ঢাকা ০১:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মুখস্থনির্ভর শিক্ষা নয়, খেলায় খেলায় শিশুদের শেখাতে হবে : ববি হাজ্জাজ কক্সবাজারকে এশিয়ার অন্যতম পর্যটনকেন্দ্র করতে চায় সরকার প্রাডো জিপে কক্সবাজার থেকে নিয়ে যাচ্ছিলো ৩ লাখ ইয়াবা : কুমিল্লায় আটক ২ মিয়ানমারের বিবৃতির প্রতিবাদে ইউসিআর -“রোহিঙ্গারা বাঙালি নয়, তারা রাখাইন রাজ্যের অধিবাসী” শহরের লাইট হাউজ এলাকায় রিসোর্ট দখলের ঘটনায় আল-আমিনসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা : আটক ১ লোহাগাড়ায় স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া থেকে বেরিয়ে এলো জালনোটের কারবার : জালনোটসহ ‘কারবারি’ শাহ আলম আটক পর্যটন শহর কক্সবাজারের দোকান-শপিংমল রাত ৯ টা পর্যন্ত খোলা রাখার প্রস্তাব ব্যবসায়ীদের পেকুয়ায় মাদকবিরোধী র‍্যালী ও সমাবেশ জুন-জুলাইয়ের বদলে এপ্রিল-মার্চে অর্থবছর চালুর সিদ্ধান্ত বিলুপ্ত হচ্ছে র‍্যাব, পুলিশের অধীনে হবে এসআরবি মাদক ব্যবসায়ীদের তথ্য দিন পরিচয় গোপন রাখা হবে প্লট দখল নিয়ে প্রোপাগাণ্ডার বিরুদ্ধে সাংবাদিক ছফওয়ানের বিবৃতি, আইনি ব্যবস্থার হুশিয়ারি লোহাগাড়ায় ভোররাতে ডাকাতি, অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ১৮ লাখ টাকার স্বর্ণ-টাকা ও মালামাল লুট গর্জনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন মুহিববুল্লাহ সৌদিয়া হোটেল থেকে হানিফ মিয়ার মরদেহ উদ্ধার

কক্সবাজারকে এশিয়ার অন্যতম পর্যটনকেন্দ্র করতে চায় সরকার

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের সমুদ্রসৈকত ঘিরে গড়ে উঠেছে আধুনিক পর্যটন নগরী। ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরো, যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামি ও পানামা সিটি, স্পেনের বার্সেলোনা, দক্ষিণ কোরিয়ার বুসান, সিঙ্গাপুর ও দুবাই এর বড় উদাহরণ।

এসব নগরীর আদলে কক্সবাজারকে এশিয়ার অন্যতম আঞ্চলিক পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার। এ জন্য ২০ বছর মেয়াদি নতুন মাস্টারপ্ল্যান তৈরির কাজ চলছে।

সম্প্রতি কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কক্সডিএ) এ বিষয়ে মাটি পরীক্ষা করেছে। তবে গবেষণার বিস্তারিত প্রতিবেদন এখনো হাতে পায়নি তারা।

এরই মধ্যে সরকারের দুই মন্ত্রী কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছেন। সরকারের লক্ষ্য, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের পাশাপাশি পর্যটন খাত থেকে বৈদেশিক মুদ্রা আয় বাড়ানো।

গবেষণা বলছে, কক্সবাজার ও কুয়াকাটা অঞ্চলে বালু, পলি ও নরম সামুদ্রিক মাটির আধিক্য রয়েছে। ফলে ৩০ তলা বা তার বেশি ভবন নির্মাণে শক্ত ভারবহনক্ষম স্তর বা শিলা পর্যন্ত গভীর পাইল ফাউন্ডেশন প্রয়োজন হতে পারে।

এতে হাইরাইজ ভবন নির্মাণ অসম্ভব নয়, তবে ব্যয় ও প্রকৌশলগত চ্যালেঞ্জ দুটিই বেশি।
গত ২৩ জুলাই সচিবালয়ে কক্সবাজারের সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান করা হচ্ছে। উপকূলীয় এলাকায় উন্নয়নে ৫০ মিটার ও ৫০০ মিটারের যে বিধিনিষেধ রয়েছে, তা পুনর্বিবেচনার সিদ্ধান্তও হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদও এ সময় সরকারের পরিকল্পনার কথা জানান।

কক্সবাজারের ভূ-প্রকৃতি, বন, পরিবেশ ও সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এলাকাভেদে নির্দিষ্ট দূরত্বের মধ্যে সুউচ্চ ভবন ও অবকাঠামো নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

২০১১-২০৩১ মেয়াদের প্রথম মাস্টারপ্ল্যানে এসব বিধিনিষেধ রাখা হয়। পরে ২০১৬ সালে কক্সডিএ প্রতিষ্ঠিত হলেও আগের মাস্টারপ্ল্যানের শর্ত অনুসরণ করেই নগর উন্নয়নের কাজ চলেছে।

তবে ওই বিধিনিষেধের মধ্যেই আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে কক্সবাজারে বহু হোটেল ও স্থাপনা গড়ে ওঠে। সংশ্লিষ্ট পরিবেশ ও বন আইনও উপেক্ষিত হয়েছে। এসব স্থাপনা অপসারণে কক্সডিএ উদ্যোগ নিলেও সফল হয়নি। পরে পুরনো মাস্টারপ্ল্যান সংশোধন করে নতুন ২০ বছর মেয়াদি মহাপরিকল্পনা তৈরির উদ্যোগ নেয় সরকার।

গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব আবুল বাকের মো. তৌহিদ বলেন, ‘নতুন মাস্টারপ্ল্যানের কাজ শেষ করতে আরও প্রায় এক বছর লাগবে।’

কক্সডিএর উপ-নগর পরিকল্পনাবিদ মো. তানভীর হাসান রেজাউল বলেন, ‘২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত সময় বাড়ানোর আবেদন করা হয়েছে। এবার সৈকতসহ বিভিন্ন এলাকা জোনিং করে মাটি পরীক্ষা করা হয়েছে। বিস্তারিত প্রতিবেদন পাওয়া গেলে নগর উন্নয়ন পরিকল্পনা আরও বিজ্ঞানসম্মত হবে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. হারুন অর রশিদ খান বলেন, ‘উপকূলীয় এলাকায় স্থাপনা নির্মাণের বিষয়টি মাটির প্রকৃতির ওপর নির্ভর করে। তাই মাটি পরীক্ষা ছাড়া চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক হবে না। তবে সুউচ্চ ভবন নির্মাণের উপযোগিতা পাওয়া গেলেও উপকূলীয় পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।’

১৯৯৯ সালে কক্সবাজারের সমুদ্রসৈকতসহ বিভিন্ন এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) ঘোষণা করে সরকার। এসব এলাকায় ভূমি ও পানির প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য পরিবর্তন, দূষণকারী শিল্প স্থাপন, আবাসস্থল ধ্বংস, বন ও গাছপালা কাটা এবং বন্যপ্রাণী শিকারসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ।

অর্থমন্ত্রী বলেন, সীমিত ভূমির দেশে পরিকল্পিত বহুতল উন্নয়ন প্রয়োজন। কক্সবাজারে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, রেল ও সড়ক যোগাযোগসহ বিভিন্ন অবকাঠামোর সমন্বয়ে আধুনিক পর্যটন নগরী গড়ে তোলা হবে। ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্য অর্জনে কক্সবাজারকে অন্যতম প্রবৃদ্ধির কেন্দ্র করার পরিকল্পনা রয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘কক্সবাজারকে পর্যটন ও বাণিজ্যিককেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে। পরিবেশবান্ধব পর্যটন এলাকা, মেরিন ড্রাইভ ও উপকূলীয় এলাকার বিধিনিষেধ পুনর্বিবেচনার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা ও প্রশিক্ষণকেন্দ্র, নিরাপদ পানি, পয়োনিষ্কাশন ও পানি শোধনাগার নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে। আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করে কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক পর্যটন ও বাণিজ্যের প্রবেশদ্বার করার লক্ষ্য সরকারের।’

সূত্র: কালের কন্ঠ

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

মুখস্থনির্ভর শিক্ষা নয়, খেলায় খেলায় শিশুদের শেখাতে হবে : ববি হাজ্জাজ

কক্সবাজারকে এশিয়ার অন্যতম পর্যটনকেন্দ্র করতে চায় সরকার

আপডেট সময় : ১২:১৯:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের সমুদ্রসৈকত ঘিরে গড়ে উঠেছে আধুনিক পর্যটন নগরী। ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরো, যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামি ও পানামা সিটি, স্পেনের বার্সেলোনা, দক্ষিণ কোরিয়ার বুসান, সিঙ্গাপুর ও দুবাই এর বড় উদাহরণ।

এসব নগরীর আদলে কক্সবাজারকে এশিয়ার অন্যতম আঞ্চলিক পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার। এ জন্য ২০ বছর মেয়াদি নতুন মাস্টারপ্ল্যান তৈরির কাজ চলছে।

সম্প্রতি কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কক্সডিএ) এ বিষয়ে মাটি পরীক্ষা করেছে। তবে গবেষণার বিস্তারিত প্রতিবেদন এখনো হাতে পায়নি তারা।

এরই মধ্যে সরকারের দুই মন্ত্রী কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছেন। সরকারের লক্ষ্য, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের পাশাপাশি পর্যটন খাত থেকে বৈদেশিক মুদ্রা আয় বাড়ানো।

গবেষণা বলছে, কক্সবাজার ও কুয়াকাটা অঞ্চলে বালু, পলি ও নরম সামুদ্রিক মাটির আধিক্য রয়েছে। ফলে ৩০ তলা বা তার বেশি ভবন নির্মাণে শক্ত ভারবহনক্ষম স্তর বা শিলা পর্যন্ত গভীর পাইল ফাউন্ডেশন প্রয়োজন হতে পারে।

এতে হাইরাইজ ভবন নির্মাণ অসম্ভব নয়, তবে ব্যয় ও প্রকৌশলগত চ্যালেঞ্জ দুটিই বেশি।
গত ২৩ জুলাই সচিবালয়ে কক্সবাজারের সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান করা হচ্ছে। উপকূলীয় এলাকায় উন্নয়নে ৫০ মিটার ও ৫০০ মিটারের যে বিধিনিষেধ রয়েছে, তা পুনর্বিবেচনার সিদ্ধান্তও হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদও এ সময় সরকারের পরিকল্পনার কথা জানান।

কক্সবাজারের ভূ-প্রকৃতি, বন, পরিবেশ ও সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এলাকাভেদে নির্দিষ্ট দূরত্বের মধ্যে সুউচ্চ ভবন ও অবকাঠামো নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

২০১১-২০৩১ মেয়াদের প্রথম মাস্টারপ্ল্যানে এসব বিধিনিষেধ রাখা হয়। পরে ২০১৬ সালে কক্সডিএ প্রতিষ্ঠিত হলেও আগের মাস্টারপ্ল্যানের শর্ত অনুসরণ করেই নগর উন্নয়নের কাজ চলেছে।

তবে ওই বিধিনিষেধের মধ্যেই আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে কক্সবাজারে বহু হোটেল ও স্থাপনা গড়ে ওঠে। সংশ্লিষ্ট পরিবেশ ও বন আইনও উপেক্ষিত হয়েছে। এসব স্থাপনা অপসারণে কক্সডিএ উদ্যোগ নিলেও সফল হয়নি। পরে পুরনো মাস্টারপ্ল্যান সংশোধন করে নতুন ২০ বছর মেয়াদি মহাপরিকল্পনা তৈরির উদ্যোগ নেয় সরকার।

গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব আবুল বাকের মো. তৌহিদ বলেন, ‘নতুন মাস্টারপ্ল্যানের কাজ শেষ করতে আরও প্রায় এক বছর লাগবে।’

কক্সডিএর উপ-নগর পরিকল্পনাবিদ মো. তানভীর হাসান রেজাউল বলেন, ‘২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত সময় বাড়ানোর আবেদন করা হয়েছে। এবার সৈকতসহ বিভিন্ন এলাকা জোনিং করে মাটি পরীক্ষা করা হয়েছে। বিস্তারিত প্রতিবেদন পাওয়া গেলে নগর উন্নয়ন পরিকল্পনা আরও বিজ্ঞানসম্মত হবে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. হারুন অর রশিদ খান বলেন, ‘উপকূলীয় এলাকায় স্থাপনা নির্মাণের বিষয়টি মাটির প্রকৃতির ওপর নির্ভর করে। তাই মাটি পরীক্ষা ছাড়া চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক হবে না। তবে সুউচ্চ ভবন নির্মাণের উপযোগিতা পাওয়া গেলেও উপকূলীয় পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।’

১৯৯৯ সালে কক্সবাজারের সমুদ্রসৈকতসহ বিভিন্ন এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) ঘোষণা করে সরকার। এসব এলাকায় ভূমি ও পানির প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য পরিবর্তন, দূষণকারী শিল্প স্থাপন, আবাসস্থল ধ্বংস, বন ও গাছপালা কাটা এবং বন্যপ্রাণী শিকারসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ।

অর্থমন্ত্রী বলেন, সীমিত ভূমির দেশে পরিকল্পিত বহুতল উন্নয়ন প্রয়োজন। কক্সবাজারে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, রেল ও সড়ক যোগাযোগসহ বিভিন্ন অবকাঠামোর সমন্বয়ে আধুনিক পর্যটন নগরী গড়ে তোলা হবে। ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্য অর্জনে কক্সবাজারকে অন্যতম প্রবৃদ্ধির কেন্দ্র করার পরিকল্পনা রয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘কক্সবাজারকে পর্যটন ও বাণিজ্যিককেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে। পরিবেশবান্ধব পর্যটন এলাকা, মেরিন ড্রাইভ ও উপকূলীয় এলাকার বিধিনিষেধ পুনর্বিবেচনার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা ও প্রশিক্ষণকেন্দ্র, নিরাপদ পানি, পয়োনিষ্কাশন ও পানি শোধনাগার নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে। আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করে কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক পর্যটন ও বাণিজ্যের প্রবেশদ্বার করার লক্ষ্য সরকারের।’

সূত্র: কালের কন্ঠ