ঢাকা ০২:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রোহিঙ্গাদের দেশে ফেরানোর ক্ষেত্রে নিরাপত্তার বিষয়টা মাথায় রাখতে হবে: আইনমন্ত্রী মহেশখালীর কুতুবজোম ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থিতা ঘোষণা করলেন অ্যাডভোকেট রহিম উল্লাহ বিচার বিভাগকে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করেছে বুদ্ধিবৃত্তিক দুর্নীতি: আইনমন্ত্রী বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির আভাস ২০২৭ সালে চুক্তিবদ্ধ এলএনজি কার্গোর ৬৫ শতাংশ সরবরাহ করবে কাতারএনার্জি সৌদিতে হতে পারে সবার দাফন : জেদ্দায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের বাড়ি চকরিয়ায় নয়, উখিয়া ও টেকনাফে অ্যাডভোকেট এ. কে. আহমদ হোসাইনের ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ খরুলিয়ায় ডাম্পারের ধাক্কায় প্রাণ গেলো পথচারীর টেকনাফে অস্ত্রের মুখে ১১ বছরের মাদ্রাসাছাত্রকে অপহরণ, সন্তানকে ফিরে পেতে মায়ের আহাজারি হলদিয়ার সেই মিজান এবার ‘ওয়ার্ড প্রশাসক’ হতে লাখ টাকার মিশনে : অভিযোগ অস্বীকার মিজানের কক্সবাজারে বেঙ্গল ইসলামি লাইফ ইন্স্যুরেন্সের বার্ষিক সম্মেলন তরুণদের নেতৃত্বে টেকনাফে অনুষ্ঠিত হলো শান্তি ও সম্প্রীতি মেলা ২০২৬ ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর : জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য কলাতলীর মেম্বার ঘাটা থেকে রাসেলের মরদেহ উদ্ধার ৪৫ বছর পর চকরিয়ায় মা-বাবার খোঁজে নেদারল্যান্ডসের সেলিনা

সাবরাং থেকে মিঠাছড়ির ৫ অপহৃত উদ্ধার : গ্রেপ্তার ১

কক্সবাজারের টেকনাফে ঘোরাঘুরির কথা বলে ডেকে নিয়ে পাঁচ যুবককে অপহরণ ও পাচারের চেষ্টার অভিযোগে মো. আনাস ওরফে মুন্না নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-১৫ (এসআরবি)। একই সঙ্গে অপহৃত পাঁচজনকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) ভোরে টেকনাফের সাবরাং জিরো পয়েন্ট মেরিন ড্রাইভ সড়কসংলগ্ন খনকারপাড়া ঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের উদ্ধার করা হয়।

এসআরবি-১৫-এর সিপিসি-১ টেকনাফ ক্যাম্পের একটি দল তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে।

এসআরবি সূত্রে জানা গেছে, গত ১১ সেপ্টেম্বর বিকেলে কক্সবাজারের রামু উপজেলার মিঠাছড়ি এলাকার পাঁচ যুবককে টেকনাফের সাবরাং জিরো পয়েন্ট সমুদ্র সৈকতসহ বিভিন্ন এলাকা ঘোরানোর কথা বলে সিএনজি অটোরিকশায় তুলে নেওয়া হয়। পরে রাতে টেকনাফে মুন্নার বাড়িতে থাকার কথা বলে তাদের অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে যাওয়ার পর তাদের চোখ গামছা দিয়ে বেঁধে অজ্ঞাত একটি স্থানে নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

ভুক্তভোগীদের পরিবারের অভিযোগ, অপহরণের পর তাদের শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয় এবং পরিবারের সদস্যদের কাছে মুক্তিপণ দাবি করা হয়। একই সঙ্গে নৌপথে তাদের ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ায় পাচারের পরিকল্পনা করা হয়েছিল বলেও জানায়।

ঘটনার পর ভুক্তভোগীদের পরিবারের পক্ষ থেকে গত ১৬ সেপ্টেম্বর এসআরবি ১৫-এর কাছে লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়। অভিযোগ পাওয়ার পর তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে তাদের অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা শুরু করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার ভোরে সাবরাং জিরো পয়েন্ট মেরিন ড্রাইভ সড়কের খনকারপাড়া ঘাট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের একপর্যায়ে অপহৃত পাঁচজনকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এ সময় পাচারকারী চক্রের সদস্য মো. আনাস ওরফে মুন্নাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি টেকনাফ সদর ইউনিয়নের ছোট হাবিব পাড়া এলাকার আবদুর রহিমের ছেলে।

উদ্ধার হওয়া পাঁচজন হলেন, কক্সবাজারের রামু উপজেলার মিঠাছড়ি এলাকার আল আমিন কাউসার (১৮), মো. রাশেদ (২০), সাকিবুল হাসান সাকিব (১৮), মো. সাইফুল ইসলাম (১৬) ও মো. আব্দুল্লাহ (১৬)।

এসআরবি জানিয়েছে, অভিযান চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে চক্রের অন্য সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে উদ্ধার হওয়া পাঁচ জনের প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। অভিযান শেষে গ্রেপ্তার মো. আনাস ওরফে মুন্না এবং উদ্ধার হওয়া পাঁচ ভুক্তভোগীকে টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, এ ঘটনায় জড়িত চক্রের পলাতক ও অজ্ঞাতনামা সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তদন্তের মাধ্যমে অপহরণ ও মানবপাচারের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি ঘটনার বিস্তারিত কারণ ও সংশ্লিষ্টতার বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে
স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-১৫ (এসআরবি) এর সহকারী পুলিশ সুপার পরিচালক (ল’ এন্ড মিডিয়ার) আ. ম. ফারুক জানান ।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

রোহিঙ্গাদের দেশে ফেরানোর ক্ষেত্রে নিরাপত্তার বিষয়টা মাথায় রাখতে হবে: আইনমন্ত্রী

সাবরাং থেকে মিঠাছড়ির ৫ অপহৃত উদ্ধার : গ্রেপ্তার ১

আপডেট সময় : ১০:২৭:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কক্সবাজারের টেকনাফে ঘোরাঘুরির কথা বলে ডেকে নিয়ে পাঁচ যুবককে অপহরণ ও পাচারের চেষ্টার অভিযোগে মো. আনাস ওরফে মুন্না নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-১৫ (এসআরবি)। একই সঙ্গে অপহৃত পাঁচজনকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) ভোরে টেকনাফের সাবরাং জিরো পয়েন্ট মেরিন ড্রাইভ সড়কসংলগ্ন খনকারপাড়া ঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের উদ্ধার করা হয়।

এসআরবি-১৫-এর সিপিসি-১ টেকনাফ ক্যাম্পের একটি দল তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে।

এসআরবি সূত্রে জানা গেছে, গত ১১ সেপ্টেম্বর বিকেলে কক্সবাজারের রামু উপজেলার মিঠাছড়ি এলাকার পাঁচ যুবককে টেকনাফের সাবরাং জিরো পয়েন্ট সমুদ্র সৈকতসহ বিভিন্ন এলাকা ঘোরানোর কথা বলে সিএনজি অটোরিকশায় তুলে নেওয়া হয়। পরে রাতে টেকনাফে মুন্নার বাড়িতে থাকার কথা বলে তাদের অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে যাওয়ার পর তাদের চোখ গামছা দিয়ে বেঁধে অজ্ঞাত একটি স্থানে নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

ভুক্তভোগীদের পরিবারের অভিযোগ, অপহরণের পর তাদের শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয় এবং পরিবারের সদস্যদের কাছে মুক্তিপণ দাবি করা হয়। একই সঙ্গে নৌপথে তাদের ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ায় পাচারের পরিকল্পনা করা হয়েছিল বলেও জানায়।

ঘটনার পর ভুক্তভোগীদের পরিবারের পক্ষ থেকে গত ১৬ সেপ্টেম্বর এসআরবি ১৫-এর কাছে লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়। অভিযোগ পাওয়ার পর তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে তাদের অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা শুরু করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার ভোরে সাবরাং জিরো পয়েন্ট মেরিন ড্রাইভ সড়কের খনকারপাড়া ঘাট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের একপর্যায়ে অপহৃত পাঁচজনকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এ সময় পাচারকারী চক্রের সদস্য মো. আনাস ওরফে মুন্নাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি টেকনাফ সদর ইউনিয়নের ছোট হাবিব পাড়া এলাকার আবদুর রহিমের ছেলে।

উদ্ধার হওয়া পাঁচজন হলেন, কক্সবাজারের রামু উপজেলার মিঠাছড়ি এলাকার আল আমিন কাউসার (১৮), মো. রাশেদ (২০), সাকিবুল হাসান সাকিব (১৮), মো. সাইফুল ইসলাম (১৬) ও মো. আব্দুল্লাহ (১৬)।

এসআরবি জানিয়েছে, অভিযান চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে চক্রের অন্য সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে উদ্ধার হওয়া পাঁচ জনের প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। অভিযান শেষে গ্রেপ্তার মো. আনাস ওরফে মুন্না এবং উদ্ধার হওয়া পাঁচ ভুক্তভোগীকে টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, এ ঘটনায় জড়িত চক্রের পলাতক ও অজ্ঞাতনামা সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তদন্তের মাধ্যমে অপহরণ ও মানবপাচারের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি ঘটনার বিস্তারিত কারণ ও সংশ্লিষ্টতার বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে
স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-১৫ (এসআরবি) এর সহকারী পুলিশ সুপার পরিচালক (ল’ এন্ড মিডিয়ার) আ. ম. ফারুক জানান ।