ঢাকা ০৫:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মহেশখালীতে মাইকিং করে বনকর্মীদের উপর হামলা: আহত একাধিক আর্জেন্টিনাকে ‘কাঁদানো’ রেনার্ড আবার আসছেন বিশ্বকাপে চিত্রচিন্তার প্রথম জাতীয় আলোকচিত্র উৎসব সফলভাবে সমাপ্ত পরিবার বলছে বলাৎকার করে হ’ত্যা : চকরিয়ায় নিখোঁজের একদিন পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার, আটক ৩ রামুতে গোয়ালঘরের ময়লার স্তূপ থেকে অস্ত্র উদ্ধার প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা চলছে সৌদিতে দেখা গেছে মুহাররমের চাঁদ, শুরু হলো ১৪৪৮ হিজরি নেইমারকে নিয়ে বড় দুঃসংবাদ পেল ব্রাজিল প্রতিবাদের পর বিদ্যুৎ পাচ্ছে কুতুপালংয়ের ৩ শ পরিবার, সিআইসির প্রত্যাহার দাবী বিনানোটিশে স্থানীয়দের ৩শ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করলেন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সিআইসি! নয়াবাজারে জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, অপহরণ চেষ্টার অভিযোগকে ‘মিথ্যা’ দাবি প্রতিপক্ষের কুতুবদিয়ায় দুর্নীতি প্রতিরোধ ও দমন বিষয়ক বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত ‘মেসি এবার বিশ্বকাপ জিততে পারবে না’ পেকুয়ায় পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু টেকনাফে দুই বোটসহ ৭ জেলে ধরে নিয়ে গেল আরাকান আর্মি

সি-ট্রাকে নেই ডাস্টবিন: যাত্রীরা যত্রতত্র ফেলছে প্লাস্টিক বর্জ্য

মহেশখালী-কক্সবাজার নৌরুটে চলাচল করা সি-ট্রাকে নির্দিষ্ট ডাস্টবিন না থাকায় যাত্রীরা সি–ট্রাকের মধ্যে যত্রতত্র ফেলছে বর্জ্য। এসব বর্জ্য আবার অনেক যাত্রীদের মধ্যে সৃষ্টি করছে অস্বস্তি।

ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা প্লাস্টিকের বোতল, চিপসের প্যাকেট, পলিথিন, বাদাম ও সিগারেটের খোসা এসব ময়লা আবর্জনা গিয়ে পড়ছে নদীতে। এতে নদী দুষণ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি হতে পারে বলে আশংকা করছেন পরিবেশবাদীরা।

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) মহেশখালী শাখার সদস্য সচিব আবু বক্কর বলেন, প্লাস্টিকের বোতল, পলিথিন, সিগারেটের খোসা এসব পরিবেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক। যা নদীতে থাকা বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণী, জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি হতে পারে।

মহেশখালী থেকে কক্সবাজার এবং কক্সবাজার থেকে মহেশখালী সি–ট্রাকে পৌঁছাতে সময় লাগে প্রায় ৪৫ মিনিট থেকে এক ঘন্টা। এই দীর্ঘ সময়ে যাত্রাপথে যাত্রীরা নিজেদের সাথে নেন পানীয় এবং শুকনো খাবার। এসব খাবারের প্যাকেট ও প্লাস্টিকের পানীয় বোতল ফেলার জন্য সি-ট্রাকে নির্দিষ্ট ডাস্টবিন না থাকায় অনেকে তা ফেলছেন নদীতে।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে, বিআইডব্লিউটিএ’র কক্সবাজার নদীবন্দর (কস্তুরাঘাট) শাখার সহকারী পরিচালক মো. খায়রুজ্জামান টিটিএন বলেন, ডাস্টবিন না থাকার বিষয়ে তারা অবগত ছিলেন না, যাত্রীদের নিরাপদ যাত্রা এবং নদী দুষণ রোধে শিগগিরই সি–ট্রাকে ডাস্টবিন স্থাপন করা হবে।

গত ২৫ এপ্রিল মহেশখালী-কক্সবাজার নৌরুটে আনুষ্ঠানিকভাবে বিআইডব্লিউটিএ’র সি–ট্রাক সার্ভিস চালু হয়েছে। এই নৌপথে ২৫০ জন যাত্রী ধারণক্ষমতা সম্পন্ন সি–ট্রাক প্রতিদিন তিনবার করে যাওয়া-আসা করছে। মহেশখালী দ্বীপের প্রায় সাড়ে চার লক্ষ মানুষের নিরাপদ যাতায়াতের জন্য সি–ট্রাক হয়ে উঠেছে ভরসাস্থল।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

মহেশখালীতে মাইকিং করে বনকর্মীদের উপর হামলা: আহত একাধিক

সি-ট্রাকে নেই ডাস্টবিন: যাত্রীরা যত্রতত্র ফেলছে প্লাস্টিক বর্জ্য

আপডেট সময় : ০৬:৪৯:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫

মহেশখালী-কক্সবাজার নৌরুটে চলাচল করা সি-ট্রাকে নির্দিষ্ট ডাস্টবিন না থাকায় যাত্রীরা সি–ট্রাকের মধ্যে যত্রতত্র ফেলছে বর্জ্য। এসব বর্জ্য আবার অনেক যাত্রীদের মধ্যে সৃষ্টি করছে অস্বস্তি।

ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা প্লাস্টিকের বোতল, চিপসের প্যাকেট, পলিথিন, বাদাম ও সিগারেটের খোসা এসব ময়লা আবর্জনা গিয়ে পড়ছে নদীতে। এতে নদী দুষণ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি হতে পারে বলে আশংকা করছেন পরিবেশবাদীরা।

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) মহেশখালী শাখার সদস্য সচিব আবু বক্কর বলেন, প্লাস্টিকের বোতল, পলিথিন, সিগারেটের খোসা এসব পরিবেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক। যা নদীতে থাকা বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণী, জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি হতে পারে।

মহেশখালী থেকে কক্সবাজার এবং কক্সবাজার থেকে মহেশখালী সি–ট্রাকে পৌঁছাতে সময় লাগে প্রায় ৪৫ মিনিট থেকে এক ঘন্টা। এই দীর্ঘ সময়ে যাত্রাপথে যাত্রীরা নিজেদের সাথে নেন পানীয় এবং শুকনো খাবার। এসব খাবারের প্যাকেট ও প্লাস্টিকের পানীয় বোতল ফেলার জন্য সি-ট্রাকে নির্দিষ্ট ডাস্টবিন না থাকায় অনেকে তা ফেলছেন নদীতে।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে, বিআইডব্লিউটিএ’র কক্সবাজার নদীবন্দর (কস্তুরাঘাট) শাখার সহকারী পরিচালক মো. খায়রুজ্জামান টিটিএন বলেন, ডাস্টবিন না থাকার বিষয়ে তারা অবগত ছিলেন না, যাত্রীদের নিরাপদ যাত্রা এবং নদী দুষণ রোধে শিগগিরই সি–ট্রাকে ডাস্টবিন স্থাপন করা হবে।

গত ২৫ এপ্রিল মহেশখালী-কক্সবাজার নৌরুটে আনুষ্ঠানিকভাবে বিআইডব্লিউটিএ’র সি–ট্রাক সার্ভিস চালু হয়েছে। এই নৌপথে ২৫০ জন যাত্রী ধারণক্ষমতা সম্পন্ন সি–ট্রাক প্রতিদিন তিনবার করে যাওয়া-আসা করছে। মহেশখালী দ্বীপের প্রায় সাড়ে চার লক্ষ মানুষের নিরাপদ যাতায়াতের জন্য সি–ট্রাক হয়ে উঠেছে ভরসাস্থল।