ঢাকা ০৭:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বড় বাজারে হাত বাড়ালেই মিলছে ইয়াবা,ফেনসিডিলসহ কয়েক প্রকার মাদক:নেপথ্যে “কিং”! কক্সবাজারে হারানো আইফোনসহ উদ্ধার করা ৫০ টি মোবাইল মালিকের কাছে হস্তান্তর বিজিবি-আরএসও গোলাগুলি, অস্ত্র-ইয়াবা উদ্ধার শুক্রবার কক্সবাজারে আসছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, যাবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কক্সবাজারে সামাজিক সম্প্রীতি ও দায়িত্বশীল তথ্য ব্যবহার বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত কক্সবাজারে নির্মাণাধীন কালভার্টে মাটি ধসে নিহত ২ শ্রমিক দূষিত খাবারে বিশ্বজুড়ে বছরে প্রাণহানি ১৫ লাখ, সবচেয়ে ঝুঁকিতে শিশুরা পেকুয়ায় বন্দুক, গুলি-কার্তুজসহ অস্ত্রধারী গ্রেপ্তার ঈদুল আজহার ১৩ দিনে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২৮১ জন ২য় বিশ্বযুদ্ধে নিহত জাপানি সৈন্যদের স্মৃতির খোঁজে কক্সবাজারে জাপানি প্রতিনিধি দল কাশিমপুর কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন আইভী কক্সবাজার রেল স্টেশনের সিকিউরিটি রাব্বানীর বিরুদ্ধে টিকেট কালোবাজারির অভিযোগ পালংখালী সীমান্তে আরএসওর গুলি, ঘটনাস্থল থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ও ইয়াবা উদ্ধার ভাবীর ঘাড়ে দা’র কোপ, দেবর ও শাশুড়ি আটক মাঝরাতে গুলির শব্দে কেঁপে উঠল হোয়াইক্যং, আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটালেন বাসিন্দারা

জনরায় উপেক্ষিত হলে দুর্বার আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে কক্সবাজার শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে ১১ দলীয় ঐক্যজোট। রোববার (১২ এপ্রিল) বিকেলে শহরের কালুর দোকান চত্বর থেকে শুরু হয়ে মিছিলটি পাবলিক লাইব্রেরি মাঠে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

বিকেল সাড়ে চারটা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত চলা এই কর্মসূচিতে প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ নেতাকর্মী অংশ নেন।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন কক্সবাজার জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা নূর আহমদ আনোয়ারী। বক্তব্য দেন কক্সবাজার শহর জামায়াতের আমীর আব্দুল্লাহ আল ফারুক, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর শহিদুল আলম বাহাদুর, জাতীয় নাগরিক পার্টির জেলা আহ্বায়ক অধ্যাপক আখতার আলম, খেলাফত মজলিসের জেলা সভাপতি মাওলানা আবু মুছা, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মুফতী মাওলানা মুহাম্মদ হাবিবুল্লাহ, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম, জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্যসচিব ওমর ফারুক, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের জেলা সাধারণ সম্পাদক জে এইচ এম ইউনুছ, জুনাইদ মাহমুদ শাহেদ, যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মদ খালিদ বিন সাঈদ এবং এলডিপির জেলা সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলামসহ অন্যরা।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, জনগণের মতামতকে উপেক্ষা করে গণভোট বাতিলের চেষ্টা করা হচ্ছে, যা গ্রহণযোগ্য নয়। তাঁদের দাবি, প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষের রায় অবিলম্বে বাস্তবায়ন করতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, “জনরায় বাস্তবায়ন না হলে দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।” তাঁরা অভিযোগ করেন, দেশে একটি ‘ফ্যাসিবাদী কাঠামো’ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং তা থেকে বের হয়ে বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়তে ১১ দলীয় ঐক্যজোট কাজ করছে।

ভবিষ্যতে দেশ ও জনগণের স্বার্থে যেকোনো আন্দোলনে ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে থাকার ঘোষণা দেন নেতারা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

বড় বাজারে হাত বাড়ালেই মিলছে ইয়াবা,ফেনসিডিলসহ কয়েক প্রকার মাদক:নেপথ্যে “কিং”!

জনরায় উপেক্ষিত হলে দুর্বার আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

আপডেট সময় : ০৭:১২:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে কক্সবাজার শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে ১১ দলীয় ঐক্যজোট। রোববার (১২ এপ্রিল) বিকেলে শহরের কালুর দোকান চত্বর থেকে শুরু হয়ে মিছিলটি পাবলিক লাইব্রেরি মাঠে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

বিকেল সাড়ে চারটা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত চলা এই কর্মসূচিতে প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ নেতাকর্মী অংশ নেন।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন কক্সবাজার জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা নূর আহমদ আনোয়ারী। বক্তব্য দেন কক্সবাজার শহর জামায়াতের আমীর আব্দুল্লাহ আল ফারুক, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর শহিদুল আলম বাহাদুর, জাতীয় নাগরিক পার্টির জেলা আহ্বায়ক অধ্যাপক আখতার আলম, খেলাফত মজলিসের জেলা সভাপতি মাওলানা আবু মুছা, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মুফতী মাওলানা মুহাম্মদ হাবিবুল্লাহ, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম, জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্যসচিব ওমর ফারুক, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের জেলা সাধারণ সম্পাদক জে এইচ এম ইউনুছ, জুনাইদ মাহমুদ শাহেদ, যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মদ খালিদ বিন সাঈদ এবং এলডিপির জেলা সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলামসহ অন্যরা।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, জনগণের মতামতকে উপেক্ষা করে গণভোট বাতিলের চেষ্টা করা হচ্ছে, যা গ্রহণযোগ্য নয়। তাঁদের দাবি, প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষের রায় অবিলম্বে বাস্তবায়ন করতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, “জনরায় বাস্তবায়ন না হলে দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।” তাঁরা অভিযোগ করেন, দেশে একটি ‘ফ্যাসিবাদী কাঠামো’ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং তা থেকে বের হয়ে বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়তে ১১ দলীয় ঐক্যজোট কাজ করছে।

ভবিষ্যতে দেশ ও জনগণের স্বার্থে যেকোনো আন্দোলনে ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে থাকার ঘোষণা দেন নেতারা।