ঢাকা ০৪:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রামুর রাজারকুলে এপেক্সিয়ান আবুল কায়সারের সৌজন্যে ফ্রি চক্ষু ক্যাম্প টেকনাফে অপহরণ ও চাঁদাবাজি মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার কক্সবাজার সিটি কলেজ জাতীয়করণের দাবিতে ছাত্রদলের স্মারকলিপি পাহাড় কেটে বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র নির্মাণ ! পাচারকারীর ফেলে যাওয়া বস্তায় মিললো বিপুল ইয়াবা প্রতিহিংসাবশত কারও বিরুদ্ধে রাজনৈতিক মামলা এই মাটিতে হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী টুয়াকের নতুন নেতৃত্ব: সভাপতি আনোয়ার কামাল ও সাধারণ সম্পাদক আকতার নূর মহেশখালীর ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ডাকাত ‘ফজল’ র‍্যাবের কব্জায় টেকনাফে অপহরণ ও চাঁদাবাজি মামলার পলাতক আসামি ‘ল্যাংড়া রাসেল’ গ্রেফতার টেকনাফে মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার কক্সবাজারে ২১ মামলার আসামি ‘কলিম ডাকাত’ গ্রেপ্তার ঘুষ মামলার আসামি অনিক দে’র ‘ভালো পোস্টিং’: স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন টেকনাফে নতুন ৫টি ইউনিয়ন করার উদ্যোগ: এমপি শাহজাহান চৌধুরীর সুপারিশে জেলা প্রশাসনের নির্দেশ ইয়াবাসহ তিন নারী আটক নয়ন সাধুকে হত্যার প্রতিবাদে কক্সবাজারে পূজা উদযাপন পরিষদের বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল

পাচারকারীর ফেলে যাওয়া বস্তায় মিললো বিপুল ইয়াবা

কক্সবাজারের উখিয়া সীমান্তে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে বস্তাবন্দি অবস্থায় বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। পাচারকারীর ফেলে যাওয়া ওই বস্তা থেকে ১ লাখ ৪০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়G

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) পালংখালী সীমান্তে অভিযান চালায়। অভিযানে পালংখালী বিওপির একটি বিশেষ টহলদল দায়িত্বপূর্ণ বাহারপাড়া গুইজা খাল এলাকায় অবস্থান নেয়। রাত আনুমানিক পৌনে ৯টার দিকে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে থাকা এক সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে বিজিবি সদস্যরা তাকে চ্যালেঞ্জ করে। এ সময় বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে ওই ব্যক্তি তার সঙ্গে থাকা একটি বস্তা ফেলে দ্রুত সীমান্ত পেরিয়ে মিয়ানমারের ভেতরে পালিয়ে যায়।

পরে ঘটনাস্থল তল্লাশি করে ফেলে যাওয়া প্লাস্টিকের বস্তার ভেতর খাকী রঙের মোড়কে প্যাকেট পাওয়া যায়। এসব প্যাকেটের ভেতরে নীল রঙের বায়ুরোধী পলিথিনে রাখা মোট ১ লাখ ৪০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

এ বিষয়ে উখিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, “পালিয়ে যাওয়া মাদক কারবারিকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

এদিকে, সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে সাম্প্রতিক সময়ে মাদক পাচারের প্রবণতা বাড়ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে রাতের আঁধারে সীমান্ত পেরিয়ে ইয়াবা পাচারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। তবে নিয়মিত অভিযান জোরদার করায় অনেক ক্ষেত্রে পাচারকারীরা মালামাল ফেলে পালাতে বাধ্য হচ্ছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

রামুর রাজারকুলে এপেক্সিয়ান আবুল কায়সারের সৌজন্যে ফ্রি চক্ষু ক্যাম্প

পাচারকারীর ফেলে যাওয়া বস্তায় মিললো বিপুল ইয়াবা

আপডেট সময় : ০৩:৩৩:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

কক্সবাজারের উখিয়া সীমান্তে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে বস্তাবন্দি অবস্থায় বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। পাচারকারীর ফেলে যাওয়া ওই বস্তা থেকে ১ লাখ ৪০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়G

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) পালংখালী সীমান্তে অভিযান চালায়। অভিযানে পালংখালী বিওপির একটি বিশেষ টহলদল দায়িত্বপূর্ণ বাহারপাড়া গুইজা খাল এলাকায় অবস্থান নেয়। রাত আনুমানিক পৌনে ৯টার দিকে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে থাকা এক সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে বিজিবি সদস্যরা তাকে চ্যালেঞ্জ করে। এ সময় বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে ওই ব্যক্তি তার সঙ্গে থাকা একটি বস্তা ফেলে দ্রুত সীমান্ত পেরিয়ে মিয়ানমারের ভেতরে পালিয়ে যায়।

পরে ঘটনাস্থল তল্লাশি করে ফেলে যাওয়া প্লাস্টিকের বস্তার ভেতর খাকী রঙের মোড়কে প্যাকেট পাওয়া যায়। এসব প্যাকেটের ভেতরে নীল রঙের বায়ুরোধী পলিথিনে রাখা মোট ১ লাখ ৪০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

এ বিষয়ে উখিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, “পালিয়ে যাওয়া মাদক কারবারিকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

এদিকে, সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে সাম্প্রতিক সময়ে মাদক পাচারের প্রবণতা বাড়ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে রাতের আঁধারে সীমান্ত পেরিয়ে ইয়াবা পাচারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। তবে নিয়মিত অভিযান জোরদার করায় অনেক ক্ষেত্রে পাচারকারীরা মালামাল ফেলে পালাতে বাধ্য হচ্ছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।