ঢাকা ০২:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজারে সামাজিক সম্প্রীতি ও দায়িত্বশীল তথ্য ব্যবহার বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত কক্সবাজারে নির্মাণাধীন কালভার্টে মাটি ধসে নিহত ২ শ্রমিক দূষিত খাবারে বিশ্বজুড়ে বছরে প্রাণহানি ১৫ লাখ, সবচেয়ে ঝুঁকিতে শিশুরা পেকুয়ায় বন্দুক, গুলি-কার্তুজসহ অস্ত্রধারী গ্রেপ্তার ঈদুল আজহার ১৩ দিনে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২৮১ জন ২য় বিশ্বযুদ্ধে নিহত জাপানি সৈন্যদের স্মৃতির খোঁজে কক্সবাজারে জাপানি প্রতিনিধি দল কাশিমপুর কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন আইভী কক্সবাজার রেল স্টেশনের সিকিউরিটি রাব্বানীর বিরুদ্ধে টিকেট কালোবাজারির অভিযোগ পালংখালী সীমান্তে আরএসওর গুলি, ঘটনাস্থল থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ও ইয়াবা উদ্ধার ভাবীর ঘাড়ে দা’র কোপ, দেবর ও শাশুড়ি আটক মাঝরাতে গুলির শব্দে কেঁপে উঠল হোয়াইক্যং, আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটালেন বাসিন্দারা টেকনাফে শ্রমিক দল সভাপতির ওপর হামলা পুত্রবধূকে জিম্মি করে আইনজীবী সমিতির সভাপতির বাড়িতে ডাকাতি তরুণদের নেতৃত্ব ও মানবিকতা গঠনে পেকুয়া মুক্ত স্কাউট গ্রুপের বার্ষিক ক্যাম্প টেকনাফে ৪ বছর বয়সী মার্কিন নাগরিক উদ্ধার, অপহরণকারী চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

দূষিত খাবারে বিশ্বজুড়ে বছরে প্রাণহানি ১৫ লাখ, সবচেয়ে ঝুঁকিতে শিশুরা

সংস্থাটি বলছে, ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, পরজীবী বা রাসায়নিক পদার্থে দূষিত খাবার খাওয়ার কারণে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে শিশুরা। খবর জিও নিউজের।

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত ডব্লিউএইচওর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০০০ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ১৯৪টি দেশের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, প্রতি বছর প্রায় ৮৮ কোটি ৬০ লাখ মানুষ অনিরাপদ খাদ্য গ্রহণজনিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হন। পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অন্যদের তুলনায় প্রায় তিন গুণ বেশি।

ডব্লিউএইচওর মহাপরিচালক তেদ্রস আধানম গেব্রেসুস বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা কোনো বিমূর্ত বিষয় নয়; এটি প্রতিদিনের প্রতিটি খাবার, প্রতিটি পরিবার এবং প্রতিটি মানুষের জীবনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০০০ সালের তুলনায় খাদ্যজনিত অসুস্থতার হার কিছুটা কমলেও অঞ্চলভেদে বৈষম্য এখনও ব্যাপক। বিশ্বে খাদ্যবাহিত রোগের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ ঘটনা এবং ৬০ শতাংশ মৃত্যুর জন্য দায়ী আফ্রিকা ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চল।

২০২১ সালে প্রায় ৮৬ কোটি মানুষের খাদ্যবাহিত অসুস্থতার পেছনে প্রধান ভূমিকা ছিল জীবাণুজনিত ঝুঁকি, যেমন ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস। তবে মৃত্যুর ক্ষেত্রে রাসায়নিক দূষণের প্রভাব তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা গেছে। বিশেষ করে আর্সেনিক ও সিসা বিষক্রিয়া ছিল প্রধান অজৈব কারণ।

ডব্লিউএইচওর খাদ্য নিরাপত্তাবিষয়ক কারিগরি কর্মকর্তা ইয়ুকি মিনাতো বলেন, তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, খাদ্যবাহিত রোগ শুধু স্থায়ী সমস্যাই নয়, জলবায়ু পরিবর্তন ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল প্রতিরোধক্ষমতার কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে খাদ্য দূষণের ঝুঁকি বাড়ছে এবং ওষুধ প্রতিরোধী সংক্রমণ চিকিৎসাকে কঠিন করে তুলছে।

স্বাস্থ্যগত ক্ষতির পাশাপাশি খাদ্যবাহিত রোগ বিশ্ব অর্থনীতিতেও বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২১ সালে উৎপাদনশীলতা হ্রাসের কারণে এসব রোগের ফলে বৈশ্বিক অর্থনীতির ক্ষতি হয়েছে প্রায় ৬৪৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

সূত্র: যুগান্তর

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে সামাজিক সম্প্রীতি ও দায়িত্বশীল তথ্য ব্যবহার বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

দূষিত খাবারে বিশ্বজুড়ে বছরে প্রাণহানি ১৫ লাখ, সবচেয়ে ঝুঁকিতে শিশুরা

আপডেট সময় : ০১:২২:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

সংস্থাটি বলছে, ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, পরজীবী বা রাসায়নিক পদার্থে দূষিত খাবার খাওয়ার কারণে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে শিশুরা। খবর জিও নিউজের।

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত ডব্লিউএইচওর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০০০ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ১৯৪টি দেশের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, প্রতি বছর প্রায় ৮৮ কোটি ৬০ লাখ মানুষ অনিরাপদ খাদ্য গ্রহণজনিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হন। পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অন্যদের তুলনায় প্রায় তিন গুণ বেশি।

ডব্লিউএইচওর মহাপরিচালক তেদ্রস আধানম গেব্রেসুস বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা কোনো বিমূর্ত বিষয় নয়; এটি প্রতিদিনের প্রতিটি খাবার, প্রতিটি পরিবার এবং প্রতিটি মানুষের জীবনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০০০ সালের তুলনায় খাদ্যজনিত অসুস্থতার হার কিছুটা কমলেও অঞ্চলভেদে বৈষম্য এখনও ব্যাপক। বিশ্বে খাদ্যবাহিত রোগের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ ঘটনা এবং ৬০ শতাংশ মৃত্যুর জন্য দায়ী আফ্রিকা ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চল।

২০২১ সালে প্রায় ৮৬ কোটি মানুষের খাদ্যবাহিত অসুস্থতার পেছনে প্রধান ভূমিকা ছিল জীবাণুজনিত ঝুঁকি, যেমন ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস। তবে মৃত্যুর ক্ষেত্রে রাসায়নিক দূষণের প্রভাব তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা গেছে। বিশেষ করে আর্সেনিক ও সিসা বিষক্রিয়া ছিল প্রধান অজৈব কারণ।

ডব্লিউএইচওর খাদ্য নিরাপত্তাবিষয়ক কারিগরি কর্মকর্তা ইয়ুকি মিনাতো বলেন, তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, খাদ্যবাহিত রোগ শুধু স্থায়ী সমস্যাই নয়, জলবায়ু পরিবর্তন ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল প্রতিরোধক্ষমতার কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে খাদ্য দূষণের ঝুঁকি বাড়ছে এবং ওষুধ প্রতিরোধী সংক্রমণ চিকিৎসাকে কঠিন করে তুলছে।

স্বাস্থ্যগত ক্ষতির পাশাপাশি খাদ্যবাহিত রোগ বিশ্ব অর্থনীতিতেও বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২১ সালে উৎপাদনশীলতা হ্রাসের কারণে এসব রোগের ফলে বৈশ্বিক অর্থনীতির ক্ষতি হয়েছে প্রায় ৬৪৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

সূত্র: যুগান্তর