ঢাকা ০১:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম কক্সবাজার জেলার আহবায়ক কমিটি: স্বপন আহবায়ক, বাবু সদস্য সচিব ৩২ ডিসিকে বাধ্যতামূলক অবসর হাইকোর্টের আদেশ: পুটিবিলা ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার আগের সভাপতি বহাল প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা চট্টগ্রাম রেঞ্জে সর্বোচ্চ মাদক উদ্ধার ও সাহসিকতার জন্য সম্মাননা পেলেন সদর থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী স্বপ্নের পথে, বিজয়ের সাথে’— ‘ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’ মাতারবাড়ি থেকে অনলাইন জুয়ার দুই এজেন্ট কে আটক করেছে পুলিশ ৩ টি পুলিশ ফাঁড়ি হবে টেকনাফের বাহারছড়ায় : প্রস্তাবিত কচ্ছপিয়ায় পুলিশ ফাঁড়ির জমি নির্ধারন কলাতলীতে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার পারিবারিক মামলার শুনানি শেষে ফেরার পথে প্রাণ গেল আপন দুই বোনসহ ৩ জনের উখিয়ায় ৫০ হাজার ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, সিএনজি জব্দ মাদক মামলায় ৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি কাশেম গ্রেপ্তার সমিতি পাড়ার সুকান্ত হত্যা মামলার আসামি বাপ্পি গ্রেপ্তার সাতক্ষীরার সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম ডিবির হাতে গ্রেফতার অবৈধ পানের বরজ উচ্ছেদে গিয়ে হামলার শিকার বনকর্মীরা, রেঞ্জ কর্মকর্তাসহ আহত ৫

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে বহিষ্কৃত নেতার অপপ্রচারে কক্সবাজার যুবদলের ব্যাখ্যা

সম্প্রতি পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পসংলগ্ন এলাকায় বসানো অস্থায়ী গরুর বাজারকে কেন্দ্র করে কিছু সংবাদমাধ্যমে “চাঁদাবাজির প্রতিবাদ করে পদ হারালেন যুবদল নেতা” শিরোনামে যে বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা চালানো হচ্ছে, তার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কক্সবাজার জেলা শাখার সহ-দপ্তর সম্পাদক রফিকুল ইসলাম মিয়াজীর স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এই প্রতিবাদ ও ব্যাখা জানানো হয়৷ এতে কক্সবাজার জেলা যুবদলের সভাপতি অ্যাডভোকেট ছৈয়দ মোহাম্মদ উজ্জ্বল ও সাধারণ সম্পাদক জিসান উদ্দিন জিসানও এর প্রতিবাদ জানান৷

প্রকৃতপক্ষে, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সম্মুখে দুটি পৃথক গরুর বাজার বসানো হয়। একটি কক্সবাজার জেলার উখিয়া উপজেলার অংশে এবং অপরটি বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার অংশে। নাইক্ষ্যংছড়ি অংশের গরুর বাজারটি পরিচালনা করেন স্থানীয় ঘুমধুম ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি। তার সঙ্গে ছিলেন উখিয়া পালংখালী ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমানে বহিষ্কৃত নেতা ওসমান সরওয়ার। অপর বাজারটি পরিচালনা করেন ওসমান সরওয়ারের আপন ভাই আনোয়ার, যিনি যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত।

দুটি বাজার মুখোমুখি হওয়ায় সেখানে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে স্থানীয় যুবদলের নেতাকর্মীরা বিষয়টি উখিয়া উপজেলা যুবদলের দায়িত্বশীলদের অবহিত করেন। দায়িত্বশীল নেতা সঙ্গে সঙ্গে উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জকে বিষয়টি জানানো হলে থানা পুলিশের একটি টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সেখানে অফিসার ইনচার্জের রিকুয়েষ্ট উপজেলা যুবদলের দায়িত্বশীলরাও উপস্থিত হয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করেন৷

কিন্তু দুঃখজনকভাবে, বহিষ্কৃত নেতা ওসমান সরওয়ার প্রকাশ্যে মাইকে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা ও ভিত্তিহীনভাবে প্রচার করতে থাকেন যে, উপজেলা যুবদলের নেতাকর্মীরা চাঁদাবাজি করতে সেখানে এসেছেন। তার এ ধরনের উসকানিমূলক বক্তব্য পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তোলে। পরবর্তীতে পুলিশ ও স্থানীয় সচেতন ব্যক্তিদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। পরে সংগঠনের শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে ওসমান সরওয়ারকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।

জেলা যুবদল স্পষ্টভাবে বলতে চায় কোনো ধরনের চাঁদাবাজি কিংবা অবৈধ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে উখিয়া উপজেলা যুবদলের দায়িত্বশীল ও নেতাকর্মীরা সম্পৃক্ততার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। বরং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রশাসনকে অবহিত করা এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে তারা দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেছেন।

আমরা সংবাদকর্মীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানাই, বিভ্রান্তিকর প্রচারণা ও অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়ে প্রকৃত ঘটনা যাচাই করার জন্য। একই সঙ্গে দলের ঊর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দের প্রতি যেকোনো অভিযোগের সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানাচ্ছি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম কক্সবাজার জেলার আহবায়ক কমিটি: স্বপন আহবায়ক, বাবু সদস্য সচিব

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে বহিষ্কৃত নেতার অপপ্রচারে কক্সবাজার যুবদলের ব্যাখ্যা

আপডেট সময় : ১১:০৩:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

সম্প্রতি পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পসংলগ্ন এলাকায় বসানো অস্থায়ী গরুর বাজারকে কেন্দ্র করে কিছু সংবাদমাধ্যমে “চাঁদাবাজির প্রতিবাদ করে পদ হারালেন যুবদল নেতা” শিরোনামে যে বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা চালানো হচ্ছে, তার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কক্সবাজার জেলা শাখার সহ-দপ্তর সম্পাদক রফিকুল ইসলাম মিয়াজীর স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এই প্রতিবাদ ও ব্যাখা জানানো হয়৷ এতে কক্সবাজার জেলা যুবদলের সভাপতি অ্যাডভোকেট ছৈয়দ মোহাম্মদ উজ্জ্বল ও সাধারণ সম্পাদক জিসান উদ্দিন জিসানও এর প্রতিবাদ জানান৷

প্রকৃতপক্ষে, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সম্মুখে দুটি পৃথক গরুর বাজার বসানো হয়। একটি কক্সবাজার জেলার উখিয়া উপজেলার অংশে এবং অপরটি বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার অংশে। নাইক্ষ্যংছড়ি অংশের গরুর বাজারটি পরিচালনা করেন স্থানীয় ঘুমধুম ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি। তার সঙ্গে ছিলেন উখিয়া পালংখালী ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমানে বহিষ্কৃত নেতা ওসমান সরওয়ার। অপর বাজারটি পরিচালনা করেন ওসমান সরওয়ারের আপন ভাই আনোয়ার, যিনি যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত।

দুটি বাজার মুখোমুখি হওয়ায় সেখানে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে স্থানীয় যুবদলের নেতাকর্মীরা বিষয়টি উখিয়া উপজেলা যুবদলের দায়িত্বশীলদের অবহিত করেন। দায়িত্বশীল নেতা সঙ্গে সঙ্গে উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জকে বিষয়টি জানানো হলে থানা পুলিশের একটি টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সেখানে অফিসার ইনচার্জের রিকুয়েষ্ট উপজেলা যুবদলের দায়িত্বশীলরাও উপস্থিত হয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করেন৷

কিন্তু দুঃখজনকভাবে, বহিষ্কৃত নেতা ওসমান সরওয়ার প্রকাশ্যে মাইকে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা ও ভিত্তিহীনভাবে প্রচার করতে থাকেন যে, উপজেলা যুবদলের নেতাকর্মীরা চাঁদাবাজি করতে সেখানে এসেছেন। তার এ ধরনের উসকানিমূলক বক্তব্য পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তোলে। পরবর্তীতে পুলিশ ও স্থানীয় সচেতন ব্যক্তিদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। পরে সংগঠনের শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে ওসমান সরওয়ারকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।

জেলা যুবদল স্পষ্টভাবে বলতে চায় কোনো ধরনের চাঁদাবাজি কিংবা অবৈধ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে উখিয়া উপজেলা যুবদলের দায়িত্বশীল ও নেতাকর্মীরা সম্পৃক্ততার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। বরং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রশাসনকে অবহিত করা এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে তারা দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেছেন।

আমরা সংবাদকর্মীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানাই, বিভ্রান্তিকর প্রচারণা ও অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়ে প্রকৃত ঘটনা যাচাই করার জন্য। একই সঙ্গে দলের ঊর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দের প্রতি যেকোনো অভিযোগের সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানাচ্ছি।