ঢাকা ১২:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নকল পেলে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে আইনের আওতায় আনা হবে: শিক্ষামন্ত্রী দেশজুড়ে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন ২৮ জুন উনচল্লিশেও টগবগে তারুণ্য: শুভ জন্মদিন, মেসি পেকুয়ায় ভুয়া ডিজিএফআই পরিচয় দেয়া এক নারী আটক নারী ও কিশোরীদের জন্য নিরাপদ ডিজিটাল নিরাপত্তা পরিবেশ গঠনের অঙ্গীকার: টেকনাফে বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত মহেশখালীর ধলঘাটার ফাটাঘোনা ও মিলঘোনা উন্মুক্ত নিলামের দাবি, সংঘর্ষের আশঙ্কায় জমির মালিকরা বিআইডব্লিউটিএ পরিচালক আরিফ উদ্দিন সাময়িকভাবে বরখাস্ত : কক্সবাজারেও তার বিরুদ্ধে রয়েছে অভিযোগ হরমুজ প্রণালি থেকে যেভাবে বের হয়ে এলো বাংলার জয়যাত্রা কক্সবাজারে ৩ দিনের সফরে আসছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ​টেকনাফে দুদকের দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা সম্পন্ন, চ্যাম্পিয়ন বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুল গর্জনিয়ার পোয়াংগেরখিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটি : সভাপতি জিল্লু চৌধুরী ক্যান্সারের সঙ্গে দীর্ঘ লড়াই শেষে মারা গেলেন রিকশাচালক মোহাম্মদ রফিক ২৮ জুন জেলায় ৪ লাখ ৯৩ হাজার ৩১৫ জন শিশুকে খাওয়ানো হবে ভিটামিন এ ক্যাপসুল নাইক্ষ্যংছড়ির গহিন জঙ্গল থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির কঙ্কাল উদ্ধার আ’লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে কক্সবাজারে বিএনপি অঙ্গ সংগঠনের প্রতিরোধ মিছিল

ভিকটিমের পরিচয় ফাঁসের অভিযোগে চকরিয়া থানার ওসিকে আইনি নোটিশ

ধর্ষণের শিকার এক কিশোরীর ছবি ও পরিচয় প্রকাশের অভিযোগে কক্সবাজারের চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনির হোসেনের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

বুধবার (৩ জুন) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও ন্যাশনাল ল ইয়ার্স কাউন্সিলের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এস. এম. জুলফিকার আলী জুনু এ নোটিশ পাঠান।
নোটিশটি স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি), চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি এবং কক্সবাজারের পুলিশ সুপারের কাছে প্রেরণ করা হয়েছে।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়, বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও অনলাইন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে জানা গেছে, ধর্ষণের শিকার এক কিশোরীর ছবি চকরিয়া থানার অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশ করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনির হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে।

নোটিশে বলা হয়, ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের শিকার ব্যক্তির পরিচয়, ছবি কিংবা এমন কোনো তথ্য প্রকাশ করা যা দ্বারা তার পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়, তা আইন, মানবাধিকার এবং ভিকটিম সুরক্ষার নীতিমালার পরিপন্থি। একই সঙ্গে হাইকোর্টের নির্দেশনারও লঙ্ঘন হতে পারে।

আইনজীবী এস. এম. জুলফিকার আলী জুনু বলেন, অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে এটি ভিকটিমের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনের শামিল এবং তার মানসিক, সামাজিক ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য গুরুতর ক্ষতির কারণ হতে পারে।

নোটিশে পাঁচ দফা দাবি জানানো হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন, অভিযোগ প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ, ভিকটিমের পরিচয় শনাক্ত করা যায় এমন সব তথ্য অপসারণ এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি।

এছাড়া নোটিশ পাওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে লিখিতভাবে জানাতে বলা হয়েছে। অন্যথায় জনস্বার্থে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

নকল পেলে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে আইনের আওতায় আনা হবে: শিক্ষামন্ত্রী

ভিকটিমের পরিচয় ফাঁসের অভিযোগে চকরিয়া থানার ওসিকে আইনি নোটিশ

আপডেট সময় : ০৪:৩৯:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬

ধর্ষণের শিকার এক কিশোরীর ছবি ও পরিচয় প্রকাশের অভিযোগে কক্সবাজারের চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনির হোসেনের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

বুধবার (৩ জুন) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও ন্যাশনাল ল ইয়ার্স কাউন্সিলের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এস. এম. জুলফিকার আলী জুনু এ নোটিশ পাঠান।
নোটিশটি স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি), চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি এবং কক্সবাজারের পুলিশ সুপারের কাছে প্রেরণ করা হয়েছে।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়, বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও অনলাইন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে জানা গেছে, ধর্ষণের শিকার এক কিশোরীর ছবি চকরিয়া থানার অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশ করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনির হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে।

নোটিশে বলা হয়, ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের শিকার ব্যক্তির পরিচয়, ছবি কিংবা এমন কোনো তথ্য প্রকাশ করা যা দ্বারা তার পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়, তা আইন, মানবাধিকার এবং ভিকটিম সুরক্ষার নীতিমালার পরিপন্থি। একই সঙ্গে হাইকোর্টের নির্দেশনারও লঙ্ঘন হতে পারে।

আইনজীবী এস. এম. জুলফিকার আলী জুনু বলেন, অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে এটি ভিকটিমের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনের শামিল এবং তার মানসিক, সামাজিক ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য গুরুতর ক্ষতির কারণ হতে পারে।

নোটিশে পাঁচ দফা দাবি জানানো হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন, অভিযোগ প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ, ভিকটিমের পরিচয় শনাক্ত করা যায় এমন সব তথ্য অপসারণ এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি।

এছাড়া নোটিশ পাওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে লিখিতভাবে জানাতে বলা হয়েছে। অন্যথায় জনস্বার্থে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।