সম্প্রতি কক্সবাজারের স্থানীয় কিছু অনলাইন গণমাধ্যমে মুক্তিপণ আদায়ের লক্ষ্যে চুরকে অপহরণ’ শীর্ষক নিউজটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে।ওই সংবাদে আমাকে এবং আমার পরিবারকে জড়িয়ে মিথ্যা ভিত্তিহীন মানহানিকর তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রকৃত ঘটনা হলো- যাকে অপহরণ করা হয়েছে মর্মে দাবী করা হয়, তাঁর নাম মোঃ জসিম ওরফে রোহিঙ্গা জসিম।সে এলাকার চিহ্নিত চোর, মাদক সেবনকারী এবং গরু চুরির সাথে সম্পৃক্ত, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে একাধিক রোহিঙ্গা তাঁর সাথে জড়িত।
চুরির মালামাল সে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিয়ে যায়।
বিগত তিনমাস আগে আমার বসত ঘর থেকে আমার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলসহ আমাদের তিনটা গরু চুরি হয় যে ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন মোঃ জসিম যার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন তার সাথে চুরির কাজে জড়িত অপর আরেকজন ব্যক্তি, সে জসিমের সহযোগী। প্রকৃতপক্ষে চুরির প্রমাণ আমাদের হাতে আসার পর থেকে আমরা বিভিন্নভাবে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদেরকে জানালে তাঁরা আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানা।
এ বিষয়টি জসিম ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা জানার পর জসিম ও তাঁর পরিবার মিথ্যা অপহরণ নাটক সাজান।
পরে বিভিন্ন গণমাধ্যমকে তাঁরা মিথ্যা তথ্যদিয়ে মানহানির চেষ্টা করে।
প্রকৃতপক্ষে জসিম এর আগে একাধিকবার চুরির ঘটনায় হাতেনাতে আটকও হয়।স্থানীয় সালিশের মাধ্যমে অনেকবার তাঁর চুরির বিষয়টি সমাধানের পরেও সে এ কাজ থেকে সরে আসেনি।
তাই এলাকাবাসী এবার তাঁর বিরোদ্ধে রামু থানা এবং কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপার বরাবর স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।এ কাজে আমি কেন সহযোগীতা করতেছি সেকারণেই জসিম ও তাঁর পরিবার আমাকে জড়িয়ে গণমাধ্যমকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করে।
আমি জাতীর বিবেক সাংবাদিক ভাইদেরকে অনুরোধ করবো, আরো যাছাই বাচাইপূর্বক সংবাদটি প্রকাশ করবেন।
এ ঘটনায় প্রকাশিত সংবাদে আমি একজন কলেজ ছাত্র হিসেবে আমার ও আমার পরিবারের মান সম্মান ক্ষুণ্ন হয়েছে। এ সংবাদে কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
নিবেদক :
নাম: তারেক জিয়া
পিতা: হাজী দিদারুল আলম
মাতা: ফরিদা বেগম
ঠিকানা : মধ্যম খুনিয়া পালং, ৩নং ওয়ার্ড, রাবেতা রামু, কক্সবাজার।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তি 






















