২০০২ সালের ২৭ এপ্রিল বৃহত্তর চকরিয়া উপজেলা থেকে কিছু অংশ আলাদা করে নতুন একটি উপজেলা গঠিত হয়। যার স্বপ্নদ্রষ্টা ছিলেন তৎকালীন যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী ও বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। যার নামকরণ করা হয় পেকুয়া।
প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের দূর্ভোগ দূরীকরণ, চিকিৎসা সেবা ও শিক্ষা সরকারি সবধরনের সেবা নিশ্চিত করতে গঠন করা হয় এই পেকুয়া নামক উপজেলা।
পেকুয়া সদর, বারবাকিয়া, টৈটং, শিলখালী, রাজাখালী, মগনামা এবং উজানটিয়াসহ এই সাতটি ইউনিয়ন নিয়ে গঠন করা হয় পেকুয়া উপজেলা। যেখানে প্রতিষ্ঠা করা হয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, স্কুল- কলেজ, মসজিদ- মাদ্রাসা, রাস্তাঘাট, ব্রীজ, ক্রীড়া কমপ্লেক্সসহ অসংখ্য প্রতিষ্ঠান। পেকুয়ার অজপাড়া গাঁকে সালাহউদ্দিন আহমদ নিয়ে গেছেন অনন্য উচ্চতায়। যার অবদান পেকুয়াবাসী আজীবন স্মরণ রাখবে।
স্থানীয়রা বলছেন, সালাহউদ্দিন আহমদের জন্ম নাহলে প্রতিষ্ঠা হতোনা পেকুয়া নামক উপজেলার। ১৯৮৫ সালে অনুষ্ঠিত সপ্তম বিএসএস ক্যাডারে উত্তীর্ণ হন এবং ১৯৮৮ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি সরকারি চাকরিতে যোগদান করেছিলেন। পরবর্তীতে ১৯৯১ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার এপিএস (সহকারী একান্ত সচিব) হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি সরকারি চাকরি ছেড়ে রাজনীতিতে সক্রিয় হন। এরপর বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেয়ে ১৯৯৬ সালে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০১সালে চারদলীয় জোট সরকার গঠন করলে যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান সালাহউদ্দিন আহমেদ৷ সর্বশেষ ২০২৬সালের ১২ই ফেব্রুয়ারী অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে বিএনপি সরকার গঠন করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। দায়িত্ব পাওয়ার ১ সপ্তাহের মধ্যেই শুরু করেন পেকুয়া পৌরসভা ও চকরিয়ার মাতামুহুরী উপজেলা গঠনের প্রয়াস। সালাহউদ্দিন আহমদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় বদলে যাচ্ছে এই উপকূলীয় জনপদ।
রেজাউল করিম: 
























