ঢাকা ১১:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিদেশি হস্তক্ষেপের বিরোধিতায় বাংলাদেশের পাশে আছে চীন : রাষ্ট্রদূত মিয়ানমারে সংঘর্ষ : সতর্ক অবস্থানে বিজিবি,ড্রোন দিয়ে নজরদারি কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হলেন ডা. মোহাম্মদ মুজিবুল হক মাদক মামলার ২ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি মোরশেদ গ্রেফতার টেকনাফে বিজিবির অভিযান, বিপুল পরিমাণ আইস ও আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার সৈকতের বালুচরে ছুটছে ‘মেসি’, স্বপ্নে আর্জেন্টিনার শিরোপা লঘুচাপের প্রভাবে উত্তাল হতে পারে সাগর, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত কক্সবাজারসহ সারা দেশে নজরুল বর্ষ ২০২৬-২০২৭ পালন উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারে ১৯ শিশুর প্রাণ কেড়ে নিয়ে কমছে হামে আক্রান্ত শিশুদের সংখ্যা ঈদগাঁওতে চার সন্তানের মায়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার দ্বিতীয় বিয়ে করায় স্বামীকে হত্যার পর ৬ টুকরো, স্ত্রীকে মৃত্যুদণ্ড শিক্ষকরা নির্বাচন করতে চাইলে চাকরি ছাড়তে হবে: শিক্ষামন্ত্রী কক্সবাজারে পাঁচ মাসে ৫৩ হত্যা, ৭ ডাকাতি, ১৪ ছিনতাই টেন হেডেড মাইক্রোস্কোপ ক্যান্সার নির্ণয়ে আরও ভূমিকা রাখবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে নজরুল বর্ষ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও আলোর মূখ দেখেনি উখিয়ারঘোনা-গর্জনিয়া সড়ক : লাখো মানুষের ভোগান্তি

স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও আলোর মূখ দেখেনি রামুর উখিয়ারঘোনা-গর্জনিয়া সড়ক। ১১ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সম্ভাবনাময় সড়কের কিছু অংশ পাকা হলেও, এখনও পাহাড়ি এলাকাসহ ৩ কিলোমিটার অংশ কাঁচা ও চলাচলের অনুপযোগী অবস্থায় রয়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থার এই ধীরগতির কারণে স্থানীয়দের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

পাশাপাশি দুর্গম গর্জনিয়া, কচ্ছপিয়া, ঈদগড় ও বাইশারী এলাকার উৎপাদিত বিপুল পরিমাণ কৃষিপণ্য সহজে রামু ও কক্সবাজার সদরে সরবরাহ করা কঠিন হয়ে পড়ছে।

সরেজমিনে দেখা যায়- রাস্তাটি সম্পূর্ণ নির্মিত হলে রামু সদরে যাতায়াতের দূরত্ব প্রায় ১০ কিলোমিটার কমে আসবে। বর্তমানে বিকল্প দীর্ঘ ২০ কিলোমিটার পথ ঘুরে পার্বত্য নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা হয়ে যাতায়াত করতে হয়। যার ফলে স্থানীয়দের অতিরিক্ত সময় এবং ভাড়া গুনতে হচ্ছে। কৃষক ও ব্যবসায়ীদের দিতে হচ্ছে পার্বত্য টেক্সও।

স্থানীয় প্রবীন ব্যাক্তিরা জানিয়েছেন- বৃহত্তর গর্জনিয়ার প্রয়াত চেয়ারম্যান ইসলাম মিয়া চৌধুরী দেশ স্বাধীনের পূর্বেই অনুধাবন করেছিলেন রামুর উখিয়ারঘোনা-গর্জনিয়া সড়কের গুরুত্ব। সেই সময় কাজও শুরু করেছিলেন তিনি। কিন্তু ১৯৬৬ সালে আঁতাতায়ীর গুলিতে ইসলাম মিয়া চৌধুরী মারা গেলে সড়কের কাজ থেমে যায়। স্বাধীনতার পর তৈয়ব উল্লাহ চৌধুরী গর্জনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে এ সড়কের কাজে আবারও হাত দেন। কিন্তু নানা জটিলতায় তিনিও সড়কের কাজটি কাঙ্খিতভাবে সম্পন্ন করতে পারেননি।

রামু উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ফজলুল্লাহ মোহাম্মদ হাসান জানিয়েছেন- রামু খিজারি হাইস্কুল মাঠে জনসভায় ১৯৭৯ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান রামুর উখিয়ারঘোনা-গর্জনিয়া সড়ক পাকাকরণের জন্য তৎকালীন এক কোটি টাকা ঘোষণা করেছিলেন। যা বর্তমান সময়ে এসে দাঁড়ায় ৩০ কোটির উপরে। সেই ঘোষণাটি এখন বাস্তবায়নের সময় এসেছে।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এবং উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুর্গম অংশ ও পাহাড়ি এলাকা সংস্কারের জন্য বিশেষ প্রকল্প প্রস্তাব পাঠানো হলেও পুরোপুরি বাস্তবায়নের অনুমতির অপেক্ষায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

বিদেশি হস্তক্ষেপের বিরোধিতায় বাংলাদেশের পাশে আছে চীন : রাষ্ট্রদূত

স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও আলোর মূখ দেখেনি উখিয়ারঘোনা-গর্জনিয়া সড়ক : লাখো মানুষের ভোগান্তি

আপডেট সময় : ০১:৪৮:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও আলোর মূখ দেখেনি রামুর উখিয়ারঘোনা-গর্জনিয়া সড়ক। ১১ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সম্ভাবনাময় সড়কের কিছু অংশ পাকা হলেও, এখনও পাহাড়ি এলাকাসহ ৩ কিলোমিটার অংশ কাঁচা ও চলাচলের অনুপযোগী অবস্থায় রয়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থার এই ধীরগতির কারণে স্থানীয়দের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

পাশাপাশি দুর্গম গর্জনিয়া, কচ্ছপিয়া, ঈদগড় ও বাইশারী এলাকার উৎপাদিত বিপুল পরিমাণ কৃষিপণ্য সহজে রামু ও কক্সবাজার সদরে সরবরাহ করা কঠিন হয়ে পড়ছে।

সরেজমিনে দেখা যায়- রাস্তাটি সম্পূর্ণ নির্মিত হলে রামু সদরে যাতায়াতের দূরত্ব প্রায় ১০ কিলোমিটার কমে আসবে। বর্তমানে বিকল্প দীর্ঘ ২০ কিলোমিটার পথ ঘুরে পার্বত্য নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা হয়ে যাতায়াত করতে হয়। যার ফলে স্থানীয়দের অতিরিক্ত সময় এবং ভাড়া গুনতে হচ্ছে। কৃষক ও ব্যবসায়ীদের দিতে হচ্ছে পার্বত্য টেক্সও।

স্থানীয় প্রবীন ব্যাক্তিরা জানিয়েছেন- বৃহত্তর গর্জনিয়ার প্রয়াত চেয়ারম্যান ইসলাম মিয়া চৌধুরী দেশ স্বাধীনের পূর্বেই অনুধাবন করেছিলেন রামুর উখিয়ারঘোনা-গর্জনিয়া সড়কের গুরুত্ব। সেই সময় কাজও শুরু করেছিলেন তিনি। কিন্তু ১৯৬৬ সালে আঁতাতায়ীর গুলিতে ইসলাম মিয়া চৌধুরী মারা গেলে সড়কের কাজ থেমে যায়। স্বাধীনতার পর তৈয়ব উল্লাহ চৌধুরী গর্জনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে এ সড়কের কাজে আবারও হাত দেন। কিন্তু নানা জটিলতায় তিনিও সড়কের কাজটি কাঙ্খিতভাবে সম্পন্ন করতে পারেননি।

রামু উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ফজলুল্লাহ মোহাম্মদ হাসান জানিয়েছেন- রামু খিজারি হাইস্কুল মাঠে জনসভায় ১৯৭৯ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান রামুর উখিয়ারঘোনা-গর্জনিয়া সড়ক পাকাকরণের জন্য তৎকালীন এক কোটি টাকা ঘোষণা করেছিলেন। যা বর্তমান সময়ে এসে দাঁড়ায় ৩০ কোটির উপরে। সেই ঘোষণাটি এখন বাস্তবায়নের সময় এসেছে।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এবং উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুর্গম অংশ ও পাহাড়ি এলাকা সংস্কারের জন্য বিশেষ প্রকল্প প্রস্তাব পাঠানো হলেও পুরোপুরি বাস্তবায়নের অনুমতির অপেক্ষায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন।