ঢাকা ০৮:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জনসংখ্যা বাংলাদেশের অভিশাপ নয়, আশীর্বাদ : শিক্ষামন্ত্রী গর্জনিয়ার পোয়াংগেরখিলে দাতা সদস্য নির্বাচিত হলেন সাংবাদিক হাফিজ গর্জনিয়ার সাবেক চেয়ারম্যান পুত্র ওয়াসিম নাপিতেরচর স্কুলে দাতা সদস্য নির্বাচিত ‘আমাকে মিস করছেন?’ বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পুরোনো ছকে ফিরছে ব্রাজিল স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জোট নয়, এককভাবে অংশ নেবে এনসিপি এক রেলপথে যুক্ত হচ্ছে সৌদি, কুয়েত ও কাতারসহ ৬ দেশ কেমন ছিল বিশ্বকাপের প্রথম কিস্তি? মাতামুহুরীতে জামায়াতের জেলা আমীর নুর আহমদ আনোয়ারী- জননিরাপত্তা নিশ্চিতে পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা শিক্ষক রেজাউল করিমের মায়ের অনুপস্থিতিতে ১২ বছর বয়সী নিজের মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ বাবার বিরুদ্ধে রাস্তা পার হওয়ার সময় আইওএমের গাড়ির ধাক্কা, শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু কুতুবদিয়ায় গ্রাম আদালতের সচেতনতা বৃদ্ধিতে কর্মশালা টেকনাফে স্বামীর নির্যাতনে গৃহবধূর মৃত্যু, বিচার দাবিতে পরিবারের আহাজারি

তিনটি ট্রলারসহ ১৮ জেলেকে ধরে নিয়ে গেলো আরাকান আর্মি

কক্সবাজারের টেকনাফ সেন্টমার্টিনের পূর্বে সাগর থেকে তিনটি মাছ ধরার ট্রলারসহ বাংলাদেশি ১৮ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির সদস্যরা। সাগরে মাছ ধরার সময় সেন্টমার্টিন দ্বীপের নিকটবর্তী সীতা এলাকা থেকে রবিবার (৩১ আগস্ট) রাতের দিকে তাদের ধরে নিয়ে যাওয়া হয়।

ধরে নিয়ে যাওয়া জেলেরা হলেন- জাহাঙ্গীর আলম, মো. আলমগীর, আবদুর রহিম, মো. আলম, মো. সব্বির, মো. তৈয়ুব, আবু তাহের, মনি উল্লাহ, রহমত উল্লাহ, আবু বক্কর ছিদ্দিক, সৈয়দ উল্লাহ, মো. রফিক, আবছার মাঝি, মো. তাহের, আবদুল মতলব, হাফেজ আহমেদ, আমিনুরুল হোসেন ও সালা উদ্দিন। তারা সবাই দ্বীপের বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা।

এ বিষয়ে সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলাম বলেন, ‘সাগরে মাছ ধরার সময় সেন্টমার্টিন দ্বীপের সীতা এলাকা তিনটি ট্রলারসহ ১৮ জন জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি। এ নিয়ে জেলেদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। ঘটনাটি সংশ্লিষ্টদের অবহিত করা হয়েছে।’

স্থানীয় এক জেলে বলেন, ‘সেন্টমার্টিনের পূর্বে সাগরে মাছ ধরার সময় মিয়ানমার জলসীমা থেকে হঠাৎ করে অস্ত্রের মুখে একটি স্পিডবোট এসে জেলেদের ধাওয়া করে। এ সময় আরাকান আর্মির সদস্যরা বাংলাদেশ জলসীমায় ঢুকে পড়ে। এ সময় তারা তিনটি নৌযানকে ধাওয়া করে ধরে নিয়ে যায়। এসব নৌযানে ১৮ জন জেলে ছিল।’

ট্রলার মালিকরা বলেন, ‘মাছ শিকারের সময় আমার ট্রলারসহ তিনটি ট্রলার ধরে নিয়ে যায়। তাদের ফিরিয়ে আনতে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপ চাই।’

এ প্রসঙ্গে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ এহসান উদ্দিন বলেন, ‘সেন্টমার্টিনের তিনটি ট্রলারসহ মাঝিমাল্লাদের ধরে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি শুনেছি। এটি নিয়ে আমরা কাজ করছি।’

ট্রলার মালিক সমিতি ও বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গত আট মাসে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে নাফ নদসংলগ্ন এলাকা থেকে অন্তত ৩১৮ জেলেকে অপহরণ করে আরাকান আর্মি। তাদের মধ্যে বিজিবির সহায়তায় ২০০ জনকে কয়েক দফায় ফেরত আনা হয়। বাকি ১১৮ জন জেলে এখনও তাদের হেফাজতে রয়েছেন। এর মধ্যে গত কয়েকদিনে ৬৪ জেলেকে ধরে নিয়ে যায় আরাকান আর্মি।

সুত্র: বাংলা ট্রিবিউন

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

জনসংখ্যা বাংলাদেশের অভিশাপ নয়, আশীর্বাদ : শিক্ষামন্ত্রী

তিনটি ট্রলারসহ ১৮ জেলেকে ধরে নিয়ে গেলো আরাকান আর্মি

আপডেট সময় : ০২:০৬:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

কক্সবাজারের টেকনাফ সেন্টমার্টিনের পূর্বে সাগর থেকে তিনটি মাছ ধরার ট্রলারসহ বাংলাদেশি ১৮ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির সদস্যরা। সাগরে মাছ ধরার সময় সেন্টমার্টিন দ্বীপের নিকটবর্তী সীতা এলাকা থেকে রবিবার (৩১ আগস্ট) রাতের দিকে তাদের ধরে নিয়ে যাওয়া হয়।

ধরে নিয়ে যাওয়া জেলেরা হলেন- জাহাঙ্গীর আলম, মো. আলমগীর, আবদুর রহিম, মো. আলম, মো. সব্বির, মো. তৈয়ুব, আবু তাহের, মনি উল্লাহ, রহমত উল্লাহ, আবু বক্কর ছিদ্দিক, সৈয়দ উল্লাহ, মো. রফিক, আবছার মাঝি, মো. তাহের, আবদুল মতলব, হাফেজ আহমেদ, আমিনুরুল হোসেন ও সালা উদ্দিন। তারা সবাই দ্বীপের বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা।

এ বিষয়ে সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলাম বলেন, ‘সাগরে মাছ ধরার সময় সেন্টমার্টিন দ্বীপের সীতা এলাকা তিনটি ট্রলারসহ ১৮ জন জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি। এ নিয়ে জেলেদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। ঘটনাটি সংশ্লিষ্টদের অবহিত করা হয়েছে।’

স্থানীয় এক জেলে বলেন, ‘সেন্টমার্টিনের পূর্বে সাগরে মাছ ধরার সময় মিয়ানমার জলসীমা থেকে হঠাৎ করে অস্ত্রের মুখে একটি স্পিডবোট এসে জেলেদের ধাওয়া করে। এ সময় আরাকান আর্মির সদস্যরা বাংলাদেশ জলসীমায় ঢুকে পড়ে। এ সময় তারা তিনটি নৌযানকে ধাওয়া করে ধরে নিয়ে যায়। এসব নৌযানে ১৮ জন জেলে ছিল।’

ট্রলার মালিকরা বলেন, ‘মাছ শিকারের সময় আমার ট্রলারসহ তিনটি ট্রলার ধরে নিয়ে যায়। তাদের ফিরিয়ে আনতে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপ চাই।’

এ প্রসঙ্গে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ এহসান উদ্দিন বলেন, ‘সেন্টমার্টিনের তিনটি ট্রলারসহ মাঝিমাল্লাদের ধরে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি শুনেছি। এটি নিয়ে আমরা কাজ করছি।’

ট্রলার মালিক সমিতি ও বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গত আট মাসে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে নাফ নদসংলগ্ন এলাকা থেকে অন্তত ৩১৮ জেলেকে অপহরণ করে আরাকান আর্মি। তাদের মধ্যে বিজিবির সহায়তায় ২০০ জনকে কয়েক দফায় ফেরত আনা হয়। বাকি ১১৮ জন জেলে এখনও তাদের হেফাজতে রয়েছেন। এর মধ্যে গত কয়েকদিনে ৬৪ জেলেকে ধরে নিয়ে যায় আরাকান আর্মি।

সুত্র: বাংলা ট্রিবিউন