ঢাকা ০৩:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণমাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের পদত্যাগ সংক্রান্ত অসত্য ও বিভ্রান্তিকর খবরের প্রতিবাদ লোহাগাড়ায় এক দিনের ব্যবধানে দুই মৃত্যু, কিশোরীর পর সাবেক স্কুল দপ্তরীর মরদেহ উদ্ধার মন্ত্রিসভা থেকে ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর লোহাগাড়ায় হেফজখানার শিক্ষক জাফর আলমের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ স্ত্রীকে দোতলা থেকে ফেলে দিয়ে নিজেও লাফ, ইনানী থেকে বেঁচে ফেরা মাসুদের বর্ণনা উখিয়ার নিখোঁজ মাদ্রাসা ছাত্র টেকনাফে উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২ পুজামন্ডপ পরিদর্শন করবেন : দুই দিনের সফরে সোমবার কক্সবাজার আসছেন মন্ত্রী সাচিং প্রু দুই দিনের সফরে মঙ্গলবার কক্সবাজার আসছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ২৪ ঘন্টায় জেলায় তিন অগ্নিকাণ্ড হিমঘরে ১০ মরদেহ, ডিএনএ টেস্টের পর হস্তান্তর, ঘটনাস্থলে তদন্ত কমিটি, মামলায় কারাগারে রিসোর্ট ম্যানেজার ১৯ কোটি ৫৭ লাখ টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস করলো বিজিবি আলোচিত ইয়াবা মামলার আসামী সলিম উল্লাহ গ্রেফতার সাত খু’ন, মেজর সিনহা ও আবরার হ’ত্যা মামলার আপিল দ্রুত শুনানির বিশেষ উদ্যোগ বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য অটুট রাখতে হবে : রাষ্ট্রপতি মালিক তানভীরের পোষা কুকুর সহ পালায় টুপটুপের কর্মীরা

রামু ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ শারমিনা আফরোজ রেশমিনের ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী

রামু ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ, শিক্ষাবিদ ও সমাজসেবক শারমিনা আফরোজ রেশমিনের ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী ২ জুলাই। ২০১১ সালের এই দিনে তিনি দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে ঢাকার ধানমন্ডিস্থ রেনেসা ক্লিনিক প্রাইভেট লিমিটেডের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ)-এ চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

শারমিনা আফরোজ রেশমিন ১৯৮৮ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ থেকে সর্বোচ্চ ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৮৯ সালে চট্টগ্রামের ইস্পাহানি পাবলিক স্কুলে বাংলা বিভাগের শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি রামু ডিগ্রি কলেজে বাংলা বিভাগের প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন। ১৯৯৭ সালে তিনি একই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান হিসেবে পদোন্নতি লাভ করেন। ২০০৮ সালে কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত নিষ্ঠা ও সুনামের সঙ্গে এ দায়িত্ব পালন করেন।

শিক্ষাক্ষেত্রের পাশাপাশি সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডেও তিনি ছিলেন অত্যন্ত সক্রিয়। তিনি কক্সবাজার পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি, আনন্দ মাল্টিমিডিয়া স্কুলের পরিচালক, দানেশ ফাউন্ডেশনের পরিচালক এবং সাহিত্য একাডেমি ও রোটারি ক্লাবসহ বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও সেবামূলক সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। তাঁর উদ্যোগে ও নেতৃত্বে জেলার বেশ কয়েকটি সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত হয়।

ব্যক্তিজীবনে তিনি চট্টগ্রাম জেলার সাবেক সিভিল সার্জন ডা. ওসমান ফরিদের সহধর্মিণী ছিলেন। তাঁদের দুই কন্যা—পৃথুলা ও আত্রেয়ী—উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করে বর্তমানে নিজ নিজ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত।

মরহুমার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে পরিবারের পক্ষ থেকে আত্মীয়-স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী, সহকর্মী, শিক্ষার্থী এবং সর্বস্তরের মানুষের কাছে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া প্রার্থনা করা হয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

গণমাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের পদত্যাগ সংক্রান্ত অসত্য ও বিভ্রান্তিকর খবরের প্রতিবাদ

রামু ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ শারমিনা আফরোজ রেশমিনের ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী

আপডেট সময় : ০২:১২:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬

রামু ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ, শিক্ষাবিদ ও সমাজসেবক শারমিনা আফরোজ রেশমিনের ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী ২ জুলাই। ২০১১ সালের এই দিনে তিনি দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে ঢাকার ধানমন্ডিস্থ রেনেসা ক্লিনিক প্রাইভেট লিমিটেডের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ)-এ চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

শারমিনা আফরোজ রেশমিন ১৯৮৮ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ থেকে সর্বোচ্চ ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৮৯ সালে চট্টগ্রামের ইস্পাহানি পাবলিক স্কুলে বাংলা বিভাগের শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি রামু ডিগ্রি কলেজে বাংলা বিভাগের প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন। ১৯৯৭ সালে তিনি একই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান হিসেবে পদোন্নতি লাভ করেন। ২০০৮ সালে কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত নিষ্ঠা ও সুনামের সঙ্গে এ দায়িত্ব পালন করেন।

শিক্ষাক্ষেত্রের পাশাপাশি সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডেও তিনি ছিলেন অত্যন্ত সক্রিয়। তিনি কক্সবাজার পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি, আনন্দ মাল্টিমিডিয়া স্কুলের পরিচালক, দানেশ ফাউন্ডেশনের পরিচালক এবং সাহিত্য একাডেমি ও রোটারি ক্লাবসহ বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও সেবামূলক সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। তাঁর উদ্যোগে ও নেতৃত্বে জেলার বেশ কয়েকটি সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত হয়।

ব্যক্তিজীবনে তিনি চট্টগ্রাম জেলার সাবেক সিভিল সার্জন ডা. ওসমান ফরিদের সহধর্মিণী ছিলেন। তাঁদের দুই কন্যা—পৃথুলা ও আত্রেয়ী—উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করে বর্তমানে নিজ নিজ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত।

মরহুমার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে পরিবারের পক্ষ থেকে আত্মীয়-স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী, সহকর্মী, শিক্ষার্থী এবং সর্বস্তরের মানুষের কাছে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া প্রার্থনা করা হয়েছে।