ঢাকা ০৩:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজারে বাস্তুচ্যুত পরিস্থিতিতে সংঘাত-সংবেদনশীল সাংবাদিকতা বিষয়ক কর্মশালা সম্পন্ন ৬ বছর পর নিষিদ্ধ অবস্থায় কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের ৮৩৭ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি লোহাগাড়ায় পুকুরে গোসলে নেমে নিখোঁজ বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার সদর থানার বিশেষ অভিযান : গ্রেফতার ১৫ রামুতে মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অভিযান: সাজাপ্রাপ্ত আসামি ও ডাকাত আটক, ৩ জনের কারাদণ্ড মা ইলিশ সংরক্ষণে সমুদ্র ও উপকূলীয় এলাকায় নৌবাহিনী পেকুয়ায় নিজ বিদ্যালয়ে সংবর্ধিত কউক চেয়ারম্যান ও কমেক অধ্যক্ষ উখিয়ায় বন বিভাগের অভিযান : বালিভর্তি দুই অবৈধ ডাম্পার জব্দ কক্সবাজারে ২ প্রতিষ্ঠানকে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা জাতীয় পর্যায়ে “সেরা গুণী শিক্ষক” সম্মাননা পেলেন রামু ক্যান্টনমেন্ট ইংলিশ স্কুলের অধ্যক্ষ লে. কর্নেল আব্দুর রহিম টেকনাফে এসআরবি ও বিজিবির যৌথ অভিযান : ৩ লাখ ইয়াবা উদ্ধার বাস টার্মিনালের স্ট্যান্ড পার্ক হোটেলে আলোচিত কুলসুমা হত্যার প্রধান আসামী ইরফান গ্রেফতার সাগরে মাছ শিকারে বন্ধ : দুঃশ্চিন্তায় জেলেরা পেকুয়ায় দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে প্রশাসনের প্রস্তুতি সভা

৩ টি পুলিশ ফাঁড়ি হবে টেকনাফের বাহারছড়ায় : প্রস্তাবিত কচ্ছপিয়ায় পুলিশ ফাঁড়ির জমি নির্ধারন

উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলার মানবপাচার ও অপহরণ প্রতিরোধে অতিরিক্ত পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে সংসদ সদস্য শাহাজাহান চৌধুরী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি আবেদন করেছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় বাহারছড়া ইউনিয়নের অঘোষিত মানবপাচারের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত কচ্ছপিয়া এলাকায় পুলিশ ফাঁড়ি নির্মাণের জন্য জমি নির্ধারণ করেছেন কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল মান্নান।

সোমবার (২৭ জুলাই ২০২৬) সকাল ১০টার দিকে বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর এলাকার দুটি স্কুল পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক কচ্ছপিয়া এলাকায় যান। সেখানে তিনি প্রস্তাবিত পুলিশ ফাঁড়ি নির্মাণের স্থান পরিদর্শন করে জমি নির্ধারণ করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উখিয়া-টেকনাফ এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়ন, মানবপাচার ও অপহরণ রোধে মোট তিনটি পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন করা হবে।

জমি নির্ধারণকালে উপস্থিত ছিলেন বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন খোকন, চলচ্চিত্র অভিনেতা ইলিয়াস কোবরা, বাহারছড়া উত্তর শাখা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আলমগীরসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল মান্নান বলেন, “অপহরণ ও মানবপাচারের ঝুঁকিতে থাকা এই এলাকার মানুষের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করেই সরকার নতুন তিনটি পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আশা করছি, খুব শিগগিরই এসব পুলিশ ফাঁড়ি নির্মাণের কাজ শুরু হবে।”

নতুন এই পুলিশ ফাঁড়ি চালু হলে কচ্ছপিয়াসহ আশপাশের এলাকার মানুষের নিরাপত্তা বাড়বে এবং মানবপাচার ও অপহরণ প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যক্রম আরও জোরদার হবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে বাস্তুচ্যুত পরিস্থিতিতে সংঘাত-সংবেদনশীল সাংবাদিকতা বিষয়ক কর্মশালা সম্পন্ন

৩ টি পুলিশ ফাঁড়ি হবে টেকনাফের বাহারছড়ায় : প্রস্তাবিত কচ্ছপিয়ায় পুলিশ ফাঁড়ির জমি নির্ধারন

আপডেট সময় : ০৭:০৮:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলার মানবপাচার ও অপহরণ প্রতিরোধে অতিরিক্ত পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে সংসদ সদস্য শাহাজাহান চৌধুরী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি আবেদন করেছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় বাহারছড়া ইউনিয়নের অঘোষিত মানবপাচারের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত কচ্ছপিয়া এলাকায় পুলিশ ফাঁড়ি নির্মাণের জন্য জমি নির্ধারণ করেছেন কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল মান্নান।

সোমবার (২৭ জুলাই ২০২৬) সকাল ১০টার দিকে বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর এলাকার দুটি স্কুল পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক কচ্ছপিয়া এলাকায় যান। সেখানে তিনি প্রস্তাবিত পুলিশ ফাঁড়ি নির্মাণের স্থান পরিদর্শন করে জমি নির্ধারণ করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উখিয়া-টেকনাফ এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়ন, মানবপাচার ও অপহরণ রোধে মোট তিনটি পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন করা হবে।

জমি নির্ধারণকালে উপস্থিত ছিলেন বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন খোকন, চলচ্চিত্র অভিনেতা ইলিয়াস কোবরা, বাহারছড়া উত্তর শাখা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আলমগীরসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল মান্নান বলেন, “অপহরণ ও মানবপাচারের ঝুঁকিতে থাকা এই এলাকার মানুষের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করেই সরকার নতুন তিনটি পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আশা করছি, খুব শিগগিরই এসব পুলিশ ফাঁড়ি নির্মাণের কাজ শুরু হবে।”

নতুন এই পুলিশ ফাঁড়ি চালু হলে কচ্ছপিয়াসহ আশপাশের এলাকার মানুষের নিরাপত্তা বাড়বে এবং মানবপাচার ও অপহরণ প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যক্রম আরও জোরদার হবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।