ঢাকা ০৫:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মেরিন ড্রাইভে ২ দফা পাহাড়ধস উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে আবারো এক শিশুর মৃত্যু কলাতলীতে পাহাড় ধসে ৫ বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত : আহত ৩ মেরিন ড্রাইভে মিনিট্রাক উল্টে আহত ৮ জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে জেলা প্রশাসনের আলোচনা সভায় এমপি স্বপ্না- গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশে এখন গণতন্ত্র চর্চা হচ্ছে টেকনাফে র‍্যাবের অভিযান: অপহৃত ৩ রোহিঙ্গা উদ্ধার, গ্রেফতার ১ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, আহত ১০ অহেতুক ইস্যু তৈরি করে দেশে অস্থিরতা সৃষ্টির অপচেষ্টা চলছে: প্রধানমন্ত্রী জুলাই আন্দোলনের দুই বছর: শহীদ ওয়াসিমের কবরে প্রশাসনের শ্রদ্ধা বাংলাদেশ আর কখনো তাবেদারি রাষ্ট্রে পরিণত হবে না: প্রধানমন্ত্রী ১৯৭১’র মুক্তিযুদ্ধ ছিল স্বাধীনতা অর্জনের আর ২৪’র গণঅভ্যুত্থান ছিল স্বাধীনতা রক্ষার: প্রধানমন্ত্রী শহীদদের আকাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন বাস্তবে রূপ পায়নি : নাহিদ ইসলাম জুলাই স্মৃতি জাদুঘর ইতিহাসের নতুন পর্যায় সৃষ্টি করেছে: ড. ইউনূস কক্সবাজারে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধার্ঘ্য, দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি থাইংখালীতে জমিদখলের চেষ্টা, ১৪৪ ধারায় শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার আদেশ আদালতের

২য় বিশ্বযুদ্ধে নিহত জাপানি সৈন্যদের স্মৃতির খোঁজে কক্সবাজারে জাপানি প্রতিনিধি দল

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নিহত হওয়া জাপানি সৈন্যদের দেহাবশেষ ও স্মৃতির খোঁজে কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকায় অনুসন্ধান চালিয়েছে জাপানি প্রতিনিধি দল। মূলত রামু ও উখিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় তারা অনুসন্ধান চালায়।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার বিমানঘাঁটি, যুদ্ধক্ষেত্র সন্ধান করে তথ্য সংগ্রহ করেছে দলটি। তারই অংশ হিসেবে উখিয়া উপজেলার হলদিয়া পালং ইউনিয়নে যায় দলটি। সেখানে রুমখা বড়বিল পুরাতন জমে মসজিদের পাশে ইসলাম মিয়ার বাড়ীতে সংগ্রহ করা পাঁচটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্যবহৃত বুলেটের সন্ধান পায় দলটি।

দলটিতে ছিলেন জাপান-বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক বিনিময় সমিতির উপদেষ্টা মিসেস ওশিমা মুতসুকো, শিপ ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালের পরিচালক মি. ফুটশি কোনো, বাংলাদেশ বৌদ্ধ ঐতিহ্য গবেষণা ট্রাস্টের চেয়ারম্যান সবুজ বড়ুয়া। দলটির সঙ্গে ছিলেন লেখক ও গবেষক অ্যাডভোকেট শিরুপন বড়ুয়া এবং অ্যাডভোকেট সুমথ বড়ুয়া।

প্রতিনিধি দলটি প্রথমে রামুর ফতেখাঁরকুলের লম্বরী পাড়া, রাজারকুলের চৌকিদার পাড়া ও মধ্যম ঘোনার পাড়ায় ব্রিটিশ আমলের হাসপাতালের খোঁজ করেন এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন সময়ে সম্ভাব্য যুদ্ধক্ষেত্র, সমাধীস্থলসহ বিভিন্ন স্থানের জিপিএস তথ্য সংগ্রহ করেন ।

জানা গেছে, জাপান সরকার বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত জাপানি সৈন্যদের দেহাবশেষ স্বদেশে ফিরিয়ে নিতে বিশেষ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এর অংশ হিসেবে ২০২৪ সালে বাংলাদেশের কুমিল্লার ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি থেকে ২৩ জন এবং ২০২৫ সালে চট্টগ্রাম ওয়ার সিমেট্রি থেকে ১৮ জন জাপানি সৈন্যের দেহাবশেষ বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতায় জাপানে নিয়ে যাওয়া হয়।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

মেরিন ড্রাইভে ২ দফা পাহাড়ধস

২য় বিশ্বযুদ্ধে নিহত জাপানি সৈন্যদের স্মৃতির খোঁজে কক্সবাজারে জাপানি প্রতিনিধি দল

আপডেট সময় : ১০:০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নিহত হওয়া জাপানি সৈন্যদের দেহাবশেষ ও স্মৃতির খোঁজে কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকায় অনুসন্ধান চালিয়েছে জাপানি প্রতিনিধি দল। মূলত রামু ও উখিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় তারা অনুসন্ধান চালায়।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার বিমানঘাঁটি, যুদ্ধক্ষেত্র সন্ধান করে তথ্য সংগ্রহ করেছে দলটি। তারই অংশ হিসেবে উখিয়া উপজেলার হলদিয়া পালং ইউনিয়নে যায় দলটি। সেখানে রুমখা বড়বিল পুরাতন জমে মসজিদের পাশে ইসলাম মিয়ার বাড়ীতে সংগ্রহ করা পাঁচটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্যবহৃত বুলেটের সন্ধান পায় দলটি।

দলটিতে ছিলেন জাপান-বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক বিনিময় সমিতির উপদেষ্টা মিসেস ওশিমা মুতসুকো, শিপ ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালের পরিচালক মি. ফুটশি কোনো, বাংলাদেশ বৌদ্ধ ঐতিহ্য গবেষণা ট্রাস্টের চেয়ারম্যান সবুজ বড়ুয়া। দলটির সঙ্গে ছিলেন লেখক ও গবেষক অ্যাডভোকেট শিরুপন বড়ুয়া এবং অ্যাডভোকেট সুমথ বড়ুয়া।

প্রতিনিধি দলটি প্রথমে রামুর ফতেখাঁরকুলের লম্বরী পাড়া, রাজারকুলের চৌকিদার পাড়া ও মধ্যম ঘোনার পাড়ায় ব্রিটিশ আমলের হাসপাতালের খোঁজ করেন এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন সময়ে সম্ভাব্য যুদ্ধক্ষেত্র, সমাধীস্থলসহ বিভিন্ন স্থানের জিপিএস তথ্য সংগ্রহ করেন ।

জানা গেছে, জাপান সরকার বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত জাপানি সৈন্যদের দেহাবশেষ স্বদেশে ফিরিয়ে নিতে বিশেষ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এর অংশ হিসেবে ২০২৪ সালে বাংলাদেশের কুমিল্লার ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি থেকে ২৩ জন এবং ২০২৫ সালে চট্টগ্রাম ওয়ার সিমেট্রি থেকে ১৮ জন জাপানি সৈন্যের দেহাবশেষ বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতায় জাপানে নিয়ে যাওয়া হয়।