ঢাকা ০৬:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মিয়ানমারের উপকূলে দুই নৌকাডুবি, ৫ শতাধিক রোহিঙ্গার প্রাণহানির আশঙ্কা: জাতিসংঘ ২ দিনের সফরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ কক্সবাজার আসছেন শুক্রবার বিশ্ব সাপ দিবস আজ লোহাগাড়ায় আসছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, পরিদর্শন করবেন বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা কক্সবাজারে জুলাই শহিদ দিবস পালিত জননেতা নুরুল আবছারের বাইপাস সার্জারি সফলভাবে সম্পন্ন : আইসিইউতে স্থানান্তর বিশ্বকাপ ফাইনালে গুরু-শিষ্যের ট্যাকটিক্যাল লড়াই আন্দোলনকারীদের অনেকেই প্রকৃত শিক্ষার্থী নন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবু সাঈদ এই আন্দোলনের শহীদদের ইমাম: নাহিদ ইসলাম ৭৫ মিনিটের পর ১১ গোল: আর্জেন্টিনা যেন ঘুরে দাঁড়ানোর অন্য নাম ৭৫ মিনিটের পর ১১ গোল, ক্যারিশমাটিক কামব্যাকের মহাকাব্য লিখছে আর্জেন্টিনা শ্রাবণের প্রথম দিন আজ চট্টগ্রামে কনফিডেন্স লবণ কারখানায় আগুন, দগ্ধ ১০ শ্রমিক ঘনীভূত হতে পারে লঘুচাপ, সমুদ্র বন্দরে সতর্ক সংকেত অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষাব্যবস্থা ফ্রি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সাংবাদিক উচ্ছ্বাস বড়ুয়াকে হামলার ঘটনায় প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

কক্সবাজারের রামুতে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে স্থানীয় এক সাংবাদিকে হামলার ঘটনায় প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

জানা যায়, গেল ১৩ এপ্রিল ভোর আনুমানিক ৫টার দিকে রামু উপজেলার ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব মেরংলোয়া গ্রামে কালু বড়ুয়া নামের এক ব্যক্তিকে জবাই করে হত্যা করা হয়।

পরে এ ঘটনার সংবাদ সংগ্রহে গেলে দৈনিক আজকের কক্সবাজার বার্তা ও প্যানোয়া নিউজের রামু প্রতিনিধি সাংবাদিক উচ্ছ্বাস বড়ুয়াকে হামলা করা হয়। পরে এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক উচ্ছ্বাস বড়ুয়া বাদী হয়ে গেল ১৮ এপ্রিল রামু থানায় দুইজনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলার প্রেক্ষিতে রামু থানার সাব-ইন্সপেক্টর আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশ সোমবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে চেরাংঘাটা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামি প্রান্ত বড়ুয়া ওরফে ডংগ্লসকে আটক করে। তিনি পূর্ব মেরংলোয়া বড়ুয়া পাড়ার হসৌধন বড়ুয়ার ছেলে।

মামলার বাদী সাংবাদিক উচ্ছ্বাস বড়ুয়া জানান, ঘটনার দিন তিনি সংবাদ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে রাস্তায় পড়ে থাকা লাশ দেখতে পান এবং বিষয়টি রামু থানাকে অবহিত করেন। একই সঙ্গে তিনি ঘটনাস্থলের ভিডিও ফুটেজ ধারণ করছিলেন। ওই সময় আসামি পক্ষের লোকজন প্রান্ত বড়ুয়া (ডংগ্লস) ও বাদল বড়ুয়া (বাদু) লাশ নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করলে তাদের আচরণ সন্দেহজনক মনে হয়। একপর্যায়ে ভিডিও ধারণ করতে গেলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে জনসম্মুখে তাকে মারধর করে এবং তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে ফুটেজ মুছে ফেলতে বাধ্য করে। পরে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হামলাকারীরা আসামিপক্ষের লোকজন ছিল।

পরবর্তীতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত সাংবাদিককে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়।

রামু থানার অফিসার ইনচার্জ মনিরুল ইসলাম ভূইয়া জানিয়েছে, মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

মিয়ানমারের উপকূলে দুই নৌকাডুবি, ৫ শতাধিক রোহিঙ্গার প্রাণহানির আশঙ্কা: জাতিসংঘ

সাংবাদিক উচ্ছ্বাস বড়ুয়াকে হামলার ঘটনায় প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ১১:০৯:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

কক্সবাজারের রামুতে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে স্থানীয় এক সাংবাদিকে হামলার ঘটনায় প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

জানা যায়, গেল ১৩ এপ্রিল ভোর আনুমানিক ৫টার দিকে রামু উপজেলার ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব মেরংলোয়া গ্রামে কালু বড়ুয়া নামের এক ব্যক্তিকে জবাই করে হত্যা করা হয়।

পরে এ ঘটনার সংবাদ সংগ্রহে গেলে দৈনিক আজকের কক্সবাজার বার্তা ও প্যানোয়া নিউজের রামু প্রতিনিধি সাংবাদিক উচ্ছ্বাস বড়ুয়াকে হামলা করা হয়। পরে এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক উচ্ছ্বাস বড়ুয়া বাদী হয়ে গেল ১৮ এপ্রিল রামু থানায় দুইজনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলার প্রেক্ষিতে রামু থানার সাব-ইন্সপেক্টর আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশ সোমবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে চেরাংঘাটা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামি প্রান্ত বড়ুয়া ওরফে ডংগ্লসকে আটক করে। তিনি পূর্ব মেরংলোয়া বড়ুয়া পাড়ার হসৌধন বড়ুয়ার ছেলে।

মামলার বাদী সাংবাদিক উচ্ছ্বাস বড়ুয়া জানান, ঘটনার দিন তিনি সংবাদ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে রাস্তায় পড়ে থাকা লাশ দেখতে পান এবং বিষয়টি রামু থানাকে অবহিত করেন। একই সঙ্গে তিনি ঘটনাস্থলের ভিডিও ফুটেজ ধারণ করছিলেন। ওই সময় আসামি পক্ষের লোকজন প্রান্ত বড়ুয়া (ডংগ্লস) ও বাদল বড়ুয়া (বাদু) লাশ নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করলে তাদের আচরণ সন্দেহজনক মনে হয়। একপর্যায়ে ভিডিও ধারণ করতে গেলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে জনসম্মুখে তাকে মারধর করে এবং তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে ফুটেজ মুছে ফেলতে বাধ্য করে। পরে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হামলাকারীরা আসামিপক্ষের লোকজন ছিল।

পরবর্তীতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত সাংবাদিককে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়।

রামু থানার অফিসার ইনচার্জ মনিরুল ইসলাম ভূইয়া জানিয়েছে, মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।