ঢাকা ০২:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘সৌরবিদ্যুতে চার্জ না দিলে মিলবে না ব্যাটারিচালিত রিকশার নিবন্ধন’ তারেক রহমানের ভারত সফর দ্রুত হওয়া উচিত : দীনেশ ত্রিবেদী শেখ হাসিনা কোন স্ট্যাটাসে ভারতে, জানে না বাংলাদেশ: চিফ প্রসিকিউটর বঙ্গোপসাগরে ফের নিম্নচাপ, ৪ বিভাগে ভারি বর্ষণের আভাস ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে চালু হচ্ছে ৭ শতাধিক এআই ক্যামেরা হ্নীলার নুরুল হুদা মেম্বারের সাড়ে তিন বছর কারাদণ্ড : ৫ কোটি ৩৬ লাখ ৮২ হাজার টাকার অর্থদণ্ড শহরে বন্দুকসহ গ্রেফতার ২ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে স্ত্রী ও সন্তানকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত স্বামী ঢাকায় গ্রেফতার নতুন বাহারছড়ার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ইস্কান্দার মির্জা আর নেই শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানো হবে কি না, ঠিক করবে ভারতের আদালত: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস ব্লু ইকোনমির রাজধানী হবে কক্সবাজার – এমপি লুৎফুর রহমান কাজল পেকুয়ায় অগ্নিকাণ্ডে ৪টি গরু ও বসতঘর পুড়ে ছাই অনুকূল পরিবেশ তৈরি না হলে ভারত যাবেন না প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎবিহীন উখিয়া-টেকনাফ, স্বাভাবিক হতে লাগবে ৭ ঘন্টা রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী অলি আহমদের মনোনয়নপত্র বৈধ

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে বহিষ্কৃত নেতার অপপ্রচারে কক্সবাজার যুবদলের ব্যাখ্যা

সম্প্রতি পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পসংলগ্ন এলাকায় বসানো অস্থায়ী গরুর বাজারকে কেন্দ্র করে কিছু সংবাদমাধ্যমে “চাঁদাবাজির প্রতিবাদ করে পদ হারালেন যুবদল নেতা” শিরোনামে যে বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা চালানো হচ্ছে, তার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কক্সবাজার জেলা শাখার সহ-দপ্তর সম্পাদক রফিকুল ইসলাম মিয়াজীর স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এই প্রতিবাদ ও ব্যাখা জানানো হয়৷ এতে কক্সবাজার জেলা যুবদলের সভাপতি অ্যাডভোকেট ছৈয়দ মোহাম্মদ উজ্জ্বল ও সাধারণ সম্পাদক জিসান উদ্দিন জিসানও এর প্রতিবাদ জানান৷

প্রকৃতপক্ষে, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সম্মুখে দুটি পৃথক গরুর বাজার বসানো হয়। একটি কক্সবাজার জেলার উখিয়া উপজেলার অংশে এবং অপরটি বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার অংশে। নাইক্ষ্যংছড়ি অংশের গরুর বাজারটি পরিচালনা করেন স্থানীয় ঘুমধুম ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি। তার সঙ্গে ছিলেন উখিয়া পালংখালী ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমানে বহিষ্কৃত নেতা ওসমান সরওয়ার। অপর বাজারটি পরিচালনা করেন ওসমান সরওয়ারের আপন ভাই আনোয়ার, যিনি যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত।

দুটি বাজার মুখোমুখি হওয়ায় সেখানে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে স্থানীয় যুবদলের নেতাকর্মীরা বিষয়টি উখিয়া উপজেলা যুবদলের দায়িত্বশীলদের অবহিত করেন। দায়িত্বশীল নেতা সঙ্গে সঙ্গে উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জকে বিষয়টি জানানো হলে থানা পুলিশের একটি টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সেখানে অফিসার ইনচার্জের রিকুয়েষ্ট উপজেলা যুবদলের দায়িত্বশীলরাও উপস্থিত হয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করেন৷

কিন্তু দুঃখজনকভাবে, বহিষ্কৃত নেতা ওসমান সরওয়ার প্রকাশ্যে মাইকে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা ও ভিত্তিহীনভাবে প্রচার করতে থাকেন যে, উপজেলা যুবদলের নেতাকর্মীরা চাঁদাবাজি করতে সেখানে এসেছেন। তার এ ধরনের উসকানিমূলক বক্তব্য পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তোলে। পরবর্তীতে পুলিশ ও স্থানীয় সচেতন ব্যক্তিদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। পরে সংগঠনের শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে ওসমান সরওয়ারকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।

জেলা যুবদল স্পষ্টভাবে বলতে চায় কোনো ধরনের চাঁদাবাজি কিংবা অবৈধ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে উখিয়া উপজেলা যুবদলের দায়িত্বশীল ও নেতাকর্মীরা সম্পৃক্ততার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। বরং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রশাসনকে অবহিত করা এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে তারা দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেছেন।

আমরা সংবাদকর্মীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানাই, বিভ্রান্তিকর প্রচারণা ও অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়ে প্রকৃত ঘটনা যাচাই করার জন্য। একই সঙ্গে দলের ঊর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দের প্রতি যেকোনো অভিযোগের সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানাচ্ছি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

‘সৌরবিদ্যুতে চার্জ না দিলে মিলবে না ব্যাটারিচালিত রিকশার নিবন্ধন’

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে বহিষ্কৃত নেতার অপপ্রচারে কক্সবাজার যুবদলের ব্যাখ্যা

আপডেট সময় : ১১:০৩:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

সম্প্রতি পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পসংলগ্ন এলাকায় বসানো অস্থায়ী গরুর বাজারকে কেন্দ্র করে কিছু সংবাদমাধ্যমে “চাঁদাবাজির প্রতিবাদ করে পদ হারালেন যুবদল নেতা” শিরোনামে যে বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা চালানো হচ্ছে, তার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কক্সবাজার জেলা শাখার সহ-দপ্তর সম্পাদক রফিকুল ইসলাম মিয়াজীর স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এই প্রতিবাদ ও ব্যাখা জানানো হয়৷ এতে কক্সবাজার জেলা যুবদলের সভাপতি অ্যাডভোকেট ছৈয়দ মোহাম্মদ উজ্জ্বল ও সাধারণ সম্পাদক জিসান উদ্দিন জিসানও এর প্রতিবাদ জানান৷

প্রকৃতপক্ষে, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সম্মুখে দুটি পৃথক গরুর বাজার বসানো হয়। একটি কক্সবাজার জেলার উখিয়া উপজেলার অংশে এবং অপরটি বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার অংশে। নাইক্ষ্যংছড়ি অংশের গরুর বাজারটি পরিচালনা করেন স্থানীয় ঘুমধুম ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি। তার সঙ্গে ছিলেন উখিয়া পালংখালী ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমানে বহিষ্কৃত নেতা ওসমান সরওয়ার। অপর বাজারটি পরিচালনা করেন ওসমান সরওয়ারের আপন ভাই আনোয়ার, যিনি যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত।

দুটি বাজার মুখোমুখি হওয়ায় সেখানে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে স্থানীয় যুবদলের নেতাকর্মীরা বিষয়টি উখিয়া উপজেলা যুবদলের দায়িত্বশীলদের অবহিত করেন। দায়িত্বশীল নেতা সঙ্গে সঙ্গে উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জকে বিষয়টি জানানো হলে থানা পুলিশের একটি টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সেখানে অফিসার ইনচার্জের রিকুয়েষ্ট উপজেলা যুবদলের দায়িত্বশীলরাও উপস্থিত হয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করেন৷

কিন্তু দুঃখজনকভাবে, বহিষ্কৃত নেতা ওসমান সরওয়ার প্রকাশ্যে মাইকে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা ও ভিত্তিহীনভাবে প্রচার করতে থাকেন যে, উপজেলা যুবদলের নেতাকর্মীরা চাঁদাবাজি করতে সেখানে এসেছেন। তার এ ধরনের উসকানিমূলক বক্তব্য পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তোলে। পরবর্তীতে পুলিশ ও স্থানীয় সচেতন ব্যক্তিদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। পরে সংগঠনের শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে ওসমান সরওয়ারকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।

জেলা যুবদল স্পষ্টভাবে বলতে চায় কোনো ধরনের চাঁদাবাজি কিংবা অবৈধ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে উখিয়া উপজেলা যুবদলের দায়িত্বশীল ও নেতাকর্মীরা সম্পৃক্ততার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। বরং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রশাসনকে অবহিত করা এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে তারা দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেছেন।

আমরা সংবাদকর্মীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানাই, বিভ্রান্তিকর প্রচারণা ও অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়ে প্রকৃত ঘটনা যাচাই করার জন্য। একই সঙ্গে দলের ঊর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দের প্রতি যেকোনো অভিযোগের সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানাচ্ছি।