ঢাকা ০৪:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পর্যটন খাতকে আন্তর্জাতিক মানে নিতে চায় সরকার : পর্যটনমন্ত্রী আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হাফেজদের সংবর্ধনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী সিগারেটের দাম বাড়ল, প্রজ্ঞাপন জারি বিএনপি কর্মীর মৃত্যু: শেখ হাসিনা-জয়সহ ১২৫ জনের নামে মামলা, তদন্তে পিবিআই বঙ্গোপসাগরে ফের লঘুচাপ সৃষ্টির আশঙ্কা, পাঁচ বিভাগে হতে পারে বজ্রবৃষ্টি রামুতে মিছিলের প্রস্তুতিকালে মোনাফ সিকদার সহ নি’ষি’দ্ধ যুবলীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার মহেশখালীতে চোর সন্দেহে পিটিয়ে ফয়সাল হত্যার ঘটনায় আটক-১ সদর থানা পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ২১ ইয়াবাসহ আহ্বায়ক মনির আলম আটকের জের, টেকনাফ পৌর কৃষকদলের কমিটি বিলুপ্ত সীমান্তে নজরদারি বাড়াতে বান্দরবানের দুটি নতুন টিওবি উদ্বোধন মক্কায় ড্রোন ছুড়ল হুথিরা, আটকে দিয়ে ধ্বংস করল সৌদি অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ সাময়িক বরখাস্ত এশিয়ান গেমস উপলক্ষে জাপান সফরে সেনাপ্রধান পাঠ্যবইয়ে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে জিয়াউর রহমানের লেখা ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’ বৃষ্টি কমায় বাড়ছে গরম; আজ কমতে পারে তাপমাত্রা

থাইংখালীতে জমিদখলের চেষ্টা, ১৪৪ ধারায় শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার আদেশ আদালতের

কক্সবাজারের উখিয়ার থাইংখালীতে ৩৮ শতক জমি নিয়ে প্রকৃত মালিকপক্ষ ও অবৈধভাবে দখল নেওয়ার পাঁয়তারায় থাকা ভূমিদস্যুদের মধ্যে বিরোধ দেখা দিয়েছে।

গত ৩১ জুলাই, রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৯–এর ভেতরে থাকা সেই জমি মাপার সময় দুই পক্ষের বিরোধের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। এতে সংঘর্ষের আশঙ্কা দেখা দিলে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

পরে বিষয়টি অবগত হয়ে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিরোধপূর্ণ জমিতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারার মামলায় শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে উখিয়া পুলিশকে আদেশ জারি করেছেন কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাসনিম জাহান।

গত ৩ আগস্ট, এক আদেশে তিনি উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

ভুক্তভোগী প্রকৃত মালিকেরা হলেন – থাইংখালীর তাজনিমারখোলা গ্রামের বাসিন্দা নছরত আলী, আবুল কাশেম, শাহজাহান ও মো. জাহাঙ্গীর আলম।

আদালতে দায়ের করা মামলার নথি অনুযায়ী – পালংখালী মৌজার ০.৩৮৩০ একর বা প্রায় ৩৮ দশমিক ৩০ শতক জমি তাদের বৈধ মালিকানাধীন ও ভোগদখলে ছিল। জমিটি পালংখালী মৌজার বিএস ২০৬ নম্বর খতিয়ানের বিএস ১০ নম্বর দাগের তৎসামিল সৃজিত বিএস ১৮৭২ নম্বর খতিয়ানের বিএস ১০ নম্বর দাগের অন্তর্ভুক্ত।

বাদী পক্ষের অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বিবাদী পক্ষের লোকজন একসময় জমিটি জোর করে দখল করেন। পরে সেখানে ‘আলমগীর বাজার’ নামে একটি বাজার গড়ে তোলা হয়।

বিবাদীরা হলেন – ইউসুফ, তার ভাই জাহাঙ্গীর আলম, আলমগীর এবং মিজানুর রহমান।

বাদী পক্ষের অভিযোগ, আলমগীর কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন কৃষক লীগের প্রভাবশালী নেতা এবং অপর বিবাদী মিজানুর রহমানও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাথে জড়িত হওয়ায় ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে আসছিলেন।

এবিষয়ে বিবাদী পক্ষের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান জানান, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ইতিমধ্যেই প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

পর্যটন খাতকে আন্তর্জাতিক মানে নিতে চায় সরকার : পর্যটনমন্ত্রী

থাইংখালীতে জমিদখলের চেষ্টা, ১৪৪ ধারায় শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার আদেশ আদালতের

আপডেট সময় : ০৪:২২:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

কক্সবাজারের উখিয়ার থাইংখালীতে ৩৮ শতক জমি নিয়ে প্রকৃত মালিকপক্ষ ও অবৈধভাবে দখল নেওয়ার পাঁয়তারায় থাকা ভূমিদস্যুদের মধ্যে বিরোধ দেখা দিয়েছে।

গত ৩১ জুলাই, রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৯–এর ভেতরে থাকা সেই জমি মাপার সময় দুই পক্ষের বিরোধের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। এতে সংঘর্ষের আশঙ্কা দেখা দিলে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

পরে বিষয়টি অবগত হয়ে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিরোধপূর্ণ জমিতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারার মামলায় শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে উখিয়া পুলিশকে আদেশ জারি করেছেন কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাসনিম জাহান।

গত ৩ আগস্ট, এক আদেশে তিনি উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

ভুক্তভোগী প্রকৃত মালিকেরা হলেন – থাইংখালীর তাজনিমারখোলা গ্রামের বাসিন্দা নছরত আলী, আবুল কাশেম, শাহজাহান ও মো. জাহাঙ্গীর আলম।

আদালতে দায়ের করা মামলার নথি অনুযায়ী – পালংখালী মৌজার ০.৩৮৩০ একর বা প্রায় ৩৮ দশমিক ৩০ শতক জমি তাদের বৈধ মালিকানাধীন ও ভোগদখলে ছিল। জমিটি পালংখালী মৌজার বিএস ২০৬ নম্বর খতিয়ানের বিএস ১০ নম্বর দাগের তৎসামিল সৃজিত বিএস ১৮৭২ নম্বর খতিয়ানের বিএস ১০ নম্বর দাগের অন্তর্ভুক্ত।

বাদী পক্ষের অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বিবাদী পক্ষের লোকজন একসময় জমিটি জোর করে দখল করেন। পরে সেখানে ‘আলমগীর বাজার’ নামে একটি বাজার গড়ে তোলা হয়।

বিবাদীরা হলেন – ইউসুফ, তার ভাই জাহাঙ্গীর আলম, আলমগীর এবং মিজানুর রহমান।

বাদী পক্ষের অভিযোগ, আলমগীর কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন কৃষক লীগের প্রভাবশালী নেতা এবং অপর বিবাদী মিজানুর রহমানও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাথে জড়িত হওয়ায় ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে আসছিলেন।

এবিষয়ে বিবাদী পক্ষের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান জানান, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ইতিমধ্যেই প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।