ঢাকা ০৭:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজার পৌরসভাকে সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত করার নির্দেশ, প্রতিবেদন তলব মগনামায় সরকারি খালে ৫৮টি অবৈধ বাঁধ ও জাল অপসারণ নাইক্ষ্যংছড়ি প্রেসক্লাবের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা : পাহাড়ধসের আশংকা সেন্টমার্টিনে ১ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক মহেশখালী চ্যানেলে পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়াই বালু উত্তোলন, ৫০ লাখ টাকা জরিমানা সমিতিপাড়ায় কিশোর সুকান্ত হত্যা মামলার পলাতক আসামি বেলাল গ্রেপ্তার কক্সবাজারে বাধ্যতামূলক মামলা পূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রমের উদ্বোধন ২০২৬ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু নভেম্বরে : আয়োজক বাংলাদেশ দীর্ঘ ১৯ বছর আগেই নিষ্পত্তি হওয়া বিষয়কে ঘিরে নতুন অপপ্রচার: অধ্যক্ষের প্রতিবাদ উখিয়ায় ৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত দীর্ঘদিনের পলাতক আসামি গ্রেপ্তার টেকনাফ সীমান্তে মিয়ানমারের জান্তা বাহিনীর ৩ সদস্য আটক মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আসামি হচ্ছেন মোজাফফর অতিরিক্ত প্রোটিন কি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর? সেই ‘কালো দুপুরের’ এক বছর আজ

উখিয়ার ‘অবৈধ বালি’ ভর্তি তিন ট্রাক টেকনাফে জব্দ – জড়িতদের খুঁজছে বনবিভাগ

কক্সবাজারের উখিয়ার সংরক্ষিত বনাঞ্চলের অবৈধভাবে পাহাড় কেটে বালি-মাটি পাচার করছে সংঘবদ্ধ চক্র।

নানা ইস্যুতে আলোচিত উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নে সম্প্রতি বৃদ্ধি পেয়েছে এই চক্রের তৎপরতা।

কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের অধীনস্থ উখিয়া রেঞ্জের তিনটি বিট এই ইউনিয়নে, যার মধ্যে মোছারখোলা ও থাইংখালী বিট থেকে প্রতিনিয়তই প্রকাশ্যে অনত্র নিয়ে যাওয়া হচ্ছে ট্রাকের পর ট্রাক অবৈধ বালি-মাটি।

২৪ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) দুপুরে পালংখালী থেকে বালি ভর্তি তিনটি মিনি ট্রাক (ডাম্পার) এর পিছু নেয় বনবিভাগের আভিযানিক দল।

দলটির ধাওয়ায় উপজেলার সীমানা অতিক্রম করে পার্শ্ববর্তী টেকনাফের হোয়াইক্যং পৌঁছালে ট্রাকগুলো ফেলে পালিয়ে যায় চক্রের সদস্যরা।

অভিযানের নেতৃত্বে থাকা উখিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা শাহীনুর ইসলাম শাহীন বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ” সংরক্ষিত বনাঞ্চল থেকে অবৈধভাবে বালি উত্তোলন করে পাচারের তথ্য ছিলো, যার ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।”

তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে ‘জব্দ হওয়া প্রায় হাজার ঘনফুটের বালি সরকারি সম্পদ’।

বালি পাচারকারীরা টেকনাফ রেঞ্জের আওতাধীন এলাকায় ট্রাকগুলো রেখে পালিয়ে যাওয়ায় সেগুলো জব্দের পর ঐ রেঞ্জ কার্যালয়ে রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি।

পালংখালীর স্থানীয় সূত্র বলছে, জব্দ হওয়া ট্রাকগুলোর মধ্যে একটির মালিক ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মৃত সোলায়মানের পুত্র সাইফুল ইসলাম ভুট্টো।

অন্য দুটি ট্রাক একই ওয়ার্ডের মৃত মোহাম্মদ ইউসুফ প্রকাশ ইউসুফ সরদারের দুই পুত্র লুৎফুর রহমান ও আলতাজ মিয়ার বলে জানা গেছে।

এঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে বন আইনের নির্দিষ্ট ধারায় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন উখিয়া রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজার পৌরসভাকে সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত করার নির্দেশ, প্রতিবেদন তলব

উখিয়ার ‘অবৈধ বালি’ ভর্তি তিন ট্রাক টেকনাফে জব্দ – জড়িতদের খুঁজছে বনবিভাগ

আপডেট সময় : ০৩:৩১:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

কক্সবাজারের উখিয়ার সংরক্ষিত বনাঞ্চলের অবৈধভাবে পাহাড় কেটে বালি-মাটি পাচার করছে সংঘবদ্ধ চক্র।

নানা ইস্যুতে আলোচিত উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নে সম্প্রতি বৃদ্ধি পেয়েছে এই চক্রের তৎপরতা।

কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের অধীনস্থ উখিয়া রেঞ্জের তিনটি বিট এই ইউনিয়নে, যার মধ্যে মোছারখোলা ও থাইংখালী বিট থেকে প্রতিনিয়তই প্রকাশ্যে অনত্র নিয়ে যাওয়া হচ্ছে ট্রাকের পর ট্রাক অবৈধ বালি-মাটি।

২৪ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) দুপুরে পালংখালী থেকে বালি ভর্তি তিনটি মিনি ট্রাক (ডাম্পার) এর পিছু নেয় বনবিভাগের আভিযানিক দল।

দলটির ধাওয়ায় উপজেলার সীমানা অতিক্রম করে পার্শ্ববর্তী টেকনাফের হোয়াইক্যং পৌঁছালে ট্রাকগুলো ফেলে পালিয়ে যায় চক্রের সদস্যরা।

অভিযানের নেতৃত্বে থাকা উখিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা শাহীনুর ইসলাম শাহীন বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ” সংরক্ষিত বনাঞ্চল থেকে অবৈধভাবে বালি উত্তোলন করে পাচারের তথ্য ছিলো, যার ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।”

তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে ‘জব্দ হওয়া প্রায় হাজার ঘনফুটের বালি সরকারি সম্পদ’।

বালি পাচারকারীরা টেকনাফ রেঞ্জের আওতাধীন এলাকায় ট্রাকগুলো রেখে পালিয়ে যাওয়ায় সেগুলো জব্দের পর ঐ রেঞ্জ কার্যালয়ে রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি।

পালংখালীর স্থানীয় সূত্র বলছে, জব্দ হওয়া ট্রাকগুলোর মধ্যে একটির মালিক ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মৃত সোলায়মানের পুত্র সাইফুল ইসলাম ভুট্টো।

অন্য দুটি ট্রাক একই ওয়ার্ডের মৃত মোহাম্মদ ইউসুফ প্রকাশ ইউসুফ সরদারের দুই পুত্র লুৎফুর রহমান ও আলতাজ মিয়ার বলে জানা গেছে।

এঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে বন আইনের নির্দিষ্ট ধারায় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন উখিয়া রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা।