ঢাকা ০৬:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জেলা প্রশাসনের সতর্কতা, সব আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত : খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধস : ৮ মাদ্রাসা ছাত্রীর মৃত্যু, চিকিৎসাধীন ৫ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আবারো পাহাড়ধস : ৮ মাদ্রাসা ছাত্রী নিহত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাজে সমর্থন দেশের ৭৫.৩ শতাংশ মানুষের  কক্সবাজারে বন্যা ও পাহাড় ধ্বসের শঙ্কা: আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার নির্দেশ বঙ্গোপসাগরে ঝড়ে ট্রলারডুবি, তিন দিনেও উদ্ধার হননি পটুয়াখালীর ৬ জেলে ডুবে আছে রেললাইন, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ কক্সবাজারে কেন ভয়ংকর হয়ে উঠছে বর্ষা ১৯ অঞ্চলে সর্বোচ্চ ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস ভারী বৃষ্টির কারণে ১৬ হাজার রোহিঙ্গা ক্ষতিগ্রস্ত: ইউএনএইচসিআর মানবপাচার ও অবৈধ অভিবাসন রোধে একসঙ্গে কাজ করতে চায় বাংলাদেশ-ভিয়েতনাম স্বামীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করতে গিয়ে খবর আসে স্বামীর লাশ পড়ে আছে বাসায় কক্সবাজারসহ তিন জেলায় বুধবারের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত পাহাড় ধসের ঝুঁকিতে পেকুয়ার কয়েক’শ বসতি রামুতে ​শ্রী শ্রী সার্বজনীন দূর্গা মন্দির দখলের অভিযোগ

সংখ্যালঘু ও সংখ্যাগুরু তত্ত্বে বিশ্বাসী নয় জামায়াতে ইসলামী- কুতুবদিয়ায় সাবেক এম.পি হামিদ আযাদ

কুতুবদিয়া-মহেশখালী আসনের সাবেক এম.পি ও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ বলেছেন, সংখ্যালঘু ও সংখ্যাগুরুর তত্ত্বে জামায়াতে ইসলামী বিশ্বাস করে না। বাংলাদেশ সবার দেশ, সকলের দেশ। জামায়াতে ইসলামী আপনাদের ভোটের রায় পেলে ও দেশ সেবার সুযোগ পেলে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু ও সংখ্যাগুরু বলতে কোন শব্দ থাকবে না। সবাই এদেশের নাগরিক। সবাই রাষ্ট্রের সমান সুযোগ- সুবিধা ভোগ করবে।

তিনি মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দ্বীপ উপজেলা কুতুবদিয়ার কৈয়ারবিলের মহাজন পাড়ায় নির্মাণাধীন সার্বজনীন হরি মন্দির ও পূজা মণ্ডপ পরিদর্শনকালে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সাথে কুশল বিনিময়কালে এসব কথা বলেন। এসময় মন্দির কমিটির সভাপতি সুজিত দেবনাথসহ গ্রামের সনাতন ধর্মাবলম্বীরা উপস্থিত ছিলেন।

তিনি আরো বলেন, পূজা মন্ডপ ও মন্দিরের নিরাপত্তার জন্য অন্য কোন দল, অন্য কোন ব্যক্তির সহযোগিতার প্রয়োজন নাই। তারা আমাদের ভাই-বোন, তারা এদেশের নাগরিক। তাদের পূজা মন্ডপ ও মন্দির সম্পূর্ণ অক্ষত থাকবে। আপনারা জানেন কারা গত ৫৪ বছর ধরে সনাতন ধর্মালম্বীদের বাড়ি ঘরে ও মন্দিরে হামলা চালিয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা কোনদিন এ ধরনের কাজের সাথে জড়িত ছিল না। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী জামায়াতের নেতাকর্মীরা অমুসলিমদের জানমাল রক্ষায় নিজের জানবাজি রেখে চেষ্টা করে গিয়েছে।

তিনি এর আগে সকাল ১১টার দিকে উত্তর ধূরুং ইউনিয়নের মিয়ারা কাটা এলাকায় প্রায় ভেঙে যাওয়া বেড়িবাঁধ পরিদর্শন করেন। বেড়িবাঁধ পরিদর্শনের সময় তিনি বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে দাবি রেখে বলেন, কুতুবদিয়াবাসী টেকসই বেড়িবাঁধ চাই, নিরাপদে বাঁচতে চাই। ঘরসহ সহায়সম্পদ সাগর কেড়ে নিয়ে যাচ্ছে। এ বিপর্যয় থেকে দ্বীপের ২ লক্ষ মানুষের জানমাল রক্ষায় আমরা একটি স্থায়ী ও টেকসই বেড়িবাঁধ চাই। আমরা আগেও এই দাবি করেছি। কোনো অস্থায়ী বেড়িবাঁধ আমরা চাই না।

বেড়িবাঁধ পরিদর্শনের সময় তার সঙ্গে কক্সবাজার জেলা জামায়াতের সহকারী অধ্যাপক আবু তাহের চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক শামসুল আলম বাহাদুর, কুতুবদিয়া উপজেলা জামায়াতের আমীর ও সাবেক চেয়ারম্যান আ.স.ম শাহরিয়ার চৌধুরী, সেক্রেটারী মাওঃ নুরুল আমিনসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

জেলা প্রশাসনের সতর্কতা, সব আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত : খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম

সংখ্যালঘু ও সংখ্যাগুরু তত্ত্বে বিশ্বাসী নয় জামায়াতে ইসলামী- কুতুবদিয়ায় সাবেক এম.পি হামিদ আযাদ

আপডেট সময় : ০৮:২৯:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

কুতুবদিয়া-মহেশখালী আসনের সাবেক এম.পি ও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ বলেছেন, সংখ্যালঘু ও সংখ্যাগুরুর তত্ত্বে জামায়াতে ইসলামী বিশ্বাস করে না। বাংলাদেশ সবার দেশ, সকলের দেশ। জামায়াতে ইসলামী আপনাদের ভোটের রায় পেলে ও দেশ সেবার সুযোগ পেলে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু ও সংখ্যাগুরু বলতে কোন শব্দ থাকবে না। সবাই এদেশের নাগরিক। সবাই রাষ্ট্রের সমান সুযোগ- সুবিধা ভোগ করবে।

তিনি মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দ্বীপ উপজেলা কুতুবদিয়ার কৈয়ারবিলের মহাজন পাড়ায় নির্মাণাধীন সার্বজনীন হরি মন্দির ও পূজা মণ্ডপ পরিদর্শনকালে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সাথে কুশল বিনিময়কালে এসব কথা বলেন। এসময় মন্দির কমিটির সভাপতি সুজিত দেবনাথসহ গ্রামের সনাতন ধর্মাবলম্বীরা উপস্থিত ছিলেন।

তিনি আরো বলেন, পূজা মন্ডপ ও মন্দিরের নিরাপত্তার জন্য অন্য কোন দল, অন্য কোন ব্যক্তির সহযোগিতার প্রয়োজন নাই। তারা আমাদের ভাই-বোন, তারা এদেশের নাগরিক। তাদের পূজা মন্ডপ ও মন্দির সম্পূর্ণ অক্ষত থাকবে। আপনারা জানেন কারা গত ৫৪ বছর ধরে সনাতন ধর্মালম্বীদের বাড়ি ঘরে ও মন্দিরে হামলা চালিয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা কোনদিন এ ধরনের কাজের সাথে জড়িত ছিল না। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী জামায়াতের নেতাকর্মীরা অমুসলিমদের জানমাল রক্ষায় নিজের জানবাজি রেখে চেষ্টা করে গিয়েছে।

তিনি এর আগে সকাল ১১টার দিকে উত্তর ধূরুং ইউনিয়নের মিয়ারা কাটা এলাকায় প্রায় ভেঙে যাওয়া বেড়িবাঁধ পরিদর্শন করেন। বেড়িবাঁধ পরিদর্শনের সময় তিনি বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে দাবি রেখে বলেন, কুতুবদিয়াবাসী টেকসই বেড়িবাঁধ চাই, নিরাপদে বাঁচতে চাই। ঘরসহ সহায়সম্পদ সাগর কেড়ে নিয়ে যাচ্ছে। এ বিপর্যয় থেকে দ্বীপের ২ লক্ষ মানুষের জানমাল রক্ষায় আমরা একটি স্থায়ী ও টেকসই বেড়িবাঁধ চাই। আমরা আগেও এই দাবি করেছি। কোনো অস্থায়ী বেড়িবাঁধ আমরা চাই না।

বেড়িবাঁধ পরিদর্শনের সময় তার সঙ্গে কক্সবাজার জেলা জামায়াতের সহকারী অধ্যাপক আবু তাহের চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক শামসুল আলম বাহাদুর, কুতুবদিয়া উপজেলা জামায়াতের আমীর ও সাবেক চেয়ারম্যান আ.স.ম শাহরিয়ার চৌধুরী, সেক্রেটারী মাওঃ নুরুল আমিনসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।