ঢাকা ০৮:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‎লাখ টাকার মিশনে নেমেও ঈদে বাড়ি ফেরা হলোনা শাহীন ডাকাতের:ফের আটক ডিবির হাতে জাতীয় দলে ফিরলেন চকরিয়ার জিকু শিল্পী রাজীব বড়ুয়া পরলোকে, শেষকৃত্য সম্পন্ন আদালত প্রাঙ্গণে গোলাগুলির ঘটনায় উদ্বেগ জেলা আইনজীবী সমিতির,পৃথক তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি জামিনে বেরিয়ে ফের আটক গর্জনিয়ার আলোচিত শাহীন ডাকাত টেকনাফে টাকা দিয়ে সাংবাদিক কার্ড সংগ্রহ, ইয়াবা পাচারে আটক ভুয়া সাংবাদিক সন্ত্রাসীদের কোনো অভয়ারণ্য থাকতে দেওয়া হবে না, নির্মূল করা হবে ঈদের আনন্দ কেড়ে নিল আগুন, খোলা আকাশের নিচে শত পরিবার চকরিয়ায় ডাম্পারের ধাক্কায় নছিমন চালক নিহত পেকুয়ায় বজ্রপাতে এক নারীর মৃত্যু ঈদকে সামনে রেখে পর্যটন শহরে নিরাপত্তা ও সেবায় বিশেষ উদ্যোগ কক্সবাজার কেন্দ্রীয় ঈদগাহে ঈদের দুই জামাত সকাল সাড়ে ৭টা ও সাড়ে ৮টায় পবিত্র হজ আজ সীমান্ত শহরে ব্রাজিল উন্মাদনা মহাসড়কে কোরবানির পশুর হাট, যানজটে ভোগান্তি

খুনের মামলায় ‘সন্ত্রাসী’ সাজ্জাদের রিমান্ড মঞ্জুর

খুনের মামলায় ‘সন্ত্রাসী’ সাজ্জাদ হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ রোববার চট্টগ্রাম জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুন নাহার শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।

অতিরিক্ত চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার (হাটহাজারী অঞ্চল) কাজী মো. তারেক আজিজ প্রথম আলোকে বলেন, গত বছরের ২৯ আগস্ট অক্সিজেন–কুয়াইশ সড়কের অনন্যা আবাসিক এলাকায় জোড়া খুনের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে একটি খুন বায়েজিদ বোস্তামী থানা সীমানা–সংলগ্ন হাটহাজারীতে পড়েছে। সেই খুনের মামলায় সাজ্জাদকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পুলিশ সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করে। শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত বছরের ২৯ আগস্ট চট্টগ্রাম নগরের অনন্যা আবাসিক এলাকা–সংলগ্ন অক্সিজেন–কুয়াইশ সড়কে দুই যুবককে গুলি করা হয়। নিহত ব্যক্তিরা হলেন মাসুদ কায়সার ও মো. আনিস। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, নগরের অনন্যা আবাসিক এলাকায় নাহার কমিউনিটি সেন্টারের সামনে দিয়ে দুজন হেঁটে যাচ্ছিলেন। মোটরসাইকেলে আসা দুষ্কৃতকারীর ছোড়া গুলিতে আনিস ঘটনাস্থলে মারা যান। কায়সার দৌড়ে কিছু দূর যাওয়ার পর মোটরসাইকেল নিয়ে তাঁকে ধাওয়া করে ধরে গুলি করা হয়। আহত অবস্থায় কায়সারকে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

মাসুদ কায়সারকে যেখানে গুলি করে খুন করা হয়েছে, সেটি নগরের শেষ প্রান্ত পেরিয়ে হাটহাজারী উপজেলার কুয়াইশ এলাকায় পড়েছে। এ জন্য তাঁর ভাই মো. আরিফ বাদী হয়ে হাটহাজারী থানায় মামলা করেন। মামলায় সাজ্জাদসহ ছয়জনকে আসামি করা হয়। এতে পূর্বশত্রুতার জেরে তাঁকে খুনের কথা উল্লেখ করা হয়।

গত ১৫ মার্চ ঢাকার একটি শপিং মল থেকে সাজ্জাদকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এর আগে তাঁকে ধরতে পুরস্কার ঘোষণা করেছিলেন নগর পুলিশ কমিশনার। সাজ্জাদ বায়েজিদ বোস্তামী থানার ওসি আরিফুর রহমানকে ফেসবুক লাইভে এসে পেটানোর হুমকি দেওয়ার পর ৩০ জানুয়ারি ধরিয়ে দিতে পুরস্কারের ঘোষণা দেওয়া হয়। তাঁর বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র ও চাঁদাবাজির ১৫টি মামলা রয়েছে। সাজ্জাদ কারাগারে থাকার সময় ২৯ মার্চ নগরের বাকলিয়ায় জোড়া খুনের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় করা মামলায়ও সাজ্জাদকে হুকুমের আসামি করা হয়েছে।

সূত্র: প্রথম আলো

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

‎লাখ টাকার মিশনে নেমেও ঈদে বাড়ি ফেরা হলোনা শাহীন ডাকাতের:ফের আটক ডিবির হাতে

খুনের মামলায় ‘সন্ত্রাসী’ সাজ্জাদের রিমান্ড মঞ্জুর

আপডেট সময় : ০৫:১৭:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৫

খুনের মামলায় ‘সন্ত্রাসী’ সাজ্জাদ হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ রোববার চট্টগ্রাম জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুন নাহার শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।

অতিরিক্ত চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার (হাটহাজারী অঞ্চল) কাজী মো. তারেক আজিজ প্রথম আলোকে বলেন, গত বছরের ২৯ আগস্ট অক্সিজেন–কুয়াইশ সড়কের অনন্যা আবাসিক এলাকায় জোড়া খুনের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে একটি খুন বায়েজিদ বোস্তামী থানা সীমানা–সংলগ্ন হাটহাজারীতে পড়েছে। সেই খুনের মামলায় সাজ্জাদকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পুলিশ সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করে। শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত বছরের ২৯ আগস্ট চট্টগ্রাম নগরের অনন্যা আবাসিক এলাকা–সংলগ্ন অক্সিজেন–কুয়াইশ সড়কে দুই যুবককে গুলি করা হয়। নিহত ব্যক্তিরা হলেন মাসুদ কায়সার ও মো. আনিস। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, নগরের অনন্যা আবাসিক এলাকায় নাহার কমিউনিটি সেন্টারের সামনে দিয়ে দুজন হেঁটে যাচ্ছিলেন। মোটরসাইকেলে আসা দুষ্কৃতকারীর ছোড়া গুলিতে আনিস ঘটনাস্থলে মারা যান। কায়সার দৌড়ে কিছু দূর যাওয়ার পর মোটরসাইকেল নিয়ে তাঁকে ধাওয়া করে ধরে গুলি করা হয়। আহত অবস্থায় কায়সারকে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

মাসুদ কায়সারকে যেখানে গুলি করে খুন করা হয়েছে, সেটি নগরের শেষ প্রান্ত পেরিয়ে হাটহাজারী উপজেলার কুয়াইশ এলাকায় পড়েছে। এ জন্য তাঁর ভাই মো. আরিফ বাদী হয়ে হাটহাজারী থানায় মামলা করেন। মামলায় সাজ্জাদসহ ছয়জনকে আসামি করা হয়। এতে পূর্বশত্রুতার জেরে তাঁকে খুনের কথা উল্লেখ করা হয়।

গত ১৫ মার্চ ঢাকার একটি শপিং মল থেকে সাজ্জাদকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এর আগে তাঁকে ধরতে পুরস্কার ঘোষণা করেছিলেন নগর পুলিশ কমিশনার। সাজ্জাদ বায়েজিদ বোস্তামী থানার ওসি আরিফুর রহমানকে ফেসবুক লাইভে এসে পেটানোর হুমকি দেওয়ার পর ৩০ জানুয়ারি ধরিয়ে দিতে পুরস্কারের ঘোষণা দেওয়া হয়। তাঁর বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র ও চাঁদাবাজির ১৫টি মামলা রয়েছে। সাজ্জাদ কারাগারে থাকার সময় ২৯ মার্চ নগরের বাকলিয়ায় জোড়া খুনের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় করা মামলায়ও সাজ্জাদকে হুকুমের আসামি করা হয়েছে।

সূত্র: প্রথম আলো