ঢাকা ০৩:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে কক্সবাজারের ১৭৩ আইনজীবীর জাতিসংঘে আবেদন  মেয়েদের শিক্ষা হবে ‘ডিগ্রি পর্যন্ত ফ্রি’, আসছে ‘এলপিজি কার্ড’: প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতি রোধে কক্সবাজারে ৫০ কর্মকর্তা-কর্মচারীর বদলি, পছন্দের পদে ফেরাতে তদবিরে সক্রিয় অসাধুরা নির্মাণ শ্রমিককে চাপা দিয়ে পালানো পিকআপ ৩০ কিমি পর জব্দ ‘অখণ্ড ভারতের অবিসংবাদিত নেতা ছিলেন এ কে ফজলুল হক’ গর্জনিয়া বাজারে রাজস্ব ‘গায়েব’ – অ্যাডভোকেট স্বপ্নাকে জেলা বারের সংবর্ধনা: সকলকে সাথে নিয়ে কাজ করার প্রতিশ্রুতি টেকনাফে ১৪ হাজার ইয়াবাসহ কারবারি আটক বিজিবি দেখে ২৮২ রাউন্ড তাজা গুলি ফেলে পালাল দুষ্কৃতকারীরা ইংরেজি প্রথম পত্রে নকলের অভিযোগ, কক্সবাজারে ৩ শিক্ষার্থী বহিষ্কার রামুর রাজারকুলে এপেক্সিয়ান আবুল কায়সারের সৌজন্যে ফ্রি চক্ষু ক্যাম্প টেকনাফে অপহরণ ও চাঁদাবাজি মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার কক্সবাজার সিটি কলেজ জাতীয়করণের দাবিতে ছাত্রদলের স্মারকলিপি পাহাড় কেটে বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র নির্মাণ ! পাচারকারীর ফেলে যাওয়া বস্তায় মিললো বিপুল ইয়াবা
প্রসিকিউটরের আইনি ব্যাখ্যা

আপিল না করলে গ্রেফতার হলেই ফাঁসি কার্যকর

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। ৩০ দিনের মধ্যে আপিল না করলে গ্রেফতার হওয়া মাত্রই রায় কার্যকর হবে। মঙ্গলবার দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামীম এ তথ্য জানান।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সোমবার শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানকে মৃত্যুদণ্ড দেন ট্রাইব্যুনাল-১। একই মামলার অ্যাপ্রুভার বা রাজসাক্ষী পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুনকে ৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ট্রাইব্যুনাল আইনের ২১ নম্বর ধারায় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের আপিলের অধিকার দেওয়া হয়েছে। এই ধারার ৩ উপধারায় বলা হয়েছে-‘দণ্ড ও সাজা প্রদান অথবা খালাস অথবা কোনো সাজা দেওয়ার তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। এই সময়সীমা (রায় দেওয়ার ৩০ দিন পর) অতিক্রান্ত হওয়ার পর কোনো আপিল গ্রহণযোগ্য হবে না। আর ২১ নম্বর ধারার ৪ উপধারায় বলা হয়েছে, আপিল করার তারিখ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে তা নিষ্পত্তি করতে হবে।’

সাংবাদিকরা জানতে চান, শেখ হাসিনা যদি ৩০ দিনের মধ্যে না আসেন বা ৩ মাস পরে আসেন সে ক্ষেত্রে আপিলের নিয়মটা কী হবে? জবাবে প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার বলেন, দেশে ফৌজদারি বিচারব্যবস্থায় দুটি পদ্ধতি আছে। একটা হলো যেসব আইনে আপিলের সময়সীমা উল্লেখ নেই, সে ক্ষেত্রে আপিলের সময়সীমা নির্ধারণ হয় তামাদি আইন অনুযায়ী। তামাদি আইন অনুযায়ী, যেসব আপিলের সময় সীমা নির্ধারণ হয়, সেখানে আপিলের সময় পেরিয়ে গেলেও তামাদি আইনের ৫ ধারা অনুসারে ডিলে কন্ডোনেশনের (বিলম্ব মার্জনার আবেদন) সুযোগ আছে; অর্থাৎ দণ্ডবিধিতে যদি কাউকে শাস্তি দেওয়া হয়, তিনি নির্ধারিত সময়ে আপিল না করলেও পরে এসে আপিলের জন্য বিলম্ব মওকুফের জন্য আবেদন করতে পারেন। কিন্তু বিশেষ আইনগুলোতে যেখানে আপিলের সময় আইনের মধ্যে বলা আছে, সে ক্ষেত্রে এই সময়সীমা পেরিয়ে গেলে বিলম্ব মার্জনার কোনো সুযোগ নেই। অর্থাৎ এই ৩০ দিন পার হয়ে গেলে ক্ষমা (বিলম্ব মাজর্না) করার আবেদন করতেই আর কোনো সুযোগ পাবেন না। সরকার এটি তখন কার্যকর করবে।

যা করার এই ৩০ দিনের মধ্যেই শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান কামালকে করতে হবে কিনা জানতে চাইলে প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার বলেন, ‘আইন অনুযায়ী তা-ই হবে। ৩০ দিন পার হয়ে গেলে তারা গ্রেফতার হলেই রায় কার্যকর হবে।’

আরেক প্রশ্নের জবাবে প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার বলেন, আপিল বিভাগের একটা অথরিটি (কর্তৃত্ব) আছে কমপ্লিট জাস্টিস (পূর্ণ) করা। আইনে পরিষ্কার করা আছে, যদি কোনো বিশেষ আইনে আপিলের সময়সীমা নির্ধারণ করা থাকে, সেটি পার হয়ে গেলে আর এই বিলম্ব সময় মওকুফ করা হবে না।

সাবেক আইজিপি মামুন জামিনের আবেদন করতে পারবেন কিনা জানতে চাইলে প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার বলেন, ট্রাইব্যুনালে তারা (দণ্ডপ্রাপ্তরা) আর কেউ কিছু চাইতে পারবেন না। ট্রাইব্যুনালের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক শেষ। এখন ট্রাইব্যুনালের কাছে তারা শুধু এই মামলার সার্টিফাইড কপি চাইতে পারবেন। সাক্ষীর জবানবন্দির সার্টিফাইড কপি চাইতে পারবেন বা যেসব নথি আছে, তা চাইতে পারবেন। তারা এখন যত চাওয়া, তা নিয়ে ৩০ দিনের মধ্যে আপিল বিভাগে আপিল করতে পারবেন। আপিল ফাইলিং অবস্থায় জামিন চাইতে পারবেন।

সাবেক আইজিপি মামুনের ৫ বছরের কারাদণ্ডের সাজায় জুলাই যোদ্ধা ও তাদের পরিবারের সদস্যরা অসন্তুষ্ট। তারা এর বিরুদ্ধে আপিল করবেন। গাজী মোনাওয়ার বলেন, তারা যদি চান, আইন অনুযায়ী ৩০ দিনের মধ্যে আপিল বিভাগে যেতে পারবেন।

পলাতক হাসিনা-কামালকে ফেরাতে ইন্টারপোলে যাবে ‘কনভিকশন ওয়ারেন্ট’ : প্রসিকিউটর তামিম জানান, ট্রাইব্যুনালের ইতিহাসে এ প্রথম এমন কম্পেনসেশনের রায় দেওয়া হয়েছে। এখন এ রায়ের কপি জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে গেলে তারা সিদ্ধান্ত নেবেন যে, এর কোন অংশ কিভাবে কার্যকর করবেন। তবে পলাতক দুই আসামির বিরুদ্ধে আগেই একটি গ্রেফতারি পরোয়োনাসহ রেড নোটিশ জারির আবেদন করা আছে। এখন গ্রেফতারি পরোয়ানার বদলে কনভিকশন ওয়ারেন্ট বা সাজার পরোয়ানামূলে ইন্টারপোলে আরেকটি নোটিশ জারির জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হবে। তাদের মাধ্যমে এটা ইন্টারপোলে যাবে। এ নিয়ে এরই মধ্যে কাজ শুরু করেছে প্রসিকিউশন।

তিনি বলেন, পুনর্গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রথম রায় ঘোষণা হয়েছে গতকাল (সোমবার)। এ রায়ের একটি সার্টিফাইড কপি পাবে প্রসিকিউশন। একই সঙ্গে গ্রেফতার আসামিও পাবেন। এছাড়া পলাতকরা যদি ৩০ দিনের মধ্যে আত্মসমর্পণ বা গ্রেফতার হন তাহলে তারাও একটি কপি পাবেন বিনামূল্য। এটার কার্যকারিতার জন্য এ রায়ের আরেকটি কপি জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তথা ঢাকার জেলা প্রশাসকের কাছে যাবে। এসব রায়ের শেষে উল্লেখ রয়েছে।

সূত্র: যুগান্তর

 

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে কক্সবাজারের ১৭৩ আইনজীবীর জাতিসংঘে আবেদন 

প্রসিকিউটরের আইনি ব্যাখ্যা

আপিল না করলে গ্রেফতার হলেই ফাঁসি কার্যকর

আপডেট সময় : ১২:৪১:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। ৩০ দিনের মধ্যে আপিল না করলে গ্রেফতার হওয়া মাত্রই রায় কার্যকর হবে। মঙ্গলবার দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামীম এ তথ্য জানান।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সোমবার শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানকে মৃত্যুদণ্ড দেন ট্রাইব্যুনাল-১। একই মামলার অ্যাপ্রুভার বা রাজসাক্ষী পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুনকে ৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ট্রাইব্যুনাল আইনের ২১ নম্বর ধারায় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের আপিলের অধিকার দেওয়া হয়েছে। এই ধারার ৩ উপধারায় বলা হয়েছে-‘দণ্ড ও সাজা প্রদান অথবা খালাস অথবা কোনো সাজা দেওয়ার তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। এই সময়সীমা (রায় দেওয়ার ৩০ দিন পর) অতিক্রান্ত হওয়ার পর কোনো আপিল গ্রহণযোগ্য হবে না। আর ২১ নম্বর ধারার ৪ উপধারায় বলা হয়েছে, আপিল করার তারিখ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে তা নিষ্পত্তি করতে হবে।’

সাংবাদিকরা জানতে চান, শেখ হাসিনা যদি ৩০ দিনের মধ্যে না আসেন বা ৩ মাস পরে আসেন সে ক্ষেত্রে আপিলের নিয়মটা কী হবে? জবাবে প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার বলেন, দেশে ফৌজদারি বিচারব্যবস্থায় দুটি পদ্ধতি আছে। একটা হলো যেসব আইনে আপিলের সময়সীমা উল্লেখ নেই, সে ক্ষেত্রে আপিলের সময়সীমা নির্ধারণ হয় তামাদি আইন অনুযায়ী। তামাদি আইন অনুযায়ী, যেসব আপিলের সময় সীমা নির্ধারণ হয়, সেখানে আপিলের সময় পেরিয়ে গেলেও তামাদি আইনের ৫ ধারা অনুসারে ডিলে কন্ডোনেশনের (বিলম্ব মার্জনার আবেদন) সুযোগ আছে; অর্থাৎ দণ্ডবিধিতে যদি কাউকে শাস্তি দেওয়া হয়, তিনি নির্ধারিত সময়ে আপিল না করলেও পরে এসে আপিলের জন্য বিলম্ব মওকুফের জন্য আবেদন করতে পারেন। কিন্তু বিশেষ আইনগুলোতে যেখানে আপিলের সময় আইনের মধ্যে বলা আছে, সে ক্ষেত্রে এই সময়সীমা পেরিয়ে গেলে বিলম্ব মার্জনার কোনো সুযোগ নেই। অর্থাৎ এই ৩০ দিন পার হয়ে গেলে ক্ষমা (বিলম্ব মাজর্না) করার আবেদন করতেই আর কোনো সুযোগ পাবেন না। সরকার এটি তখন কার্যকর করবে।

যা করার এই ৩০ দিনের মধ্যেই শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান কামালকে করতে হবে কিনা জানতে চাইলে প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার বলেন, ‘আইন অনুযায়ী তা-ই হবে। ৩০ দিন পার হয়ে গেলে তারা গ্রেফতার হলেই রায় কার্যকর হবে।’

আরেক প্রশ্নের জবাবে প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার বলেন, আপিল বিভাগের একটা অথরিটি (কর্তৃত্ব) আছে কমপ্লিট জাস্টিস (পূর্ণ) করা। আইনে পরিষ্কার করা আছে, যদি কোনো বিশেষ আইনে আপিলের সময়সীমা নির্ধারণ করা থাকে, সেটি পার হয়ে গেলে আর এই বিলম্ব সময় মওকুফ করা হবে না।

সাবেক আইজিপি মামুন জামিনের আবেদন করতে পারবেন কিনা জানতে চাইলে প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার বলেন, ট্রাইব্যুনালে তারা (দণ্ডপ্রাপ্তরা) আর কেউ কিছু চাইতে পারবেন না। ট্রাইব্যুনালের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক শেষ। এখন ট্রাইব্যুনালের কাছে তারা শুধু এই মামলার সার্টিফাইড কপি চাইতে পারবেন। সাক্ষীর জবানবন্দির সার্টিফাইড কপি চাইতে পারবেন বা যেসব নথি আছে, তা চাইতে পারবেন। তারা এখন যত চাওয়া, তা নিয়ে ৩০ দিনের মধ্যে আপিল বিভাগে আপিল করতে পারবেন। আপিল ফাইলিং অবস্থায় জামিন চাইতে পারবেন।

সাবেক আইজিপি মামুনের ৫ বছরের কারাদণ্ডের সাজায় জুলাই যোদ্ধা ও তাদের পরিবারের সদস্যরা অসন্তুষ্ট। তারা এর বিরুদ্ধে আপিল করবেন। গাজী মোনাওয়ার বলেন, তারা যদি চান, আইন অনুযায়ী ৩০ দিনের মধ্যে আপিল বিভাগে যেতে পারবেন।

পলাতক হাসিনা-কামালকে ফেরাতে ইন্টারপোলে যাবে ‘কনভিকশন ওয়ারেন্ট’ : প্রসিকিউটর তামিম জানান, ট্রাইব্যুনালের ইতিহাসে এ প্রথম এমন কম্পেনসেশনের রায় দেওয়া হয়েছে। এখন এ রায়ের কপি জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে গেলে তারা সিদ্ধান্ত নেবেন যে, এর কোন অংশ কিভাবে কার্যকর করবেন। তবে পলাতক দুই আসামির বিরুদ্ধে আগেই একটি গ্রেফতারি পরোয়োনাসহ রেড নোটিশ জারির আবেদন করা আছে। এখন গ্রেফতারি পরোয়ানার বদলে কনভিকশন ওয়ারেন্ট বা সাজার পরোয়ানামূলে ইন্টারপোলে আরেকটি নোটিশ জারির জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হবে। তাদের মাধ্যমে এটা ইন্টারপোলে যাবে। এ নিয়ে এরই মধ্যে কাজ শুরু করেছে প্রসিকিউশন।

তিনি বলেন, পুনর্গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রথম রায় ঘোষণা হয়েছে গতকাল (সোমবার)। এ রায়ের একটি সার্টিফাইড কপি পাবে প্রসিকিউশন। একই সঙ্গে গ্রেফতার আসামিও পাবেন। এছাড়া পলাতকরা যদি ৩০ দিনের মধ্যে আত্মসমর্পণ বা গ্রেফতার হন তাহলে তারাও একটি কপি পাবেন বিনামূল্য। এটার কার্যকারিতার জন্য এ রায়ের আরেকটি কপি জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তথা ঢাকার জেলা প্রশাসকের কাছে যাবে। এসব রায়ের শেষে উল্লেখ রয়েছে।

সূত্র: যুগান্তর