ঢাকা ০৩:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিশু ওয়াহিদ হ-ত্যা: বিক্ষোভে ফুঁসছে চকরিয়া, আসামিদের পক্ষে দাঁড়াবে না আইনজীবীরা কুতুবদিয়ায় পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত মিয়ানমার-ভারত সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেবে বাংলাদেশ: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়াবা পাচারের সময় পুলিশের ধাওয়া খেয়ে ঈদগাঁওয়ের যুবকের মৃত্যু, আহত ১ কুতুবদিয়ায় জামায়াত আমীর আনোয়ারী – ঐক্যবদ্ধভাবে ভূমিকা পালন করতে হবে” চট্টগ্রামে শিশু আয়াত হত্যার রায় : ১ মাসের মধ্যে ফাঁসি কার্যকর চায় পরিবার আপত্তিকর ভিডিও প্রচারের অভিযোগে কক্সবাজার সিটি কলেজের শিক্ষার্থী বহিষ্কার জনগণের টাকা আর পাচার হতে দেব না: প্রধানমন্ত্রী মেসিকে কি লাল কার্ড দেওয়া উচিত ছিল শিশু আয়াত হত্যা মামলার প্রধান আসামি আবিরের মৃত্যুদন্ড সংসদে বাংলা-ইংরেজি মিলিয়ে ভুল ইংরেজিতে নারী এমপির বক্তব্য আলোচিত সেই শিশুধর্ষণ মামলার রায় আজ পেকুয়ায় আগুনে পুড়ে ছাই লবণ শ্রমিকের বসতঘর, ক্ষতি ৫ লাখ টাকার কম্বোডিয়ায় সাইবার প্রতারণার জাল: চার দিনে ফিরলেন ২২১ বাংলাদেশি হ্যাটট্রিক-রেকর্ড- ইতিহাস; আবেগে ভেজা চোখ- স্বপ্নের মত শুরু আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ যাত্রা

বিজিবি দেখে ২৮২ রাউন্ড তাজা গুলি ফেলে পালাল দুষ্কৃতকারীরা

কক্সবাজারের উখিয়া সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বিশেষ অভিযানের সময় বিপুল পরিমাণ তাজা গোলাবারুদ ফেলে পালিয়ে গেছে দুষ্কৃতকারীরা। পরে ঘটনাস্থল থেকে ২৮২ রাউন্ড গুলি ও একটি ধারালো দা উদ্ধার করেছে বিজিবি।

বিজিবি জানায়, শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১১টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উখিয়া উপজেলার পালংখালী সীমান্তের বাহারপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) এর অধীনস্থ পালংখালী বিওপি’র একটি বিশেষ টহলদল সেখানে পৌঁছালে দুষ্কৃতকারীরা বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় ১৫৩ রাউন্ড রাইফেলের গুলি এবং ১২৯ রাউন্ড মেশিনগানের (এমজি) গুলি উদ্ধার করা হয়। সব মিলিয়ে ২৮২ রাউন্ড তাজা গোলাবারুদ ও একটি দেশীয় দা জব্দ করা হয়।

উখিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম জানান, অভিযানের সময় পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের ধরতে বিজিবি সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে চেষ্টা চালালেও কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে তাদের শনাক্ত করতে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

সীমান্ত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মিয়ানমার সীমান্তঘেঁষা উখিয়ার পালংখালী ও আশপাশের এলাকায় মাঝেমধ্যে অস্ত্র ও গোলাবারুদ পাচারের চেষ্টা হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়মিত অভিযান সত্ত্বেও এসব তৎপরতা পুরোপুরি বন্ধ করা এখনও চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে। সর্বশেষ এ অভিযানে বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ উদ্ধারের ঘটনায় সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে গুরুত্ব আরোপের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

বিজিবি কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, সীমান্ত এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, অবৈধ অস্ত্র, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

শিশু ওয়াহিদ হ-ত্যা: বিক্ষোভে ফুঁসছে চকরিয়া, আসামিদের পক্ষে দাঁড়াবে না আইনজীবীরা

বিজিবি দেখে ২৮২ রাউন্ড তাজা গুলি ফেলে পালাল দুষ্কৃতকারীরা

আপডেট সময় : ১০:৩৩:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

কক্সবাজারের উখিয়া সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বিশেষ অভিযানের সময় বিপুল পরিমাণ তাজা গোলাবারুদ ফেলে পালিয়ে গেছে দুষ্কৃতকারীরা। পরে ঘটনাস্থল থেকে ২৮২ রাউন্ড গুলি ও একটি ধারালো দা উদ্ধার করেছে বিজিবি।

বিজিবি জানায়, শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১১টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উখিয়া উপজেলার পালংখালী সীমান্তের বাহারপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) এর অধীনস্থ পালংখালী বিওপি’র একটি বিশেষ টহলদল সেখানে পৌঁছালে দুষ্কৃতকারীরা বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় ১৫৩ রাউন্ড রাইফেলের গুলি এবং ১২৯ রাউন্ড মেশিনগানের (এমজি) গুলি উদ্ধার করা হয়। সব মিলিয়ে ২৮২ রাউন্ড তাজা গোলাবারুদ ও একটি দেশীয় দা জব্দ করা হয়।

উখিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম জানান, অভিযানের সময় পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের ধরতে বিজিবি সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে চেষ্টা চালালেও কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে তাদের শনাক্ত করতে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

সীমান্ত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মিয়ানমার সীমান্তঘেঁষা উখিয়ার পালংখালী ও আশপাশের এলাকায় মাঝেমধ্যে অস্ত্র ও গোলাবারুদ পাচারের চেষ্টা হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়মিত অভিযান সত্ত্বেও এসব তৎপরতা পুরোপুরি বন্ধ করা এখনও চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে। সর্বশেষ এ অভিযানে বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ উদ্ধারের ঘটনায় সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে গুরুত্ব আরোপের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

বিজিবি কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, সীমান্ত এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, অবৈধ অস্ত্র, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।