ঢাকা ০৯:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টিটিএনের সংবাদকর্মীদের দক্ষতা উন্নয়নে ডিডাব্লিউ একাডেমির ইন-হাউস প্রশিক্ষণ কক্সবাজারের মেয়ে তাওয়াক্কুল নূর চৌধুরী স্নেহা নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬-এর জুডো বিভাগে ব্রোঞ্জ পদক জয়ী মহেশখালীতে ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে ত্রুটি, সারাদেশে গ্যাসের সংকট নির্ভীক, স্পষ্টবাদী ও সৎ সাংবাদিক ছিলেন আতাহার ইকবাল-লুৎফুর রহমান কাজল এমপি নেপালের আন্তর্জাতিক সম্মেলনে আমন্ত্রিত কক্সবাজারের সন্তান সাংবাদিক ইরফান হোয়াইক্যংয়ের কাটাখালীতে এবার ২ কোটি টাকার ইয়াবা ছিনতাই পালংখালীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভার প্রতিবাদে বিএনপির মিছিল উখিয়ায় শ্যামল প্রকৃতি আর্ট স্কুলের দিনব্যাপী সংগীত কর্মশালা অনুষ্ঠিত কাঁচা মাছ খেয়ে ৩৬ দিন সাগরে ভাসছিলেন শ্রীলঙ্কার দুই জেলে: উদ্ধার করলেন মহেশখালীর জেলেরা রোহিঙ্গা মাঝি এনায়েত উল্লাহর অত্যাচারে অতিষ্ঠ রোহিঙ্গারাই টানা আন্দোলনের মুখে ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ উখিয়ায় বাসে অভিযান: ৪ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবাসহ সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা আটক কুতুবদিয়ায় পুকুরের পানিতে ডুবে দুই বছরের শিশুর মৃত্যু বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত লোহাগাড়ায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় আহত আলমগীর মারা গেছেন

রামু ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ শারমিনা আফরোজ রেশমিনের ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী

রামু ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ, শিক্ষাবিদ ও সমাজসেবক শারমিনা আফরোজ রেশমিনের ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী ২ জুলাই। ২০১১ সালের এই দিনে তিনি দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে ঢাকার ধানমন্ডিস্থ রেনেসা ক্লিনিক প্রাইভেট লিমিটেডের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ)-এ চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

শারমিনা আফরোজ রেশমিন ১৯৮৮ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ থেকে সর্বোচ্চ ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৮৯ সালে চট্টগ্রামের ইস্পাহানি পাবলিক স্কুলে বাংলা বিভাগের শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি রামু ডিগ্রি কলেজে বাংলা বিভাগের প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন। ১৯৯৭ সালে তিনি একই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান হিসেবে পদোন্নতি লাভ করেন। ২০০৮ সালে কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত নিষ্ঠা ও সুনামের সঙ্গে এ দায়িত্ব পালন করেন।

শিক্ষাক্ষেত্রের পাশাপাশি সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডেও তিনি ছিলেন অত্যন্ত সক্রিয়। তিনি কক্সবাজার পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি, আনন্দ মাল্টিমিডিয়া স্কুলের পরিচালক, দানেশ ফাউন্ডেশনের পরিচালক এবং সাহিত্য একাডেমি ও রোটারি ক্লাবসহ বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও সেবামূলক সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। তাঁর উদ্যোগে ও নেতৃত্বে জেলার বেশ কয়েকটি সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত হয়।

ব্যক্তিজীবনে তিনি চট্টগ্রাম জেলার সাবেক সিভিল সার্জন ডা. ওসমান ফরিদের সহধর্মিণী ছিলেন। তাঁদের দুই কন্যা—পৃথুলা ও আত্রেয়ী—উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করে বর্তমানে নিজ নিজ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত।

মরহুমার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে পরিবারের পক্ষ থেকে আত্মীয়-স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী, সহকর্মী, শিক্ষার্থী এবং সর্বস্তরের মানুষের কাছে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া প্রার্থনা করা হয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

টিটিএনের সংবাদকর্মীদের দক্ষতা উন্নয়নে ডিডাব্লিউ একাডেমির ইন-হাউস প্রশিক্ষণ

রামু ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ শারমিনা আফরোজ রেশমিনের ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী

আপডেট সময় : ০২:১২:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬

রামু ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ, শিক্ষাবিদ ও সমাজসেবক শারমিনা আফরোজ রেশমিনের ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী ২ জুলাই। ২০১১ সালের এই দিনে তিনি দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে ঢাকার ধানমন্ডিস্থ রেনেসা ক্লিনিক প্রাইভেট লিমিটেডের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ)-এ চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

শারমিনা আফরোজ রেশমিন ১৯৮৮ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ থেকে সর্বোচ্চ ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৮৯ সালে চট্টগ্রামের ইস্পাহানি পাবলিক স্কুলে বাংলা বিভাগের শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি রামু ডিগ্রি কলেজে বাংলা বিভাগের প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন। ১৯৯৭ সালে তিনি একই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান হিসেবে পদোন্নতি লাভ করেন। ২০০৮ সালে কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত নিষ্ঠা ও সুনামের সঙ্গে এ দায়িত্ব পালন করেন।

শিক্ষাক্ষেত্রের পাশাপাশি সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডেও তিনি ছিলেন অত্যন্ত সক্রিয়। তিনি কক্সবাজার পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি, আনন্দ মাল্টিমিডিয়া স্কুলের পরিচালক, দানেশ ফাউন্ডেশনের পরিচালক এবং সাহিত্য একাডেমি ও রোটারি ক্লাবসহ বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও সেবামূলক সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। তাঁর উদ্যোগে ও নেতৃত্বে জেলার বেশ কয়েকটি সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত হয়।

ব্যক্তিজীবনে তিনি চট্টগ্রাম জেলার সাবেক সিভিল সার্জন ডা. ওসমান ফরিদের সহধর্মিণী ছিলেন। তাঁদের দুই কন্যা—পৃথুলা ও আত্রেয়ী—উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করে বর্তমানে নিজ নিজ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত।

মরহুমার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে পরিবারের পক্ষ থেকে আত্মীয়-স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী, সহকর্মী, শিক্ষার্থী এবং সর্বস্তরের মানুষের কাছে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া প্রার্থনা করা হয়েছে।