ঢাকা ০৭:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শাহপরীরদ্বীপে সাগরে ভেসে এলো অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ প্রেসক্লাবে জুলাই শহীদ স্মৃতি শীর্ষক চিত্র প্রদর্শনী ম্যাজিস্ট্রেট এড়িয়ে গেলেও ডিসি বললেন- অগোচরে চলছিল প্যারাসেইলিং চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে চলতি মাসেই চালু হচ্ছে মহানগর এক্সপ্রেস, আসছে আরও নতুন আন্তঃনগর ট্রেন ঈদগাঁওয়ে প্রাইভেটকারে ৭৬ কেজি গাঁজা, একাধিক মামলার আসামিসহ আটক ২ নতুন দায়িত্ব পেলেন মির্জা আব্বাস বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা ফিরছে, বিনিয়োগে উৎসাহ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র মায়ের দুধেই শিশুর সুরক্ষা, আজ থেকে শুরু বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ ১৫০ বছর পর লাইব্রেরিতে বই ফেরত, জরিমানা ১৯ লাখ  মিয়ানমারে পাচারের সময় বিপুল পরিমাণ সার জব্দ, আটক ২৩ সাড়ে ৬ বছরে রাজধানীতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১ হাজার ৩৮৪ জন Scars Still Fresh, Yet Flood Victims in Chakaria Strive to Rebuild Their Lives এখনো মুছেনি ক্ষত, তবুও ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টায় চকরিয়ার বন্যা দুর্গতরা রোহিঙ্গা সংকটে নতুন উদ্বেগ: মালয়েশিয়ার নীতির বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর যৌথ বিবৃতি কেরানীগঞ্জে ইয়াবা তৈরির ‘কারখানা’, ঢাকাসহ আশপাশে চলত সরবরাহ

ভাবীর ঘাড়ে দা’র কোপ, দেবর ও শাশুড়ি আটক

কক্সবাজারে পারিবারিক কলহ ও মোবাইল ফোন চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক গৃহবধূর ঘাড়ে ধারালো দা দিয়ে কোপ দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। গুরুতর আহত ওই নারী বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত দেবর ও শাশুড়িকে আটক করেছে পুলিশ।

বুধবার (৩ জুন) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কক্সবাজার পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের রুমালিয়াছড়া এলাকার টেকনাইফ্যা পাহাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহত জোসনা আক্তার (৩৮) টেকনাফ পাহাড় এলাকার বাসিন্দা। তিনি সাদ্দাম হোসেনের স্ত্রী। অভিযুক্ত হাসান মেহেদী (২৮) তার দেবর। অপর অভিযুক্ত ফাতেমা বেগম (৪৫) জোসনার শাশুড়ি।

স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাতে পুলিশের ভাষ্য, পারিবারিক কলহের জের ধরে সম্প্রতি একটি মোবাইল ফোন চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। বুধবার সকালে জোসনা আক্তারের বসতঘরের সামনে এ বিরোধের জেরে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

অভিযোগ রয়েছে, শাশুড়ি ফাতেমা বেগমের প্ররোচনায় তার ছেলে হাসান মেহেদী ধারালো বডি দা দিয়ে জোসনা আক্তারের ঘাড়ের পেছনে কোপ দেন। এতে তার ঘাড়ের পেছনের অংশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এদিকে ঘটনার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত শাশুড়ি ফাতেমা বেগমকে আটক করে। পরে হামলার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দেবর হাসান মেহেদীকেও আটক করা হয়েছে।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী জানিয়েছেন, পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। আহত নারী বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঘটনায় জড়িত দুই অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

 

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

শাহপরীরদ্বীপে সাগরে ভেসে এলো অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ

ভাবীর ঘাড়ে দা’র কোপ, দেবর ও শাশুড়ি আটক

আপডেট সময় : ০৮:০৬:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬

কক্সবাজারে পারিবারিক কলহ ও মোবাইল ফোন চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক গৃহবধূর ঘাড়ে ধারালো দা দিয়ে কোপ দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। গুরুতর আহত ওই নারী বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত দেবর ও শাশুড়িকে আটক করেছে পুলিশ।

বুধবার (৩ জুন) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কক্সবাজার পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের রুমালিয়াছড়া এলাকার টেকনাইফ্যা পাহাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহত জোসনা আক্তার (৩৮) টেকনাফ পাহাড় এলাকার বাসিন্দা। তিনি সাদ্দাম হোসেনের স্ত্রী। অভিযুক্ত হাসান মেহেদী (২৮) তার দেবর। অপর অভিযুক্ত ফাতেমা বেগম (৪৫) জোসনার শাশুড়ি।

স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাতে পুলিশের ভাষ্য, পারিবারিক কলহের জের ধরে সম্প্রতি একটি মোবাইল ফোন চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। বুধবার সকালে জোসনা আক্তারের বসতঘরের সামনে এ বিরোধের জেরে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

অভিযোগ রয়েছে, শাশুড়ি ফাতেমা বেগমের প্ররোচনায় তার ছেলে হাসান মেহেদী ধারালো বডি দা দিয়ে জোসনা আক্তারের ঘাড়ের পেছনে কোপ দেন। এতে তার ঘাড়ের পেছনের অংশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এদিকে ঘটনার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত শাশুড়ি ফাতেমা বেগমকে আটক করে। পরে হামলার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দেবর হাসান মেহেদীকেও আটক করা হয়েছে।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী জানিয়েছেন, পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। আহত নারী বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঘটনায় জড়িত দুই অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।