ঢাকা ১১:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চ মাতাবেন বাংলাদেশি তারকা সঞ্জয় দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে বহিষ্কৃত নেতার অপপ্রচারে কক্সবাজার যুবদলের ব্যাখ্যা টেকনাফ পৌর জামায়াতের সভায় জেলা আমীর আনোয়ারী – “সীমান্ত জনপদের অধিবাসীরা আতঙ্কে দিনাতিপাত করছে “ কক্সবাজারে মানব পাচার প্রতিরোধে সমন্বয় সভা: সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান ১৯৭৯ সালে রেজুখালে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বিরল আলোকচিত্র নৌপরিবহন খাতের আধুনিকায়নে মাতারবাড়ী ও বে-টার্মিনাল নির্মাণে জোর পর্যটন খাতে জিডিপিতে ৭ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ ‘ছাত্রলীগ’ ট্যাগ দিয়ে চকরিয়ায় সাংবাদিক রাজু ও তার পরিবারকে হেনস্থা : ক্র্যাকের নিন্দা লামায় বিধবা নারীকে ধর্ষণচেষ্টা ও তার শিশু সন্তান অপহরণের চেষ্টা দি কক্সবাজার কোয়েশ্চেন : সমুদ্র, সভ্যতা এবং রাষ্ট্র’র সংকট মদের দাম বাড়ল জেনে নিন ২০২৬ বিশ্বকাপে প্রথমবার চালু হওয়া একগুচ্ছ নতুন নিয়ম মাছ চাষের আড়ালে অবৈধ বালু উত্তোলন, বিদ্যুৎস্পৃষ্টে রোহিঙ্গা শ্রমিকের মৃত্যু জেনে নিন ২০২৬ বিশ্বকাপে প্রথমবার চালু হওয়া একগুচ্ছ নতুন নিয়ম কক্সবাজারের তরুণ-যুবসমাজের পক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর সাবেক ছাত্রনেতা রিপনের দাবি

১৯৭৯ সালে রেজুখালে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বিরল আলোকচিত্র

সালটা ১৯৭৯। তারিখটা ৫ ডিসেম্বর। একটা দূর্লভ ছবি। রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান কক্সবাজার জেলার উখিয়া উপজেলার রেজু খাল এলাকায় অনুষ্ঠিত একটি রাষ্ট্রীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি তে অংশ নেয়। এ সময় ছবিটি ধারণ করা হয়েছিল। কক্সবাজারের বিশিষ্ট রাজনীতিক প্রয়াত আনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরী এসময় সাথে ছিলেন। আনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরীর পারিবারিক সংগ্রহ থেকে এই দূর্লভ ছবিটি পাওয়া গেছে।

​তৎকালীন সময়ে দেশের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও গ্রামীণ জনপদের সামগ্রিক উন্নয়নের লক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের বিভিন্ন অঞ্চল সফর করতেন এবং সরাসরি জনসাধারণের সাথে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে অংশ নিতেন। উখিয়ার ইনজিলখালির এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিও ছিল সেই ধারাবাহিক পরিকল্পনারই একটি অংশ। আলোকচিত্রে রাষ্ট্রপতির ঠিক পাশেই অবস্থান করতে দেখা যাচ্ছে কক্সবাজারের তৎকালীন তরুণ ও প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মরহুম আনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরীকে।

​রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে অত্যন্ত জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব আনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরী ১৯৮৫ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত কক্সবাজার জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তিনি উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে পাঁচবার নির্বাচিত হয়েছিলেন। এলাকার রাস্তাঘাট, শিক্ষা বিস্তার, সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন এবং স্থানীয় মানুষের অধিকার আদায়ে তাঁর অবদান কক্সবাজারের ইতিহাসে আজও চিরস্মরণীয় হয়ে আছে।

​দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে আনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরীর পারিবারিক আর্কাইভে সংরক্ষিত থাকা এই আলোকচিত্রটি কেবল একটি ফ্রেমবন্দি মুহূর্ত নয়, বরং এটি তৎকালীন বাংলাদেশের উন্নয়ন-চিন্তা, পরিবেশ সচেতনতা এবং স্থানীয় নেতৃত্বের সাথে জাতীয় নেতৃত্বের গভীর মেলবন্ধনের এক অনন্য ঐতিহাসিক স্মারক বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চ মাতাবেন বাংলাদেশি তারকা সঞ্জয়

১৯৭৯ সালে রেজুখালে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বিরল আলোকচিত্র

আপডেট সময় : ০৯:৫২:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

সালটা ১৯৭৯। তারিখটা ৫ ডিসেম্বর। একটা দূর্লভ ছবি। রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান কক্সবাজার জেলার উখিয়া উপজেলার রেজু খাল এলাকায় অনুষ্ঠিত একটি রাষ্ট্রীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি তে অংশ নেয়। এ সময় ছবিটি ধারণ করা হয়েছিল। কক্সবাজারের বিশিষ্ট রাজনীতিক প্রয়াত আনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরী এসময় সাথে ছিলেন। আনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরীর পারিবারিক সংগ্রহ থেকে এই দূর্লভ ছবিটি পাওয়া গেছে।

​তৎকালীন সময়ে দেশের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও গ্রামীণ জনপদের সামগ্রিক উন্নয়নের লক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের বিভিন্ন অঞ্চল সফর করতেন এবং সরাসরি জনসাধারণের সাথে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে অংশ নিতেন। উখিয়ার ইনজিলখালির এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিও ছিল সেই ধারাবাহিক পরিকল্পনারই একটি অংশ। আলোকচিত্রে রাষ্ট্রপতির ঠিক পাশেই অবস্থান করতে দেখা যাচ্ছে কক্সবাজারের তৎকালীন তরুণ ও প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মরহুম আনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরীকে।

​রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে অত্যন্ত জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব আনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরী ১৯৮৫ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত কক্সবাজার জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তিনি উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে পাঁচবার নির্বাচিত হয়েছিলেন। এলাকার রাস্তাঘাট, শিক্ষা বিস্তার, সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন এবং স্থানীয় মানুষের অধিকার আদায়ে তাঁর অবদান কক্সবাজারের ইতিহাসে আজও চিরস্মরণীয় হয়ে আছে।

​দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে আনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরীর পারিবারিক আর্কাইভে সংরক্ষিত থাকা এই আলোকচিত্রটি কেবল একটি ফ্রেমবন্দি মুহূর্ত নয়, বরং এটি তৎকালীন বাংলাদেশের উন্নয়ন-চিন্তা, পরিবেশ সচেতনতা এবং স্থানীয় নেতৃত্বের সাথে জাতীয় নেতৃত্বের গভীর মেলবন্ধনের এক অনন্য ঐতিহাসিক স্মারক বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।