ঢাকা ০৮:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বমু বিলছড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সম্মেলন : সভাপতি-সম্পাদকসহ গুরুত্বপূর্ণ পদে ১০ প্রার্থীর লড়াই সিটি কর্পোরেশন হলে কক্সবাজার সদর উপজেলা থাকবে না উখিয়ায় নিখোঁজের ২ ঘণ্টার মধ্যে উদ্ধার ৭ বছর বয়সী পূর্ণ বড়ুয়া, পরিবারের কাছে হস্তান্তর উখিয়ায় মানসিক রোগী তিন সন্তানের জননী নিখোঁজ, সন্ধান চায় পরিবার রামুতে ​মা ও নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় শেফা ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধের নির্দেশ জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা ১৫টি জেলে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হলো নতুন নৌকা কক্সবাজার সিটি কলেজ এলাকায় গুলিবর্ষণের ঘটনায় মুবিন আটক রোহিঙ্গা ইস্যুতে মানবিকতার সঙ্গে নিরাপত্তার ভারসাম্য জরুরি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দূষণমুক্ত নদী ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার পথে পানিতে পড়ে নিখোঁজ, ১৮ ঘণ্টা পর শামীমের মরদেহ উদ্ধার সাভারে পুলিশের এসআইকে পিটিয়ে হত্যা চৌফলদন্ডীকে প্রস্তাবিত সিটি কর্পোরেশনে অন্তর্ভুক্তির দাবিতে নাগরিক ঐক্য পরিষদ গঠন সদর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান :ছিনতাইয়ের অভিযোগে সম্রাট নামের যুবক আটক শহরে ডিবির অভিযান : ৪ ছিনতাইকারী আটক লামায় অবৈধ বালু উত্তোলন, শ্যালো মেশিন ও পাইপ জব্দ

ভাবীর ঘাড়ে দা’র কোপ, দেবর ও শাশুড়ি আটক

কক্সবাজারে পারিবারিক কলহ ও মোবাইল ফোন চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক গৃহবধূর ঘাড়ে ধারালো দা দিয়ে কোপ দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। গুরুতর আহত ওই নারী বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত দেবর ও শাশুড়িকে আটক করেছে পুলিশ।

বুধবার (৩ জুন) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কক্সবাজার পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের রুমালিয়াছড়া এলাকার টেকনাইফ্যা পাহাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহত জোসনা আক্তার (৩৮) টেকনাফ পাহাড় এলাকার বাসিন্দা। তিনি সাদ্দাম হোসেনের স্ত্রী। অভিযুক্ত হাসান মেহেদী (২৮) তার দেবর। অপর অভিযুক্ত ফাতেমা বেগম (৪৫) জোসনার শাশুড়ি।

স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাতে পুলিশের ভাষ্য, পারিবারিক কলহের জের ধরে সম্প্রতি একটি মোবাইল ফোন চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। বুধবার সকালে জোসনা আক্তারের বসতঘরের সামনে এ বিরোধের জেরে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

অভিযোগ রয়েছে, শাশুড়ি ফাতেমা বেগমের প্ররোচনায় তার ছেলে হাসান মেহেদী ধারালো বডি দা দিয়ে জোসনা আক্তারের ঘাড়ের পেছনে কোপ দেন। এতে তার ঘাড়ের পেছনের অংশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এদিকে ঘটনার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত শাশুড়ি ফাতেমা বেগমকে আটক করে। পরে হামলার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দেবর হাসান মেহেদীকেও আটক করা হয়েছে।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী জানিয়েছেন, পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। আহত নারী বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঘটনায় জড়িত দুই অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

 

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

বমু বিলছড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সম্মেলন : সভাপতি-সম্পাদকসহ গুরুত্বপূর্ণ পদে ১০ প্রার্থীর লড়াই

ভাবীর ঘাড়ে দা’র কোপ, দেবর ও শাশুড়ি আটক

আপডেট সময় : ০৮:০৬:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬

কক্সবাজারে পারিবারিক কলহ ও মোবাইল ফোন চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক গৃহবধূর ঘাড়ে ধারালো দা দিয়ে কোপ দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। গুরুতর আহত ওই নারী বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত দেবর ও শাশুড়িকে আটক করেছে পুলিশ।

বুধবার (৩ জুন) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কক্সবাজার পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের রুমালিয়াছড়া এলাকার টেকনাইফ্যা পাহাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহত জোসনা আক্তার (৩৮) টেকনাফ পাহাড় এলাকার বাসিন্দা। তিনি সাদ্দাম হোসেনের স্ত্রী। অভিযুক্ত হাসান মেহেদী (২৮) তার দেবর। অপর অভিযুক্ত ফাতেমা বেগম (৪৫) জোসনার শাশুড়ি।

স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাতে পুলিশের ভাষ্য, পারিবারিক কলহের জের ধরে সম্প্রতি একটি মোবাইল ফোন চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। বুধবার সকালে জোসনা আক্তারের বসতঘরের সামনে এ বিরোধের জেরে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

অভিযোগ রয়েছে, শাশুড়ি ফাতেমা বেগমের প্ররোচনায় তার ছেলে হাসান মেহেদী ধারালো বডি দা দিয়ে জোসনা আক্তারের ঘাড়ের পেছনে কোপ দেন। এতে তার ঘাড়ের পেছনের অংশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এদিকে ঘটনার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত শাশুড়ি ফাতেমা বেগমকে আটক করে। পরে হামলার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দেবর হাসান মেহেদীকেও আটক করা হয়েছে।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী জানিয়েছেন, পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। আহত নারী বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঘটনায় জড়িত দুই অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।