ঢাকা ১০:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালে দু’র্ঘ’ট’না, বিমানবাহিনীর ৩ সদস্য নি’হ’ত শক্তিশালী টেকনাফকে হারিয়ে ফাইনালে রামু : ম্যান অব দ্যা ম্যাচ কৌশিক বড়ুয়া প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনে কক্সবাজার জেলা বিএনপির সভা: দিনব্যাপী কর্মসূচি পালনের প্রস্তুতি চকরিয়ায় বাসে তল্লাশি : ইয়াবাসহ ২ রোহিঙ্গা যুবক আটক আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিলেন মেসি উজানটিয়া বেড়িবাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ অংশে বসানো হচ্ছে জিও ব্যাগ, এলাকাজুড়ে স্বস্তি সভাপতির ‘না’,সেক্রেটারির ‘হ্যাঁ’ : মিলনায়তনে সীরাতুন্নবী (সা:) মাহফিল আয়োজন নিয়ে আইনজীবী সমিতির বিতর্ক কক্সবাজার সৈকতে স্থাপনা নির্মাণ: ডিসিসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা কক্সবাজারে জমি রেজিস্ট্রেশনে ডিসির অনুমতি বাতিলে প্রধানমন্ত্রীর কাছে এমপি শাহজাহান চৌধুরীর চিঠি উখিয়ার বরেণ্য আলেম আলিম উদ্দিন পীরের জানাযা সম্পন্ন চিরকুট পাঠালেই পুলিশ পৌঁছাবে ঠিকানায়: উখিয়ায় অপরাধ দমনে নতুন উদ্যোগ পুলিশী হেফাজতে থাকা সাবেক মেয়র আলমগীর চৌধুরী অসুস্থ : চমেকে প্রেরণ টেকনাফের বাহারছড়ায় ৫০ লিটার দেশীয় মদসহ আটক ১ পেকুয়ায় পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, ৪ সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত

স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও আলোর মূখ দেখেনি উখিয়ারঘোনা-গর্জনিয়া সড়ক : লাখো মানুষের ভোগান্তি

স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও আলোর মূখ দেখেনি রামুর উখিয়ারঘোনা-গর্জনিয়া সড়ক। ১১ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সম্ভাবনাময় সড়কের কিছু অংশ পাকা হলেও, এখনও পাহাড়ি এলাকাসহ ৩ কিলোমিটার অংশ কাঁচা ও চলাচলের অনুপযোগী অবস্থায় রয়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থার এই ধীরগতির কারণে স্থানীয়দের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

পাশাপাশি দুর্গম গর্জনিয়া, কচ্ছপিয়া, ঈদগড় ও বাইশারী এলাকার উৎপাদিত বিপুল পরিমাণ কৃষিপণ্য সহজে রামু ও কক্সবাজার সদরে সরবরাহ করা কঠিন হয়ে পড়ছে।

সরেজমিনে দেখা যায়- রাস্তাটি সম্পূর্ণ নির্মিত হলে রামু সদরে যাতায়াতের দূরত্ব প্রায় ১০ কিলোমিটার কমে আসবে। বর্তমানে বিকল্প দীর্ঘ ২০ কিলোমিটার পথ ঘুরে পার্বত্য নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা হয়ে যাতায়াত করতে হয়। যার ফলে স্থানীয়দের অতিরিক্ত সময় এবং ভাড়া গুনতে হচ্ছে। কৃষক ও ব্যবসায়ীদের দিতে হচ্ছে পার্বত্য টেক্সও।

স্থানীয় প্রবীন ব্যাক্তিরা জানিয়েছেন- বৃহত্তর গর্জনিয়ার প্রয়াত চেয়ারম্যান ইসলাম মিয়া চৌধুরী দেশ স্বাধীনের পূর্বেই অনুধাবন করেছিলেন রামুর উখিয়ারঘোনা-গর্জনিয়া সড়কের গুরুত্ব। সেই সময় কাজও শুরু করেছিলেন তিনি। কিন্তু ১৯৬৬ সালে আঁতাতায়ীর গুলিতে ইসলাম মিয়া চৌধুরী মারা গেলে সড়কের কাজ থেমে যায়। স্বাধীনতার পর তৈয়ব উল্লাহ চৌধুরী গর্জনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে এ সড়কের কাজে আবারও হাত দেন। কিন্তু নানা জটিলতায় তিনিও সড়কের কাজটি কাঙ্খিতভাবে সম্পন্ন করতে পারেননি।

রামু উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ফজলুল্লাহ মোহাম্মদ হাসান জানিয়েছেন- রামু খিজারি হাইস্কুল মাঠে জনসভায় ১৯৭৯ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান রামুর উখিয়ারঘোনা-গর্জনিয়া সড়ক পাকাকরণের জন্য তৎকালীন এক কোটি টাকা ঘোষণা করেছিলেন। যা বর্তমান সময়ে এসে দাঁড়ায় ৩০ কোটির উপরে। সেই ঘোষণাটি এখন বাস্তবায়নের সময় এসেছে।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এবং উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুর্গম অংশ ও পাহাড়ি এলাকা সংস্কারের জন্য বিশেষ প্রকল্প প্রস্তাব পাঠানো হলেও পুরোপুরি বাস্তবায়নের অনুমতির অপেক্ষায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন।

ট্যাগ :

শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালে দু’র্ঘ’ট’না, বিমানবাহিনীর ৩ সদস্য নি’হ’ত

স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও আলোর মূখ দেখেনি উখিয়ারঘোনা-গর্জনিয়া সড়ক : লাখো মানুষের ভোগান্তি

আপডেট সময় : ০১:৪৮:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও আলোর মূখ দেখেনি রামুর উখিয়ারঘোনা-গর্জনিয়া সড়ক। ১১ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সম্ভাবনাময় সড়কের কিছু অংশ পাকা হলেও, এখনও পাহাড়ি এলাকাসহ ৩ কিলোমিটার অংশ কাঁচা ও চলাচলের অনুপযোগী অবস্থায় রয়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থার এই ধীরগতির কারণে স্থানীয়দের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

পাশাপাশি দুর্গম গর্জনিয়া, কচ্ছপিয়া, ঈদগড় ও বাইশারী এলাকার উৎপাদিত বিপুল পরিমাণ কৃষিপণ্য সহজে রামু ও কক্সবাজার সদরে সরবরাহ করা কঠিন হয়ে পড়ছে।

সরেজমিনে দেখা যায়- রাস্তাটি সম্পূর্ণ নির্মিত হলে রামু সদরে যাতায়াতের দূরত্ব প্রায় ১০ কিলোমিটার কমে আসবে। বর্তমানে বিকল্প দীর্ঘ ২০ কিলোমিটার পথ ঘুরে পার্বত্য নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা হয়ে যাতায়াত করতে হয়। যার ফলে স্থানীয়দের অতিরিক্ত সময় এবং ভাড়া গুনতে হচ্ছে। কৃষক ও ব্যবসায়ীদের দিতে হচ্ছে পার্বত্য টেক্সও।

স্থানীয় প্রবীন ব্যাক্তিরা জানিয়েছেন- বৃহত্তর গর্জনিয়ার প্রয়াত চেয়ারম্যান ইসলাম মিয়া চৌধুরী দেশ স্বাধীনের পূর্বেই অনুধাবন করেছিলেন রামুর উখিয়ারঘোনা-গর্জনিয়া সড়কের গুরুত্ব। সেই সময় কাজও শুরু করেছিলেন তিনি। কিন্তু ১৯৬৬ সালে আঁতাতায়ীর গুলিতে ইসলাম মিয়া চৌধুরী মারা গেলে সড়কের কাজ থেমে যায়। স্বাধীনতার পর তৈয়ব উল্লাহ চৌধুরী গর্জনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে এ সড়কের কাজে আবারও হাত দেন। কিন্তু নানা জটিলতায় তিনিও সড়কের কাজটি কাঙ্খিতভাবে সম্পন্ন করতে পারেননি।

রামু উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ফজলুল্লাহ মোহাম্মদ হাসান জানিয়েছেন- রামু খিজারি হাইস্কুল মাঠে জনসভায় ১৯৭৯ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান রামুর উখিয়ারঘোনা-গর্জনিয়া সড়ক পাকাকরণের জন্য তৎকালীন এক কোটি টাকা ঘোষণা করেছিলেন। যা বর্তমান সময়ে এসে দাঁড়ায় ৩০ কোটির উপরে। সেই ঘোষণাটি এখন বাস্তবায়নের সময় এসেছে।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এবং উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুর্গম অংশ ও পাহাড়ি এলাকা সংস্কারের জন্য বিশেষ প্রকল্প প্রস্তাব পাঠানো হলেও পুরোপুরি বাস্তবায়নের অনুমতির অপেক্ষায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন।