ঢাকা ১০:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টেকপাড়ায় বাসায় ঢুকে ছুরিকাঘাত, হাসপাতালে প্রাণ গেল নারীর : আটক ৩ বরফ গলেছে টিটিএনের টকশোতে: কর্মসূচী প্রত্যাহার ব্রাজিল সমর্থকদের,আর্জেন্টাইন সমর্থকদের কৃতজ্ঞতা ‎কুতুবদিয়ায় বাপার উদ্যোগে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ, কুইজ প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সীমান্তের ৩ শতাধিক রোগীর ফ্রী সেবায় নাইক্ষ্যংছড়িস্থ ১১ বিজিবি মাতামুহুরীতে ডাকাতির সময় মা-মেয়েকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, আটক ৬ কক্সবাজারে প্রধানমন্ত্রীর দিনব্যাপী সফরের চুড়ান্ত সূচী নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে আবারও প্রাণহানি : মারা গেল রোহিঙ্গা যুবক ৫ দিন আগে খুঁড়েছিলেন কবর / ঘুমে প্রাণ গেল তরুণ স্বেচ্ছাসেবকের, শোকে কাতর এলাকাবাসী বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ১৩১ তম জুনিয়র কমান্ড ও স্টাফ কোর্সের সনদপত্র বিতরণ ডেঙ্গুতে প্রাণ গেলো টেকনাফের স্কুল শিক্ষকের প্রধানমন্ত্রীর জনসভাস্থলের সার্বিক প্রস্তুতি পরিদর্শন করেছেন সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল পেশকারপাড়ার রাস্তায় পড়ে থাকা বিচ্ছিন্ন মানব পা কার? ‎ বিশ্বকাপে পেনাল্টিতে সর্বোচ্চ গোলদাতা লিওনেল মেসি টেকনাফে চাঁদা দাবির অভিযোগে ১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা টেকনাফে অপহৃত ৫ কিশোর উদ্ধার

পেকুয়ায় টেকসই বেড়িবাঁধের দাবিতে মানববন্ধন

কক্সবাজারের পেকুয়ার রাজাখালীতে স্থায়ী বেড়িবাঁধের দাবীতে মানববন্ধন করেছে উপকূলীয় সাহিত্য ফোরাম।

মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) বিকেল ৫ টায় রাজাখালী ইউনিয়নের বকশিয়া ঘোনা এলাকায় অরক্ষিত বেড়িবাঁধ সংলগ্ন এলাকায় এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

উপকূলীয় সাহিত্য ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জাহেদুল আলম রিফাতের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে ২৯ এপ্রিল প্রলয়ঙ্কারী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে নিহতদের স্মরণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক আবু জাফর এমএ, সদস্য সচিব আবুল বশর বাবু, রাজাখালী এয়ার আলী খাঁন আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জাহেদ উল্লাহ, বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর আলম, সিপিপির ইউনিয়ন টিম লিডার আহমদ কবির আজাদ, রাজাখালী ইউনিয়ন কৃষক দলের সভাপতি এস.এম. আমিন উল্লাহ, রাজাখালী এয়ার আলী খাঁন আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হারুন অর রশিদ, রাজাখালী উম্মুক্ত পাঠাগারের প্রতিনিধি মোস্তাক আহমেদ, আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি পাঠাগারের সদস্য সাইদুল ইসলাম রোমানসহ অনেকে। এ সময় বক্তারা অবিলম্বে রাজাখালীর বিস্তীর্ণ বেড়িবাঁধের বিধ্বস্ত অংশ দ্রুত সংষ্কার ও টেকসই বেড়িবাঁধ রক্ষার দাবী তুলে ধরেন।

তথ্যসূত্রে জানা যায়, ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিলের মধ্যরাতে কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, বরিশাল, পটুয়াখালী ও রবগুনাসহ দেশের উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে ১২ থেকে ২০ ফুট উচ্চতায় জলোচ্ছ্বাস আঘাত হানে। এতে উপকূলীয় ১৯ জেলার ১০২ থানা ও ৯টি পৌরসভায় সরকারি হিসাব মতে নিহত হয়েছিল ১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৮২ জন লোক। নিখোঁজ ছিল ১২ হাজার ১২৫ জন। আহত হয়েছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৫৪ জন। গৃহহারা হয়েছিল প্রায় ২০ লাখ মানুষ। তবে বেসরকারি হিসেবে এই সংখ্যা দ্বিগুণ। ঘরবাড়ি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়ে কয়েক হাজার পরিবার। সেই কালরাত্রির নানা ঘটনা এখনো উপকূলীয় এলাকার লোকের মুখে মুখে ফেরে। কিন্তু এতো প্রাণ-সম্পদহানির ৩৪ বছর পরও মানুষের সুরক্ষায় গড়ে উঠেনি টেকসই বেড়িবাঁধ। উপকূলে এখন প্রতিনিয়ত জোয়ার-ভাটা। স্বজন হারানোর চোখেও কেবল বিভীষিকা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

টেকপাড়ায় বাসায় ঢুকে ছুরিকাঘাত, হাসপাতালে প্রাণ গেল নারীর : আটক ৩

পেকুয়ায় টেকসই বেড়িবাঁধের দাবিতে মানববন্ধন

আপডেট সময় : ১০:২১:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৫

কক্সবাজারের পেকুয়ার রাজাখালীতে স্থায়ী বেড়িবাঁধের দাবীতে মানববন্ধন করেছে উপকূলীয় সাহিত্য ফোরাম।

মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) বিকেল ৫ টায় রাজাখালী ইউনিয়নের বকশিয়া ঘোনা এলাকায় অরক্ষিত বেড়িবাঁধ সংলগ্ন এলাকায় এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

উপকূলীয় সাহিত্য ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জাহেদুল আলম রিফাতের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে ২৯ এপ্রিল প্রলয়ঙ্কারী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে নিহতদের স্মরণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক আবু জাফর এমএ, সদস্য সচিব আবুল বশর বাবু, রাজাখালী এয়ার আলী খাঁন আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জাহেদ উল্লাহ, বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর আলম, সিপিপির ইউনিয়ন টিম লিডার আহমদ কবির আজাদ, রাজাখালী ইউনিয়ন কৃষক দলের সভাপতি এস.এম. আমিন উল্লাহ, রাজাখালী এয়ার আলী খাঁন আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হারুন অর রশিদ, রাজাখালী উম্মুক্ত পাঠাগারের প্রতিনিধি মোস্তাক আহমেদ, আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি পাঠাগারের সদস্য সাইদুল ইসলাম রোমানসহ অনেকে। এ সময় বক্তারা অবিলম্বে রাজাখালীর বিস্তীর্ণ বেড়িবাঁধের বিধ্বস্ত অংশ দ্রুত সংষ্কার ও টেকসই বেড়িবাঁধ রক্ষার দাবী তুলে ধরেন।

তথ্যসূত্রে জানা যায়, ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিলের মধ্যরাতে কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, বরিশাল, পটুয়াখালী ও রবগুনাসহ দেশের উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে ১২ থেকে ২০ ফুট উচ্চতায় জলোচ্ছ্বাস আঘাত হানে। এতে উপকূলীয় ১৯ জেলার ১০২ থানা ও ৯টি পৌরসভায় সরকারি হিসাব মতে নিহত হয়েছিল ১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৮২ জন লোক। নিখোঁজ ছিল ১২ হাজার ১২৫ জন। আহত হয়েছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৫৪ জন। গৃহহারা হয়েছিল প্রায় ২০ লাখ মানুষ। তবে বেসরকারি হিসেবে এই সংখ্যা দ্বিগুণ। ঘরবাড়ি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়ে কয়েক হাজার পরিবার। সেই কালরাত্রির নানা ঘটনা এখনো উপকূলীয় এলাকার লোকের মুখে মুখে ফেরে। কিন্তু এতো প্রাণ-সম্পদহানির ৩৪ বছর পরও মানুষের সুরক্ষায় গড়ে উঠেনি টেকসই বেড়িবাঁধ। উপকূলে এখন প্রতিনিয়ত জোয়ার-ভাটা। স্বজন হারানোর চোখেও কেবল বিভীষিকা।