ঢাকা ০৭:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর হোটেল পরিচয়ে পর্যটককে হুমকি: সীগালের সেই ম্যানেজার কামরুল গ্রেফতার নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের দ্বিতীয় পর্বের ফ্রি খেলোয়াড় রেজিস্ট্রেশন চলছে নেপাল সফরে গেলেন জেইউসি সভাপতি নুরুল ইসলাম হেলালী পেকুয়ায় খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী পালিত লোহাগাড়ায় পুকুরে ডুবে দুই বোনের মর্মান্তিক মৃত্যু কুতুবদিয়ায় পানিতে ডুবে নারীর মৃত্যু লামার ফাইতংয়ে ৫ ইটভাটায় মোবাইল কোর্ট, সাড়ে ৩ লাখ টাকা জরিমানা হলদিয়া পালং বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুল আজিজ মেম্বারের ৬ষ্ট মৃত্যুবার্ষিকী জেলা প্রশাসনের গণবিজ্ঞপ্তি : কক্সবাজারে রাত ৮টায় শপিংমল ও দোকানপাট বন্ধের নির্দেশ গর্জনিয়া সীমান্তে বিজিবির অভিযান : ২ লাখ ইয়াবা উদ্ধার রামুতে কোমলমতি শিশু নিকেতনের “বর্ষার ভরসায় জীবনের গান গাই” ৭ম পর্ব অনুষ্ঠিত বাংলাদেশে থাকা রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে বড় ঘোষণা মিয়ানমার সরকারের শিক্ষকদের আর অফিসে অফিসে ঘুরতে হবে না : প্রধানমন্ত্রী ধানমন্ডি ৩২ থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সন্দেহে আটক ১ অর্থের অভাবে চিকিৎসা থেকে কেউ বঞ্চিত হবে না: প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

দূষিত খাবারে বিশ্বজুড়ে বছরে প্রাণহানি ১৫ লাখ, সবচেয়ে ঝুঁকিতে শিশুরা

সংস্থাটি বলছে, ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, পরজীবী বা রাসায়নিক পদার্থে দূষিত খাবার খাওয়ার কারণে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে শিশুরা। খবর জিও নিউজের।

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত ডব্লিউএইচওর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০০০ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ১৯৪টি দেশের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, প্রতি বছর প্রায় ৮৮ কোটি ৬০ লাখ মানুষ অনিরাপদ খাদ্য গ্রহণজনিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হন। পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অন্যদের তুলনায় প্রায় তিন গুণ বেশি।

ডব্লিউএইচওর মহাপরিচালক তেদ্রস আধানম গেব্রেসুস বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা কোনো বিমূর্ত বিষয় নয়; এটি প্রতিদিনের প্রতিটি খাবার, প্রতিটি পরিবার এবং প্রতিটি মানুষের জীবনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০০০ সালের তুলনায় খাদ্যজনিত অসুস্থতার হার কিছুটা কমলেও অঞ্চলভেদে বৈষম্য এখনও ব্যাপক। বিশ্বে খাদ্যবাহিত রোগের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ ঘটনা এবং ৬০ শতাংশ মৃত্যুর জন্য দায়ী আফ্রিকা ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চল।

২০২১ সালে প্রায় ৮৬ কোটি মানুষের খাদ্যবাহিত অসুস্থতার পেছনে প্রধান ভূমিকা ছিল জীবাণুজনিত ঝুঁকি, যেমন ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস। তবে মৃত্যুর ক্ষেত্রে রাসায়নিক দূষণের প্রভাব তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা গেছে। বিশেষ করে আর্সেনিক ও সিসা বিষক্রিয়া ছিল প্রধান অজৈব কারণ।

ডব্লিউএইচওর খাদ্য নিরাপত্তাবিষয়ক কারিগরি কর্মকর্তা ইয়ুকি মিনাতো বলেন, তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, খাদ্যবাহিত রোগ শুধু স্থায়ী সমস্যাই নয়, জলবায়ু পরিবর্তন ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল প্রতিরোধক্ষমতার কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে খাদ্য দূষণের ঝুঁকি বাড়ছে এবং ওষুধ প্রতিরোধী সংক্রমণ চিকিৎসাকে কঠিন করে তুলছে।

স্বাস্থ্যগত ক্ষতির পাশাপাশি খাদ্যবাহিত রোগ বিশ্ব অর্থনীতিতেও বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২১ সালে উৎপাদনশীলতা হ্রাসের কারণে এসব রোগের ফলে বৈশ্বিক অর্থনীতির ক্ষতি হয়েছে প্রায় ৬৪৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

সূত্র: যুগান্তর

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর হোটেল পরিচয়ে পর্যটককে হুমকি: সীগালের সেই ম্যানেজার কামরুল গ্রেফতার

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

দূষিত খাবারে বিশ্বজুড়ে বছরে প্রাণহানি ১৫ লাখ, সবচেয়ে ঝুঁকিতে শিশুরা

আপডেট সময় : ০১:২২:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

সংস্থাটি বলছে, ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, পরজীবী বা রাসায়নিক পদার্থে দূষিত খাবার খাওয়ার কারণে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে শিশুরা। খবর জিও নিউজের।

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত ডব্লিউএইচওর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০০০ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ১৯৪টি দেশের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, প্রতি বছর প্রায় ৮৮ কোটি ৬০ লাখ মানুষ অনিরাপদ খাদ্য গ্রহণজনিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হন। পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অন্যদের তুলনায় প্রায় তিন গুণ বেশি।

ডব্লিউএইচওর মহাপরিচালক তেদ্রস আধানম গেব্রেসুস বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা কোনো বিমূর্ত বিষয় নয়; এটি প্রতিদিনের প্রতিটি খাবার, প্রতিটি পরিবার এবং প্রতিটি মানুষের জীবনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০০০ সালের তুলনায় খাদ্যজনিত অসুস্থতার হার কিছুটা কমলেও অঞ্চলভেদে বৈষম্য এখনও ব্যাপক। বিশ্বে খাদ্যবাহিত রোগের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ ঘটনা এবং ৬০ শতাংশ মৃত্যুর জন্য দায়ী আফ্রিকা ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চল।

২০২১ সালে প্রায় ৮৬ কোটি মানুষের খাদ্যবাহিত অসুস্থতার পেছনে প্রধান ভূমিকা ছিল জীবাণুজনিত ঝুঁকি, যেমন ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস। তবে মৃত্যুর ক্ষেত্রে রাসায়নিক দূষণের প্রভাব তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা গেছে। বিশেষ করে আর্সেনিক ও সিসা বিষক্রিয়া ছিল প্রধান অজৈব কারণ।

ডব্লিউএইচওর খাদ্য নিরাপত্তাবিষয়ক কারিগরি কর্মকর্তা ইয়ুকি মিনাতো বলেন, তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, খাদ্যবাহিত রোগ শুধু স্থায়ী সমস্যাই নয়, জলবায়ু পরিবর্তন ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল প্রতিরোধক্ষমতার কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে খাদ্য দূষণের ঝুঁকি বাড়ছে এবং ওষুধ প্রতিরোধী সংক্রমণ চিকিৎসাকে কঠিন করে তুলছে।

স্বাস্থ্যগত ক্ষতির পাশাপাশি খাদ্যবাহিত রোগ বিশ্ব অর্থনীতিতেও বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২১ সালে উৎপাদনশীলতা হ্রাসের কারণে এসব রোগের ফলে বৈশ্বিক অর্থনীতির ক্ষতি হয়েছে প্রায় ৬৪৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

সূত্র: যুগান্তর