ঢাকা ০৬:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সৎ পিতার ধারালো অস্ত্রের আঘাতে প্রাণ হারালো ৬ বছরের পুত্র অক্টোবরে কক্সবাজার আসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান – জেলা প্রশাসক কবি অমিত চৌধুরী’র প্রতি শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন কক্সবাজারে ১২০ কেজি তামার তার ও ইয়াবাসহ গ্রেফতার ২১, আটক ২৫ কিশোর গ্যাং সদস্য খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছে- শাহাদাত বার্ষিকীতে সহিদুজ্জামান আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের গ্রেফতারি পরোয়ানা ভুক্ত ২৬ মামলার আসামি চকরিয়ার নবী হোসেন মহেশখালীতে গ্রেফতার রামু উপজেলা বিআরডিবির নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান আবুল বশর বাবু  জেদ্দা থেকে মদিনার পথে দুর্ঘটনা, সড়কে নিভে গেল লোহাগাড়ার শওকতের প্রাণ কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনাল চালু, অক্টোবরে উড়বে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট জেলের ছদ্মবেশে ইয়াবা পাচারের চেষ্টা, ২ লাখ পিস উদ্ধার ছাত্রদল নেতা জিসানসহ ২৪ ঘণ্টায় তিন মরদেহ, দুই ঘটনায় মৃত্যুর কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা কক্সবাজারে আধুনিক ও সমন্বিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনার নির্দেশ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সব পক্ষকে আলোচনার টেবিলে আনতে চায় বাংলাদেশ কবি অমিত চৌধুরী পরলোকে : রাতে শেষকৃত্য কক্সবাজার মহাশশ্মানে বাংলাদেশকে আকাশ ব্যবহার করতে দিল না পাকিস্তান

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার দূরত্ব কমবে ৪০ কিলোমিটার

কর্ণফুলী টানেল হওয়ার পর দক্ষিণ চট্টগ্রামবাসীর বড় প্রত্যাশা ছিল পটিয়া–আনোয়ারা–বাশখালী–টইটং সড়ক। টানেল থেকে সম্প্রসারিত সড়ক সরাসরি যুক্ত হবে কক্সবাজার সড়কে। দক্ষিণ চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারের মাতারবাড়ী পর্যন্ত হবে অর্থনৈতিক অঞ্চল। চট্টগ্রাম–কক্সবাজার দূরত্ব কমবে ৪০ কিলোমিটার। অবশেষে খুলছে সেই বহুল প্রত্যাশিত স্বপ্ন দুয়ার। ১১শ ৮৩ কোটি টাকায় পিএবি টইটং (আনোয়ারা–বাঁশখালী–টইটং–পেকুয়া–বদরখালী–চকরিয়া) আঞ্চলিক মহাসড়ক যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ প্রকল্প’ অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)।

গতকাল মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় প্রকল্পটির অনুমোদন দেওয়া হয়। ২০৩০ সালের ৩০ জুনের মধ্যে এ প্রকল্পের কাজ শেষ করার কথা রয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন কাজ শেষ হলে চট্টগ্রামের সাথে কক্সবাজার ও মহেশখালী কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দূরত্ব ও সময় কমার পাশাপাশি চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত এ মহাসড়ক ঘিরে নতুন নতুন শিল্প সম্ভাবনাসহ কোটি মানুষের জীবন–জীবিকাসহ আর্থসমাজিক মান উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের।

পটিয়া–আনোয়ারা–বাঁশখালী–টইটং সড়ক উন্নয়ন মেগা প্রকল্পটি নিয়ে আলোচনা বহুদিনের। টানেল বাস্তবায়িত হলেও আলোচনা থেকে হারিয়ে যায় এই প্রকল্প। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন ও অনুমোদনের জন্য চলতি বছরের জানুয়ারিতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রেরণ করা হয়। বিগত অর্থ বছরে প্রকল্পটি অনুমোদনের পর টেন্ডার প্রক্রিয়া হওয়ার কথা থাকলেও দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তন এর ফলে প্রকল্পটি সেই সময়ে অনুমোদন পায়নি।

বর্তমানে পিএবি–টইটং সড়কটির আনোয়ারা কালাবিবি দিঘির মোড়ের পর থেকে বাঁশখালী উপজেলার পুকুরিয়া ইউনিয়নের চাঁনপুর বাজার পর্যন্ত ১০০ ফুট ভূমি অধিগ্রহণ রয়েছে। চানপুর বাজার থেকে চকরিয়া পর্যন্ত সড়কটি মাত্র ১৮ ফুট প্রশস্ত রয়েছে। বর্তমানে সড়কটি ১৮ ফুট থেকে ৩৪ ফুটে প্রশস্ত করা হবে। যার ফলে নির্বিঘ্নে সহজ যানজট মুক্ত সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার পাশাপাশি দুর্ঘটনার ঝুঁকিও কমবে এ প্রত্যাশা সকলের।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ সড়ক বিভাগ সূত্রে জানা যায়, প্রস্তাবিত মহাসড়ক কালাবিবির দিঘি থেকে শুরু হয়ে মাতামুহুরী (ঈদমনি) পর্যন্ত ৫৮.২০ কিলোমিটার সড়ক যথাযথ মানে উন্নয়ন ও প্রশস্তকরণের মাধ্যমে ৩৪ ফুটে উন্নীত করা হবে। এ বিষয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগ চট্টগ্রাম দক্ষিণের উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল নোমান পারভেজ বলেন, দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর আলহামদুলিল্লাহ প্রকল্পটি একনেকে অনুমোদন লাভ করেছে। এর বাস্তবায়ন কাজ শেষ হলে আনোয়ারা, বাঁশখালী, চকরিয়া, মাতামুহুরী, মহেশখালী ও কক্সবাজার অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হবে। এই অঞ্চলের কোটি মানুষের জীবন জীবিকা ও আর্থসামাজিক মান উন্নয়নে দারুণ ভূমিকা রাখবে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, বর্তমানে ঢাকা থেকে মহেশখালীর মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্র বন্দরে পণ্য পরিবহনে কর্ণফুলী টানেল হতে আনোয়ারা–শিকলবাহা ওয়াই জংশন–পটিয়া বাইপাস–গাছবাড়িয়া (চন্দনাইশ)-চকরিয়া–বদরখালী–মাতারবাড়ী রুটে ১৩১ কিমি সড়ক পথ পাড়ি দিতে হয়। এতে পরিবহন ব্যয়, সময় এবং দূরত্ব তিনটিই বেড়ে যায়। এ প্রকল্প বাস্তবায়ন কাজ শেষ হলে যানবাহনসমূহ কর্ণফুলী টানেল হতে কালাবিবির দিঘী–বাঁশখালী–টইটং–পেকুয়া–মাতামুহুরী (ঈদমনি)-বদরখালী হয়ে মহেশখালীর মাতারবাড়ীতে পৌঁছে যাবে। এতে প্রায় ৪০ কিমি দূরত্ব কমবে। এক ঘণ্টা সময়ও বাঁচবে। শুধু তাই নয় কক্সবাজারগামী যানবাহন ও পণ্যবাহী গাড়ি কর্ণফুলী টানেল হয়ে কালাবিবির দিঘী–বাঁশখালী–টইটং–পেকুয়া– একতাবাজার অথবা ঈদমনি–চকরিয়া কক্সবাজার রুটে চলাচল করলে প্রায় ২৮ কিমি দূরত্ব হ্রাস পাবে ও প্রায় ৪৫ মিনিট সময় সাশ্রয় হবে। যা জাতীয় স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে প্রকল্পটি বিবেচিত হয়েছে।

আনোয়ারা পেশাজীবী পরিষদের সদস্য, ব্যাংক কর্মকর্তা এস এম মঈন উদ্দীন আজাদ বলেন, টানেল নির্মাণের পর অর্থনৈতিক উন্নয়নের ছোঁয়া সেভাবে আশা জাগাতে পারেনি। ঘুরপথে পুরনো রাস্তায় কক্সবাজার যেতে হতো। আনোয়ারা থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত অর্থনৈতিক হাব গড়ে তোলার যে সম্ভাবনা তা পিএবি–টইটং সড়কের মাধ্যমে বাস্তব রূপ পাবে বলে আশা করি। চট্টগ্রাম কক্সবাজার ৪০ কিলোমিটার দূরত্ব কমার পাশাপাশি, ১ ঘণ্টা সময় সাশ্রয় হবে। বাঁচবে জ্বালানি খরচ।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী পিন্টু চাকমা জানান, পিএবি টইটং সড়ক বহু প্রত্যাশিত (আনোয়ারা–বাঁশখালী–টইটং–পেকুয়া–বদরখালী–চকরিয়া) আঞ্চলিক মহাসড়ক যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে একনেক। এ প্রকল্প বাস্তবায়নের পর চট্টগ্রামের দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যুক্ত হবে মহাসড়ক। দেশের অর্থনীতিতে এই সড়ক আগামীতে বড় ভূমিকা রাখবে।

সূত্র – দৈনিক আজাদী

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সৎ পিতার ধারালো অস্ত্রের আঘাতে প্রাণ হারালো ৬ বছরের পুত্র

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার দূরত্ব কমবে ৪০ কিলোমিটার

আপডেট সময় : ০১:০৭:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

কর্ণফুলী টানেল হওয়ার পর দক্ষিণ চট্টগ্রামবাসীর বড় প্রত্যাশা ছিল পটিয়া–আনোয়ারা–বাশখালী–টইটং সড়ক। টানেল থেকে সম্প্রসারিত সড়ক সরাসরি যুক্ত হবে কক্সবাজার সড়কে। দক্ষিণ চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারের মাতারবাড়ী পর্যন্ত হবে অর্থনৈতিক অঞ্চল। চট্টগ্রাম–কক্সবাজার দূরত্ব কমবে ৪০ কিলোমিটার। অবশেষে খুলছে সেই বহুল প্রত্যাশিত স্বপ্ন দুয়ার। ১১শ ৮৩ কোটি টাকায় পিএবি টইটং (আনোয়ারা–বাঁশখালী–টইটং–পেকুয়া–বদরখালী–চকরিয়া) আঞ্চলিক মহাসড়ক যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ প্রকল্প’ অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)।

গতকাল মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় প্রকল্পটির অনুমোদন দেওয়া হয়। ২০৩০ সালের ৩০ জুনের মধ্যে এ প্রকল্পের কাজ শেষ করার কথা রয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন কাজ শেষ হলে চট্টগ্রামের সাথে কক্সবাজার ও মহেশখালী কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দূরত্ব ও সময় কমার পাশাপাশি চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত এ মহাসড়ক ঘিরে নতুন নতুন শিল্প সম্ভাবনাসহ কোটি মানুষের জীবন–জীবিকাসহ আর্থসমাজিক মান উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের।

পটিয়া–আনোয়ারা–বাঁশখালী–টইটং সড়ক উন্নয়ন মেগা প্রকল্পটি নিয়ে আলোচনা বহুদিনের। টানেল বাস্তবায়িত হলেও আলোচনা থেকে হারিয়ে যায় এই প্রকল্প। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন ও অনুমোদনের জন্য চলতি বছরের জানুয়ারিতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রেরণ করা হয়। বিগত অর্থ বছরে প্রকল্পটি অনুমোদনের পর টেন্ডার প্রক্রিয়া হওয়ার কথা থাকলেও দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তন এর ফলে প্রকল্পটি সেই সময়ে অনুমোদন পায়নি।

বর্তমানে পিএবি–টইটং সড়কটির আনোয়ারা কালাবিবি দিঘির মোড়ের পর থেকে বাঁশখালী উপজেলার পুকুরিয়া ইউনিয়নের চাঁনপুর বাজার পর্যন্ত ১০০ ফুট ভূমি অধিগ্রহণ রয়েছে। চানপুর বাজার থেকে চকরিয়া পর্যন্ত সড়কটি মাত্র ১৮ ফুট প্রশস্ত রয়েছে। বর্তমানে সড়কটি ১৮ ফুট থেকে ৩৪ ফুটে প্রশস্ত করা হবে। যার ফলে নির্বিঘ্নে সহজ যানজট মুক্ত সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার পাশাপাশি দুর্ঘটনার ঝুঁকিও কমবে এ প্রত্যাশা সকলের।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ সড়ক বিভাগ সূত্রে জানা যায়, প্রস্তাবিত মহাসড়ক কালাবিবির দিঘি থেকে শুরু হয়ে মাতামুহুরী (ঈদমনি) পর্যন্ত ৫৮.২০ কিলোমিটার সড়ক যথাযথ মানে উন্নয়ন ও প্রশস্তকরণের মাধ্যমে ৩৪ ফুটে উন্নীত করা হবে। এ বিষয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগ চট্টগ্রাম দক্ষিণের উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল নোমান পারভেজ বলেন, দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর আলহামদুলিল্লাহ প্রকল্পটি একনেকে অনুমোদন লাভ করেছে। এর বাস্তবায়ন কাজ শেষ হলে আনোয়ারা, বাঁশখালী, চকরিয়া, মাতামুহুরী, মহেশখালী ও কক্সবাজার অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হবে। এই অঞ্চলের কোটি মানুষের জীবন জীবিকা ও আর্থসামাজিক মান উন্নয়নে দারুণ ভূমিকা রাখবে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, বর্তমানে ঢাকা থেকে মহেশখালীর মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্র বন্দরে পণ্য পরিবহনে কর্ণফুলী টানেল হতে আনোয়ারা–শিকলবাহা ওয়াই জংশন–পটিয়া বাইপাস–গাছবাড়িয়া (চন্দনাইশ)-চকরিয়া–বদরখালী–মাতারবাড়ী রুটে ১৩১ কিমি সড়ক পথ পাড়ি দিতে হয়। এতে পরিবহন ব্যয়, সময় এবং দূরত্ব তিনটিই বেড়ে যায়। এ প্রকল্প বাস্তবায়ন কাজ শেষ হলে যানবাহনসমূহ কর্ণফুলী টানেল হতে কালাবিবির দিঘী–বাঁশখালী–টইটং–পেকুয়া–মাতামুহুরী (ঈদমনি)-বদরখালী হয়ে মহেশখালীর মাতারবাড়ীতে পৌঁছে যাবে। এতে প্রায় ৪০ কিমি দূরত্ব কমবে। এক ঘণ্টা সময়ও বাঁচবে। শুধু তাই নয় কক্সবাজারগামী যানবাহন ও পণ্যবাহী গাড়ি কর্ণফুলী টানেল হয়ে কালাবিবির দিঘী–বাঁশখালী–টইটং–পেকুয়া– একতাবাজার অথবা ঈদমনি–চকরিয়া কক্সবাজার রুটে চলাচল করলে প্রায় ২৮ কিমি দূরত্ব হ্রাস পাবে ও প্রায় ৪৫ মিনিট সময় সাশ্রয় হবে। যা জাতীয় স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে প্রকল্পটি বিবেচিত হয়েছে।

আনোয়ারা পেশাজীবী পরিষদের সদস্য, ব্যাংক কর্মকর্তা এস এম মঈন উদ্দীন আজাদ বলেন, টানেল নির্মাণের পর অর্থনৈতিক উন্নয়নের ছোঁয়া সেভাবে আশা জাগাতে পারেনি। ঘুরপথে পুরনো রাস্তায় কক্সবাজার যেতে হতো। আনোয়ারা থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত অর্থনৈতিক হাব গড়ে তোলার যে সম্ভাবনা তা পিএবি–টইটং সড়কের মাধ্যমে বাস্তব রূপ পাবে বলে আশা করি। চট্টগ্রাম কক্সবাজার ৪০ কিলোমিটার দূরত্ব কমার পাশাপাশি, ১ ঘণ্টা সময় সাশ্রয় হবে। বাঁচবে জ্বালানি খরচ।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী পিন্টু চাকমা জানান, পিএবি টইটং সড়ক বহু প্রত্যাশিত (আনোয়ারা–বাঁশখালী–টইটং–পেকুয়া–বদরখালী–চকরিয়া) আঞ্চলিক মহাসড়ক যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে একনেক। এ প্রকল্প বাস্তবায়নের পর চট্টগ্রামের দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যুক্ত হবে মহাসড়ক। দেশের অর্থনীতিতে এই সড়ক আগামীতে বড় ভূমিকা রাখবে।

সূত্র – দৈনিক আজাদী