ঢাকা ১০:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রোটার‍্যাক্ট ক্লাব অব চিটাগং এলায়েন্স গঠিত: প্রেসিডেন্ট আরফাত,সেক্রেটারি তৌফিক গরু বিক্রি করতে যাওয়ার পথে গাড়ি উল্টে মৃত্যু লামায় সিএনজি দূর্ঘটনায় চালক নিহত, আহত ৫ রামুর মনিরঝিলে আওয়ামী লীগ নেতা জহির মেম্বারের ছেলে রিয়াজ উদ্দীন ধর্ষণ মামলায় আটক কুতুবদিয়ায় পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু সিএনজির মিটার বক্সে ইয়াবা, চালক আটক কক্সবাজারে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ টেকনাফে ওয়াই-ফাই লাইনের কাজের অজুহাতে জাল নোটের কারখানা পেকুয়াকে পৌরসভা রুপান্তর করায় আনন্দ মিছিল সাগরপথে মালয়েশিয়া পাচারের উদ্দেশ্যে অপহৃত ৬ জন উদ্ধার, মায়ানমার মুদ্রাসহ নারী গ্রেফতার ঘুমধুম সীমান্তে স্থল মাইন বিস্ফোরণে ৩ জন নিহত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মেয়েকে নিয়ে ফেসবুকে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য, আটক যুবক রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট জমা আজ, ছুটিতে বিশেষ কোর্টে ৫ থেকে ৭ দিনের মধ্যে বিচার বাংলাদেশ দ্রুতই সবুজ-টেকসই উন্নয়নের মডেল রাষ্ট্রে পরিণত হবে: প্রধানমন্ত্রী শিশুর আচরণ দেখে বুঝে নিন শরীরে পুষ্টির অভাব আছে কি না

মহীউদ্দীন খান আলমগীর ও স্ত্রীর ৩৩ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর এবং তার স্ত্রী সিতারা আলমগীরের নামে থাকা ৩৩টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার আদেশ দিয়েছে আদালত।

এসব হিসাবে ৬ কোটি ২৮ লাখ ৪৪ হাজার ৫০১ টাকা এবং ১৮৮ মার্কিন ডলার রয়েছে বলে দুদকের ভাষ্য।

দুদকের আবেদনের শুনানি নিয়ে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ মঙ্গলবার এ আদেশ দেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন জানান, দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান মিরাজ এসব ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার আদেশ চেয়ে আবেদন করেন।

আবেদনে বলা হয়, আইএফআইসি ব্যাংক, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ডাচ বাংলা ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, পদ্মা ব্যাংক, যমুনা ব্যংক, মধুমতি ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংকের বিভিন্ন শাখায় মহীউদ্দিন খান আলমগীর এবং সিতারা আলমগীরের ব্যক্তিগত নামে পরিচালিত ৩৩টি হিসাবে ২০০৯ সালের ১৯ জুলাই থেকে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৫১ কোটি ২৮ লাখ ৫১ হাজার ৪২২ টাকা এবং ৬১৮৮ মার্কিন ডলার জমা করা হয়।

ওই সময়ে এসব অ্যাকাউন্ট থেকে বাংলাদেশি ৪৪ কোটি ৯৫ লাখ ৯৪ হাজার ৪২৩ টাকা এবং ৬ হাজার মার্কিন ডলার উত্তোলন করা হয়। ওই ৩৩টি হিসাবে জমা-উত্তোলন শেষে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত স্থিতি ৬ কোটি ২৮ লাখ ৪৪ হাজার ৫০১ টাকা এবং ১৮৮ মার্কিন ডলার।

দুদক বলছে, “এসব হিসাবের তথ্যাদি পর্যালোচনায় হিসাব খোলার সময় থেকে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত লেনদেনগুলো অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক মর্মে প্রতীয়মান হয়। বিভিন্ন সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য মতে জানা যায়, আসামিরা তাদের নামীয় ব্যাংক হিসাবসমূহে রক্ষিত অর্থ উত্তোলন করে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। তাছাড়া, ব্যাংক হিসাবগুলো ব্যবহার করে তারা অবৈধভাবে অর্জিত অর্থ পাচার করার সম্ভাবনা রয়েছে।”

‘সুষ্ঠু’ তদন্তের স্বার্থে এসব ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করা ‘প্রয়োজন’ বলে আর্জি জানানো হয় আবেদনে।

সূত্র: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

রোটার‍্যাক্ট ক্লাব অব চিটাগং এলায়েন্স গঠিত: প্রেসিডেন্ট আরফাত,সেক্রেটারি তৌফিক

মহীউদ্দীন খান আলমগীর ও স্ত্রীর ৩৩ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

আপডেট সময় : ০৪:১১:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৫

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর এবং তার স্ত্রী সিতারা আলমগীরের নামে থাকা ৩৩টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার আদেশ দিয়েছে আদালত।

এসব হিসাবে ৬ কোটি ২৮ লাখ ৪৪ হাজার ৫০১ টাকা এবং ১৮৮ মার্কিন ডলার রয়েছে বলে দুদকের ভাষ্য।

দুদকের আবেদনের শুনানি নিয়ে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ মঙ্গলবার এ আদেশ দেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন জানান, দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান মিরাজ এসব ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার আদেশ চেয়ে আবেদন করেন।

আবেদনে বলা হয়, আইএফআইসি ব্যাংক, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ডাচ বাংলা ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, পদ্মা ব্যাংক, যমুনা ব্যংক, মধুমতি ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংকের বিভিন্ন শাখায় মহীউদ্দিন খান আলমগীর এবং সিতারা আলমগীরের ব্যক্তিগত নামে পরিচালিত ৩৩টি হিসাবে ২০০৯ সালের ১৯ জুলাই থেকে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৫১ কোটি ২৮ লাখ ৫১ হাজার ৪২২ টাকা এবং ৬১৮৮ মার্কিন ডলার জমা করা হয়।

ওই সময়ে এসব অ্যাকাউন্ট থেকে বাংলাদেশি ৪৪ কোটি ৯৫ লাখ ৯৪ হাজার ৪২৩ টাকা এবং ৬ হাজার মার্কিন ডলার উত্তোলন করা হয়। ওই ৩৩টি হিসাবে জমা-উত্তোলন শেষে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত স্থিতি ৬ কোটি ২৮ লাখ ৪৪ হাজার ৫০১ টাকা এবং ১৮৮ মার্কিন ডলার।

দুদক বলছে, “এসব হিসাবের তথ্যাদি পর্যালোচনায় হিসাব খোলার সময় থেকে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত লেনদেনগুলো অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক মর্মে প্রতীয়মান হয়। বিভিন্ন সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য মতে জানা যায়, আসামিরা তাদের নামীয় ব্যাংক হিসাবসমূহে রক্ষিত অর্থ উত্তোলন করে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। তাছাড়া, ব্যাংক হিসাবগুলো ব্যবহার করে তারা অবৈধভাবে অর্জিত অর্থ পাচার করার সম্ভাবনা রয়েছে।”

‘সুষ্ঠু’ তদন্তের স্বার্থে এসব ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করা ‘প্রয়োজন’ বলে আর্জি জানানো হয় আবেদনে।

সূত্র: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম