রামুর বাঁকখালী নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোজ স্কুলছাত্র মো. শাহীনের (১৫) মরদেহ উদ্ধারের পর জানাজার নামাজ সম্পন্ন হয়েছে।
বৃহস্পতিবার জুহুরের নামাজের পর সিকদার পাড়া জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে জানাজা শেষে মসজিদ সংলগ্ন কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।
বুধবার বিকেলে বন্ধুদের সাথে নদীতে গোসলে নেমে নিখোঁজ হয় কিশোর শাহীন।
ঘটনার পরে স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা অনেক খোঁজাখুজির পরেও উদ্ধার করতে সক্ষম হয়নি। নিখোঁজের প্রায় ১৫ ঘন্টা পর আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৭টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করে চট্টগ্রাম থেকে আসা ফায়ার সার্ভিসের বিশেষ ডুবুরি দল।
উদ্ধারের পর মরদেহ বাড়িতে আনলে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। মরদেহ দেখতে বাড়ি আঙ্গিনায় তাঁর সহপাঠী ও স্বজনদের ভিড় জমে।
মৃত শাহীন উপজেলার রাজারকুল ইউনিয়নের সিকদারপাড়া এলাকার প্রবাসী নুরুল আমিনের ছেলে। সে মনসুর আলী সিকদার উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
স্থানীয় যুবক রাসেল জানান, বুধবার বিকালে সিকদারপাড়া এলাকার বাদামতলী মাঠে কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে ফুটবল খেলছিল শাহীন। খেলা শেষে শাহীনসহ তিন বন্ধু পাশের বাঁকখালী নদীতে গোসল করতে নামে। একপর্যায়ে সে পানির নিচে তলিয়ে যায়। স্থানীয়রা নদীতে নেমে দীর্ঘ সময় ধরে খোঁজাখুঁজি করেও শাহীনের সন্ধান পাননি।
মনসুর আলী আইডিয়্যাল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল হাশেম বলেন, “ছাত্র হিসেবে সে অত্যন্ত ভালো ছিলো। তাঁর অকাল মৃত্যুতে আমরা খুবই মর্মাহত।”
রামু ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের স্টেশন অফিসার আব্দুল কাদের চৌধুরী জানিয়েছেন, প্রথমে রামু ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা উদ্ধার তৎপরতা চালায়। তবে টিমে ডুবুরি না থাকায় চট্টগ্রাম থেকে একটি ডুবুরি দলকে আনা হয়।
আনিস নাঈম: 























