ঢাকা ০২:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চূড়ান্ত হলো নকআউটের ৩২ দল, বিশ্বকাপ থেকে যাদের বিদায় চকরিয়ায় মাইক্রোবাস-মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, নিহত ২ ‘এই দেশটিকে আমি ভালোবাসি’, বাংলাদেশ নিয়ে যা বললেন মার্টিনেজ ইনানী সৈকতে গোসলে নেমে নিখোঁজ পর্যটক সায়েমের মরদেহ উদ্ধার উখিয়ার হারেসের সুরে মুগ্ধ নেট দুনিয়া,সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার দাবী কক্সবাজারে শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের স্বীকৃতি: জাতিসংঘের প্ল্যাটফর্মে ফিচারড SURGE Bangladesh শহরের কুতুবদিয়া পাড়ার আলোচিত রোজিনাকে আটক করেছে পুলিশ বিয়ের অতিথি ১০০ ছাড়ালে জনপ্রতি ১০০০ টাকা ট্যাক্স বসানোর দাবি এমপির বাংলাদেশকে নিষিদ্ধ করতে আইসিসিতে চিঠি সাবেক বিসিবি সভাপতির টেকনাফে সড়কের দুই পাশে কলেমা লেখা সাদা পতাকা আ’র’কা’ন আ’র্মি প্রধানের বাংলাদেশে চিকিৎসা নেওয়ার খবর কতটুকু সত্য? মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি রোজিনা গ্রেপ্তার কক্সবাজার জেলা জামায়াত আমীরের উদ্যোগে মুক্ত হলো হাসপাতাল বিলের জন্য আটকে থাকা রিয়াজের মরদেহ মায়ানমারে পাচারকালে সিমেন্ট বোঝাই দুটি বোটসহ ২১ জনকে আটক করেছে নৌবাহিনী সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত

ক্ষতিপুরণ দাবি করে ভাংচুর ও উচ্ছেদের প্রতিবাদ জানালো রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি

পরিবেশবান্ধব রেস্তোরাঁতে নির্বিচারে ভাঙচুর ও উচ্ছেদের প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি, কক্সবাজার জেলা শাখা। গণমাধ্যমে সংগঠনের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) কামরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক জাবেদ ইকবালের পাঠানো বিবৃতিতে বলেন,সম্প্রতি কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কউক) কর্তৃক পরিচালিত তথাকথিত “অভিযান”-এর নামে একের পর এক অনুমোদিত ও পরিবেশবান্ধব রেস্তোরাঁতে নির্বিচারে ভাঙচুর ও উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। কোনো প্রকার পূর্ব নোটিশ ছাড়াই, আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে, সরকারি বিভিন্ন সংস্থার অনুমোদন ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে মুহূর্তের মধ্যে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

এমন অমানবিক কর্মকাণ্ডে অসংখ্য পরিবার জীবিকা হারিয়ে পথে বসেছে, শত শত কর্মচারী বেকার হয়ে পড়েছে এবং কক্সবাজারের পর্যটন শিল্প ভয়াবহ সংকটে পড়েছে। আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি— প্রশাসনের কিছু কর্তাব্যক্তির অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত ও স্বেচ্ছাচারিতার কারণে দেশের অন্যতম পর্যটন শহর কক্সবাজার আজ ব্যবসাবান্ধব শহর থেকে পর্যটন বিমুখ শহরে পরিণত হচ্ছে।

আমরা দৃঢ়ভাবে বলতে চাই, ব্যবসা করা কোনো অপরাধ নয়। সরকারের বিভিন্ন সংস্থার ১২-১৫টি অনুমোদন ও লাইসেন্স বজায় রাখার পরও যদি বিনা কারণে এই শিল্পের উদ্যোক্তাদের ওপর এমন অন্যায্য আচরণ হয়, তবে তা শুধু ব্যক্তি ক্ষতি নয়— এটি পুরো দেশের পর্যটন অর্থনীতির জন্য এক ভয়াবহ দৃষ্টান্ত।

বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি, কক্সবাজার জেলা শাখা, এই অন্যায় ও পরিকল্পিত অভিযানের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ প্রদানের জোর দাবি জানাচ্ছি। পাশাপাশি, ভবিষ্যতে এমন কোনো অমানবিক ও অবৈধ কর্মকাণ্ড বন্ধে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানায়।

আমরা স্পষ্টভাবে জানাতে চাই, যদি দ্রুত ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা না করা হয়, তবে রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি বাধ্য হয়ে বৃহত্তর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করবে এবং এই অবিচারের বিরুদ্ধে গণআন্দোলন গড়ে তুলবে।

আমরা কক্সবাজারের পর্যটন শিল্প রক্ষায় আপসহীন।
এ শহর আমাদের, এ শিল্প আমাদের।আমরা কাউকে এটি ধ্বংস করতে দেব না।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

চূড়ান্ত হলো নকআউটের ৩২ দল, বিশ্বকাপ থেকে যাদের বিদায়

ক্ষতিপুরণ দাবি করে ভাংচুর ও উচ্ছেদের প্রতিবাদ জানালো রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি

আপডেট সময় : ১২:১৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৫

পরিবেশবান্ধব রেস্তোরাঁতে নির্বিচারে ভাঙচুর ও উচ্ছেদের প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি, কক্সবাজার জেলা শাখা। গণমাধ্যমে সংগঠনের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) কামরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক জাবেদ ইকবালের পাঠানো বিবৃতিতে বলেন,সম্প্রতি কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কউক) কর্তৃক পরিচালিত তথাকথিত “অভিযান”-এর নামে একের পর এক অনুমোদিত ও পরিবেশবান্ধব রেস্তোরাঁতে নির্বিচারে ভাঙচুর ও উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। কোনো প্রকার পূর্ব নোটিশ ছাড়াই, আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে, সরকারি বিভিন্ন সংস্থার অনুমোদন ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে মুহূর্তের মধ্যে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

এমন অমানবিক কর্মকাণ্ডে অসংখ্য পরিবার জীবিকা হারিয়ে পথে বসেছে, শত শত কর্মচারী বেকার হয়ে পড়েছে এবং কক্সবাজারের পর্যটন শিল্প ভয়াবহ সংকটে পড়েছে। আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি— প্রশাসনের কিছু কর্তাব্যক্তির অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত ও স্বেচ্ছাচারিতার কারণে দেশের অন্যতম পর্যটন শহর কক্সবাজার আজ ব্যবসাবান্ধব শহর থেকে পর্যটন বিমুখ শহরে পরিণত হচ্ছে।

আমরা দৃঢ়ভাবে বলতে চাই, ব্যবসা করা কোনো অপরাধ নয়। সরকারের বিভিন্ন সংস্থার ১২-১৫টি অনুমোদন ও লাইসেন্স বজায় রাখার পরও যদি বিনা কারণে এই শিল্পের উদ্যোক্তাদের ওপর এমন অন্যায্য আচরণ হয়, তবে তা শুধু ব্যক্তি ক্ষতি নয়— এটি পুরো দেশের পর্যটন অর্থনীতির জন্য এক ভয়াবহ দৃষ্টান্ত।

বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি, কক্সবাজার জেলা শাখা, এই অন্যায় ও পরিকল্পিত অভিযানের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ প্রদানের জোর দাবি জানাচ্ছি। পাশাপাশি, ভবিষ্যতে এমন কোনো অমানবিক ও অবৈধ কর্মকাণ্ড বন্ধে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানায়।

আমরা স্পষ্টভাবে জানাতে চাই, যদি দ্রুত ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা না করা হয়, তবে রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি বাধ্য হয়ে বৃহত্তর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করবে এবং এই অবিচারের বিরুদ্ধে গণআন্দোলন গড়ে তুলবে।

আমরা কক্সবাজারের পর্যটন শিল্প রক্ষায় আপসহীন।
এ শহর আমাদের, এ শিল্প আমাদের।আমরা কাউকে এটি ধ্বংস করতে দেব না।