ঢাকা ০২:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শারদীয় দূর্গোৎসব সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উদযাপনে সর্বদলীয় মতবিনিময় সভা প্রকাশিত সংবাদের ব্যাপারে রামু সরকারি কলেজের সহকারি অধ্যাপক শহীদুল হক কাজলের বক্তব্য কুতুবদিয়ায় বিসিবির বয়সভিত্তিক ক্রিকেটার বাছাই, দুই শতাধিক খেলোয়াড়ের অংশগ্রহণ মানবসেবার তিন দশক: কক্সবাজার সদরের শ্রেষ্ঠ সিপিপি স্বেচ্ছাসেবক চৌফলদন্ডির হালিমা বেগম লবণসহিষ্ণু জাতে সাফল্য, কক্সবাজারের লবণ মাঠে হচ্ছে ধান চাষ বারবাকিয়ায় ১১ কিলোমিটার গ্রামীণ সড়ক উন্নয়নে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ডিও, এলাকাজুড়ে স্বস্তি পুণরায় ফুটপাত দখল করলে আইনের আওতায় আনা হবে:ইউএনও চকরিয়া লোহাগাড়ায় নারী শিক্ষার্থীর সঙ্গে অশোভন আচরণ, যুবক আটক বিশ্ব মান দিবসের আলোচনা সভা, অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার আহবান উখিয়ায় খালে ড্রেজার মেশিন দিয়ে কোটি টাকার বালু উত্তোলন, ধ্বংস হচ্ছে পরিবেশ, নিরব ভূমিকায় প্রশাসন খুনিয়াপালংয়ে বালু উত্তোলন : ড্রেজার ও পাইপ জব্দ কক্সবাজার–মহেশখালী নৌপথে সি-ট্রাকের ভাড়া পুনর্নির্ধারণ, সর্বনিম্ন ৩৫ টাকা মাতারবাড়ী বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও সমুদ্রবন্দর পরিদর্শন করলেন প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ সাকি ২৬ অক্টোবর থেকে কক্সবাজার যাবে মহানগর এক্সপ্রেস, থামবে যেসব স্টেশনে লামায় স্কুলে যাওয়ার পথে নিখোঁজ ৩ কিশোরী, তিন দিনেও মেলেনি সন্ধান

স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও আলোর মূখ দেখেনি উখিয়ারঘোনা-গর্জনিয়া সড়ক : লাখো মানুষের ভোগান্তি

স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও আলোর মূখ দেখেনি রামুর উখিয়ারঘোনা-গর্জনিয়া সড়ক। ১১ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সম্ভাবনাময় সড়কের কিছু অংশ পাকা হলেও, এখনও পাহাড়ি এলাকাসহ ৩ কিলোমিটার অংশ কাঁচা ও চলাচলের অনুপযোগী অবস্থায় রয়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থার এই ধীরগতির কারণে স্থানীয়দের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

পাশাপাশি দুর্গম গর্জনিয়া, কচ্ছপিয়া, ঈদগড় ও বাইশারী এলাকার উৎপাদিত বিপুল পরিমাণ কৃষিপণ্য সহজে রামু ও কক্সবাজার সদরে সরবরাহ করা কঠিন হয়ে পড়ছে।

সরেজমিনে দেখা যায়- রাস্তাটি সম্পূর্ণ নির্মিত হলে রামু সদরে যাতায়াতের দূরত্ব প্রায় ১০ কিলোমিটার কমে আসবে। বর্তমানে বিকল্প দীর্ঘ ২০ কিলোমিটার পথ ঘুরে পার্বত্য নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা হয়ে যাতায়াত করতে হয়। যার ফলে স্থানীয়দের অতিরিক্ত সময় এবং ভাড়া গুনতে হচ্ছে। কৃষক ও ব্যবসায়ীদের দিতে হচ্ছে পার্বত্য টেক্সও।

স্থানীয় প্রবীন ব্যাক্তিরা জানিয়েছেন- বৃহত্তর গর্জনিয়ার প্রয়াত চেয়ারম্যান ইসলাম মিয়া চৌধুরী দেশ স্বাধীনের পূর্বেই অনুধাবন করেছিলেন রামুর উখিয়ারঘোনা-গর্জনিয়া সড়কের গুরুত্ব। সেই সময় কাজও শুরু করেছিলেন তিনি। কিন্তু ১৯৬৬ সালে আঁতাতায়ীর গুলিতে ইসলাম মিয়া চৌধুরী মারা গেলে সড়কের কাজ থেমে যায়। স্বাধীনতার পর তৈয়ব উল্লাহ চৌধুরী গর্জনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে এ সড়কের কাজে আবারও হাত দেন। কিন্তু নানা জটিলতায় তিনিও সড়কের কাজটি কাঙ্খিতভাবে সম্পন্ন করতে পারেননি।

রামু উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ফজলুল্লাহ মোহাম্মদ হাসান জানিয়েছেন- রামু খিজারি হাইস্কুল মাঠে জনসভায় ১৯৭৯ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান রামুর উখিয়ারঘোনা-গর্জনিয়া সড়ক পাকাকরণের জন্য তৎকালীন এক কোটি টাকা ঘোষণা করেছিলেন। যা বর্তমান সময়ে এসে দাঁড়ায় ৩০ কোটির উপরে। সেই ঘোষণাটি এখন বাস্তবায়নের সময় এসেছে।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এবং উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুর্গম অংশ ও পাহাড়ি এলাকা সংস্কারের জন্য বিশেষ প্রকল্প প্রস্তাব পাঠানো হলেও পুরোপুরি বাস্তবায়নের অনুমতির অপেক্ষায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

শারদীয় দূর্গোৎসব সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উদযাপনে সর্বদলীয় মতবিনিময় সভা

স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও আলোর মূখ দেখেনি উখিয়ারঘোনা-গর্জনিয়া সড়ক : লাখো মানুষের ভোগান্তি

আপডেট সময় : ০১:৪৮:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও আলোর মূখ দেখেনি রামুর উখিয়ারঘোনা-গর্জনিয়া সড়ক। ১১ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সম্ভাবনাময় সড়কের কিছু অংশ পাকা হলেও, এখনও পাহাড়ি এলাকাসহ ৩ কিলোমিটার অংশ কাঁচা ও চলাচলের অনুপযোগী অবস্থায় রয়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থার এই ধীরগতির কারণে স্থানীয়দের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

পাশাপাশি দুর্গম গর্জনিয়া, কচ্ছপিয়া, ঈদগড় ও বাইশারী এলাকার উৎপাদিত বিপুল পরিমাণ কৃষিপণ্য সহজে রামু ও কক্সবাজার সদরে সরবরাহ করা কঠিন হয়ে পড়ছে।

সরেজমিনে দেখা যায়- রাস্তাটি সম্পূর্ণ নির্মিত হলে রামু সদরে যাতায়াতের দূরত্ব প্রায় ১০ কিলোমিটার কমে আসবে। বর্তমানে বিকল্প দীর্ঘ ২০ কিলোমিটার পথ ঘুরে পার্বত্য নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা হয়ে যাতায়াত করতে হয়। যার ফলে স্থানীয়দের অতিরিক্ত সময় এবং ভাড়া গুনতে হচ্ছে। কৃষক ও ব্যবসায়ীদের দিতে হচ্ছে পার্বত্য টেক্সও।

স্থানীয় প্রবীন ব্যাক্তিরা জানিয়েছেন- বৃহত্তর গর্জনিয়ার প্রয়াত চেয়ারম্যান ইসলাম মিয়া চৌধুরী দেশ স্বাধীনের পূর্বেই অনুধাবন করেছিলেন রামুর উখিয়ারঘোনা-গর্জনিয়া সড়কের গুরুত্ব। সেই সময় কাজও শুরু করেছিলেন তিনি। কিন্তু ১৯৬৬ সালে আঁতাতায়ীর গুলিতে ইসলাম মিয়া চৌধুরী মারা গেলে সড়কের কাজ থেমে যায়। স্বাধীনতার পর তৈয়ব উল্লাহ চৌধুরী গর্জনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে এ সড়কের কাজে আবারও হাত দেন। কিন্তু নানা জটিলতায় তিনিও সড়কের কাজটি কাঙ্খিতভাবে সম্পন্ন করতে পারেননি।

রামু উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ফজলুল্লাহ মোহাম্মদ হাসান জানিয়েছেন- রামু খিজারি হাইস্কুল মাঠে জনসভায় ১৯৭৯ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান রামুর উখিয়ারঘোনা-গর্জনিয়া সড়ক পাকাকরণের জন্য তৎকালীন এক কোটি টাকা ঘোষণা করেছিলেন। যা বর্তমান সময়ে এসে দাঁড়ায় ৩০ কোটির উপরে। সেই ঘোষণাটি এখন বাস্তবায়নের সময় এসেছে।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এবং উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুর্গম অংশ ও পাহাড়ি এলাকা সংস্কারের জন্য বিশেষ প্রকল্প প্রস্তাব পাঠানো হলেও পুরোপুরি বাস্তবায়নের অনুমতির অপেক্ষায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন।