কক্সবাজারের উখিয়ার থাইংখালীতে ৩৮ শতক জমি নিয়ে প্রকৃত মালিকপক্ষ ও অবৈধভাবে দখল নেওয়ার পাঁয়তারায় থাকা ভূমিদস্যুদের মধ্যে বিরোধ দেখা দিয়েছে।
গত ৩১ জুলাই, রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৯–এর ভেতরে থাকা সেই জমি মাপার সময় দুই পক্ষের বিরোধের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। এতে সংঘর্ষের আশঙ্কা দেখা দিলে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
পরে বিষয়টি অবগত হয়ে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিরোধপূর্ণ জমিতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারার মামলায় শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে উখিয়া পুলিশকে আদেশ জারি করেছেন কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাসনিম জাহান।
গত ৩ আগস্ট, এক আদেশে তিনি উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
ভুক্তভোগী প্রকৃত মালিকেরা হলেন – থাইংখালীর তাজনিমারখোলা গ্রামের বাসিন্দা নছরত আলী, আবুল কাশেম, শাহজাহান ও মো. জাহাঙ্গীর আলম।
আদালতে দায়ের করা মামলার নথি অনুযায়ী – পালংখালী মৌজার ০.৩৮৩০ একর বা প্রায় ৩৮ দশমিক ৩০ শতক জমি তাদের বৈধ মালিকানাধীন ও ভোগদখলে ছিল। জমিটি পালংখালী মৌজার বিএস ২০৬ নম্বর খতিয়ানের বিএস ১০ নম্বর দাগের তৎসামিল সৃজিত বিএস ১৮৭২ নম্বর খতিয়ানের বিএস ১০ নম্বর দাগের অন্তর্ভুক্ত।
বাদী পক্ষের অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বিবাদী পক্ষের লোকজন একসময় জমিটি জোর করে দখল করেন। পরে সেখানে ‘আলমগীর বাজার’ নামে একটি বাজার গড়ে তোলা হয়।
বিবাদীরা হলেন – ইউসুফ, তার ভাই জাহাঙ্গীর আলম, আলমগীর এবং মিজানুর রহমান।
বাদী পক্ষের অভিযোগ, আলমগীর কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন কৃষক লীগের প্রভাবশালী নেতা এবং অপর বিবাদী মিজানুর রহমানও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাথে জড়িত হওয়ায় ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে আসছিলেন।
এবিষয়ে বিবাদী পক্ষের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান জানান, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ইতিমধ্যেই প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক 
















