ঢাকা ১২:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সিনহা হত্যা মামলা: ছয় বছর পরও আপিল বিভাগে চূড়ান্ত রায়ের অপেক্ষা বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ আটক যুবক কচ্ছপিয়া ইউপি চেয়ারম্যান নোমানের গাড়িচালক দাবি স্থানীয়দের হলদিয়াপালং যুবদলের কমিটি বিতর্ক: সাত সদস্যের কমিটিতে মাদক মামলার আসামি! সড়ক নয়, যেন গর্তের সারি— লোহাগাড়ার দরবেশহাট ডিসি সড়কে সীমাহীন ভোগান্তি জানাজায় কান্নার কলরবে ইয়াসেরের বিদায় লতিফ সিদ্দিকী বললেন, ‘আমাকে ফাঁসি দিয়ে দেন’ চার-পাঁচ মাসের ম‌ন্ত্রিত্বের অ‌ভিজ্ঞতায় দে‌খে‌ছি, কিছুই বদলায়নি: মির্জা ফখরুল। রামুতে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ যুবক আটক ঈদগাঁওয়ে মা-মেয়ে হত্যা মামলায় আবুল কালামের মৃত্যুদণ্ড পেকুয়ায় আগুনে পুড়লো পাঁচ ভাইয়ের বসতঘর বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত চকরিয়া ও মাতামুহুরির ২০০ পরিবারের পাশে উইটনেস ফাউন্ডেশন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কক্সবাজার ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে কলিম-নয়ন ইনানীর বে-ওয়াচ রিসোর্টের কর্মচারী আব্দুল আজিজের মৃত্যু নিয়ে চাঞ্চল্য: কি বলছে পুলিশ? অপহরণ-মানবপাচার বন্ধে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে টেকনাফ-উখিয়া প্রতিনিধিদলের মতবিনিময় হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার

জনরায় উপেক্ষিত হলে দুর্বার আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে কক্সবাজার শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে ১১ দলীয় ঐক্যজোট। রোববার (১২ এপ্রিল) বিকেলে শহরের কালুর দোকান চত্বর থেকে শুরু হয়ে মিছিলটি পাবলিক লাইব্রেরি মাঠে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

বিকেল সাড়ে চারটা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত চলা এই কর্মসূচিতে প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ নেতাকর্মী অংশ নেন।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন কক্সবাজার জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা নূর আহমদ আনোয়ারী। বক্তব্য দেন কক্সবাজার শহর জামায়াতের আমীর আব্দুল্লাহ আল ফারুক, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর শহিদুল আলম বাহাদুর, জাতীয় নাগরিক পার্টির জেলা আহ্বায়ক অধ্যাপক আখতার আলম, খেলাফত মজলিসের জেলা সভাপতি মাওলানা আবু মুছা, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মুফতী মাওলানা মুহাম্মদ হাবিবুল্লাহ, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম, জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্যসচিব ওমর ফারুক, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের জেলা সাধারণ সম্পাদক জে এইচ এম ইউনুছ, জুনাইদ মাহমুদ শাহেদ, যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মদ খালিদ বিন সাঈদ এবং এলডিপির জেলা সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলামসহ অন্যরা।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, জনগণের মতামতকে উপেক্ষা করে গণভোট বাতিলের চেষ্টা করা হচ্ছে, যা গ্রহণযোগ্য নয়। তাঁদের দাবি, প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষের রায় অবিলম্বে বাস্তবায়ন করতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, “জনরায় বাস্তবায়ন না হলে দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।” তাঁরা অভিযোগ করেন, দেশে একটি ‘ফ্যাসিবাদী কাঠামো’ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং তা থেকে বের হয়ে বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়তে ১১ দলীয় ঐক্যজোট কাজ করছে।

ভবিষ্যতে দেশ ও জনগণের স্বার্থে যেকোনো আন্দোলনে ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে থাকার ঘোষণা দেন নেতারা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সিনহা হত্যা মামলা: ছয় বছর পরও আপিল বিভাগে চূড়ান্ত রায়ের অপেক্ষা

জনরায় উপেক্ষিত হলে দুর্বার আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

আপডেট সময় : ০৭:১২:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে কক্সবাজার শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে ১১ দলীয় ঐক্যজোট। রোববার (১২ এপ্রিল) বিকেলে শহরের কালুর দোকান চত্বর থেকে শুরু হয়ে মিছিলটি পাবলিক লাইব্রেরি মাঠে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

বিকেল সাড়ে চারটা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত চলা এই কর্মসূচিতে প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ নেতাকর্মী অংশ নেন।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন কক্সবাজার জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা নূর আহমদ আনোয়ারী। বক্তব্য দেন কক্সবাজার শহর জামায়াতের আমীর আব্দুল্লাহ আল ফারুক, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর শহিদুল আলম বাহাদুর, জাতীয় নাগরিক পার্টির জেলা আহ্বায়ক অধ্যাপক আখতার আলম, খেলাফত মজলিসের জেলা সভাপতি মাওলানা আবু মুছা, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মুফতী মাওলানা মুহাম্মদ হাবিবুল্লাহ, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম, জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্যসচিব ওমর ফারুক, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের জেলা সাধারণ সম্পাদক জে এইচ এম ইউনুছ, জুনাইদ মাহমুদ শাহেদ, যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মদ খালিদ বিন সাঈদ এবং এলডিপির জেলা সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলামসহ অন্যরা।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, জনগণের মতামতকে উপেক্ষা করে গণভোট বাতিলের চেষ্টা করা হচ্ছে, যা গ্রহণযোগ্য নয়। তাঁদের দাবি, প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষের রায় অবিলম্বে বাস্তবায়ন করতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, “জনরায় বাস্তবায়ন না হলে দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।” তাঁরা অভিযোগ করেন, দেশে একটি ‘ফ্যাসিবাদী কাঠামো’ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং তা থেকে বের হয়ে বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়তে ১১ দলীয় ঐক্যজোট কাজ করছে।

ভবিষ্যতে দেশ ও জনগণের স্বার্থে যেকোনো আন্দোলনে ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে থাকার ঘোষণা দেন নেতারা।