ঢাকা ০৮:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মিয়ানমারের বিকট শব্দে কেঁপে উঠল টেকনাফের হ্নীলা-হোয়াইক্যং সীমান্ত সমুদ্রভ্রমণ থেকে অ’গ্নি’দ’গ্ধ দুঃস্বপ্ন, ১১ দিন পর দাদার কবরের পাশে মুক্তা মহেশখালীতে অস্ত্রসহ মালেককে আটকের দাবি পুলিশের “আহমদ গিয়াস থেকে যাবে, তাঁর না থাকা জুড়ে” রামুতে ৩ লাখ পিস ইয়াবাসহ নারী গ্রেফতার দেশে ৪ কোটি ১৬ লাখ মানুষ সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে না সাতকানিয়ায় বাস-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ১, বাসে আগুন, পুলিশের সাথে সংঘর্ষ বান্দরবানে তাবলিগি মারকাজ মসজিদের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করলেন পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী, এমপি কক্সবাজার সদর থানার বিশেষ অভিযান: গ্রেফতার ১৮ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অস্ত্র-বিস্ফোরক মজুদের অভিযোগ, অভিযানের আবেদন কুতুবদিয়ায় অগ্নিকাণ্ড : ক্ষতিগ্রস্ত ৩৬ বসতবাড়ি সী-প্রিন্সেস হোটেলে আ গু ন, অল্পের জন্য ৩’শ পর্যটক পেলেন রক্ষা তিন দিন পর মুক্তিপণ দিয়ে মুক্ত বাহারছড়ার কৃষক রফিক টেকনাফে আগুনে পুড়ল আট কক্ষের ভাড়া বাসা নজরুল বর্ষ জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় কৃতিত্ব ও বাংলাদেশ বেতারে তালিকাভুক্ত হওয়া শিল্পীদের সংবর্ধনা

সাংবাদিক উচ্ছ্বাস বড়ুয়াকে হামলার ঘটনায় প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

কক্সবাজারের রামুতে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে স্থানীয় এক সাংবাদিকে হামলার ঘটনায় প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

জানা যায়, গেল ১৩ এপ্রিল ভোর আনুমানিক ৫টার দিকে রামু উপজেলার ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব মেরংলোয়া গ্রামে কালু বড়ুয়া নামের এক ব্যক্তিকে জবাই করে হত্যা করা হয়।

পরে এ ঘটনার সংবাদ সংগ্রহে গেলে দৈনিক আজকের কক্সবাজার বার্তা ও প্যানোয়া নিউজের রামু প্রতিনিধি সাংবাদিক উচ্ছ্বাস বড়ুয়াকে হামলা করা হয়। পরে এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক উচ্ছ্বাস বড়ুয়া বাদী হয়ে গেল ১৮ এপ্রিল রামু থানায় দুইজনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলার প্রেক্ষিতে রামু থানার সাব-ইন্সপেক্টর আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশ সোমবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে চেরাংঘাটা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামি প্রান্ত বড়ুয়া ওরফে ডংগ্লসকে আটক করে। তিনি পূর্ব মেরংলোয়া বড়ুয়া পাড়ার হসৌধন বড়ুয়ার ছেলে।

মামলার বাদী সাংবাদিক উচ্ছ্বাস বড়ুয়া জানান, ঘটনার দিন তিনি সংবাদ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে রাস্তায় পড়ে থাকা লাশ দেখতে পান এবং বিষয়টি রামু থানাকে অবহিত করেন। একই সঙ্গে তিনি ঘটনাস্থলের ভিডিও ফুটেজ ধারণ করছিলেন। ওই সময় আসামি পক্ষের লোকজন প্রান্ত বড়ুয়া (ডংগ্লস) ও বাদল বড়ুয়া (বাদু) লাশ নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করলে তাদের আচরণ সন্দেহজনক মনে হয়। একপর্যায়ে ভিডিও ধারণ করতে গেলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে জনসম্মুখে তাকে মারধর করে এবং তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে ফুটেজ মুছে ফেলতে বাধ্য করে। পরে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হামলাকারীরা আসামিপক্ষের লোকজন ছিল।

পরবর্তীতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত সাংবাদিককে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়।

রামু থানার অফিসার ইনচার্জ মনিরুল ইসলাম ভূইয়া জানিয়েছে, মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

মিয়ানমারের বিকট শব্দে কেঁপে উঠল টেকনাফের হ্নীলা-হোয়াইক্যং সীমান্ত

সাংবাদিক উচ্ছ্বাস বড়ুয়াকে হামলার ঘটনায় প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ১১:০৯:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

কক্সবাজারের রামুতে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে স্থানীয় এক সাংবাদিকে হামলার ঘটনায় প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

জানা যায়, গেল ১৩ এপ্রিল ভোর আনুমানিক ৫টার দিকে রামু উপজেলার ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব মেরংলোয়া গ্রামে কালু বড়ুয়া নামের এক ব্যক্তিকে জবাই করে হত্যা করা হয়।

পরে এ ঘটনার সংবাদ সংগ্রহে গেলে দৈনিক আজকের কক্সবাজার বার্তা ও প্যানোয়া নিউজের রামু প্রতিনিধি সাংবাদিক উচ্ছ্বাস বড়ুয়াকে হামলা করা হয়। পরে এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক উচ্ছ্বাস বড়ুয়া বাদী হয়ে গেল ১৮ এপ্রিল রামু থানায় দুইজনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলার প্রেক্ষিতে রামু থানার সাব-ইন্সপেক্টর আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশ সোমবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে চেরাংঘাটা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামি প্রান্ত বড়ুয়া ওরফে ডংগ্লসকে আটক করে। তিনি পূর্ব মেরংলোয়া বড়ুয়া পাড়ার হসৌধন বড়ুয়ার ছেলে।

মামলার বাদী সাংবাদিক উচ্ছ্বাস বড়ুয়া জানান, ঘটনার দিন তিনি সংবাদ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে রাস্তায় পড়ে থাকা লাশ দেখতে পান এবং বিষয়টি রামু থানাকে অবহিত করেন। একই সঙ্গে তিনি ঘটনাস্থলের ভিডিও ফুটেজ ধারণ করছিলেন। ওই সময় আসামি পক্ষের লোকজন প্রান্ত বড়ুয়া (ডংগ্লস) ও বাদল বড়ুয়া (বাদু) লাশ নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করলে তাদের আচরণ সন্দেহজনক মনে হয়। একপর্যায়ে ভিডিও ধারণ করতে গেলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে জনসম্মুখে তাকে মারধর করে এবং তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে ফুটেজ মুছে ফেলতে বাধ্য করে। পরে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হামলাকারীরা আসামিপক্ষের লোকজন ছিল।

পরবর্তীতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত সাংবাদিককে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়।

রামু থানার অফিসার ইনচার্জ মনিরুল ইসলাম ভূইয়া জানিয়েছে, মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।