টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়ন বিভক্তির বিষয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এতে কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। ঘটনার পর টেকনাফ-কক্সবাজার মহাসড়ক অবরোধ করে বিএনপির নেতাকর্মীরা।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকাল ৩টার দিকে হোয়াইক্যং কানজর পাড়া ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, টেকনাফ উপজেলার ১ নম্বর হোয়াইক্যং মডেল ইউনিয়ন বিভক্তির বিষয়ে স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মতামত নিতে এ সভার আয়োজন করা হয়। সভা চলাকালে হঠাৎ উত্তেজনা দেখা দেয়। একপর্যায়ে একটি দল বাইরে থেকে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে এবং ইউনিয়ন পরিষদের দরজা-জানালা ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
হোয়াইক্যং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শাহাজালাল চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, বিকাল ৩টার দিকে ইউনিয়ন বিভক্তির বিষয়ে বৈঠক চলছিল। এ সময় একটি দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এসে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে হামলা চালায়। তারা পরিষদের দরজা-জানালা ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। এ সময় ইটের আঘাতে তিনি আহত হয়েছেন বলে জানান।
বৈঠকে উপস্থিত স্থানীয়রা জানান, আলোচনা চলার সময় হঠাৎ বাইরে থেকে ইট-পাটকেল ছোড়া শুরু হলে ভেতরে থাকা লোকজন আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলেও সময়মতো ঘটনাস্থলে না আসায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয় বলে তারা অভিযোগ করেন।
উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব জুনাইদ আলী বলেন, সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নিয়ে এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ সভায় প্রশাসনের কেউ উপস্থিত ছিলেন না। এক ঘণ্টা ধরে ফোন করার পরও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আসতে দেরি করায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের নেতৃত্বে হামলা চালানো হয়েছে। এতে যুবদল ও ছাত্রদলের অনেক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।
টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি শুনেছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ রয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
বৈঠকে টেকনাফ উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাসান ছিদ্দিকী, সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক ওসমান গনি, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব জুনাইদ আলীসহ বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক 






















