ঢাকা ০৫:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ আসছেন কক্সবাজার : যাবেন টেকনাফ,কুতুবদিয়া ও পেকুয়ায় ৩ দিনের সফরে কক্সবাজার আসছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী ১ দিনের সফরে কক্সবাজার আসছেন পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি ঈদগড় ইউপি নির্বাচনে সৌদি প্রবাসী মঈন উদ্দিনের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থিতা ঘোষণা কক্সবাজারে পুলিশের বিশেষ অভিযান : গ্রেপ্তার ১০ মহেশখালীতে স্কুলছাত্রকে ডিশের ক্যাবল দিয়ে পিটিয়ে জখম করলো শিক্ষক, থানায় অভিযোগ হঠাৎ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পরিস্থিতি দেখতে ৮ এপিবিএনের অধিনায়ক, যা বললেন রাস্তা পার হতে গিয়ে গাড়ির ধাক্কা, ঘটনাস্থলেই শিশুর মৃত্যু ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বে মানসিক চাপ, সৌদি আরবে লোহাগাড়ার যুবকের মরদেহ উদ্ধার লোহাগাড়ায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় চার যুবক গ্রেপ্তার, আদালতে সোপর্দ চাকরি দেয়ার নামে কিশোর অপহরণ : উখিয়ায় মানবপাচার চক্রের ২ সদস্য গ্রেপ্তার পুলিশ সুপারের বক্তব্যের নিন্দা কক্সবাজার আইনজীবী সমিতির : জেলা জজকে অবহিত করার সিদ্ধান্ত বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, কক্সবাজারে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত হত্যা মামলার আসামি মুহুরি পাড়ার ছৈয়দ আলম গ্রেপ্তার কক্সবাজারে সাইবার মামলায় ৬ বিদেশির ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

কক্সবাজারে চিত্রকর্ম প্রদর্শনী “আন্তঃযোগ”

কক্সবাজারে শুরু হয়েছে সপ্তাহব্যাপী চিত্রকর্ম প্রদর্শনী “আন্তঃযোগ”, যেখানে প্রদর্শিত হচ্ছে ১৯টি অনন্য শিল্পকর্ম। শনিবার (১৪ জুন) বিকেলে কক্সবাজার শহরের বাহারছড়ায় সিভিল সার্জনের বাসভবনের বিপরীতে অবস্থিত আর্টস্পেস বাংলাদেশের অফিসে এই প্রদর্শনীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। প্রদর্শনীটির আয়োজন করেছে আর্টস্পেস বাংলাদেশ, টেরাকোটা ক্রিয়েটিভস এবং ছোটো স্টুডিও। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিল্প ও সংস্কৃতি পৃষ্ঠপোষক শহীদ উল্লাহ্।

প্রদর্শনীটি চলবে ২১ জুন পর্যন্ত এবং প্রতিদিনই বিকেল ৪ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত উন্মুক্ত থাকবে আগ্রহী দর্শনার্থীদের জন্য।

আর্টস্পেস বাংলাদেশের পরিচালক শায়লা সিরাজ জানান, প্রদর্শিত ১৯টি শিল্পকর্ম সৃষ্টি হয়েছে ৮ জুন টেকনাফের শামলাপুর গ্রামে আয়োজিত একটি ব্যতিক্রমধর্মী আর্ট ক্যাম্পের মাধ্যমে, যার শিরোনাম ছিল “শামলাপুরে আর্টস্পেসিং”। এই ক্যাম্পে দেশজুড়ে আসা শিল্পী ও শিল্পপ্রেমীরা স্থানীয় শিশু-কিশোরদের সঙ্গে একটি ইন্টারঅ্যাকটিভ আর্ট সেশন পরিচালনা করেন।

স্থানীয় অনেক অংশগ্রহণকারীর জন্য এটি ছিল শিল্পের সঙ্গে প্রথম সরাসরি যোগাযোগ। এই অভিজ্ঞতা তাদের কল্পনার জগৎকে প্রসারিত করেছে এবং নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে। পারস্পরিক বিনিময়, আলোচনার সুযোগ ও সহমর্মিতার মধ্য দিয়ে শিল্প ও সমাজের একটি আন্তঃসম্পর্ক গড়ে তোলাই ছিল এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।

প্রদর্শনী ঘিরে ছিল সংগীত পরিবেশনার আয়োজনও। প্রথম দিন থেকেই উৎসাহী দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখর ছিল প্রদর্শনীর প্রাঙ্গণ। দর্শনার্থীরা শিল্পকর্ম দেখে অভিভূত ও সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।

এই প্রদর্শনী শুধু শিল্প প্রদর্শনের একটি মাধ্যম নয়, বরং একটি বৃহত্তর সামাজিক সংলাপের মঞ্চ, যেখানে শিল্পী, দর্শক ও স্থানীয় জনসাধারণের মাঝে তৈরি হয়েছে আন্তঃযোগ—সংযোগ ও সহমর্মিতার এক সৃজনশীল সেতুবন্ধন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ আসছেন কক্সবাজার : যাবেন টেকনাফ,কুতুবদিয়া ও পেকুয়ায়

কক্সবাজারে চিত্রকর্ম প্রদর্শনী “আন্তঃযোগ”

আপডেট সময় : ১১:৫৫:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ জুন ২০২৫

কক্সবাজারে শুরু হয়েছে সপ্তাহব্যাপী চিত্রকর্ম প্রদর্শনী “আন্তঃযোগ”, যেখানে প্রদর্শিত হচ্ছে ১৯টি অনন্য শিল্পকর্ম। শনিবার (১৪ জুন) বিকেলে কক্সবাজার শহরের বাহারছড়ায় সিভিল সার্জনের বাসভবনের বিপরীতে অবস্থিত আর্টস্পেস বাংলাদেশের অফিসে এই প্রদর্শনীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। প্রদর্শনীটির আয়োজন করেছে আর্টস্পেস বাংলাদেশ, টেরাকোটা ক্রিয়েটিভস এবং ছোটো স্টুডিও। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিল্প ও সংস্কৃতি পৃষ্ঠপোষক শহীদ উল্লাহ্।

প্রদর্শনীটি চলবে ২১ জুন পর্যন্ত এবং প্রতিদিনই বিকেল ৪ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত উন্মুক্ত থাকবে আগ্রহী দর্শনার্থীদের জন্য।

আর্টস্পেস বাংলাদেশের পরিচালক শায়লা সিরাজ জানান, প্রদর্শিত ১৯টি শিল্পকর্ম সৃষ্টি হয়েছে ৮ জুন টেকনাফের শামলাপুর গ্রামে আয়োজিত একটি ব্যতিক্রমধর্মী আর্ট ক্যাম্পের মাধ্যমে, যার শিরোনাম ছিল “শামলাপুরে আর্টস্পেসিং”। এই ক্যাম্পে দেশজুড়ে আসা শিল্পী ও শিল্পপ্রেমীরা স্থানীয় শিশু-কিশোরদের সঙ্গে একটি ইন্টারঅ্যাকটিভ আর্ট সেশন পরিচালনা করেন।

স্থানীয় অনেক অংশগ্রহণকারীর জন্য এটি ছিল শিল্পের সঙ্গে প্রথম সরাসরি যোগাযোগ। এই অভিজ্ঞতা তাদের কল্পনার জগৎকে প্রসারিত করেছে এবং নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে। পারস্পরিক বিনিময়, আলোচনার সুযোগ ও সহমর্মিতার মধ্য দিয়ে শিল্প ও সমাজের একটি আন্তঃসম্পর্ক গড়ে তোলাই ছিল এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।

প্রদর্শনী ঘিরে ছিল সংগীত পরিবেশনার আয়োজনও। প্রথম দিন থেকেই উৎসাহী দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখর ছিল প্রদর্শনীর প্রাঙ্গণ। দর্শনার্থীরা শিল্পকর্ম দেখে অভিভূত ও সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।

এই প্রদর্শনী শুধু শিল্প প্রদর্শনের একটি মাধ্যম নয়, বরং একটি বৃহত্তর সামাজিক সংলাপের মঞ্চ, যেখানে শিল্পী, দর্শক ও স্থানীয় জনসাধারণের মাঝে তৈরি হয়েছে আন্তঃযোগ—সংযোগ ও সহমর্মিতার এক সৃজনশীল সেতুবন্ধন।