ঢাকা ০১:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণমাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের পদত্যাগ সংক্রান্ত অসত্য ও বিভ্রান্তিকর খবরের প্রতিবাদ লোহাগাড়ায় এক দিনের ব্যবধানে দুই মৃত্যু, কিশোরীর পর সাবেক স্কুল দপ্তরীর মরদেহ উদ্ধার মন্ত্রিসভা থেকে ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর লোহাগাড়ায় হেফজখানার শিক্ষক জাফর আলমের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ স্ত্রীকে দোতলা থেকে ফেলে দিয়ে নিজেও লাফ, ইনানী থেকে বেঁচে ফেরা মাসুদের বর্ণনা উখিয়ার নিখোঁজ মাদ্রাসা ছাত্র টেকনাফে উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২ পুজামন্ডপ পরিদর্শন করবেন : দুই দিনের সফরে সোমবার কক্সবাজার আসছেন মন্ত্রী সাচিং প্রু দুই দিনের সফরে মঙ্গলবার কক্সবাজার আসছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ২৪ ঘন্টায় জেলায় তিন অগ্নিকাণ্ড হিমঘরে ১০ মরদেহ, ডিএনএ টেস্টের পর হস্তান্তর, ঘটনাস্থলে তদন্ত কমিটি, মামলায় কারাগারে রিসোর্ট ম্যানেজার ১৯ কোটি ৫৭ লাখ টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস করলো বিজিবি আলোচিত ইয়াবা মামলার আসামী সলিম উল্লাহ গ্রেফতার সাত খু’ন, মেজর সিনহা ও আবরার হ’ত্যা মামলার আপিল দ্রুত শুনানির বিশেষ উদ্যোগ বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য অটুট রাখতে হবে : রাষ্ট্রপতি মালিক তানভীরের পোষা কুকুর সহ পালায় টুপটুপের কর্মীরা

রাখাইনের সাথে বাংলাদেশের ‘ভালো সম্পর্ক’ গুরুত্বপূর্ণ – উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমঘুম ইউনিয়নের সীমান্ত এলাকা এবং ঘুমধুম এশিয়ান হাইওয়ে সড়কের পাশে স্থলবন্দরের সম্ভাব্যতা যাছাইয়ে পরদর্শনে এসেছেন নৌ পরিবহণ মন্ত্রণায়ের উপদেষ্টা বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) এম সাখাওয়াত হোসেন।শনিবার (৮ ফ্রেব্রুয়ারী) সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন ঘুমধুমে পৌঁছান।

পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সরকারীভাবে কোনো যোগাযোগ এখন নেই জানিয়ে নৌ পরিবহণ উপদেষ্টা বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন,
“ওপারের সাথে একটা আন্ডারস্ট্যান্ডিং লাগে যোগাযোগ লাগে, সেই যোগাযোগ কিন্তু বিচ্ছিন্ন হয়ে আছে, এখন আমাদের সরকারীভাবে যোগাযোগ নেই, কিন্তু আমি দেখে গেলাম এখানে সম্ভব একটা স্থলবন্দর হওয়া, আজকে না হোক কালকে না হোক পরশো না হোক আমাদের রিলেশন ভালো হবে।”

উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন আরও বলেন, ” সেখানে আরাকান আর্মি ভবিষ্যৎতে থাকুক বা না থাকুক যদিও একটা ফেডারেল কাঠামোতে থাকুক অথবা ভবিষ্যৎ কি হবে রাখাইনে আমরা জানিনা, যেভাবেই হোক আমি মনে করি আমাদের সাথে তাঁদের রিলেশন ভালো হওয়া উচিৎ, এবং ব্যবসা বাণিজ্যও চালু করা উচিৎ।”

পরিদর্শন শেষে তিনি আরও বলেন, রাখাইনের সাথে শুধু বাংলাদেশেরই আন্তর্জাতিক স্থলপথ রয়েছে, ফলে নানাভাবে রাখাইন রাজ্যের জন্য বাংলাদেশের এ অঞ্চল নানাভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে টেকনাফ স্থলবন্দরকে নৌবন্দরে পরিণত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তিনি। অথবা আন্তর্জাতিক কোনো বিষয় থাকলে তা গুরুত্বসহকারে দেখা যাবে, এটা চিপিএ’র (চট্টগ্রাম পোর্ট অথরিটি) অধীনে হতে পারে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

সীমান্ত সড়ক, ঘুমঘুমের স্থলবন্দর নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের স্থান ও টেকনাফ স্থলবন্দর পরিদর্শনের সময় বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) মানজারুল মান্নান, কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. আবদুল্লাহ ইয়ামিন, কক্সবাজারস্থ ৩৪ বিজিবি’র অধিনায়ক লে: কর্নেল মো. ফারুক হোসেন খান সহ প্রশাসনের পদস্থ কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টরা এসময় উপদেষ্টার সাথে ছিলেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

গণমাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের পদত্যাগ সংক্রান্ত অসত্য ও বিভ্রান্তিকর খবরের প্রতিবাদ

রাখাইনের সাথে বাংলাদেশের ‘ভালো সম্পর্ক’ গুরুত্বপূর্ণ – উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত

আপডেট সময় : ০১:৫৮:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমঘুম ইউনিয়নের সীমান্ত এলাকা এবং ঘুমধুম এশিয়ান হাইওয়ে সড়কের পাশে স্থলবন্দরের সম্ভাব্যতা যাছাইয়ে পরদর্শনে এসেছেন নৌ পরিবহণ মন্ত্রণায়ের উপদেষ্টা বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) এম সাখাওয়াত হোসেন।শনিবার (৮ ফ্রেব্রুয়ারী) সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন ঘুমধুমে পৌঁছান।

পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সরকারীভাবে কোনো যোগাযোগ এখন নেই জানিয়ে নৌ পরিবহণ উপদেষ্টা বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন,
“ওপারের সাথে একটা আন্ডারস্ট্যান্ডিং লাগে যোগাযোগ লাগে, সেই যোগাযোগ কিন্তু বিচ্ছিন্ন হয়ে আছে, এখন আমাদের সরকারীভাবে যোগাযোগ নেই, কিন্তু আমি দেখে গেলাম এখানে সম্ভব একটা স্থলবন্দর হওয়া, আজকে না হোক কালকে না হোক পরশো না হোক আমাদের রিলেশন ভালো হবে।”

উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন আরও বলেন, ” সেখানে আরাকান আর্মি ভবিষ্যৎতে থাকুক বা না থাকুক যদিও একটা ফেডারেল কাঠামোতে থাকুক অথবা ভবিষ্যৎ কি হবে রাখাইনে আমরা জানিনা, যেভাবেই হোক আমি মনে করি আমাদের সাথে তাঁদের রিলেশন ভালো হওয়া উচিৎ, এবং ব্যবসা বাণিজ্যও চালু করা উচিৎ।”

পরিদর্শন শেষে তিনি আরও বলেন, রাখাইনের সাথে শুধু বাংলাদেশেরই আন্তর্জাতিক স্থলপথ রয়েছে, ফলে নানাভাবে রাখাইন রাজ্যের জন্য বাংলাদেশের এ অঞ্চল নানাভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে টেকনাফ স্থলবন্দরকে নৌবন্দরে পরিণত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তিনি। অথবা আন্তর্জাতিক কোনো বিষয় থাকলে তা গুরুত্বসহকারে দেখা যাবে, এটা চিপিএ’র (চট্টগ্রাম পোর্ট অথরিটি) অধীনে হতে পারে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

সীমান্ত সড়ক, ঘুমঘুমের স্থলবন্দর নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের স্থান ও টেকনাফ স্থলবন্দর পরিদর্শনের সময় বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) মানজারুল মান্নান, কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. আবদুল্লাহ ইয়ামিন, কক্সবাজারস্থ ৩৪ বিজিবি’র অধিনায়ক লে: কর্নেল মো. ফারুক হোসেন খান সহ প্রশাসনের পদস্থ কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টরা এসময় উপদেষ্টার সাথে ছিলেন।