্নান ও ধর্মীয় আচারের মধ্য দিয়ে উৎসবের সূচনা হয় ১৪ এপ্রিল থেকে। এরপরই পাড়ায় পাড়ায় তৈরি করা হয় জলকেলী প্যান্ডেল বা মন্ডপ। আর শুক্রবার দুপুর থেকেই জলে জলে তালে তালে উচ্ছাসে মাতে রাখাইন তারুণ্য।

বাদ্যের তালে, উচ্ছাসের নাচে, ঐতিহ্যের স্মারকে সজ্জিত রাখাইন তরুণ-তরুণীরা একে অপরকে মাঙ্গলিক জলে ভিজিয়ে দেয়। রাখাইনদের বিশ্বাস, এই পবিত্র জলের ধারা জীবনকে শুদ্ধ করবে এবং আগামীর সুখ, শান্তি বিনির্মিত হবে।

কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের পরিচালক মংছেংহ্লা জানান,এ বছর কক্সবাজার শহর ছাড়া হারবাং, মহেশখালী, চৌফলদন্ডি,টেকনাফসহ বিভিন্ন এলাকার রাখাইন পল্লীতে এই জল উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। এই উৎসব সফল করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহযোগীতা প্রদানের কথা জানান তিনি।

রাখাইন ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের নেতা মংমিউনাইং জানিয়েছেন, পর্যটন শহর কক্সবাজারে এবার ৯ টি জল উৎসবের প্যান্ডেল করা হয়েছে শহরের বাইরে বিভিন্ন উপজেলায় ৯ টি সহ জেলায় মোট ১৮ টি প্যান্ডেলে জল উৎসব হচ্ছে।

বিভিন্ন স্থানে আয়োজিত এই উৎসব দেখতে ভিড় জমিয়েছেন স্থানীয়দের পাশাপাশি বিপুল সংখ্যক পর্যটকও।

রাখাইন বর্ষ ১৩৮৮ বরণের এই জল উৎসব শেষ হবে ১৯ এপ্রিল।

ট্যাগ :

দীর্ঘ সংগ্রাম শেষে দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে পেরেছি: প্রধানমন্ত্রী

ফালংজিতে শুরু হলো “থানগ্রেং”

আপডেট সময় : ০৫:৫১:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

তপ্ত রোদের দুপুর। একদল তরুন নাচতে নাচতে এলো মন্ডপে। মন্ডপ প্রধান দিলো অনুমতি তারপর ছুড়া হলো জল জবাবে অপরপ্রান্ত থেকে জলজ জবাব দিলো তরুনী। এভাবেই শুরু হলো জল উৎসব।

কক্সবাজারকে রাখাইন ভাষায় বলা হয় ফালংজি ( সাহেবের বাজার) আর জল উৎসবের প্রকৃত উচ্চারণ হলো থানগ্রেং,যাকে সকলেই সাংগ্রেং বলে সমধিক ব্যবহার বা উচ্চারন করে থাকি।

সাগরের নীল জলরাশির জনপদ কক্সবাজারে ৩ দিনের জল উৎসবের শুরু হলো শুক্রবার থেকে।

রাখাইন নববর্ষকে বরণে বৈচিত্রপূর্ণ এ উৎসবের আয়োজন করা হয়।

পুরোনো বছরের সব গ্লানি, জরাকে ধুয়ে মুছে নতুন বছরকে স্বাগত জানাতেই এই জল উৎসব।

এর আগে রাখাইন পল্লীগুলোতে মঙ্গল শোভাযাত্রা, বুদ্ধস্নান ও ধর্মীয় আচারের মধ্য দিয়ে উৎসবের সূচনা হয় ১৪ এপ্রিল থেকে। এরপরই পাড়ায় পাড়ায় তৈরি করা হয় জলকেলী প্যান্ডেল বা মন্ডপ। আর শুক্রবার দুপুর থেকেই জলে জলে তালে তালে উচ্ছাসে মাতে রাখাইন তারুণ্য।

বাদ্যের তালে, উচ্ছাসের নাচে, ঐতিহ্যের স্মারকে সজ্জিত রাখাইন তরুণ-তরুণীরা একে অপরকে মাঙ্গলিক জলে ভিজিয়ে দেয়। রাখাইনদের বিশ্বাস, এই পবিত্র জলের ধারা জীবনকে শুদ্ধ করবে এবং আগামীর সুখ, শান্তি বিনির্মিত হবে।

কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের পরিচালক মংছেংহ্লা জানান,এ বছর কক্সবাজার শহর ছাড়া হারবাং, মহেশখালী, চৌফলদন্ডি,টেকনাফসহ বিভিন্ন এলাকার রাখাইন পল্লীতে এই জল উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। এই উৎসব সফল করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহযোগীতা প্রদানের কথা জানান তিনি।

রাখাইন ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের নেতা মংমিউনাইং জানিয়েছেন, পর্যটন শহর কক্সবাজারে এবার ৯ টি জল উৎসবের প্যান্ডেল করা হয়েছে শহরের বাইরে বিভিন্ন উপজেলায় ৯ টি সহ জেলায় মোট ১৮ টি প্যান্ডেলে জল উৎসব হচ্ছে।

বিভিন্ন স্থানে আয়োজিত এই উৎসব দেখতে ভিড় জমিয়েছেন স্থানীয়দের পাশাপাশি বিপুল সংখ্যক পর্যটকও।

রাখাইন বর্ষ ১৩৮৮ বরণের এই জল উৎসব শেষ হবে ১৯ এপ্রিল।