ঢাকা ০৪:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মহেশখালীতে ৬তলা ভবন থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা, যুবককে উদ্ধার করে হেফাজতে নিল পুলিশ সৌদিতে বিদেশি নাগরিকদের জমির মালিক হওয়ার সুযোগ তারুণ্য ধরে রাখতে চান? খাদ্যতালিকায় রাখুন এই ৮টি ‘সুপারফুড’ মেসিদের মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনায় যা বললেন রোনালদো কক্সবাজারসহ দেশের ১৬ অঞ্চলে ঝড়- বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা নকল পেলে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে আইনের আওতায় আনা হবে: শিক্ষামন্ত্রী দেশজুড়ে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন ২৮ জুন উনচল্লিশেও টগবগে তারুণ্য: শুভ জন্মদিন, মেসি পেকুয়ায় ভুয়া ডিজিএফআই পরিচয় দেয়া এক নারী আটক নারী ও কিশোরীদের জন্য নিরাপদ ডিজিটাল নিরাপত্তা পরিবেশ গঠনের অঙ্গীকার: টেকনাফে বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত মহেশখালীর ধলঘাটার ফাটাঘোনা ও মিলঘোনা উন্মুক্ত নিলামের দাবি, সংঘর্ষের আশঙ্কায় জমির মালিকরা বিআইডব্লিউটিএ পরিচালক আরিফ উদ্দিন সাময়িকভাবে বরখাস্ত : কক্সবাজারেও তার বিরুদ্ধে রয়েছে অভিযোগ হরমুজ প্রণালি থেকে যেভাবে বের হয়ে এলো বাংলার জয়যাত্রা কক্সবাজারে ৩ দিনের সফরে আসছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ​টেকনাফে দুদকের দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা সম্পন্ন, চ্যাম্পিয়ন বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুল

২য় বিশ্বযুদ্ধে নিহত জাপানি সৈন্যদের স্মৃতির খোঁজে কক্সবাজারে জাপানি প্রতিনিধি দল

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নিহত হওয়া জাপানি সৈন্যদের দেহাবশেষ ও স্মৃতির খোঁজে কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকায় অনুসন্ধান চালিয়েছে জাপানি প্রতিনিধি দল। মূলত রামু ও উখিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় তারা অনুসন্ধান চালায়।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার বিমানঘাঁটি, যুদ্ধক্ষেত্র সন্ধান করে তথ্য সংগ্রহ করেছে দলটি। তারই অংশ হিসেবে উখিয়া উপজেলার হলদিয়া পালং ইউনিয়নে যায় দলটি। সেখানে রুমখা বড়বিল পুরাতন জমে মসজিদের পাশে ইসলাম মিয়ার বাড়ীতে সংগ্রহ করা পাঁচটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্যবহৃত বুলেটের সন্ধান পায় দলটি।

দলটিতে ছিলেন জাপান-বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক বিনিময় সমিতির উপদেষ্টা মিসেস ওশিমা মুতসুকো, শিপ ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালের পরিচালক মি. ফুটশি কোনো, বাংলাদেশ বৌদ্ধ ঐতিহ্য গবেষণা ট্রাস্টের চেয়ারম্যান সবুজ বড়ুয়া। দলটির সঙ্গে ছিলেন লেখক ও গবেষক অ্যাডভোকেট শিরুপন বড়ুয়া এবং অ্যাডভোকেট সুমথ বড়ুয়া।

প্রতিনিধি দলটি প্রথমে রামুর ফতেখাঁরকুলের লম্বরী পাড়া, রাজারকুলের চৌকিদার পাড়া ও মধ্যম ঘোনার পাড়ায় ব্রিটিশ আমলের হাসপাতালের খোঁজ করেন এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন সময়ে সম্ভাব্য যুদ্ধক্ষেত্র, সমাধীস্থলসহ বিভিন্ন স্থানের জিপিএস তথ্য সংগ্রহ করেন ।

জানা গেছে, জাপান সরকার বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত জাপানি সৈন্যদের দেহাবশেষ স্বদেশে ফিরিয়ে নিতে বিশেষ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এর অংশ হিসেবে ২০২৪ সালে বাংলাদেশের কুমিল্লার ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি থেকে ২৩ জন এবং ২০২৫ সালে চট্টগ্রাম ওয়ার সিমেট্রি থেকে ১৮ জন জাপানি সৈন্যের দেহাবশেষ বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতায় জাপানে নিয়ে যাওয়া হয়।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

মহেশখালীতে ৬তলা ভবন থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা, যুবককে উদ্ধার করে হেফাজতে নিল পুলিশ

২য় বিশ্বযুদ্ধে নিহত জাপানি সৈন্যদের স্মৃতির খোঁজে কক্সবাজারে জাপানি প্রতিনিধি দল

আপডেট সময় : ১০:০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নিহত হওয়া জাপানি সৈন্যদের দেহাবশেষ ও স্মৃতির খোঁজে কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকায় অনুসন্ধান চালিয়েছে জাপানি প্রতিনিধি দল। মূলত রামু ও উখিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় তারা অনুসন্ধান চালায়।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার বিমানঘাঁটি, যুদ্ধক্ষেত্র সন্ধান করে তথ্য সংগ্রহ করেছে দলটি। তারই অংশ হিসেবে উখিয়া উপজেলার হলদিয়া পালং ইউনিয়নে যায় দলটি। সেখানে রুমখা বড়বিল পুরাতন জমে মসজিদের পাশে ইসলাম মিয়ার বাড়ীতে সংগ্রহ করা পাঁচটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্যবহৃত বুলেটের সন্ধান পায় দলটি।

দলটিতে ছিলেন জাপান-বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক বিনিময় সমিতির উপদেষ্টা মিসেস ওশিমা মুতসুকো, শিপ ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালের পরিচালক মি. ফুটশি কোনো, বাংলাদেশ বৌদ্ধ ঐতিহ্য গবেষণা ট্রাস্টের চেয়ারম্যান সবুজ বড়ুয়া। দলটির সঙ্গে ছিলেন লেখক ও গবেষক অ্যাডভোকেট শিরুপন বড়ুয়া এবং অ্যাডভোকেট সুমথ বড়ুয়া।

প্রতিনিধি দলটি প্রথমে রামুর ফতেখাঁরকুলের লম্বরী পাড়া, রাজারকুলের চৌকিদার পাড়া ও মধ্যম ঘোনার পাড়ায় ব্রিটিশ আমলের হাসপাতালের খোঁজ করেন এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন সময়ে সম্ভাব্য যুদ্ধক্ষেত্র, সমাধীস্থলসহ বিভিন্ন স্থানের জিপিএস তথ্য সংগ্রহ করেন ।

জানা গেছে, জাপান সরকার বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত জাপানি সৈন্যদের দেহাবশেষ স্বদেশে ফিরিয়ে নিতে বিশেষ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এর অংশ হিসেবে ২০২৪ সালে বাংলাদেশের কুমিল্লার ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি থেকে ২৩ জন এবং ২০২৫ সালে চট্টগ্রাম ওয়ার সিমেট্রি থেকে ১৮ জন জাপানি সৈন্যের দেহাবশেষ বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতায় জাপানে নিয়ে যাওয়া হয়।