ঢাকা ০৯:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গভীর রাতে বাড়িতে ঢুকে রোহিঙ্গা নারীকে ছুরিকাঘাত করলো আরসা সদস্যরা, নিয়ে গেছে টাকা ও স্বর্ণ চৌফলদন্ডী ইউনিয়নকে সিটি কর্পোরেশনে অন্তর্ভুক্তির দাবিতে জেলা প্রশাসককে স্মারকলিপি ২০২৭ সালেও দুই পর্বে বিশ্ব ইজতেমা, তারিখ ঘোষণা করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রথমবারের মতো মির্জা আব্বাস ২০২৫ সালের তুলনায় দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এনআইডিসহ সকল পরিচয়পত্রের পরিবর্তে আসছে ‘এক-আইডি’ বন্ধুর সাথে ঘুরতে বেরিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল তরুণী সানুচিং তঞ্চঙ্গ্যার ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি আসেনি এক ঘন্টায়ও! মারাত্মক এক অগ্নিকাণ্ড থেকে রক্ষা পেল বার্মিজ মার্কেট! দেশকে অস্থিতিশীল করতে গুজব ছড়ানো হচ্ছে, সতর্ক থাকুন: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ পলাতক ৩০ আসামিকে আত্মসমর্পণে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরু নয়, সবাইকে বাংলাদেশি ভাবার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ১৯তম কারামুক্তি দিবস আজ মাছ ধরার ট্রলারডুবি: ২ জেলের মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ ২ কক্সবাজার সরকারি কলেজ অ্যাকাউন্টিং ক্লাবের কমিটি : সভাপতি মুন্না, সম্পাদক রেজাউল সুমাইয়ার মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেফতার আরিফ-সোহেল কে কারাগারে প্রেরণ

পিলখানা ট্র্যাজেডির ১৭ বছর, জাতীয় শহীদ সেনা দিবস আজ

  • টিটিএন ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ১১:৩৫:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 121

পিলখানা ট্র্যাজেডির ১৭ বছর আজ। ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি বিডিআরের (বর্তমানে বিজিবি) ঢাকার পিলখানা সদর দপ্তরে বিদ্রোহের নামে তৎকালীন বিডিআর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদসহ ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ নিহত হন।

গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গতবছর বাংলাদেশের ইতিহাসে বিভীষিকাময় ও শোকাবহ এ দিনটি জাতীয় শহীদ সেনা দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত হয়।

২০০৯ সালে পিলখানায় সেনা কর্মকর্তাদের নৃশংসভাবে হত্যা করে লাশ গুম এবং পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা করা হয়। তাদের পরিবারের সদস্যদের ওপরও নির্যাতন চালানো হয়। দেশের প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা ওই নৃশংস ঘটনাকে দেশের সার্বভৌমত্বের ওপর প্রথম বড় ধরনের আঘাত হিসেবেই মূল্যায়ন করে থাকেন।

এ ভয়াবহ ঘটনায় সার্বভৌমত্ব রক্ষায় শপথ গ্রহণকারী দেশের সুরক্ষা কবচ বাংলাদেশ সেনাবাহিনী হারায় তার মেধাবী ও দেশপ্রেমিক কর্মকর্তাদের, যা সমগ্র সশস্ত্র বাহিনীর মনোবলে বিরূপ প্রভাব ফেলে। এ দিনটি শুধু বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর জন্য নয়, পুরো জাতির জন্যই শোকাবহ ও হৃদয়বিদারক।

দিবসটি উপলক্ষ্যে দেওয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘২৫ ফেব্রুয়ারি, জাতীয় শহীদ সেনা দিবস। ২০০৯ সালের এই দিনে বিডিআর সদর দপ্তর পিলখানায় সেনা হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত হয়েছিল। হত্যাযজ্ঞে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন শহীদ হয়েছিল। ২০০৯ সালের পর দিনটি যথাযোগ্য গুরুত্ব সহকারে পালন করা হয়নি। ২০২৪ সালে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হওয়ার পর থেকে দিনটি ‘শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে। আজকের এই বিশেষ দিনে আমরা সেনা হত্যাযজ্ঞে শহীদদের মাগফিরাত কামনা করছি। তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সহানুভূতি ও সহমর্মিতা প্রকাশ করছি।’

পিলখানায় সংঘটিত সেনা হত্যাকাণ্ডের বিচার চলমান। বিচারাধীন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলার অবকাশ নেই। তবে এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিরোধী তৎপরতা বিদ্যমান ছিল, নাগরিক হিসেবে এই বিষয়টি আমাদের উপলব্ধিতে থাকা জরুরি বলে আমি মনে করি। এই হত্যাকাণ্ডের পর নানা রকম মিথ্যা কিংবা অপতথ্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা হয়েছিল।’

সশস্ত্র বাহিনী একটি স্বাধীন দেশের সম্মান, বীরত্ব এবং গৌরবের প্রতীক। ভবিষ্যতে আর কেউ যাতে সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হতে না পারে, আজ পুনরায় সেই শপথে বলীয়ান হতে হবে।’

সূত্র: ঢাকা পোস্ট

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

গভীর রাতে বাড়িতে ঢুকে রোহিঙ্গা নারীকে ছুরিকাঘাত করলো আরসা সদস্যরা, নিয়ে গেছে টাকা ও স্বর্ণ

পিলখানা ট্র্যাজেডির ১৭ বছর, জাতীয় শহীদ সেনা দিবস আজ

আপডেট সময় : ১১:৩৫:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পিলখানা ট্র্যাজেডির ১৭ বছর আজ। ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি বিডিআরের (বর্তমানে বিজিবি) ঢাকার পিলখানা সদর দপ্তরে বিদ্রোহের নামে তৎকালীন বিডিআর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদসহ ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ নিহত হন।

গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গতবছর বাংলাদেশের ইতিহাসে বিভীষিকাময় ও শোকাবহ এ দিনটি জাতীয় শহীদ সেনা দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত হয়।

২০০৯ সালে পিলখানায় সেনা কর্মকর্তাদের নৃশংসভাবে হত্যা করে লাশ গুম এবং পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা করা হয়। তাদের পরিবারের সদস্যদের ওপরও নির্যাতন চালানো হয়। দেশের প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা ওই নৃশংস ঘটনাকে দেশের সার্বভৌমত্বের ওপর প্রথম বড় ধরনের আঘাত হিসেবেই মূল্যায়ন করে থাকেন।

এ ভয়াবহ ঘটনায় সার্বভৌমত্ব রক্ষায় শপথ গ্রহণকারী দেশের সুরক্ষা কবচ বাংলাদেশ সেনাবাহিনী হারায় তার মেধাবী ও দেশপ্রেমিক কর্মকর্তাদের, যা সমগ্র সশস্ত্র বাহিনীর মনোবলে বিরূপ প্রভাব ফেলে। এ দিনটি শুধু বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর জন্য নয়, পুরো জাতির জন্যই শোকাবহ ও হৃদয়বিদারক।

দিবসটি উপলক্ষ্যে দেওয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘২৫ ফেব্রুয়ারি, জাতীয় শহীদ সেনা দিবস। ২০০৯ সালের এই দিনে বিডিআর সদর দপ্তর পিলখানায় সেনা হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত হয়েছিল। হত্যাযজ্ঞে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন শহীদ হয়েছিল। ২০০৯ সালের পর দিনটি যথাযোগ্য গুরুত্ব সহকারে পালন করা হয়নি। ২০২৪ সালে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হওয়ার পর থেকে দিনটি ‘শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে। আজকের এই বিশেষ দিনে আমরা সেনা হত্যাযজ্ঞে শহীদদের মাগফিরাত কামনা করছি। তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সহানুভূতি ও সহমর্মিতা প্রকাশ করছি।’

পিলখানায় সংঘটিত সেনা হত্যাকাণ্ডের বিচার চলমান। বিচারাধীন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলার অবকাশ নেই। তবে এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিরোধী তৎপরতা বিদ্যমান ছিল, নাগরিক হিসেবে এই বিষয়টি আমাদের উপলব্ধিতে থাকা জরুরি বলে আমি মনে করি। এই হত্যাকাণ্ডের পর নানা রকম মিথ্যা কিংবা অপতথ্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা হয়েছিল।’

সশস্ত্র বাহিনী একটি স্বাধীন দেশের সম্মান, বীরত্ব এবং গৌরবের প্রতীক। ভবিষ্যতে আর কেউ যাতে সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হতে না পারে, আজ পুনরায় সেই শপথে বলীয়ান হতে হবে।’

সূত্র: ঢাকা পোস্ট