ঢাকা ০৮:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণমাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের পদত্যাগ সংক্রান্ত অসত্য ও বিভ্রান্তিকর খবরের প্রতিবাদ লোহাগাড়ায় এক দিনের ব্যবধানে দুই মৃত্যু, কিশোরীর পর সাবেক স্কুল দপ্তরীর মরদেহ উদ্ধার মন্ত্রিসভা থেকে ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর লোহাগাড়ায় হেফজখানার শিক্ষক জাফর আলমের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ স্ত্রীকে দোতলা থেকে ফেলে দিয়ে নিজেও লাফ, ইনানী থেকে বেঁচে ফেরা মাসুদের বর্ণনা উখিয়ার নিখোঁজ মাদ্রাসা ছাত্র টেকনাফে উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২ পুজামন্ডপ পরিদর্শন করবেন : দুই দিনের সফরে সোমবার কক্সবাজার আসছেন মন্ত্রী সাচিং প্রু দুই দিনের সফরে মঙ্গলবার কক্সবাজার আসছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ২৪ ঘন্টায় জেলায় তিন অগ্নিকাণ্ড হিমঘরে ১০ মরদেহ, ডিএনএ টেস্টের পর হস্তান্তর, ঘটনাস্থলে তদন্ত কমিটি, মামলায় কারাগারে রিসোর্ট ম্যানেজার ১৯ কোটি ৫৭ লাখ টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস করলো বিজিবি আলোচিত ইয়াবা মামলার আসামী সলিম উল্লাহ গ্রেফতার সাত খু’ন, মেজর সিনহা ও আবরার হ’ত্যা মামলার আপিল দ্রুত শুনানির বিশেষ উদ্যোগ বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য অটুট রাখতে হবে : রাষ্ট্রপতি মালিক তানভীরের পোষা কুকুর সহ পালায় টুপটুপের কর্মীরা

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে বহিষ্কৃত নেতার অপপ্রচারে কক্সবাজার যুবদলের ব্যাখ্যা

সম্প্রতি পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পসংলগ্ন এলাকায় বসানো অস্থায়ী গরুর বাজারকে কেন্দ্র করে কিছু সংবাদমাধ্যমে “চাঁদাবাজির প্রতিবাদ করে পদ হারালেন যুবদল নেতা” শিরোনামে যে বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা চালানো হচ্ছে, তার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কক্সবাজার জেলা শাখার সহ-দপ্তর সম্পাদক রফিকুল ইসলাম মিয়াজীর স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এই প্রতিবাদ ও ব্যাখা জানানো হয়৷ এতে কক্সবাজার জেলা যুবদলের সভাপতি অ্যাডভোকেট ছৈয়দ মোহাম্মদ উজ্জ্বল ও সাধারণ সম্পাদক জিসান উদ্দিন জিসানও এর প্রতিবাদ জানান৷

প্রকৃতপক্ষে, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সম্মুখে দুটি পৃথক গরুর বাজার বসানো হয়। একটি কক্সবাজার জেলার উখিয়া উপজেলার অংশে এবং অপরটি বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার অংশে। নাইক্ষ্যংছড়ি অংশের গরুর বাজারটি পরিচালনা করেন স্থানীয় ঘুমধুম ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি। তার সঙ্গে ছিলেন উখিয়া পালংখালী ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমানে বহিষ্কৃত নেতা ওসমান সরওয়ার। অপর বাজারটি পরিচালনা করেন ওসমান সরওয়ারের আপন ভাই আনোয়ার, যিনি যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত।

দুটি বাজার মুখোমুখি হওয়ায় সেখানে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে স্থানীয় যুবদলের নেতাকর্মীরা বিষয়টি উখিয়া উপজেলা যুবদলের দায়িত্বশীলদের অবহিত করেন। দায়িত্বশীল নেতা সঙ্গে সঙ্গে উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জকে বিষয়টি জানানো হলে থানা পুলিশের একটি টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সেখানে অফিসার ইনচার্জের রিকুয়েষ্ট উপজেলা যুবদলের দায়িত্বশীলরাও উপস্থিত হয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করেন৷

কিন্তু দুঃখজনকভাবে, বহিষ্কৃত নেতা ওসমান সরওয়ার প্রকাশ্যে মাইকে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা ও ভিত্তিহীনভাবে প্রচার করতে থাকেন যে, উপজেলা যুবদলের নেতাকর্মীরা চাঁদাবাজি করতে সেখানে এসেছেন। তার এ ধরনের উসকানিমূলক বক্তব্য পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তোলে। পরবর্তীতে পুলিশ ও স্থানীয় সচেতন ব্যক্তিদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। পরে সংগঠনের শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে ওসমান সরওয়ারকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।

জেলা যুবদল স্পষ্টভাবে বলতে চায় কোনো ধরনের চাঁদাবাজি কিংবা অবৈধ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে উখিয়া উপজেলা যুবদলের দায়িত্বশীল ও নেতাকর্মীরা সম্পৃক্ততার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। বরং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রশাসনকে অবহিত করা এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে তারা দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেছেন।

আমরা সংবাদকর্মীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানাই, বিভ্রান্তিকর প্রচারণা ও অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়ে প্রকৃত ঘটনা যাচাই করার জন্য। একই সঙ্গে দলের ঊর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দের প্রতি যেকোনো অভিযোগের সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানাচ্ছি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

গণমাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের পদত্যাগ সংক্রান্ত অসত্য ও বিভ্রান্তিকর খবরের প্রতিবাদ

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে বহিষ্কৃত নেতার অপপ্রচারে কক্সবাজার যুবদলের ব্যাখ্যা

আপডেট সময় : ১১:০৩:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

সম্প্রতি পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পসংলগ্ন এলাকায় বসানো অস্থায়ী গরুর বাজারকে কেন্দ্র করে কিছু সংবাদমাধ্যমে “চাঁদাবাজির প্রতিবাদ করে পদ হারালেন যুবদল নেতা” শিরোনামে যে বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা চালানো হচ্ছে, তার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কক্সবাজার জেলা শাখার সহ-দপ্তর সম্পাদক রফিকুল ইসলাম মিয়াজীর স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এই প্রতিবাদ ও ব্যাখা জানানো হয়৷ এতে কক্সবাজার জেলা যুবদলের সভাপতি অ্যাডভোকেট ছৈয়দ মোহাম্মদ উজ্জ্বল ও সাধারণ সম্পাদক জিসান উদ্দিন জিসানও এর প্রতিবাদ জানান৷

প্রকৃতপক্ষে, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সম্মুখে দুটি পৃথক গরুর বাজার বসানো হয়। একটি কক্সবাজার জেলার উখিয়া উপজেলার অংশে এবং অপরটি বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার অংশে। নাইক্ষ্যংছড়ি অংশের গরুর বাজারটি পরিচালনা করেন স্থানীয় ঘুমধুম ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি। তার সঙ্গে ছিলেন উখিয়া পালংখালী ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমানে বহিষ্কৃত নেতা ওসমান সরওয়ার। অপর বাজারটি পরিচালনা করেন ওসমান সরওয়ারের আপন ভাই আনোয়ার, যিনি যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত।

দুটি বাজার মুখোমুখি হওয়ায় সেখানে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে স্থানীয় যুবদলের নেতাকর্মীরা বিষয়টি উখিয়া উপজেলা যুবদলের দায়িত্বশীলদের অবহিত করেন। দায়িত্বশীল নেতা সঙ্গে সঙ্গে উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জকে বিষয়টি জানানো হলে থানা পুলিশের একটি টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সেখানে অফিসার ইনচার্জের রিকুয়েষ্ট উপজেলা যুবদলের দায়িত্বশীলরাও উপস্থিত হয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করেন৷

কিন্তু দুঃখজনকভাবে, বহিষ্কৃত নেতা ওসমান সরওয়ার প্রকাশ্যে মাইকে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা ও ভিত্তিহীনভাবে প্রচার করতে থাকেন যে, উপজেলা যুবদলের নেতাকর্মীরা চাঁদাবাজি করতে সেখানে এসেছেন। তার এ ধরনের উসকানিমূলক বক্তব্য পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তোলে। পরবর্তীতে পুলিশ ও স্থানীয় সচেতন ব্যক্তিদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। পরে সংগঠনের শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে ওসমান সরওয়ারকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।

জেলা যুবদল স্পষ্টভাবে বলতে চায় কোনো ধরনের চাঁদাবাজি কিংবা অবৈধ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে উখিয়া উপজেলা যুবদলের দায়িত্বশীল ও নেতাকর্মীরা সম্পৃক্ততার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। বরং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রশাসনকে অবহিত করা এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে তারা দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেছেন।

আমরা সংবাদকর্মীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানাই, বিভ্রান্তিকর প্রচারণা ও অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়ে প্রকৃত ঘটনা যাচাই করার জন্য। একই সঙ্গে দলের ঊর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দের প্রতি যেকোনো অভিযোগের সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানাচ্ছি।