ঢাকা ০৪:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উখিয়ার হারেসের সুরে মুগ্ধ নেট দুনিয়া,সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার দাবী কক্সবাজারে শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের স্বীকৃতি: জাতিসংঘের প্ল্যাটফর্মে ফিচারড SURGE Bangladesh শহরের কুতুবদিয়া পাড়ার আলোচিত রোজিনাকে আটক করেছে পুলিশ বিয়ের অতিথি ১০০ ছাড়ালে জনপ্রতি ১০০০ টাকা ট্যাক্স বসানোর দাবি এমপির বাংলাদেশকে নিষিদ্ধ করতে আইসিসিতে চিঠি সাবেক বিসিবি সভাপতির টেকনাফে সড়কের দুই পাশে কলেমা লেখা সাদা পতাকা আ’র’কা’ন আ’র্মি প্রধানের বাংলাদেশে চিকিৎসা নেওয়ার খবর কতটুকু সত্য? মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি রোজিনা গ্রেপ্তার কক্সবাজার জেলা জামায়াত আমীরের উদ্যোগে মুক্ত হলো হাসপাতাল বিলের জন্য আটকে থাকা রিয়াজের মরদেহ মায়ানমারে পাচারকালে সিমেন্ট বোঝাই দুটি বোটসহ ২১ জনকে আটক করেছে নৌবাহিনী সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত আর্জেন্টিনা সমর্থকদের সবুজ উদ্যোগ -কক্সবাজারে ১ হাজার গাছের চারা রোপণ ও বিতরণ মহেশখালীতে বাচ্চুর ঘনিষ্ঠ সহযোগী দুই হত্যা চেষ্টা মামলার পলাতক আসামি অহিদুল গ্রেপ্তার  কক্সবাজার সদর থানায় শর্ট সার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ড, অল্প সময়েই নিয়ন্ত্রণে আগুন ​”ব্লাড ক্যান্সারে মারা যাওয়া টেকনাফের শিক্ষার্থী রিয়াজের মরদেহ আটকে আছে হাসপাতালে, সাহায্যের আবেদন

কক্সবাজারে চিত্রকর্ম প্রদর্শনী “আন্তঃযোগ”

কক্সবাজারে শুরু হয়েছে সপ্তাহব্যাপী চিত্রকর্ম প্রদর্শনী “আন্তঃযোগ”, যেখানে প্রদর্শিত হচ্ছে ১৯টি অনন্য শিল্পকর্ম। শনিবার (১৪ জুন) বিকেলে কক্সবাজার শহরের বাহারছড়ায় সিভিল সার্জনের বাসভবনের বিপরীতে অবস্থিত আর্টস্পেস বাংলাদেশের অফিসে এই প্রদর্শনীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। প্রদর্শনীটির আয়োজন করেছে আর্টস্পেস বাংলাদেশ, টেরাকোটা ক্রিয়েটিভস এবং ছোটো স্টুডিও। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিল্প ও সংস্কৃতি পৃষ্ঠপোষক শহীদ উল্লাহ্।

প্রদর্শনীটি চলবে ২১ জুন পর্যন্ত এবং প্রতিদিনই বিকেল ৪ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত উন্মুক্ত থাকবে আগ্রহী দর্শনার্থীদের জন্য।

আর্টস্পেস বাংলাদেশের পরিচালক শায়লা সিরাজ জানান, প্রদর্শিত ১৯টি শিল্পকর্ম সৃষ্টি হয়েছে ৮ জুন টেকনাফের শামলাপুর গ্রামে আয়োজিত একটি ব্যতিক্রমধর্মী আর্ট ক্যাম্পের মাধ্যমে, যার শিরোনাম ছিল “শামলাপুরে আর্টস্পেসিং”। এই ক্যাম্পে দেশজুড়ে আসা শিল্পী ও শিল্পপ্রেমীরা স্থানীয় শিশু-কিশোরদের সঙ্গে একটি ইন্টারঅ্যাকটিভ আর্ট সেশন পরিচালনা করেন।

স্থানীয় অনেক অংশগ্রহণকারীর জন্য এটি ছিল শিল্পের সঙ্গে প্রথম সরাসরি যোগাযোগ। এই অভিজ্ঞতা তাদের কল্পনার জগৎকে প্রসারিত করেছে এবং নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে। পারস্পরিক বিনিময়, আলোচনার সুযোগ ও সহমর্মিতার মধ্য দিয়ে শিল্প ও সমাজের একটি আন্তঃসম্পর্ক গড়ে তোলাই ছিল এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।

প্রদর্শনী ঘিরে ছিল সংগীত পরিবেশনার আয়োজনও। প্রথম দিন থেকেই উৎসাহী দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখর ছিল প্রদর্শনীর প্রাঙ্গণ। দর্শনার্থীরা শিল্পকর্ম দেখে অভিভূত ও সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।

এই প্রদর্শনী শুধু শিল্প প্রদর্শনের একটি মাধ্যম নয়, বরং একটি বৃহত্তর সামাজিক সংলাপের মঞ্চ, যেখানে শিল্পী, দর্শক ও স্থানীয় জনসাধারণের মাঝে তৈরি হয়েছে আন্তঃযোগ—সংযোগ ও সহমর্মিতার এক সৃজনশীল সেতুবন্ধন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

উখিয়ার হারেসের সুরে মুগ্ধ নেট দুনিয়া,সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার দাবী

কক্সবাজারে চিত্রকর্ম প্রদর্শনী “আন্তঃযোগ”

আপডেট সময় : ১১:৫৫:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ জুন ২০২৫

কক্সবাজারে শুরু হয়েছে সপ্তাহব্যাপী চিত্রকর্ম প্রদর্শনী “আন্তঃযোগ”, যেখানে প্রদর্শিত হচ্ছে ১৯টি অনন্য শিল্পকর্ম। শনিবার (১৪ জুন) বিকেলে কক্সবাজার শহরের বাহারছড়ায় সিভিল সার্জনের বাসভবনের বিপরীতে অবস্থিত আর্টস্পেস বাংলাদেশের অফিসে এই প্রদর্শনীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। প্রদর্শনীটির আয়োজন করেছে আর্টস্পেস বাংলাদেশ, টেরাকোটা ক্রিয়েটিভস এবং ছোটো স্টুডিও। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিল্প ও সংস্কৃতি পৃষ্ঠপোষক শহীদ উল্লাহ্।

প্রদর্শনীটি চলবে ২১ জুন পর্যন্ত এবং প্রতিদিনই বিকেল ৪ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত উন্মুক্ত থাকবে আগ্রহী দর্শনার্থীদের জন্য।

আর্টস্পেস বাংলাদেশের পরিচালক শায়লা সিরাজ জানান, প্রদর্শিত ১৯টি শিল্পকর্ম সৃষ্টি হয়েছে ৮ জুন টেকনাফের শামলাপুর গ্রামে আয়োজিত একটি ব্যতিক্রমধর্মী আর্ট ক্যাম্পের মাধ্যমে, যার শিরোনাম ছিল “শামলাপুরে আর্টস্পেসিং”। এই ক্যাম্পে দেশজুড়ে আসা শিল্পী ও শিল্পপ্রেমীরা স্থানীয় শিশু-কিশোরদের সঙ্গে একটি ইন্টারঅ্যাকটিভ আর্ট সেশন পরিচালনা করেন।

স্থানীয় অনেক অংশগ্রহণকারীর জন্য এটি ছিল শিল্পের সঙ্গে প্রথম সরাসরি যোগাযোগ। এই অভিজ্ঞতা তাদের কল্পনার জগৎকে প্রসারিত করেছে এবং নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে। পারস্পরিক বিনিময়, আলোচনার সুযোগ ও সহমর্মিতার মধ্য দিয়ে শিল্প ও সমাজের একটি আন্তঃসম্পর্ক গড়ে তোলাই ছিল এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।

প্রদর্শনী ঘিরে ছিল সংগীত পরিবেশনার আয়োজনও। প্রথম দিন থেকেই উৎসাহী দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখর ছিল প্রদর্শনীর প্রাঙ্গণ। দর্শনার্থীরা শিল্পকর্ম দেখে অভিভূত ও সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।

এই প্রদর্শনী শুধু শিল্প প্রদর্শনের একটি মাধ্যম নয়, বরং একটি বৃহত্তর সামাজিক সংলাপের মঞ্চ, যেখানে শিল্পী, দর্শক ও স্থানীয় জনসাধারণের মাঝে তৈরি হয়েছে আন্তঃযোগ—সংযোগ ও সহমর্মিতার এক সৃজনশীল সেতুবন্ধন।