ঢাকা ০৩:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রাইভেট কারে তল্লাশি: ৮৯ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার ১, পলাতক ৩ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে যোগ দিতে সোমবার নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী দ্রুত সময়েই অপ্রতিম হত্যার বিচার সম্পন্নের আশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সবাইকে কাঁদিয়ে চিরনিদ্রায় শায়িত অপ্রতিম কক্সবাজারে পুলিশের বিশেষ অভিযান: গ্রেপ্তার ৪৫ শহরে বিয়ে বাড়ীতে হামলা ও ভাংচুর, পুলিশি সহায়তায় রক্ষা চকরিয়ার ফাঁসিয়াখালী ইউপি চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় আনোয়ারুল মোস্তফা রাসেল সেন্টমার্টিন থেকে মিয়ানমারে পাচারকালে ১২ টন ইউরিয়া সার, রসুন-পেঁয়াজসহ আটক ১০ ছিনতাইকারী-ডাকাত চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা এসপির শিক্ষকদের নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত সাগরে লঘুচাপ ঘনীভূত হওয়ার আভাস আমরা সরকারের বিরুদ্ধে না, দেশের বিরুদ্ধেও না: কর্নেল অলি ‘তারেক রহমানকে নির্ধারণ করতে হবে তিনি কীভাবে ক্ষমতা থেকে চলে যাবেন’ দাবি মেনে নিন, হতাশ হয়ে মাথা গরম করবেন না: জামায়াত আমির সদর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত : ২৪ ঘন্টায় গ্রেফতার ১৫

মহীউদ্দীন খান আলমগীর ও স্ত্রীর ৩৩ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর এবং তার স্ত্রী সিতারা আলমগীরের নামে থাকা ৩৩টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার আদেশ দিয়েছে আদালত।

এসব হিসাবে ৬ কোটি ২৮ লাখ ৪৪ হাজার ৫০১ টাকা এবং ১৮৮ মার্কিন ডলার রয়েছে বলে দুদকের ভাষ্য।

দুদকের আবেদনের শুনানি নিয়ে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ মঙ্গলবার এ আদেশ দেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন জানান, দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান মিরাজ এসব ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার আদেশ চেয়ে আবেদন করেন।

আবেদনে বলা হয়, আইএফআইসি ব্যাংক, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ডাচ বাংলা ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, পদ্মা ব্যাংক, যমুনা ব্যংক, মধুমতি ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংকের বিভিন্ন শাখায় মহীউদ্দিন খান আলমগীর এবং সিতারা আলমগীরের ব্যক্তিগত নামে পরিচালিত ৩৩টি হিসাবে ২০০৯ সালের ১৯ জুলাই থেকে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৫১ কোটি ২৮ লাখ ৫১ হাজার ৪২২ টাকা এবং ৬১৮৮ মার্কিন ডলার জমা করা হয়।

ওই সময়ে এসব অ্যাকাউন্ট থেকে বাংলাদেশি ৪৪ কোটি ৯৫ লাখ ৯৪ হাজার ৪২৩ টাকা এবং ৬ হাজার মার্কিন ডলার উত্তোলন করা হয়। ওই ৩৩টি হিসাবে জমা-উত্তোলন শেষে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত স্থিতি ৬ কোটি ২৮ লাখ ৪৪ হাজার ৫০১ টাকা এবং ১৮৮ মার্কিন ডলার।

দুদক বলছে, “এসব হিসাবের তথ্যাদি পর্যালোচনায় হিসাব খোলার সময় থেকে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত লেনদেনগুলো অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক মর্মে প্রতীয়মান হয়। বিভিন্ন সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য মতে জানা যায়, আসামিরা তাদের নামীয় ব্যাংক হিসাবসমূহে রক্ষিত অর্থ উত্তোলন করে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। তাছাড়া, ব্যাংক হিসাবগুলো ব্যবহার করে তারা অবৈধভাবে অর্জিত অর্থ পাচার করার সম্ভাবনা রয়েছে।”

‘সুষ্ঠু’ তদন্তের স্বার্থে এসব ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করা ‘প্রয়োজন’ বলে আর্জি জানানো হয় আবেদনে।

সূত্র: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রাইভেট কারে তল্লাশি: ৮৯ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার ১, পলাতক ৩

মহীউদ্দীন খান আলমগীর ও স্ত্রীর ৩৩ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

আপডেট সময় : ০৪:১১:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৫

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর এবং তার স্ত্রী সিতারা আলমগীরের নামে থাকা ৩৩টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার আদেশ দিয়েছে আদালত।

এসব হিসাবে ৬ কোটি ২৮ লাখ ৪৪ হাজার ৫০১ টাকা এবং ১৮৮ মার্কিন ডলার রয়েছে বলে দুদকের ভাষ্য।

দুদকের আবেদনের শুনানি নিয়ে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ মঙ্গলবার এ আদেশ দেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন জানান, দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান মিরাজ এসব ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার আদেশ চেয়ে আবেদন করেন।

আবেদনে বলা হয়, আইএফআইসি ব্যাংক, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ডাচ বাংলা ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, পদ্মা ব্যাংক, যমুনা ব্যংক, মধুমতি ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংকের বিভিন্ন শাখায় মহীউদ্দিন খান আলমগীর এবং সিতারা আলমগীরের ব্যক্তিগত নামে পরিচালিত ৩৩টি হিসাবে ২০০৯ সালের ১৯ জুলাই থেকে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৫১ কোটি ২৮ লাখ ৫১ হাজার ৪২২ টাকা এবং ৬১৮৮ মার্কিন ডলার জমা করা হয়।

ওই সময়ে এসব অ্যাকাউন্ট থেকে বাংলাদেশি ৪৪ কোটি ৯৫ লাখ ৯৪ হাজার ৪২৩ টাকা এবং ৬ হাজার মার্কিন ডলার উত্তোলন করা হয়। ওই ৩৩টি হিসাবে জমা-উত্তোলন শেষে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত স্থিতি ৬ কোটি ২৮ লাখ ৪৪ হাজার ৫০১ টাকা এবং ১৮৮ মার্কিন ডলার।

দুদক বলছে, “এসব হিসাবের তথ্যাদি পর্যালোচনায় হিসাব খোলার সময় থেকে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত লেনদেনগুলো অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক মর্মে প্রতীয়মান হয়। বিভিন্ন সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য মতে জানা যায়, আসামিরা তাদের নামীয় ব্যাংক হিসাবসমূহে রক্ষিত অর্থ উত্তোলন করে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। তাছাড়া, ব্যাংক হিসাবগুলো ব্যবহার করে তারা অবৈধভাবে অর্জিত অর্থ পাচার করার সম্ভাবনা রয়েছে।”

‘সুষ্ঠু’ তদন্তের স্বার্থে এসব ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করা ‘প্রয়োজন’ বলে আর্জি জানানো হয় আবেদনে।

সূত্র: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম