প্রাপ্ত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, চারটি প্রতিষ্ঠানে মোট ১ হাজার ২৮৭ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে পাস করেছে ১ হাজার ৯০ জন। চার প্রতিষ্ঠানে মোট ২৩৭ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমি থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ৫৬৪ জন। এর মধ্যে পাস করেছে ৪৯৫ জন। পাসের হার ৮৭ দশমিক ৭৭ শতাংশ। এ প্রতিষ্ঠান থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭৭ জন।
কক্সবাজার সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষায় অংশ নেয় ২০৭ জন। পাস করেছে ১৭৭ জন। পাসের হার ৮৫ দশমিক ৫১ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৩ জন।
কক্সবাজার সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২৩৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে পাস করেছে ১৮৪ জন। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ৭৮ দশমিক ৯৭ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৬ জন।
অন্যদিকে কক্সবাজার মডেল হাই স্কুল থেকে পরীক্ষায় অংশ নেয় ২৮৩ জন। এর মধ্যে পাস করেছে ২৩৪ জন। পাসের হার ৮২ দশমিক ৬৯ শতাংশ। এ প্রতিষ্ঠান থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫১ জন।
ফলাফল অনুযায়ী, পাসের হারে চার প্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্রথম বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমি, দ্বিতীয় কক্সবাজার সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় এবং তৃতীয় কক্সবাজার মডেল হাই স্কুল। জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যাতেও বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমি শীর্ষে রয়েছে। তবে তুলনামূলক কম সংখ্যক পরীক্ষার্থী অংশ নিলেও ৬৬ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়ে ভালো ফল করেছে কক্সবাজার সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়।
সায়ন্তন ভট্টাচার্য: 




















