ঢাকা ০৪:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উখিয়ায় পুলিশের প্রচেষ্টায় নিখোঁজের এক মাস পর অ’প’হৃ’ত দুই শিশু উদ্ধার টেকনাফ সদর বিভক্তি: ‘উপকূলীয় ইউনিয়ন’ নাম প্রস্তাব নিয়ে স্থানীয়দের তীব্র ক্ষোভ কক্সবাজারে এসএসসির চেয়ে দাখিল-ভোকেশনালে পাসের হার বেশি কক্সবাজারে ডাবল মার্ডারের আসামি সাদ্দাম গ্রেপ্তার কক্সবাজার জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত উদ্বোধনের অপেক্ষায় পেকুয়ার নোয়াখালী সেতু, স্বস্তিতে কয়েক হাজার মানুষ রামুতে মায়ের হাতে ২ মাসের শিশু জবাই : মা আটক আলোচিত শিশু আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা : হাইকোর্টে আপিল শুনানি শুরু হাসিনার প্রত্যর্পণ প্রশ্নের সমাধান ছাড়া ভারতের সঙ্গে স্বাভাবিক সম্পর্কের উদ্যোগ গ্রহণযোগ্য নয়: নাহিদ ইসলাম ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সাগরে লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস সোনার ভরি ২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা ছাড়াল আগামী ১২ আগস্ট বিরল পূর্ণ সূর্যগ্রহণের সাক্ষী হতে চলেছে বিশ্ব সমুদ্র শহরের ‘চন্দন ডাক্তার’কে হারানোর এক বছর, আজ প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী এসএসসিতে কক্সবাজার জেলায় প্রথম নাবিহা নওরিন কক্সবাজারে এসএসসির ফলে ছেলেদের পেছনে ফেলে মেয়েরা এগিয়ে

স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও আলোর মূখ দেখেনি উখিয়ারঘোনা-গর্জনিয়া সড়ক : লাখো মানুষের ভোগান্তি

স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও আলোর মূখ দেখেনি রামুর উখিয়ারঘোনা-গর্জনিয়া সড়ক। ১১ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সম্ভাবনাময় সড়কের কিছু অংশ পাকা হলেও, এখনও পাহাড়ি এলাকাসহ ৩ কিলোমিটার অংশ কাঁচা ও চলাচলের অনুপযোগী অবস্থায় রয়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থার এই ধীরগতির কারণে স্থানীয়দের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

পাশাপাশি দুর্গম গর্জনিয়া, কচ্ছপিয়া, ঈদগড় ও বাইশারী এলাকার উৎপাদিত বিপুল পরিমাণ কৃষিপণ্য সহজে রামু ও কক্সবাজার সদরে সরবরাহ করা কঠিন হয়ে পড়ছে।

সরেজমিনে দেখা যায়- রাস্তাটি সম্পূর্ণ নির্মিত হলে রামু সদরে যাতায়াতের দূরত্ব প্রায় ১০ কিলোমিটার কমে আসবে। বর্তমানে বিকল্প দীর্ঘ ২০ কিলোমিটার পথ ঘুরে পার্বত্য নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা হয়ে যাতায়াত করতে হয়। যার ফলে স্থানীয়দের অতিরিক্ত সময় এবং ভাড়া গুনতে হচ্ছে। কৃষক ও ব্যবসায়ীদের দিতে হচ্ছে পার্বত্য টেক্সও।

স্থানীয় প্রবীন ব্যাক্তিরা জানিয়েছেন- বৃহত্তর গর্জনিয়ার প্রয়াত চেয়ারম্যান ইসলাম মিয়া চৌধুরী দেশ স্বাধীনের পূর্বেই অনুধাবন করেছিলেন রামুর উখিয়ারঘোনা-গর্জনিয়া সড়কের গুরুত্ব। সেই সময় কাজও শুরু করেছিলেন তিনি। কিন্তু ১৯৬৬ সালে আঁতাতায়ীর গুলিতে ইসলাম মিয়া চৌধুরী মারা গেলে সড়কের কাজ থেমে যায়। স্বাধীনতার পর তৈয়ব উল্লাহ চৌধুরী গর্জনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে এ সড়কের কাজে আবারও হাত দেন। কিন্তু নানা জটিলতায় তিনিও সড়কের কাজটি কাঙ্খিতভাবে সম্পন্ন করতে পারেননি।

রামু উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ফজলুল্লাহ মোহাম্মদ হাসান জানিয়েছেন- রামু খিজারি হাইস্কুল মাঠে জনসভায় ১৯৭৯ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান রামুর উখিয়ারঘোনা-গর্জনিয়া সড়ক পাকাকরণের জন্য তৎকালীন এক কোটি টাকা ঘোষণা করেছিলেন। যা বর্তমান সময়ে এসে দাঁড়ায় ৩০ কোটির উপরে। সেই ঘোষণাটি এখন বাস্তবায়নের সময় এসেছে।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এবং উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুর্গম অংশ ও পাহাড়ি এলাকা সংস্কারের জন্য বিশেষ প্রকল্প প্রস্তাব পাঠানো হলেও পুরোপুরি বাস্তবায়নের অনুমতির অপেক্ষায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

উখিয়ায় পুলিশের প্রচেষ্টায় নিখোঁজের এক মাস পর অ’প’হৃ’ত দুই শিশু উদ্ধার

স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও আলোর মূখ দেখেনি উখিয়ারঘোনা-গর্জনিয়া সড়ক : লাখো মানুষের ভোগান্তি

আপডেট সময় : ০১:৪৮:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও আলোর মূখ দেখেনি রামুর উখিয়ারঘোনা-গর্জনিয়া সড়ক। ১১ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সম্ভাবনাময় সড়কের কিছু অংশ পাকা হলেও, এখনও পাহাড়ি এলাকাসহ ৩ কিলোমিটার অংশ কাঁচা ও চলাচলের অনুপযোগী অবস্থায় রয়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থার এই ধীরগতির কারণে স্থানীয়দের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

পাশাপাশি দুর্গম গর্জনিয়া, কচ্ছপিয়া, ঈদগড় ও বাইশারী এলাকার উৎপাদিত বিপুল পরিমাণ কৃষিপণ্য সহজে রামু ও কক্সবাজার সদরে সরবরাহ করা কঠিন হয়ে পড়ছে।

সরেজমিনে দেখা যায়- রাস্তাটি সম্পূর্ণ নির্মিত হলে রামু সদরে যাতায়াতের দূরত্ব প্রায় ১০ কিলোমিটার কমে আসবে। বর্তমানে বিকল্প দীর্ঘ ২০ কিলোমিটার পথ ঘুরে পার্বত্য নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা হয়ে যাতায়াত করতে হয়। যার ফলে স্থানীয়দের অতিরিক্ত সময় এবং ভাড়া গুনতে হচ্ছে। কৃষক ও ব্যবসায়ীদের দিতে হচ্ছে পার্বত্য টেক্সও।

স্থানীয় প্রবীন ব্যাক্তিরা জানিয়েছেন- বৃহত্তর গর্জনিয়ার প্রয়াত চেয়ারম্যান ইসলাম মিয়া চৌধুরী দেশ স্বাধীনের পূর্বেই অনুধাবন করেছিলেন রামুর উখিয়ারঘোনা-গর্জনিয়া সড়কের গুরুত্ব। সেই সময় কাজও শুরু করেছিলেন তিনি। কিন্তু ১৯৬৬ সালে আঁতাতায়ীর গুলিতে ইসলাম মিয়া চৌধুরী মারা গেলে সড়কের কাজ থেমে যায়। স্বাধীনতার পর তৈয়ব উল্লাহ চৌধুরী গর্জনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে এ সড়কের কাজে আবারও হাত দেন। কিন্তু নানা জটিলতায় তিনিও সড়কের কাজটি কাঙ্খিতভাবে সম্পন্ন করতে পারেননি।

রামু উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ফজলুল্লাহ মোহাম্মদ হাসান জানিয়েছেন- রামু খিজারি হাইস্কুল মাঠে জনসভায় ১৯৭৯ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান রামুর উখিয়ারঘোনা-গর্জনিয়া সড়ক পাকাকরণের জন্য তৎকালীন এক কোটি টাকা ঘোষণা করেছিলেন। যা বর্তমান সময়ে এসে দাঁড়ায় ৩০ কোটির উপরে। সেই ঘোষণাটি এখন বাস্তবায়নের সময় এসেছে।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এবং উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুর্গম অংশ ও পাহাড়ি এলাকা সংস্কারের জন্য বিশেষ প্রকল্প প্রস্তাব পাঠানো হলেও পুরোপুরি বাস্তবায়নের অনুমতির অপেক্ষায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন।