ঢাকা ১০:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বন্যা কবলিত এলাকায় এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত এমপি কাজলের ডিও লেটার: রামুর ফতেখাঁরকুলকে পৌরসভায় উন্নীত করার উদ্যোগ, স্থানীয় সরকার বিভাগের চিঠি চন্দ্রিমায় আবু বক্কর মার্কেট দখলচেষ্টার মামলায় নুরুল ইসলাম ও আরাফাতের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা সপ্তম শ্রেণির ছাত্র অপহরণ, নির্যাতনের পর রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার তারেক রহমানের নির্দেশনায় কক্সবাজারে কৃষক দলের ত্রাণ বিতরণ সম্পন্ন, উপকৃত ২২০ পরিবার কক্সবাজারে জগন্নাথদেবের রথযাত্রায় হাজারো ভক্তের অংশগ্রহণ ঝিলংজা ইউনিয়নে পাহাড় ধসে নিহত পরিবারে পাশে সরওয়ার সাইদ মিয়ানমারের উপকূলে দুই নৌকাডুবি, ৫ শতাধিক রোহিঙ্গার প্রাণহানির আশঙ্কা: জাতিসংঘ ২ দিনের সফরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ কক্সবাজার আসছেন শুক্রবার বিশ্ব সাপ দিবস আজ লোহাগাড়ায় আসছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, পরিদর্শন করবেন বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা কক্সবাজারে জুলাই শহিদ দিবস পালিত জননেতা নুরুল আবছারের বাইপাস সার্জারি সফলভাবে সম্পন্ন : আইসিইউতে স্থানান্তর বিশ্বকাপ ফাইনালে গুরু-শিষ্যের ট্যাকটিক্যাল লড়াই আন্দোলনকারীদের অনেকেই প্রকৃত শিক্ষার্থী নন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রাখাইনের সাথে বাংলাদেশের ‘ভালো সম্পর্ক’ গুরুত্বপূর্ণ – উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমঘুম ইউনিয়নের সীমান্ত এলাকা এবং ঘুমধুম এশিয়ান হাইওয়ে সড়কের পাশে স্থলবন্দরের সম্ভাব্যতা যাছাইয়ে পরদর্শনে এসেছেন নৌ পরিবহণ মন্ত্রণায়ের উপদেষ্টা বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) এম সাখাওয়াত হোসেন।শনিবার (৮ ফ্রেব্রুয়ারী) সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন ঘুমধুমে পৌঁছান।

পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সরকারীভাবে কোনো যোগাযোগ এখন নেই জানিয়ে নৌ পরিবহণ উপদেষ্টা বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন,
“ওপারের সাথে একটা আন্ডারস্ট্যান্ডিং লাগে যোগাযোগ লাগে, সেই যোগাযোগ কিন্তু বিচ্ছিন্ন হয়ে আছে, এখন আমাদের সরকারীভাবে যোগাযোগ নেই, কিন্তু আমি দেখে গেলাম এখানে সম্ভব একটা স্থলবন্দর হওয়া, আজকে না হোক কালকে না হোক পরশো না হোক আমাদের রিলেশন ভালো হবে।”

উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন আরও বলেন, ” সেখানে আরাকান আর্মি ভবিষ্যৎতে থাকুক বা না থাকুক যদিও একটা ফেডারেল কাঠামোতে থাকুক অথবা ভবিষ্যৎ কি হবে রাখাইনে আমরা জানিনা, যেভাবেই হোক আমি মনে করি আমাদের সাথে তাঁদের রিলেশন ভালো হওয়া উচিৎ, এবং ব্যবসা বাণিজ্যও চালু করা উচিৎ।”

পরিদর্শন শেষে তিনি আরও বলেন, রাখাইনের সাথে শুধু বাংলাদেশেরই আন্তর্জাতিক স্থলপথ রয়েছে, ফলে নানাভাবে রাখাইন রাজ্যের জন্য বাংলাদেশের এ অঞ্চল নানাভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে টেকনাফ স্থলবন্দরকে নৌবন্দরে পরিণত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তিনি। অথবা আন্তর্জাতিক কোনো বিষয় থাকলে তা গুরুত্বসহকারে দেখা যাবে, এটা চিপিএ’র (চট্টগ্রাম পোর্ট অথরিটি) অধীনে হতে পারে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

সীমান্ত সড়ক, ঘুমঘুমের স্থলবন্দর নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের স্থান ও টেকনাফ স্থলবন্দর পরিদর্শনের সময় বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) মানজারুল মান্নান, কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. আবদুল্লাহ ইয়ামিন, কক্সবাজারস্থ ৩৪ বিজিবি’র অধিনায়ক লে: কর্নেল মো. ফারুক হোসেন খান সহ প্রশাসনের পদস্থ কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টরা এসময় উপদেষ্টার সাথে ছিলেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

বন্যা কবলিত এলাকায় এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত

রাখাইনের সাথে বাংলাদেশের ‘ভালো সম্পর্ক’ গুরুত্বপূর্ণ – উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত

আপডেট সময় : ০১:৫৮:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমঘুম ইউনিয়নের সীমান্ত এলাকা এবং ঘুমধুম এশিয়ান হাইওয়ে সড়কের পাশে স্থলবন্দরের সম্ভাব্যতা যাছাইয়ে পরদর্শনে এসেছেন নৌ পরিবহণ মন্ত্রণায়ের উপদেষ্টা বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) এম সাখাওয়াত হোসেন।শনিবার (৮ ফ্রেব্রুয়ারী) সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন ঘুমধুমে পৌঁছান।

পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সরকারীভাবে কোনো যোগাযোগ এখন নেই জানিয়ে নৌ পরিবহণ উপদেষ্টা বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন,
“ওপারের সাথে একটা আন্ডারস্ট্যান্ডিং লাগে যোগাযোগ লাগে, সেই যোগাযোগ কিন্তু বিচ্ছিন্ন হয়ে আছে, এখন আমাদের সরকারীভাবে যোগাযোগ নেই, কিন্তু আমি দেখে গেলাম এখানে সম্ভব একটা স্থলবন্দর হওয়া, আজকে না হোক কালকে না হোক পরশো না হোক আমাদের রিলেশন ভালো হবে।”

উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন আরও বলেন, ” সেখানে আরাকান আর্মি ভবিষ্যৎতে থাকুক বা না থাকুক যদিও একটা ফেডারেল কাঠামোতে থাকুক অথবা ভবিষ্যৎ কি হবে রাখাইনে আমরা জানিনা, যেভাবেই হোক আমি মনে করি আমাদের সাথে তাঁদের রিলেশন ভালো হওয়া উচিৎ, এবং ব্যবসা বাণিজ্যও চালু করা উচিৎ।”

পরিদর্শন শেষে তিনি আরও বলেন, রাখাইনের সাথে শুধু বাংলাদেশেরই আন্তর্জাতিক স্থলপথ রয়েছে, ফলে নানাভাবে রাখাইন রাজ্যের জন্য বাংলাদেশের এ অঞ্চল নানাভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে টেকনাফ স্থলবন্দরকে নৌবন্দরে পরিণত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তিনি। অথবা আন্তর্জাতিক কোনো বিষয় থাকলে তা গুরুত্বসহকারে দেখা যাবে, এটা চিপিএ’র (চট্টগ্রাম পোর্ট অথরিটি) অধীনে হতে পারে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

সীমান্ত সড়ক, ঘুমঘুমের স্থলবন্দর নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের স্থান ও টেকনাফ স্থলবন্দর পরিদর্শনের সময় বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) মানজারুল মান্নান, কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. আবদুল্লাহ ইয়ামিন, কক্সবাজারস্থ ৩৪ বিজিবি’র অধিনায়ক লে: কর্নেল মো. ফারুক হোসেন খান সহ প্রশাসনের পদস্থ কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টরা এসময় উপদেষ্টার সাথে ছিলেন।